দিনার দিরহামের হুযুর

রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম কি কোরআন হাদিস শিখিয়ে দিনার নিছেন? দিরহাম? নাউযুবিল্লাহ। 
মুসা য়ালাইহিস সালাম তাওরাত শিখিয়ে কিছু নিছেন? 
ঈসা য়ালাইহিস সালাম ইঞ্জিল শিখিয়ে? 
দাউদ য়ালাইহিস সালাম যবুর শিখিয়ে? 
সাহাবীদের কি অবস্থা? 
আবু বকর (রাযি), উমর, উসমান, আলী, আবু হোরাইরা, আবু যর গিফারী (রাযি য়ানহুম)
আব্দুল্লাহ ইবনে উমর, ইবনে আব্বাস (রাযি য়ানহুমা)?
কোন নারী সাহাবী?
তাবেঈন? তাঁবে তাবেঈন?
আবু হানীফা (রহি), আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ ইবনে ইসমাইল বুখারী?
কেউ নয়।

কোরআনে আল্লাহ বলেন, “অনুসরণ কর তাদের, যারা তোমাদের কাছে কোন বিনিময় কামনা করে না, অথচ তারা সুপথ প্রাপ্ত।” (সূরা ইয়াসীন, আয়াত ২১)

বিনিময় না নেওয়ার কথা কোরআনে আছে। হাদিসে আছে। সেসব আলেমদের বিষয়ে সতর্কবাণী আছে, ধমকী আছে, যারা কোরআন শিখিয়ে বিনিময় নেয়।

আমি কি মিথ্যা বলছি? আপনারা কোরআন খুলে দেখেন। হাদিস খুলে দেখেন।

কোরআন হাদিসের জ্ঞান আল্লাহ তায়ালা ফ্রী করছেন। কারণ এটা মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশী প্রয়োজনীয়। যেমন আল্লাহ সবার জন্য আলো হাওয়াকে ফ্রী করছেন। কারণ আলো হাওয়া ছাড়া মানুষ অচল। দ্বীন ছাড়া মানুষ আরও বেশী অচল। কাজেই দ্বীনের জ্ঞান হবে ফ্রী।

দ্বীন শিখিয়ে আজকাল বিনিময় নেয়া হয় কি, হয় না? স্কুল কলেজে মাস্টাররা যেমন লেখাপড়া শিখিয়ে টাকা নেয়, হুজুররা তেমন কোরআন হাদিস শিখিয়ে টাকা নেয়। একই রকম। দুটার মধ্যে কোন পার্থক্য আছে? টাকা ছাড়া তারা বাচ্চা পড়ান? বেতনের কথা আগে ক্লিয়ার করে নেন। ব্যতিক্রমের কথা বলছি না, সামগ্রিক অবস্থার কথা বলছি। টাকা নিয়েও তো ঠিকভাবে পড়ান না। ক্লাসে মোবাইল টিপেন। সবাই হয়তো মোবাইল নিয়ে ক্লাসে যান না। কিন্তু উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যান।

কোরআন হাদিসের স্পষ্ট নির্দেশনা, অতীতের অসংখ্য উদাহরণ থাকার পরও তারা ফাঁকফোকড় বের করছেন, এ টাকা নাকি জায়েজ, এ টাকা নাকি হালাল। সর্বোৎকৃষ্ট রোজগার। এটা নাকি বিনিময় না। বিনিময় না তাহলে কি?

অনেকে প্রশ্ন করেন, তারা খাবে কি? এ প্রশ্ন আমাকে করেন কেন? আমি কি তাদের রিজিকের জিম্মাদারী নিয়েছি নাকি? রিজিকের জিম্মাদারী আল্লাহর। নাবী রাসূল (য়ালাইহিমুস সালাম), সাহাবায়ে কেরাম (রাযিআল্লাহু তায়ালা য়ানহুম) ফ্রি দ্বীন শিখিয়ে কি না খেয়ে মরে গেছেন?

