নারী-আত্মা

আমি খুব ভালো ভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, এবং আমার এই বিষয়ে আর কোন ডাউট নেই যে নারীদের জীবনের প্রথম ও প্রধান চাহিদা হলো যৌনতা ও নিরাপত্তা। না মা হওয়া, না লেখাপড়া করে ভালো চাকরী করে প্রতিষ্ঠিত হওয়া। এগুলো কিছুই নয়। যদি থাকত তাহলে অবশ্যই ইসলাম এ বিষয়গুলোকে খুব ভালোভাবে এড্রেস করত। আমরা যারা ইন্টারনেটে কাজ করি তারা জানি ইন্টারনেট হচ্ছে মেয়েদের ছবি দিয়ে ভর্তি। এতো লক্ষ লক্ষ নারী কারা? এরা তো আমাদের এই সামজেরই। একজন নারী বেপর্দা হয়ে কেন বাইরে যায়? স্কুল কলেজ শপিং মল অফিস সব জায়াগায় বেপর্দা নারী কেন? এর কারণ ঐ নারীগুলো তার সেকসুয়াল লাইফে সেটেলড নয়। তার অতৃপ্ত নারী-আত্মা কামনা করে তাকে মানুষ দেখুক। তার প্রয়োজন ছিল একজন পুরুষ সঙ্গী। কিন্তু তাকে জোরপূর্বক পুরুষ সঙ্গী থেকে বঞ্চিত করে তাকে পাঠানো হয়েছে খাতা কলম দিয়ে স্কুলে। হা হা। পুরুষের চাহিদা কি খাতা কলমে পূর্ণ হবে। কে এই কাজ করলো? – এই দাজ্জালিক সমাজ ও মেয়েটির পরিবার, তার বাবা মা।

যার ফলে আমরা কি দেখি, দুই বেনি করে স্কুলে যাওয়া মেয়েটি খোলা রাস্তায় তার সহপাঠীকে জড়িয়ে ধরে ছবি তুলে যা ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়। একজন নারীর মনে রাখা উচিৎ, যে ছেলে তার ছবি তুলবে এটা সে নেটে দেয়ার জন্যই তুলবে। কম্বলের নীচে শুয়ে তার কথা মনে করে চোখের পানি ফেলার জন্য নয়।

একজন নারীর সেক্সুয়াল চাহিদা শুরু হয় কমবেশি ১৫ বৎসর বয়সে। তাকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ বানিয়ে বিয়ে দেয়া হচ্ছে ২০, ২৫ এমনকি ২৭ বৎসর বয়সে। এই যে তার অতিরিক্ত এতোগুলো বৎসর অতিক্রান্ত হলো কোন পুরুষ সঙ্গী ছাড়া এর ফিডব্যাক কি? কেন তার যৌন অধিকার নষ্ট করা হলো? আপনি কি নদীতে বাঁধ দিতে চান? তাহলে সে তার অন্য গতিপথ করে নিবেই। হালাল জিনিস না পাওয়া গেলে হারাম খাওয়াও জায়েজ হয়ে যায়। কেন, তার তো জীবন বাঁচাতে হবে। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে হালালকে সরিয়ে রাখা কোন উপায়েই জায়েজ নয়। আজকে মা বাবারা তাদের মেয়েদের হালাল পুরুষ সঙ্গী পাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সে তো হারামের দিকে ঝুঁকবেই। তার জীবনটাতো আগে বাঁচাতে হবে। ফলে স্বামীর জায়গা দখল করে সহপাঠী, মাস্টার মশায়, ভাড়াটিয়া, কাজিন, অফিসের বস, ইউনিভার্সিটির বড় ভাই।

আর একজন মেয়েকে আপনি বিয়ে দিবেন ৩০ -এ। তার তো ৪০ এ রিপ্রোডাক্টিভ এজ শেষ। কি দিল সে এই সমাজকে? জাতিকে? সার্টিফিকেটের কাগজ? হা হা। ১৭ বৎসরে বিয়ে হওয়া যে মেয়েটা স্বামী, সন্তান ও অর্থ সম্পদে ভরপুর, আর জীবনের স্ট্রাগলিং সমাপ্তির পথে, তখনও তার বাল্য বান্ধবী বন্ধুদের সাথে ফুচকা খায়, আর উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখে, সে তো এখনও লাইফ ব্যাটলের মুখই দেখে নাই। কবে জীবন যুদ্ধে নামবে আর সে যুদ্ধে জয়ী হবে? আগে মাঝে মাঝে পাত্রপক্ষরা দেখতে আসতো, এখন তাও আসে না।

