The Real Solution

ধর্ষণ নিয়ে অনেকেই দেখি লিখতেছেন। ধর্ষণ কেন হয় এটা জানার মানুষের খুব আগ্রহ। মেয়ের জামাকাপড়ের ত্রুটি নাকি ছেলের পাশবিক প্রবৃত্তি? আসলে এগুলো কোন মূল কারণ নয়। এর প্রকৃত কারণ অন্য জায়গায়। আমি যদি বলি, ধর্ষণ হওয়ার মূল কারণ ইসলামিক আইনের প্রয়োগের ব্যবস্থা না থাকা। – এখন ইসলামিক আইন যদি প্রয়োগ করার কথা বলেন তাহলে নারীবাদীরাই সর্বপ্রথম ভেটো দিবেন। সমস্বরে কিচিরমিচির শুরু করবেন ইসলামিক আইন মধ্যযুগীয়। হা হা। যদি বলা হয় ধর্ষণ করার শাস্তি পাথর অথবা বেত। শাস্তি হবে পুরুষের। তখন দেখা যাবে নারীবাদীরা কিভাবে লেজ গুটিয়ে পালায়। ইসলামিক আইনের প্রয়োগের ব্যবস্থা করেন ধর্ষণ টর্ষন সব রাতারাতি শেষ হয়ে যাবে। শুধু শুধু আবোল তাবোল আলোচনা করে মূল্যবান সময় নষ্ট করা কেন? আদিযুগের অপরাধ মধ্যযুগের আইনে বিচার করা হবে সমস্যা কি? সমস্যা হলো তখন ধর্ষকদের পরে নারীবাদী, অমুক বাদী, তমুক বাদী এবং নারীকে যারা বিজ্ঞাপনে, নাটকে, সোসাইটিতে পণ্য বানায় তাদের পিঠও রক্ষা পাবে না।

‘শিক্ষিতা’

গত শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের দিকে সারা পৃথিবীতে মেয়েদের স্কুলমুখী করা হয়। যুক্তি দেখানো হয়েছিল, শিক্ষার মাধ্যমে মেয়েরা যেন একজন ভালো মায়ে পরিণত হতে পারে। সৌদি আরবের মতো রক্ষণশীল দেশেও মেয়েরা তখন স্কুলমুখী হয় বাদশাহ ফায়সালের প্রচেষ্টায়। কিন্তু শিক্ষা যত বেড়েছে মেয়েরা ততই খন্ডকালীন মায়ে পরিণত হয়েছে। শিক্ষালাভকারী কোন মা-ই গত ১০০ বৎসরে একজন সালাউদ্দিন আইউবী বা একজন হাসান বসরী জন্ম দিতে পেরেছেন বলে শোনা যায়নি।

মা দিবস

আইসক্রিমওয়ালা

দয়ার সাগর আল্লাহ তায়ালা –

আপনাদেরকে কি একটি ছোট্ট বালিকার গল্প বলিয়াছিলাম ? প্রচণ্ড গরমের সময় তাদের এলাকায় আইসক্রিমওয়ালা আসিয়া ঘন্টা বাজাইতে লাগিল । এলাকার সকল শিশুরা ছুটিয়া গেল, আইসক্রিম কিনিয়া মজা করিয়া খাইতে লাগিল । বালিকাটি তাহার মায়ের নিকট গেলো আইসক্রিম কেনার টাকার জন্য । কিন্তু তাহার মা একজন বিধবা নারী, অতি দরিদ্র । সে তাহার কন্যাকে আইসক্রিম কেনার জন্য কোন টাকা দিতে পারিল না । ছোট্ট এই বালিকাটির আর আইসক্রিম খাওয়া হইল না । ফলে কষ্টে তাহার ছোট্ট হৃদয়টি ভাঙ্গিয়া চুরমার হইয়া গেলো । তাহার দুচোখ থেকে অঝোর ধারায় অশ্রু বহিতে লাগিল । কিন্তু আল্লাহ তো দয়ার সাগর । তিনি এই শিশুটির অন্তর থেকে কষ্টের দাগ দূর করিতে স্বপ্ন সৃষ্টি করিলেন । বালিকাটি রাতে ঘুমের মধ্যে স্বপ্নে দেখিলো তাহাদের পাড়ায় আইসক্রিমওয়ালা আসিয়া ঘন্টা বাজাইতেছে । সে আইসক্রিম কেনার জন্য তাহার মায়ের কাছে টাকা চাহিল । তাহার মা এইবার তাহাকে আইসক্রিম কেনার জন্য টাকা দিলেন । সে আনন্দে নৃত্য করিতে করিতে আইসক্রিমওয়ালার নিকট গিয়া আইসক্রিম কিনিয়া আনিল । তারপর সে নাক-মুখ-জামা-কাপড় ভিজাইয়া খুব তৃপ্তি ভরিয়া আইসক্রিম খাইল । এবার সকালবেলায় যখন সে ঘুম থেকে উঠিল তখন তাহার ভেতরে আইসক্রিম না খাওয়ার সে কষ্টের আর কোন চিহ্ন দেখিতে পাইল না ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