এ লেখা যখন লিখছি তখনও বাহির থেকে ওয়াজের আওয়াজ ভেসে আসছে। শীতের রাত। ওয়াজের আওয়াজ আসবে স্বাভাবিক। এই মাত্র কোন সওদাগর যেন দিল তিন হাজার টাকা। সবাই আমীন বলতেছে। দরূদ শরীফও হয়ে গেল।

এখন দ্বীনের মূল আকর্ষণ হচ্ছে মাল। মানে টাকা। নগদ কড়ি। এটাই হচ্ছে দ্বীনের কেন্দ্রবিন্দু। একে ঘিরে এখন দ্বীনের প্রচারকরা আবর্তিত হয়। মসজিদ মাদ্রাসা ওয়াজ মাহফিল বেশীর ভাগ জায়গায় একই অবস্থা।

মাওলানা সাদ নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। হয়তো তিনি বিতর্কিত কথা বলেছেন, হয়তো তিনি বাতিল, গোমরাহ ব্যক্তি। কিন্তু যদি তিনি সত্যিই এ কথা বলে থাকেন এবং এ কথার উপর স্থির থাকেন যে, দ্বীন শিখিয়ে বিনিময় নেওয়া ঠিক না, তবে তিনি ভুল বলেননি। অন্তত এ কথাটা। তার অন্য সব কথা ভুল হতে পারে। এ কথার ভুল তারাই ধরবে যারা দ্বীনী শিক্ষা দিয়ে টাকা নেয়।

আল্লাহ তায়ালা দ্বীন শিক্ষা দিয়ে বিনিময় নেয়া হতে আমাদের হেফাজত করুন। আমাদের বংশধরদের হেফাজত করুন। আমীন। আলহামদুলিল্লাহি রব্বিল য়ালামীন।

January 14, 2018 at FB

Advertisements

এটা কি ফ্যান্টাসির বিষয়?

ভাইদের মধ্যে দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে একটা ফ্যান্টাসি কাজ করে।

সে জানে ইসলাম তাকে অনুমতি দিয়েছে, কিন্তু কোন এক অজানা কারণে তার সে সুপ্ত মনোবাসনা পূর্ণ হচ্ছে না। এ অজানা কারণটা তৈরি করেছে এ দাজ্জালী সমাজ। কারণ দাজ্জালী সমাজ যদিও অনেক টেনেটুনে, অনেক প্রতীক্ষার পর এক বিয়ের অনুমতি দেয় কিন্তু দ্বিতীয়, তৃতীয় বা চতুর্থ বিয়ের অনুমতি দেয়ার প্রশ্নই উঠে না।

কারণ দাজ্জাল বিয়ে জিনিসটাই পছন্দ করে না। সে চায় ফ্রি মিক্সিং। যা তরুণদের কাছে কাছে আসার গল্প নামে পরিচিত। ফলে যারা সমাজের গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে দেয় তাদের কাছে নারী কিছুই না।

আমি এমনও লোক দেখেছি মানিব্যাগে কনডম রাখে। বলা যায় না, চলতে ফিরতে কখন কার সাথে রিলেশন বিল্ড আপ হয় আর মানিব্যাগে রাখা জিনিসটা কাজে লেগে যায়। যেহেতু রিলেশনটা হয় স্বল্প সময়ের জন্য কাজেই দোকান পর্যন্ত যাওয়ার রিস্ক নিতেও রাজি না। এর মধ্যেও রিলেশন ব্রেক আপ হয়ে যেতে পারে। ফলে তাদের কাছে নারী তেমন কোন দামি বিষয় না। ডালভাতের মতো।

কিন্তু যারা ইসলামিক মন মানসিকতার অধিকারী তাদের জন্য ব্যাপারটা কিন্তু সহজ নয়। কারণ প্রতি মুহূর্তে আখিরাত, শরিয়ত, তাকওয়া ইত্যাদি নানা কিছু তার গতি রোধ করে দেয়।

ফলে সে না পারে অবাধ মেলামেশায় অভ্যস্ত হতে, না পারে দ্বিতীয় আরেকটা বিয়ে করতে। কারণ দ্বিতীয় বিয়ে করার মতো শরীয়তী ইলেম ও মানসিক শক্তি তার কখনো হয়ে উঠে না।