একজন মেয়ে তার যৌনজীবনে সেটেলড, তার সকাল হয় পরিতৃপ্তির সাথে। তাকে সকালে নাস্তা বানানোর কথা বলতে হবে না, সে বিরক্ত মুখে তাকাবে না। সে কখনো বেপর্দায় রাস্তায় বের হবে না। তার তো মানুষকে প্রদর্শন করার দরকার নেই।

মেয়েদের অভিভাবকদের বলা হচ্ছে, “যদি এমন কেউ তোমার কাছে বিয়ের পয়গাম নিয়ে আসে – যার চরিত্র ও তাক্বওয়া সন্তোষজনক, তাহলে তার কাছে তোমার মেয়েকে বিয়ে দাও। যদি এমনটি না করো, তাহলে পৃথিবী মারাত্মকরকম ফেতনা ও বিপর্যয়ে ভরে যাবে। (তিরমিযী) – এর চেয়ে আর পরিষ্কারভাবে রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম কিভাবে বলতে পারতেন?

কুরআন বলে, আর বিয়ে দাও তোমাদের মধ্যে অবিবাহিতদের, যদি তারা দরিদ্র থাকে, আল্লাহ্‌ তাদের ধনী করে দিবেন। আল্লাহ্‌ প্রাচুর্যময়, তোমরা কি করো আল্লাহ্‌ দেখেন। (সূরা আন-নূর, ২৪ঃ৩২)

কুরআন হাদীসের আয়াত অবজ্ঞা করার শাস্তি মা বাবা ও দাজ্জালিক সমাজকে পেতে হবে। They deserve it.

Insatiable Woman

ট্যাগঃ #  নারী # বিবাহ # বিয়ে # পরকীয়া

মন্তব্যগুলো পড়তে বিস্তারিত পড়ুন-এ ক্লিক করুন।

বিস্তারিত পড়ুন

৩য় বিশ্বযুদ্ধ কখন শুরু হবে?

প্রশ্নঃ অস্ট্রেলিয়ার পারথ থেকেঃ 

বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার সময় কী কোনভাবে নির্ণয় করা যাবে?

শেখ ইমরান হোসেনঃ আমার উত্তর হলো এই যে আমি যতটুকু ধারণা করেছিলাম তাতে বিশ্বযুদ্ধ এতদিনে শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। আর এখন আমাদের কাছে যা আছে তা হলো অতিরিক্ত সময়। ২০০৯ সালে ট্রিনিদাদে একটি আন্তর্জাতিক ইসলামী রিট্রিটে আমি অংশগ্রহন করেছিলাম। তারপর ২০১১ সালে আরেকটি ইসলামী রিট্রিটে আমি অংশগ্রহণ করি যেটা অনুষ্ঠিত হয়েছিল আফ্রিকা মহাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত দক্ষিণ কেপটাউনের সাইমন্সটাউনে। তারপরে আর কোন রিট্রিট হয়নি কারণ ২০১১ সাল থেকে আমি বিশ্বযুদ্ধের আশংকা করছি। ভাবুন, কতদিন আগে থেকে! আর আমি ভেবেছিলাম যে, বিশ্বযুদ্ধ মার্কিন নির্বাচনের আগেই শুরু হয়ে যাবে কারণ তাদের ভয় ছিল ট্রাম্প নির্বাচনে জিতে যেতে পারে। কিন্তু বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়নি। আমি ভেবেছিলাম যদি হিলারি ক্লিনটন নির্বাচনে বিজয়ী হয়, বিশ্বযুদ্ধ দ্রুত শুরু হয়ে যাবে। কিন্তু সে নির্বাচনে বিজয়ী হতে পারেনি। ট্রাম্প নির্বাচনে বিজয়ী হয়। আর ট্রাম্প বলেছিল, সে রাশিয়ার সাথে ভালো সম্পর্ক রাখতে চায় এবং আমি বিশ্বাস করি, সে সত্য কথাই বলেছিল। তাই আমি অনুভব করেছিলাম যে, একটা সূর্যালোকের জানালা খুলে গিয়েছে অর্থাৎ কিছু সময়ের জন্য হয়তো আমরা বেঁচে গিয়েছি এবং নিউক্লিয়ার যুদ্ধ কিছুটা পিছিয়ে গিয়েছে। কিন্তু এখন ষষ্ঠ মাস চলছে আর আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি এই ছয় মাসের সূর্যালোকের জানালার জন্য। এখন কী বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে? আপনারা বাসায় বসে ইন্টারনেটে এই লেকচার দেখছেন আর জানতে চাচ্ছেন কখন বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে। এটাই সেই প্রশ্ন যা সবাই জিজ্ঞাসা করছে। কিন্তু আপনি কী বিশ্বযুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছেন? আপনি কী খাদ্য সঞ্চয় করে রেখেছেন? আপনি কী পানি সঞ্চয় করে রেখেছেন? যদি বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় আপনি খাবার ও পানি কোথা থেকে পাবেন? কোন অর্থ ব্যবহার করবেন খাদ্য কিনতে? আপনি জানতে চান কখন বিশ্বযুদ্ধ শুক হবে কিন্তু আপনি কী এর প্রস্তুতি নিয়েছেন?  