ফাতিমা

আমার সমস্ত লেখা এরকম একটি সমাজের জন্য। দৃষ্টিভঙ্গীর এরকম পরিবর্তনের জন্য। আল্লাহ্‌ তাদের রহমত ও বরকতের চাঁদরে ঢেকে দিন।

লিখেছেন,

সুরা ফুরক্বানের ৭৪ নং আয়াতটা অসাধারণ! এই আয়াতে আর-রাহমান আমাদেরকে একটি দু’আ শিখিয়ে দিয়েছেন। এটাও বলেছেন, যারা এই দু’আটা করে তাঁরা রাহমানের দাস। এই দু’আটা বিবাহিত, অবিবাহিত সবারই করা উচিৎ। 
.
আমার এই দু’আটির উত্তর আমার রাব্ব দিয়েছিলেন কল্পনারও বাইরের উপায়ে। আমাকে যিনি বিয়ে করতে রাজী হন তিনি ছিলেন সদ্য নাস্তিকতা ছেড়ে ইসলাম গ্রহণ করা একজন নও মুসলিমাহ। সাথে উনার ৫ বছরের ছোট্ট টুকটুকে মেয়েটা ছিলো আর-রাহমানের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত নি’আমাত, অপ্রত্যাশিত উপহার।
এবং একটা মিরাকল!
.
কেনো?
কারণ, ৫ বছর আগে আমি নাস্তিকতা ছেড়ে ইসলামে আসার পর যখন বিয়ের চিন্তা করছিলাম, তখনই ভেবে রেখেছিলাম আমার মেয়ে হলে ওর কী নাম রাখবো! সুবহানাল্লাহ! ওর নামও ঠিক তাই: ফাতিমা!
.
নিশ্চয়ই আমাদের প্রতিপালক মহাপরিকল্পনাকারী। উনার সিদ্ধান্তের উপরেই যেনো আমি-আমরা পূর্ণ সন্তুষ্টি ও আস্থা রাখার সাহস অর্জন করতে পারি। আ-মীন।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

 

হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর। (সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ৭৪)