ফলে সে একটা দ্বিতীয় বিয়ের ফ্যান্টাসির রাজ্যে বসবাস শুরু করে। সে মনে করে হয়তো কোন তাকওয়াসম্পন্ন, পরহেজগার নারী তার জীবনে আসবে, কারণ ফেসবুকে এরকম অনেক নারীর দেখা মেলে, আর সে নারী এসে তার জীবন পরিপূর্ণ করে দেবে। তাকে আগলে রাখবে, তার পূর্বতন স্ত্রীর সাথে বান্ধবীর মতো সদ্ভাব থাকবে, আবার তার সন্তানগুলোকেও আদর করবে।

এরকম একটা কল্পনার জগতে বসবাস করা আসলেই খুব কষ্টের। যেহেতু সে তার স্ত্রীকে ভালোবাসে সে মনে করে স্ত্রী বোধহয় তার কষ্ট কিছু বুঝবে। বা অন্তত তার কথায় সায় দেবে।

কারণ সে দেখে তার স্ত্রীও মাশাআল্লাহ ভালো দ্বীনদার। পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে, পর্দা করে। ফলে তার একটা বিশ্বাস জন্মে যে সে অন্তত তার কথায় ইয়েস ইয়েস করবে। এদিকে দুর্বল মুহূর্তে সে তার সাথে বিষয়টা শেয়ার করে বসে। এমনকি তাদের পারসোনাল মুহূর্তেও এ ধরনের প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বসে।

এটা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার, এটা খুবই গর্হিত ব্যাপার, কারণ এটা ঠিক নয়। এতদিন সংসার করেও সে নারী জাতির মন বুঝতে পারেনি। এমনকি নারী জাতির মান সম্মানও বুঝতে পারেনি। আমি খুব অবাক হই, একজন স্বামী কিভাবে তার স্ত্রীর কাছে আরেক বিয়ের প্রসঙ্গ তুলতে পারে। তার কাছে অনুমতি চাওয়া মানে তাকে অপমান করা।

এ বিষয়টি আমাদের আইন প্রণেতারাও বুঝতে পারে নাই। যতদূর জানি, তারা দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য প্রথম স্ত্রীর অনুমতির নেয়ার একটি আইন করেছেন। তারা কি জানেন না, একজন নারীর সামনে কখনো আরেকজন নারীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করা যায় না? হোক সেটা হাস্যচ্ছলে বা খেলার ছলে। যার সাথে ঘর করেন, তাকে এ সম্মানটুকু দেবেন না?

রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লামও কখনো এক স্ত্রীর সামনে আরেক স্ত্রীর প্রসঙ্গ তুলতেন না, আমার জানামতে। যার যার ঘর আলাদা আলাদা। একজন নারী যখন বিয়ে করে, তার ন্যূনতম চাহিদা হচ্ছে একটা আলাদা ঘর, মানে প্রাইভেসি। সেখানে শাশুড়ি, ননদ, সতিনের আসা যাওয়া থাকতে পারে, কিন্তু অন্তরঙ্গ আলাপচারিতায় এসব না আসাই উচিত। যতক্ষণ স্ত্রীর কাছে থাকেন ততক্ষণ শুধু তাকে নিয়েই থাকেন। স্ত্রী আপনাকে ভালবাসবে।

আরেকটা বিয়ে করতে যদি ইচ্ছে করে, সেটা করেন, ইসলাম আপনাকে নিষেধ করেনি, আপনার স্ত্রী মানবে কি না সেটা তার ব্যাপার, আশা করি মানবে, কিন্তু তার কানের সামনে তাকে খাটো করে অন্য নারীর আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করা ভালোমানুষী নয়, তবে ছেলেমানুষি অবশ্যই। আর নারীরা ছেলেমানুষ পছন্দ করে না। তারা পছন্দ করে পুরুষমানুষ। আমার এখানে নারী পাঠক আছেন, তারা জানেন আমি ভুল কিছু বলেছি কি না।