আমি জানিনা কখন বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে। কিন্তু আমি নিশ্চিত যে, এটা খুব শীঘ্রই শুরু হবে। কত শীঘ্র? আমি জানিনা কত শীঘ্র। এটা কী কোরিয়ায় শুরু হবে? না, আমি মনে করিনা যে, এটা কোরিয়ায় শুরু হবে। আমি আশা করি, এটা কোরিয়ায় শুরু না হোক। যদি ট্রাম্প কোরিয়ায় আক্রমণ করে, আপনি বলে দিতে পারেন গুডবাই সিউল। ২৫ মিলিয়ন লোক বাস করে ঐ রাজধানী শহরে যা ঐ দেশের মোট জনসংখ্যার ২৫-৩০ শতাংশ। আর সিউল হলো উত্তর কোরিয়ার সীমান্ত থেকে মাত্র ৩০-৪০ মাইল দূরে অবস্থিত! উত্তর কোরিয়া অনেক বুদ্ধিমান জাতি। নিজেদেরকে শক্তিশালী করার জন্য আপনার মাথায় অবশ্যই বুদ্ধি থাকতে হবে। আল্লাহপাক পবিত্র কোরানে বলেন, সামরিক শক্তি তৈরী কর, যতটা সম্ভব সামরিক শক্তি তৈরী কর। কেন? কেন আল্লাহপাক সামরিক শক্তি তৈরী করার নির্দেশ দিয়েছেন? বিশ্বে সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর জন্য নয়, বিশ্বে অত্যাচার বা জুলুম করার জন্য নয়, বিশ্বের প্রতিটি দেশের নেতাদের পরিবর্তন করার জন্য নয়! না, এটা ইসলাম, এটা ওয়াশিংটন নয়। আল্লাহপাক বলেছেন যে, তুমি সামরিক শক্তি তৈরী কর যাতে অত্যাচারীদের মোকাবেলা করতে পার। এটাই করছে উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়ার যে শক্তি রয়েছে তা তারা অত্যাচারীদের মোকাবেলায় ব্যবহার করছে। তাই যুক্তরাস্ট্র সেখানে আক্রমণ করবে না। কারণ তারা জানে, যদি তারা উত্তর কোরিয়াকে আক্রমণ করে, তাহলে তার পরিণতি হবে ভীষণ মারাত্মক। কারণ, এটি অত্যাচারের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত শক্তি। আর এটা সেই ধরণের শক্তি যার সম্পর্কে আল্লাহপাক পবিত্র কোরানে আদেশ করেছেন যে, শক্তি তৈরী কর মানুষকে সন্ত্রস্ত করার জন্য নয়, বরং এটা যেন ব্যবহৃত হয় অত্যাচারীর থেকে আত্মরক্ষা করতে। আমি মনে করিনা যে, তারা উত্তর কোরিয়াকে আক্রমণ করবে যদি না তা সম্পূর্ণভাবে পাগল হয়ে যায় এবং তাদের পাগলের ডাক্তারের কাছে যেতে হয়। মাঝে মাঝে আমি বিশ্বাস করতে বাধ্য হই যে, তারা পাগলের ডাক্তারের কাছে যায়। তাই আমি এই সম্ভাবনাও একেবারে উড়িয়ে দিতে পারছি না যে, তারা উত্তর কোরিয়াকে আক্রমণ করবে শুধুমাত্র পারমাণবিক বিশ্বযুদ্ধকে ত্বরান্বিত করতে।

