কুরআনের পাঠক

রসুলুল্লাহ (স) বলেছেন,

تَعَلَّمُوا القرآنَ ، و سَلوا الله بهِ الجنةَ ، قبلَ أنْ يَتَعَلَّمَهُ قومٌ ، يَسْأَلونَ بهِ الدنيا ، فإنَّ القرآنَ يَتَعَلَّمُهُ ثلاثَةٌ : رجلٌ يُباهِي بهِ ، و رجلٌ يَسْتَأْكِلُ بهِ ، و رجلٌ يقرأُهُ لِلَّهِ

তোমরা কুরআন শিখ এবং তা দিয়ে আল্লাহর কাছে জান্নাত চাও তারপুর্বে, যখন কোন জাতি কুরআন শিখে তা দিয়ে দুনিয়া চাইবে। আর কুরআন পাঠকারী তিন ধরনের। এক প্রকার যারা তা প্রদর্শনের জন্য করবে। এক প্রকার লোক তা দিয়ে খাওয়া দাওয়া অর্জন করবে। এবং এক প্রকার যারা আল্লহর জন্য পড়বে। [শুয়াবুল ঈমান/২৪০৫ (সহীহ)]

مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَلْيَسْأَلِ اللَّهَ بِهِ فَإِنَّهُ سَيَجِيءُ أَقْوَامٌ يَقْرَءُونَ الْقُرْآنَ يَسْأَلُونَ بِهِ النَّاسَ

যে কেউ কুরান পড়ে সে যেন তা দিয়ে আল্লহর কাছে চায়। এরপর এমন কিছু মানুষ আসবে যারা কুরান পড়ে তার বিনিময়ে মানুষের কাছে চাইবে। [তিরমিযি/২৯১৭ (হাসান)]

উবাদা ইবনে সামিত (রা) হতে বর্নিত। তিনি বলেন,

عَلَّمْتُ نَاسًا مِنْ أَهْلِ الصُّفَّةِ الْقُرْآنَ وَالْكِتَابَةَ فَأَهْدَى إِلَىَّ رَجُلٌ مِنْهُمْ قَوْسًا فَقُلْتُ لَيْسَتْ بِمَالٍ وَأَرْمِي عَنْهَا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْهَا فَقَالَ ‏ “‏ إِنْ سَرَّكَ أَنْ تُطَوَّقَ بِهَا طَوْقًا مِنْ نَارٍ فَاقْبَلْهَا

আমি আহলে সুফফার কিছু লোককে লেখা ও কুরান পড়া শিখাতাম। তাদের একজন আমার জন্য একটি ধনুক হাদিয়া দিল। তখন আমি ধারনা করি যে এত কোন মাল নয়, আমি এ দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় তিরন্দাযী করব। পরে রসুলুল্লাহ (স) কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি, তখন তিনি বলেন, তোমাকে আগুনের শিকল পড়ানো হোক, যদি তুমি এতে সন্তুষ্ট হও, তবে তুমি তা গ্রহন কর। [ইবনে মাযাহ/২১৫৭ (হাসান)]

শোকরিয়া @ কুরআনীয় আরবী শিক্ষা

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s