রিডিং গ্লাস

আসসালামু আ’লাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। কিছু ব্যক্তিগত স্টাডিতে ব্যস্ত ছিলাম। যার ফলে ফেসবুকে লগ ইন করতে পারিনি। আলহামদুলিল্লাহ, ভালো আছি। জীবন আগের মতোই চলছে। শুধু ইস্কেটোলজি থেকে দূরে থাকার কারণে মনে হয়েছিল পৃথিবীতে কোথাও কোন সমস্যা নেই। এর মধ্যে ব্যক্তিগত জীবনে যোগ হয়েছে আইগ্লাসেস। বেশিরভাগ সময় কম্পিউটারেই লেখাপড়া করা হয় বলে এতদিন ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি। কারণ কম্পিউটার পরিষ্কার দেখতে বাধ্য করে। ফন্ট, ব্রাইটনেস ইত্যাদি এডজাস্ট করা যায়। কিন্তু যখন বই পড়তে শুরু করলাম তখনই দেখতে পেলাম ছোট লেখাগুলো পড়তে সমস্যা হয়। ঘরের অন্য কারো পুরনো চশমা চোখের সামনে ধরতেই দেখি সব পরিষ্কার। বুঝে গেলাম চশমা লাগবে। একে বলে প্রেসবায়োপিয়া। চল্লিশ বছরের দিকে কাছের জিনিস দেখতে সমস্যা হয়। কিন্তু দূরের জিনিস দেখা যায়। কারণ আমাদের চোখের লেন্স কাছের জিনিস দেখার জন্য যে পরিমাণ উত্তল হওয়া দরকার তা হয় না। ফলে ফোকাস রেটিনা ছাড়িয়ে আরও পেছনে চলে যেতে চায়। ফলে কাছের লেখা ঝাপসা আসে। তখন লেখা একটু দূরে নিলে ফোকাস রেটিনায় ঠিকমতো পড়ে। এজন্য দেখা যায় অনেক বয়স্ক লোক পেপার হাত দিয়ে দূরে নিয়ে পড়ার চেষ্টা করে। কিন্তু লেখা দূরে নেয়ার কারণে ছাপা ছোট দেখা যায়। ফলে এতেও পড়তে কিছুটা অসুবিধা হয়। এখন চোখের সামনে উত্তল লেন্সের চশমা ব্যবহার করলে আলোক রশ্মিগুলো আগে থেকেই প্রতিসরণের মাধ্যমে সংকুচিত হয়ে আসে। এতে চোখের লেন্সের উপর চাপ কমে। সবকিছু ঝকঝকে পরিষ্কার দেখা যায়। ফলে এর পরদিন সকালে চশমার দোকানে গিয়ে ট্রায়াল এন্ড এরর বেসিসে নিজেই পাওয়ার ঠিক করলাম। খুব ছোট লেখা পড়ার জন্য +১.২৫ ডায়পটার। আর মোটামুটি সাধারণ লেখা পড়ার জন্য +১.০ ডায়পটার রিডিং গ্লাস। নতুন চশমার উত্তেজনা এখনও কাটেনি। কারণ সেটার লেন্স আবার ইউভি রে প্রটেকশন দেয়। আবার আলোতে গ্লাস থেকে সবুঝাভ কালার টিন্ট দেয়। যেহেতু কম্পিউটারে কাজ করতে হয় মনে হয় ভালই হবে জিনিসটা। সবচেয়ে বড় খুশির কথা হলো এই একচল্লিশ বিয়াল্লিশ বৎসর পর্যন্ত কোন চশমা ছাড়াই দেখতে পারলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ্‌র কাছে সত্যিই কৃতজ্ঞ।

March 16, 2018 at FB

অস্বাস্থ্যকর দশটি জিনিস

সুস্থ থাকার জন্য এই দশটি জিনিস থেকে বেঁচে থাকুন। পারলে ঘর থেকে বিদেয় করে দিন।
 
(1) Artificial Sweeteners – বারডেমওয়ালারা আপনাকে বলবে চিনির বদলে আর্টিফিসিয়াল সুইটেনার খান। মানে ডায়াবেটিসের বদলে ক্যানসার ডেকে আনুন।
 