আরেকটি সম্ভাবনা হলো, এই যুদ্ধ শুরু হতে পারে সিরিয়ায়। দুই সপ্তাহ আগে আমি ট্রাম্পের সিরিয়া হামলার বিষয়ে কথা বলেছি। অনেকগুলো ক্ষেপনাস্ত্র মারা হয়েছিল সিরিয়ার বিমানঘাঁটিতে। আর কিছু গাধা রয়েছে যারা সারাক্ষণ আসাদ সরকারকে ইদলিবে রাসায়নিক হামলার জন্য দায়ী করতে থাকে। তারা কী করে জানল? সিএনএন বলেছে তাই? ওয়াশিংটন বলেছে তাই? লন্ডন বলেছে তাই? আর আপনি নিজেকে মুসলিম দাবী করছেন? না, আপনি শত্রুশিবিরে যোগ দিয়েছেন। আপনি শত্রুদের প্রোপাগান্ডা মেশিনের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গে পরিণত হয়েছেন আর আপনি আমাকে সালাম দিচ্ছেন? আমি আপনার ছালামের কোন জবাব দেব না যতক্ষণ আপনি ঐ শিবিরে রয়েছেন কারণ আল্লাহ্‌ বলেছেন, “তোমাদের মুসলিমদের মধ্যে যারা ওদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, তারা ওদের দলের লোক বলেই বিবেচিত হবে”, আমাদের নয়। যদি আপনি এটা পছন্দ না করেন, তাহলে আপনি এটা পাইপে ঢুকিয়ে ধোঁয়া ছাড়তে পারেন। সিরিয়ান সরকার এটা করেনি। এটা ছিল আরেকটি ফলস ফ্ল্যাগ আক্রমণ। সুতরাং ট্রাম্প এমন একটি অবস্থায় পড়ে যায় যে, তাকে অবশ্যই সিরিয়ায় আক্রমণ করতে হত। যদি সে তা না করে, তাহলে তার চাকরী চলে যাবে। সে অভিশংসিত হয়ে যাবে। তাই সে সিরিয়ায় আক্রমণ করে। যখন সে সিরিয়ায় আক্রমণ করল, রাশিয়া ও ইরান প্রতিবাদ জানাল আর বলল, দ্বিতীয়বার এটা করোনা। কারণ যদি তুমি আবারো এ কাজ কর, তাহলে যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। সুতরাং তারা যুক্তরাস্ট্রকে বাজিমাত করে দিয়েছে। যদি সে আরেকবার এ কাজ করে, তাহলে নিউক্লিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। আর যদি নিউক্লিয়ার যুদ্ধ শুরু হয়, কী হবে তখন? গুডবাই উত্তর আমেরিকা। সমগ্র উত্তর আমেরিকা ইলেকট্রনিক গ্রিড দিয়ে পরষ্পরের সাথে যুক্ত আর সবকিছু সেই গ্রিডের মধ্যে রয়েছে। রাশিয়া সেরকম নয় ও চীনও সেরকম নয়। কিন্ত ইউরোপ সেরকম। পশ্চিম ইউরোপ সেরকম। সবকিছু গ্রিডের সাথে সংযুক্ত। সুতরাং যখন পারমাণবিক বিশ্বযুদ্ধ লেগে যাবে, গুডবাই সম্পূর্ণ যুক্তরাস্ট্র, গুডবাই কানাডা। কারণ পুরো গ্রিডে ধ্বস নামবে। আর যদি আপনি কোনভাবে পারমাণবিক বিশ্বযুদ্ধে বেঁচেও যান, তখন আপনি আশা করবেন, মৃত্যু হলেই ভালো হয়। কারণ পারমানবিক বিশ্বযুদ্ধের পর উত্তর আমেরিকায় জীবনযাপন করা হবে অসম্ভব। কিন্তু রাশিয়া বিশ্বযুদ্ধের পরও টিকে থাকবে কারণ সমগ্র রাশিয়া গ্রিড দিয়ে সংযুক্ত নয় এবং সমগ্র চীনও গ্রিড দিয়ে সংযুক্ত নয়। এটা প্রাথমিক বিশ্লেষণ। এটা কোন জটিল মিলিটারি বিশ্লেষণ নয়, এটা সাধারণ প্রাথমিক বিশ্লেষণ। সুতরাং নিউক্লিয়ার বিশ্বযুদ্ধ সমগ্র রাশিয়াকে ধ্বংস করবে না এবং চীনকেও করবে না। কিন্তু এটা সমগ্র পশ্চিমা সভ্যতাকে ধ্বংস করে দেবে। আমরা তা থেকে এক সপ্তাহ দূরে থাকতে পারি আবার এক মাস দূরেও থাকতে পারি। আমি জানিনা কতদিন বাকি রয়েছে। কিন্তু আমি যেটা জানি সেটা হলো যখনই পারমানবিক বিশ্বযুদ্ধ শুরু হবে এবং সকল পরমাণু বোমা ব্যবহৃত হতে থাকবে, গুডবাই উত্তর আমেরিকা, গুডবাই ইউরোপ, গুডবাই রাশিয়ার ইউরোপীয় অংশ যেখানে গ্রিড রয়েছে এবং চীনের সেই অংশ যেখানে গ্রিড রয়েছে। গুডবাই সেগুলোকে। তো কীভাবে আমরা প্রস্তুতি নিতে পারি? খাদ্য জমিয়ে রাখুন, পানি জমিয়ে রাখুন এবং এমন কিছু জমিয়ে রাখুন যা দিয়ে আপনি খাদ্য কিনতে পারবেন।

অনুবাদঃ Md Arefin Showrav

২৫-৪-২০১৭

তুরস্কের রেফারেন্ডাম

প্রশ্নঃ নেদারল্যান্ডের আমস্টারডাম থেকেঃ

প্রিয় শায়খ, আপনি তুরস্কের সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়ে কী বলবেন?