নারীদেরকে মসজিদে ফিরাইয়া আনিতে হইবে

টুইন টাওয়ার তৈরীর সময় মুসলমানদের টাকার অভাব হয় না । কিন্তু যদি বলা হয় মুসলিম নারীদের নামায পড়ার জন্য মসজিদের ভেতরে একটি রুম করেন, তখন তাদের টাকার ঘাটতি দেখা দেয় । রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কি মুসলিম নারীদের মসজিদের নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করেন নাই ? আল্লাহর রাসুল (সাঃ) মহিলাদেরকে যেই অধিকার দিয়েছেন আপনারা তাদেরকে সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন । ইহার জন্য আপনাদেরকে অবশ্যই ভয়ঙ্কর মাশুল দিতে হবে । প্রস্তুত থাকেন !! একদিন যখন দেখিবেন মুসলিম নারীরা তাহাদের জন্য আলাদা মসজিদ তৈরী করিয়াছে, তাহারাই ইমামতী করিতেছে এবং তাহারাই খুতবাহ দিতেছে আর তাহাদের মসজিদে পুরুষদের ঢুকিতে দিতেছে না, তখন আপনারা কাঁদিতে কাঁদিতে আমার নিকট আসিবেন না । কেননা এই পরিস্থিতির জন্য আপনারাই দায়ী । আপনি যদি আহলূস সুন্নাহ হইয়া থাকেন, তবে বলেন নবীজির (সাঃ) সুন্নাহ কি ? মহানবীর (সাঃ) পেছনে যখন সাহাবায়ে কেরামগণ নামায আদায় করিতেন তখন পুরুষরা দাড়াঁইতেন সামনের কাতারে এবং নারীরা দাড়াঁইতেন পেছনের কাতারে । পুরুষদের পেছনে নারীরা নামাজ পড়িতে পারেন কিন্তু নারীদের পেছনে পুরুষরা নামায পড়িতে পারিবেন না, নামাজে তাহাদের মনোযোগই নষ্ট হইয়া যাইবে ..হা..হা..হা.. । রাসুলাল্লাহ (সাঃ) নারীদেরকে নির্দেশ দিয়াছিলেন যে, পুরুষরা যতক্ষন সিজদাহ হইতে উঠিয়া না দাঁড়াইয়াছে ততক্ষন যেন তাহারা সেজদাতেই পড়িয়া থাকে । কেননা সকল পুরুষদের লম্বা চওড়া জামা নাও থাকিতে পারে, সেক্ষেত্রে নারীদের অপ্রীতিকর দৃশ্য চোখে পড়িতে পারে । সে যাক, আপনাদেরকে মনে রাখিতে হইবে যে, একমাত্র আল্লাহ এবং আল্লাহর রাসুল (সাঃ) ছাড়া ধর্মীয় বিধি-বিধানে স্থায়ী পরিবর্তন সাধনের অধিকার কাহারো নাই । আপনি বিপদজনক পরিস্থিতির কারণে কিছুদিনের জন্য ধর্মীয় বিধি-বিধানে পরিবর্তন আনিতে পারেন কিন্তু স্থায়ীভাবে তাহা করিতে পারেন না । হযরত ওমর (রাঃ) এর খিলাফত আমলে ইসলামী রাষ্ট্রের পরিধি অনেক বাড়িয়া গিয়াছিল । হয়ত তিনি গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে মদীনা শরীফে শত্রুদের হামলার আশংকা করিয়াছিলেন । এজন্য তিনি কিছুদিন নারীদেরকে মসজিদে যেতে নিষেধ করিয়াছিলেন । আর একজন শাসক জনগণের নিরাপত্তার জন্য সাময়িক ভাবে যে-কোন আদেশ দিতে পারেন । কিন্তু কেউ কি প্রমাণ করিতে পারিবেন যে, হযরত ওমর (রাঃ) তাঁহার মৃত্যুর পরও কিংবা কেয়ামত পর্যন্ত তাঁহার আদেশ বলবত থাকিবে এমন বলিয়া গিয়াছেন ? আপনারা এখন ওমর (রাঃ) এর অজুহাত দেখাইয়া মুসলিম নারীদের মসজিদে যাওয়ার অধিকার কাড়িয়া নিয়াছেন অথচ মহিলারা ঠিকই বাজারে যাইতেছে শপিং মলে যাইতেছে । আরে দাঁড়ান দাঁড়ান ! তাই তো ! নারীরা তো স্কুলে যাইতেছে, মার্কেটে যাইতেছে, সুপারমলে যাইতেছে । সর্বত্র যাইতে তাহাদের অনুমতি আছে । নিষেধ কেবল মসজিদে গেলে ? ইহা তো দ্বিমুখী নীতি হইয়া গেলো ।