(2) Plastic Food Containers and Bottles – ক্যানসার, হাই ব্লাড প্রেসার, লো আই কিউ শিশু, বাচ্চা না হওয়ার প্রবলেম।
 
(3) Non-Stick Cookware – এই নন স্টিক উপাদানটা ক্যানসার সৃষ্টি করে। গ্লাস বা সিরামিকের কুকওয়ার ব্যবহার করুন।
 
(4) Air Fresheners –
বাজে জিনিস, শরীরের হরমোনের ক্ষতি করে, ক্যানসার সৃষ্টি করে। গন্ধ হলে গন্ধ মাস্ক না করে উৎস খুঁজুন। দরজা জানালা খুলে দিন। সুগন্ধের জন্য এসেনশিয়াল ওয়েল ব্যবহার করুন।
 
(5) Antibacterial Soaps and Detergents – এসব রুটিনলি ব্যবহার করা ঠিক নয়। গোসলের জন্য হালকা গরম পানি ও সাধারণ সাবান যথেষ্ট। পর্যাপ্ত পানি দিয়ে ধৌত করলেই শরীর বা হাত পর্যাপ্ত জীবনামুক্ত হয়। এর বেশি করার দরকার নেই।
 
সাবান বা টুথপেস্টে এন্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান এলার্জি, হরমোনের সমস্যা, ওয়েট গেইন, ইনফ্লামেশন সহ নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
 
(6) Commercial Cleaning Products -রান্নাঘর এবং বাথরুম ডিসইনফেকশন করার জন্য বেকিং সোডা, 3% হাইড্রোজেন পারক্সাইড বা হোয়াইট ভিনেগার ব্যবহার করুন।
 
(7) Personal Care Products – লোশন, শ্যাম্পু, মেকআপ এগুলোর মাধ্যমে প্রতি বছর আপনার শরীরে 5 পাউন্ড ক্যামিকেল স্কিনের মাধ্যমে এবজর্ব হয়। আই লাইনার, মাসকারা, লিপিস্টিক এগুলোতে সীসা থাকে। এসব বাদ দিয়ে পার্সনাল কেয়ারের জন্য খাঁটি নারিকেল তেল বা সরিষার তেল ব্যবহার করুন।
 
(8) Stale Spices – বাসি পুরানো মসলা ফেলে দিন। টাটকা ফ্রেস মসলা ব্যবহার করুন। মসলাতে শাকসবজি ও ফলের চেয়ে বেশি এন্টি অক্সিডেন্ট থাকে যা খুব উপকারী। বাসি মসলায় এসব উপাদান নষ্ট হয়ে যায়।
 
(9) Electronic Devices – ওয়ারলেস রেডিয়েশন মারাত্মক জিনিস। বিশেষ করে যারা মোবাইল পকেটে রাখেন। তারা কন্টিনিউয়াস রেডিয়েশন এক্সপোজারের মধ্যে থাকেন। তাই মোবাইল শরীর থেকে দূরে রেখে বহন করবেন।
 
(10) Chair – চেয়ারে বসে কাজ করা স্মোকিংয়ের চেয়েও খারাপ জিনিস। যতই ব্যয়াম করা পেটানো শরীর হোক না কেন চেয়ার টাইপ টু ডায়াবেটিস মেলাইটাস, ওবেসিটি, পেইনসহ নন কমিউনিকেবল ক্রনিক ডিজিজের একটি অন্যতম কারণ। অবাক হলেও সত্য চেয়ারে বসে কাজ করা জীবনের কোয়ালিটিকে কমিয়ে দেয় এবং মৃত্যুকে ত্বরান্বিত করে। কাজ করার জন্য স্ট্যান্ডিং ডেস্ক বানিয়ে নিন। দাঁড়িয়ে কাজ করুন। কাজের মাঝে মাঝে হাঁটুন।
 