শেখ ইমরান হোসেনঃ আমি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোওয়ান, যার নাম লেখা হয় এরদোগান কিন্তু উচ্চারণ আসলে এরদোওয়ান, আমি তার সম্পর্কে বলতে চাই যে, আমি তাকে বিশ্বাস করি না। তিনি লিবিয়া যুদ্ধে গাদ্দাফি সরকারকে হটিয়ে লিবিয়াকে ন্যাটোর নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার পেছনে যে ভূমিকা রেখেছিলেন, সে কারণে আমি তাকে বিশ্বাস করি না। রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, “মুসলিমদের একই গর্তে দুইবার পা ফেলা উচিত নয়।” তাই আমি তাকে বিশ্বাস করি না। আর রাশিয়ারও তাকে বিশ্বাস করা উচিত নয়। এরদোওয়ান এখন রেফারেন্ডেম বিজয়ী। আমি জানিনা সেই রেফারেন্ডেম কতটা ভুয়া। না, আমার সেই জ্ঞান নেই। কিন্তু তিনি এখন সম্রাটে পরিণত হয়েছেন। তুরস্কে তার এখন ক্ষমতা রয়েছে যা ইচ্ছা তাই করার। আর বৃহৎ প্ল্যান হচ্ছে তথাকথিত ইসলামী সাম্রাজ্য উসমানীয় সাম্রাজ্যের পুণরুত্থান। যা করতে হলে তুরস্ককে তার সীমানা বৃদ্ধি করতে হবে। যেটা আমি বলতে পারি, এই সময়ে তুরস্কের বর্তমান সরকার যে পলিসি গ্রহণ করেছে, সে পলিসি তুরস্ককে নিঃসন্দেহে গৃহযুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। যখন সেই গৃহযুদ্ধ শুরু হবে, আমি বিশ্বাস করি এটা সেই গৃহযুদ্ধ হবে যা শেষ পর্যন্ত কন্সট্যান্টিনোপল বিজয়ে পরিণত হবে। তুরস্কে কন্সট্যান্টিনোপল শব্দটি ব্যবহার করা হয় না। তারা কন্সট্যান্টিনোপল শব্দটি ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। কারণ, তারা চায় না যে মানুষ হাদিসের ভবিষ্যতবাণী সম্পর্কে জানুক। রাসুলুল্লাহ (সা) আমাদের বলেছেন যে, মালহামার পর অর্থাৎ যে যুদ্ধে প্রতি ১০০ জনে ৯৯ জন নিহত হবে, সেই বৃহৎ যুদ্ধের পর পরবর্তী ঘটনাই হবে কন্সট্যান্টিনোপল বিজয়। আর তিনি প্রশংসা করেছেন সেই বাহিনীর, তিনি প্রশংসা করেছেন সেই বাহিনীর নেতার। যদি রাসুলুল্লাহ (সা) কোন শহরের নাম কন্সট্যান্টিনোপল বলেন, তাহলে এটা কী সুন্নাহ নয় যে, আমরাও তাকে কন্সট্যান্টিনোপল বলে ডাকি? কিন্তু তারা এটা বদল করে দিল আর এর নাম রাখল ইস্তাম্বুল। তাই এখন আর কন্সট্যান্টিনোপল শব্দটি ব্যবহৃত হয় না। কিন্তু যখন আমরা কন্সট্যান্টিনোপল বিজয় করব, ন্যাটোকে বিদায় বলব, আমরা সেদিন এর পূর্বের নাম ফিরিয়ে আনব। এটাকে পুনরায় কন্সট্যান্টিনোপল বলে ডাকা হবে।

অনুবাদঃ Md Arefin Showrav

২৫-৪-২০১৭

বনী ইসরায়েল এবং আমরা

আল্লাহপাক বনী ইজরায়েলকে অনেক নিয়ামত দান করেছিলেন। তাদেরকে নবীদের বংশধর হিসেবে মর্যাদা দিয়েছিলেন। তাদেরকে সবচেয়ে বড় আধ্যাত্মিক নিয়ামত ও সবচেয়ে বড় জাগতিক নিয়ামত দিয়েছিলেন। অর্থাৎ তাদের মধ্য থেকে নবী-রাসুল পয়দা করেছিলেন এবং তাদের মধ্য থেকে রাজা-বাদশাহ পয়দা করেছিলেন। কিন্ত তারা এই নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করেনি। আল্লাহপাক তাদের থেকে যে অঙ্গীকার নিয়েছিলেন, তারা সে অঙ্গীকার পালন করেনি। তারা ইসলামী শরীয়াতকে ত্যাগ করে তাদের বস্তুজাগতিক লাভের আশায় নিজেদের ইচ্ছেমত শরীয়ত পরিবর্তন করে অর্থাৎ আল্লাহ যা হালাল করেছেন তাকে হারাম ও আল্লাহ যা হারাম করেছেন তাকে হালাল বানিয়ে নেয়। তাদের এরকম অপকর্ম স্বাক্ষ্য দেয় যে, তাদের মনে আল্লাহর ভয় ছিল না। তারা সত্যের সাথে মিথ্যাকে মিশ্রণ করে প্রচার করত যাতে কিছুটা ধর্মের পথেও চলা যায়, আবার কিছুটা দুনিয়াবি ফায়দার পথেও চলা যায়। তারা সত্য গোপন করে রাসুলুল্লাহ (সা) এর নব্যুওয়াত অস্বীকার করত যাতে তাদের নেতৃত্ব টিকে থাকে। তারা মানুষকে সৎকাজের আদেশ দিত, কিন্তু নিজেরা ভুলে যেত। তারা ভাইয়ে ভাইয়ে ভালো ব্যবহারের আদেশ দিত, কিন্তু নিজেরা তাদের ঈসমাইলীয় ভাই অর্থাৎ আরবদেরকে গালমন্দ করত।

আমরা যদি আখেরী জামানার মুসলিমদের দিকে তাকাই, তাহলে একই অবস্থা দেখতে পাই। আল্লাহপাক মুসলিমদের নবী-রাসুলদের সরদার রাসুলুল্লাহ (সা) এর উম্মত বানিয়েছেন। তাদেরকে সাহাবায়ে কেরামের মত অসাধারণ মহামানবদের দান করেছেন যারা হলো নক্ষত্রের মত, কোন একজনকে অনুসরণ করলেই সঠিক পথ প্রাপ্ত হওয়া যাবে। আল্লাহপাক মুসলমানদের মরক্কো থেকে ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত সাম্রাজ্য দান করেছেন। অথচ আমরা আল্লাহপাকের শুকরিয়া আদায় করতে ভুলে যাই। আমরা আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার পূরণ করতে ভুলে যাই। আমরা ইহুদি-খ্রিস্ট জায়োনিস্ট কর্তৃক নির্মিত পশ্চিমা আধুনিক সভ্যতার অনুসরণে লিপ্ত হয়ে আল্লাহর ইবাদাত ও রাসুলুল্লাহ (সা) এর সুন্নত পালন করা ছেড়ে দিই। আমরা পবিত্র কোরানের সংবিধান ত্যাগ করে দাজ্জালের দ্বীপ ব্রিটেনের সংবিধান গ্রহণ করি। ব্রিটেনের শিক্ষাব্যবস্থা গ্রহণ করি। ব্রিটেনের রাজনৈতিক পন্থা গ্রহণ করি। আমরা একমাত্র আল্লাহর ইবাদাত ছেড়ে দিয়ে রাস্ট্র ও জাতিসংঘকেও উঁচু মাকাম দেই। আমাদের আলেম ওলামাগণ সত্যের সাথে মিথ্যাকে মিলিয়ে মিশিয়ে প্রচার করেন। একদিকে বলেন, সুদ খাওয়া হারাম; অন্যদিকে বলেন, কাগুজে মুদ্রা হালাল! একদিকে বলেন, সুপ্রিম কোরট থেকে মূর্তি সরাও; অন্যদিকে বলেন, গণতন্ত্র হালাল! মুসলিম দেশগুলো আল্লাহপাক যা হালাল করেছেন তাকে হারাম ও হারামকে হালাল করছে। তারা আইএমএফের কথা মেনে স্বর্ণমুদ্রার ব্যবহারকে হারাম করেছে। ১৮ বছরের নীচে বিবাহকে হারাম করেছে। আমাদের আলেমগণ মানুষকে বলে, মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই। সুতরাং ভাইয়ে ভাইয়ে মিলেমিশে থাকো। আবার নিজেদের বেলায় তারা কাউকে বিদআতপন্থী, কাউকে কাফের, কাউকে শিয়া বলে গালাগালি করেন! তবে কী তারা গ্রন্থ পাঠ করছে কিন্ত তা হৃদয়ঙ্গম করতে ব্যর্থ হচ্ছে? যেখানে আল্লাহপাক মুসলিম জাতিকে এত বড় নিয়ামত দিয়েছেন, সেখানে আমরা বনী ইজরায়েলের মত নিজেদের পথ হারিয়ে ফেলছি কেন? আমাদের ভয় করা উচিত সেদিনকে যেদিন কেউ কারো উপকার করতে পারবে না, কারো সুপারিশ গৃহীত হবে না, কারো থেকে বিনিময় গ্রহণ করা হবে না এবং কেউ সাহায্যপ্রাপ্তও হবে না।