#Find_out_reality
 
তথ্যসূত্র: ডা: জোসেফ মারকোলা।

স্বাস্থ্যের প্রাথমিক জ্ঞান যা অনেক শিক্ষিত মানুষেরও নেই

আমেরিকার মানুষ এখন কোক খাওয়া ছেড়ে দিচ্ছে। বা ছাড়ার জন্য স্ট্রাগল করছে। এর মূল কারণ চিনি ও আর্টিফিসিয়াল সুইটেনার। কারণ তারা এখন স্বাস্থ্য সচেতন হচ্ছে। জেনে গেছে পরিণতি। কোককে ওরা বলে সোডা। সেখানে কোকের বিক্রি ৭% কমে গেছে।
 
Coca-Cola is engaging in an intensive marketing ploy to “reintroduce” Coke, using smaller serving sizes and personalized cans to target teens. Marketing Ploy মানে বাজারজাত করার কৌশল।
 
আসুন আমরা সোডার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কিছু জানি।
 
সোডা খাওয়ার পর ব্রেনে মারাত্মক প্রতিক্রিয়া হয়। ২০ আউন্সের একটা কোকের বোতলে ১৬ চামচ চিনি থাকে ফ্রোকটোজ সিরাপ হিসেব। এ জিনিস পরিপাকের জন্য ইনসুলিন প্রয়োজন হয়, কিন্তু এটা একই সাথে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স করে। ফলে ইনসুলিন কাজ করতে পারে না। ফলাফল ডায়াবেটিস।
 
আসুন আমরা দেখি এক কৌটা কোক খেলে শরীরে কি কি ঘটে। খুব মন দিয়ে খেয়াল করুন।
 
Within 20 minutes: Blood Sugar rises, ফলে ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিনের প্রভাবে প্রচুর সুগার ফ্যাটে পরিণত হয়। (এটা ইনসুলিনের একটা ইফেক্ট। এ কারণে দেখবেন যারা ইনসুলিন নেয় তার খুব দ্রুত মোটা হয়ে যায়)। এই বিশেষ তথ্যটি মনে রাখবেন, যা পরে আমার লেখা বুঝতে কাজে দিবে।
 
Within 40 minutes: কোকের ক্যাফেইন শরীরে গৃহীত হয়। চোখের মণি প্রসারিত হয়। ব্লাড প্রেসার বেড়ে যায়। লিভার থেকে আরো সুগার রক্তে চলে আসে।
 
Around 45 minutes: রক্তে ডোপামিন বেড়ে যায়, ফলে ব্রেনের প্লেজার সেন্টার উদ্দীপ্ত হয়। ঠিক হেরোইনের আইডেন্টিকাল রেসপন্স হয়।
 
After 60 minutes: রক্তে ধীরে ধীরে সুগারের পরিমাণ কমতে থাকে। ফলে ক্ষুধা অনুভূত হয়। এ মুহূর্তে শরীর চায় মিষ্টি কিছু স্ন্যাকস বা পানীয়।
 
ফলে এ সাইকেল আবার চলতে থাকে। একসময় প্যানক্রিয়াস বিদ্রোহ করে। সে আর ইনসুলিন সাপ্লাই দিতে পারে না। এদিকে অতিরিক্ত ইনসুলিন এক্সপোজারের কারণে শরীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হয়ে যায়। যতটুকু ইনসুলিন আছে তা আর কাজ করে না।
 
ফলে হয় IGT বা ইমপেয়ার্ড গ্লোকোজ টলারেন্স এবং এর পরের ধাপে ডায়াবেটিস।
 
এখন ডাক্তার প্রাথমিকভাবে বলবে, ইনসুলিনের সেনসেটিভিটি বাড়ানোর জন্য হাঁটুন। তাতে খুব বেশী সুবিধা না হলে সেনসেটিভিটি বাড়ানোর ওষুধ দিবে। এটা যখন ফেইল করবে তখন বলবে, আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় পরিমাণ ইনসুলিন নেই। কাজেই ইনসুলিন ইনজেকশন নিতে হবে। এবং চিরজীবনের জন্য কোন এক ইনসুলিন প্রস্তুতকারক ওষুধ কোম্পানির কাছে আপনাকে হস্তান্তর করে দিবে।
 