“হে বনী-ইসরাঈলগণ, তোমরা স্মরণ কর আমার সে অনুগ্রহ যা আমি তোমাদের প্রতি করেছি এবং তোমরা পূরণ কর আমার সাথে কৃত প্রতিজ্ঞা, তাহলে আমি তোমাদেরকে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি পূরণ করব। আর ভয় কর আমাকেই। আর তোমরা সে গ্রন্থের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন কর, যা আমি অবতীর্ণ করেছি সত্যবক্তা হিসেবে তোমাদের কাছে। বস্তুতঃ তোমরা তার প্রাথমিক অস্বীকারকারী হয়ো না আর আমার আয়াতের অল্প মূল্য দিও না এবং আমার (আযাব) থেকে বাঁচ। তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশিয়ে দিও না এবং জানা সত্ত্বে সত্যকে তোমরা গোপন করো না আর নামায কায়েম কর, যাকাত দান কর এবং নামাযে অবনত হও তাদের সাথে, যারা অবনত হয়। তোমরা কি মানুষকে সৎকর্মের নির্দেশ দাও এবং নিজেরা নিজেদেরকে ভূলে যাও, অথচ তোমরা কিতাব পাঠ কর? তবুও কি তোমরা চিন্তা কর না? ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব– যারা একথা খেয়াল করে যে, তাদেরকে সম্মুখীন হতে হবে স্বীয় পরওয়ারদেগারের এবং তাঁরই দিকে ফিরে যেতে হবে। হে বনী-ইসরাঈলগণ! তোমরা স্মরণ কর আমার অনুগ্রহের কথা, যা আমি তোমাদের উপর করেছি এবং (স্মরণ কর) সে বিষয়টি যে, আমি তোমাদেরকে উচ্চমর্যাদা দান করেছি সমগ্র বিশ্বের উপর। আর সে দিনের ভয় কর, যখন কেউ কারও সামান্য উপকারে আসবে না এবং তার পক্ষে কোন সুপারিশও কবুল হবে না; কারও কাছ থেকে ক্ষতিপূরণও নেয়া হবে না এবং তারা কোন রকম সাহায্যও পাবে না।”
[আল বাকারা: ৪০-৪৮]

@ Md Arefin Showrav

# ইহুদী # ইসলাম # মুসলমান

সেই বৃক্ষটি যার পেছনে কিছু মানুষ ছুটে

অমরত্ব ও চিরকাল শাসন করার ইচ্ছা হলো সেই বৃক্ষ যার নিকটবর্তী হতে আল্লাহপাক আদম (আ) কে নিষেধ করেছিলেন।

” এবং আমি আদমকে হুকুম করলাম যে, তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস করতে থাক এবং ওখানে যা চাও, যেখান থেকে চাও, পরিতৃপ্তিসহ খেতে থাক, কিন্তু এ গাছের নিকটবর্তী হয়ো না। অন্যথায় তোমরা যালিমদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়বে।” (সূরা বাকারা, ২ঃ৩৫)

“অতঃপর শয়তান উভয়কে প্ররোচিত করল, যাতে তাদের অঙ্গ, যা তাদের কাছে গোপন ছিল, তাদের সামনে প্রকাশ করে দেয়। সে বললঃ তোমাদের পালনকর্তা তোমাদেরকে এ বৃক্ষ থেকে নিষেধ করেননি; তবে তা এ কারণে যে, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও-কিংবা হয়ে যাও চিরকাল বসবাসকারী।” (সূরা আল আ’রাফ, ৭ঃ২০)

যারা এই চিরজীবন ও চিরস্থায়ী শাসনের পেছনে ছোটে, তাদের জান্নাতে ঠাই হবে না। আমরা জানি, কারা অমরত্বের পেছনে ছোটে, কারা চিরস্থায়ী শাসন চায়। যারা ফেরাউনের ন্যায় জীবনযাপন করে অর্থাৎ জায়োনিস্ট খাজার সম্প্রদায়।

@ Md Arefin Showrav

# ইহুদী খ্রিস্টান # যায়োনিস্ট # ইয়াজুজ মাজুজ

দুই সমুদ্রের সংযোগস্থল পর্যন্ত যুগ যুগ ধরে চলা

“যখন মূসা তার সঙ্গীকে বলেছিলো, দুই সমুদ্রের সংযোগস্থলে না পৌঁছে আমি থামবো না, অথবা আমি যুগ যুগ ধরে চলতে থাকব।” (সূরা কাহাফ, আয়াত ৬০)

ইবনে আব্বাস রাযি থেকে বর্ণিত হাদীসে এসেছে, “রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মূসা য়ালাইহিস সালাম বনী ইসরাঈলের মধ্যে বক্তৃতা করছিলেন। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, মানবজাতির মধ্যে সবচেয়ে বেশী জানে কে? তিনি বললেন, আমিই সবচেয়ে বেশী জানি। তার এ জবাব আল্লাহতায়ালা পছন্দ করেননি। আল্লাহ্‌ তাকে ওহীর মাধ্যমে বললেন, দুই সমুদ্রের সঙ্গমস্থলে আমার এক বান্দা অবস্থান করছে, সে তোমার চেয়ে বেশী জানে।”

অতঃপর মূসা সেই দুই সমুদ্রের সংযোগস্থলের দিকে চলতে লাগলেন। এক সমুদ্র হলো বহির্জাগতিক জ্ঞান আর অন্য সমুদ্র হলো অন্তর্চক্ষু দ্বারা আহরিত জ্ঞান। অতএব যখন জ্ঞানের উভয় সমুদ্রের সংযোগস্থলে কেউ পৌছাতে পারবে সেই হবে প্রকৃত জ্ঞানী।

মূসা য়ালাইহিস সালাম তাই বলেছেন, দুই সমুদ্রের সংযোগস্থলে না পৌঁছে আমি থামবো না, অথবা আমি যুগ যুগ ধরে চলতে থাকব।

মানুষের উচিৎ জ্ঞানের দুই সমুদ্রের সন্ধান পাওয়া পর্যন্ত না থামা। যুগ যুগ ধরে চলতে থাকা।

কিন্তু দাজ্জাল নিজে একচোখ অন্ধ। দাজ্জালের অনুসারীদেরও এক চোখ অন্ধ। তাই তারা অন্তর্জাগতিক জ্ঞানের সন্ধান কখনো পায় না। স্কুল, কলেজ ও মিডিয়া থেকে প্রাপ্ত জ্ঞানকে বিশ্বাস করেই তারা নিজেদের জ্ঞানী মনে করে।

# সূরা কাহাফ # জ্ঞান বিজ্ঞান

মূসা (আ) এলেন খিজির (আ) -এর কাছে

মূসা য়ালাইহিস সালাম পেছনের দিকে ফিরে এসে খিজির য়ালাইহিস সালামকে একটা পাথরের কাছে কাপড় জড়িয়ে বসে থাকতে দেখলেন। মূসা য়ালাইহিস সালাম তাকে সালাম দিলে জবাবে তিনি বললেন, তোমাদের এ দেশে সালামের প্রচলন হলো কেমন করে? মূসা বললেন, আমি মূসা। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, বনী ইসরাঈলের নবী মূসা? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমি বনী ইসরাঈলের মূসা। আমি এজন্য এসেছি, আপনি আমাকে সেই জ্ঞান শিক্ষা দেবেন যা আপনাকে শেখানো হয়েছে। তিনি (খিযির) জবাব দিলেন, তুমি কিছুতেই আমার সঙ্গে সবর করতে পারবে না। যে বিষয় তোমার জ্ঞানায়ত্ত নয় , সেই বিষয়ে তুমি ধৈর্য ধারণ করবে কেমন করে? (সূরা কাহাফ, আয়াত ৬৬ – ৬৭)

অনেকেই ইসলামিক ইস্কেটোলজি শিক্ষা করার জন্য আসে। যখন তাকে বলা হয়, আমাদের মাল্টিম্যারেজের দিকে ফিরে যেতে হবে। কাগজের ও ইলেকট্রনিক মুদ্রা হারাম, আমাদের স্বর্ণমুদ্রার দিকে ফিরে যেতে হবে। জেনেটিকাল মডিফাইড ফুড বর্জন করতে হবে। আমাদের শহর ছেড়ে গ্রামে মুসলিম ভিলেজ প্রতিষ্ঠা করে থাকতে হবে। মেয়েদের ইচ্ছানুযায়ী নিরাপত্তা ও পর্দার সাথে তাদের মসজিদে আসার ও খেলাধুলার সুযোগ দিতে হবে। পূর্ব রূমের সাথে আমাদের রাজনৈতিক বন্ধুত্ব হবে এবং মালহামার পর কনস্টান্টিনোপল মুসলমানদের দ্বারা বিজয় হবে। তাদের যখন আরো বলা হয় বর্তমান বিশ্ব ইয়াজুজ মাজুজের।

তারা একটিতেও ধৈর্য ধারণ করতে পারে না।

সেক্ষেত্রে তাদের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ ছাড়া কোন গতি নেই।

“সে (খিজির) বললো, এখানেই তোমার ও আমার মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হলো। যে বিষয়ে তুমি ধৈর্য ধারণ করতে পারোনি এখন আমি তার তাৎপর্য ব্যাখ্যা করছি।

সম্পর্কচ্ছেদ হলেও ইসলামিক ইস্কেটোলজিস্টরা বিষয়গুলোর তাৎপর্য নিয়মিত ব্যাখ্যা করবেন ইনশাআল্লাহ্‌।

# সূরা কাহাফ