তখন দ্রব্যমূল্যের খবর রাখার পাশাপাশি ইনসুলিনের মূল্য আবার বাড়ল কি না আপনাকে সে খবরও রাখতে হবে। ইনসুলিনের দাম বেড়েছে প্যাকেট প্রতি ৫০০ টাকা – এ জাতীয় খবর দেখলেই খুব আগ্রহ নিয়ে সে খবর পড়ে ফেলবেন।
 
তথ্যসূত্রঃ ডাঃ জোসেফ মারকোলা।

দ্বিতীয় বিয়ে দাজ্জাল পছন্দ করে না। সহ্য করে না। ব্যতিক্রম ও অপারগতা ছাড়া বেশীর ভাগ মেয়েই স্বামীকে ভাগ করতে পছন্দ করে না। তারা কোরআনের এই বিধান পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারে না। তার মানে স্রষ্টার বিধানের প্রতি তারা পুরোপুরি আত্মসমর্পন করে না। নাটকে মিডিয়ায় পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ে নেগেটিভ এবং খুবই খারাপভাবে দেখানো হয়। আর পুরুষদের মধ্যে দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য যে চারিত্রিক গুণাবলী কাঙ্খিত, তা’ বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই বিদ্যমান থাকেনা। এ এক কঠিন সমস্যা। সত্যি কথা বলতে কি – দাজ্জাল “বিয়ে” জিনিষটাই পছন্দ করে না। সে নারী পুরুষের আলাদা সত্ত্বা মানে না। তাই সে নারী-নারী, পুরুষ-পুরুষ বিয়ে, incest, পশুকাম ইত্যাদি চালু করেছে। 😮

লিখেছেনঃ Ashraf Mahmud

বেঁচাবিক্রি হতে হবে নগদ, বাকিতে বেঁচাবিক্রি হলে সুদের সম্ভাবনা থাকে

আমি ১ হাজার টাকায় একটা মোবাইল কিনলাম ২ হাজার দিয়ে বেচলাম। এটা একটা ব্যবসা। এটা হলো Cash Transaction. নগদ বিক্রয়। এটা হালাল।
আমি ১০ লাখ টাকায় একটা গাড়ী কিনলাম ২০ লাখ টাকায় বেচলাম। ক্রেতাকে ১০ বছর সময় দিলাম টাকা পরিশোধ করার জন্য। এটা হলো Credit Transaction. বাকীতে বিক্রয়। ক্রেতা ঐ গাড়ী যদি নগদ টাকায় কিনতো তবে আমি বেচতাম ১২ লাখ টাকায়। এখানে সময়ের কারণে টাকা বেড়ে যাচ্ছে। এটা একটা সুদ। 🙂

পৃথিবীতে সুদবিহীন কোনো ব্যাংকিং নেই। 
যদি আছে বলে কেউ দাবী করে তবে –
This is Dajjal’s deception. 😮

লিখেছেনঃ Ashraf Mahmud

..

প্রশ্নঃ আমি একটি ক্রেডিট কার্ড নিতে চাচ্ছি , যা দিয়ে শুধু মাত্র ০% ইন্টারেস্ট পণ্য গুলো কিনতে চাই। আমি কি এটা নিতে পারি? মতামত আশা করছি।

উত্তরঃ ব্যাংক এর যেকোনো রকম লেনদেনে না যাওয়ায় উত্তম,
যে পন্যটা কিনার সামর্থ্য আমার নাই, সেটা ইন্সটলমেন্টে কিনলাম ০% এ, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে আমি পরিশোধ করতে পারবো তার কি নিশ্চয়তা আছে?? রিজিক এর মালিক আল্লাহ, আমরা তা নিজের হাতে নিতে পারিনা। কারণ এর পর সুদ দিতে হবে।

ক্রেডিট কার্ডের আবেদনে সই করাই সুদ। কারণ হাদিস অনুযায়ী, যারা সুদ দেয়, যারা সুদ খায় ও যারা লেখে, সবাই সমান।