মূল – শাইখ ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

নারী হলো আল্লাহ্‌র একটি নিদর্শন

আল্লাহ্‌ তায়ালা নারীদের কি জন্য সৃষ্টি করেছেন? আল্লাহ্‌ তায়ালা কুরআনুল কারীমে একাধিকবার তার পরিষ্কার উত্তর দিয়েছেন। কাজেই এ বিষয়ে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। – “তাঁর নিদর্শনের মধ্যে হল এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের মধ্য হতেই তোমাদের সঙ্গিণী সৃষ্টি করেছেন যাতে তোমরা তার কাছে শান্তি লাভ করতে পার আর তিনি তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভালবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন। এর মাঝে অবশ্যই বহু নিদর্শন আছে সেই সম্প্রদায়ের জন্য যারা চিন্তা করে।” (সূরা আর রূম, ৩০ঃ২১)

কাজেই নারীদের কাছে পুরুষরা শান্তি লাভ করবে, পুরুষের জীবনের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ দিনগুলোতে নারী স্বভাবসুলভভাবে শান্তি দান করবে। আদম য়ালাইহিস সালাম যখন জান্নাতে একাকী ছিলেন তখন তার একাকীত্বের অবসান ঘটিয়ে তাকে প্রশান্তি দানের জন্য হাওয়া য়ালাইহিস সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে। – “তিনি তোমাদের এক ব্যক্তি থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং সে ব্যক্তি থেকেই তার স্ত্রী সৃষ্টি করেছেন যেন সে তার নিকট সুকুন বা প্রশান্তি লাভ করতে পারে।” (সূরা আল-আ’রাফ, ৭ঃ১৮৯)

নারী যেন হয় পুরুষের চোখের শীতলতা। – হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর।

(সূরা আল ফুরকান, ২৫ঃ৭৪)

— এই হলো নারী। যে নারী আমাদের পুরুষদের শান্তি দেয় তার শান্তির ব্যবস্থা করা উচিৎ কি না? বিয়ের সময় কিন্তু প্রতিটি পুরুষ এই অঙ্গীকার করে যে, সে তার স্ত্রীর সমস্ত ভরণ পোষণের দায়িত্ব নিবে।

এরপরও নারী তার ফিতরাত বা স্বভাব সুলভ পারদর্শিতার কারণে আমাদের সংসারে রান্না বাড়া, থালা বাসন ধোয়া, বিছানা গোছানো, কাপড় ধোয়া থেকে শুরু করে মা বাবার খেদমত সব কাজই করে।

তারপরও দাজ্জালিক সমাজের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাকে আমরা অফিসে পাঠাই, ব্যবসা করতে পাঠাই। তাকেও ভিড়ের বাসে পুরুষের সাথে পাল্লা দিয়ে ঘরে ফিরতে হয়। ঘরে ফেরার সময় বাজারটাও করে আনতে হয়। একজন পুরুষের যা যা করা দরকার সবই তাকে করতে হয়। তাকেই যদি উপার্জনের জন্য রাস্তায় নামতে হবে, তাহলে তার ভরণ পোষণের ফেক দায়িত্ব নেয়াটা কেন?

তাহলে, আল্লাহ্‌ তাকে যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করলেন সে উদ্দেশ্য আর কিভাবে পূরণ হবে? একজন নারী যখন বাহিরের ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ পরিবেশ থেকে বাসায় ফিরবেন তখন তার প্রশান্তির ব্যবস্থা কে করবে? আর তিনিই বা তার স্বামীর জন্য কতটুকু প্রশান্তির ব্যবস্থা করবেন?

এভাবেই দাজ্জালিক সমাজ আল্লাহ্‌ কর্তৃক নির্ধারিত সীমারেখা অতিক্রমের মাধ্যমে আল্লাহ্‌র সৃষ্টির উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দিতে চলেছে। এভাবেই আজ সমাজে বিবাহের উপোযোগিতা হারিয়েছে।

।।

ইসলামী সমাজের দৃষ্টান্ত হলো এরূপ যে নারী পুরুষের শান্তির ব্যবস্থা করবে, অন্যদিকে পুরুষ নারীর ভরণ পোষণের ব্যবস্থা করবে। যদি পুরুষ তাতে ব্যর্থ হয় তাহলে সে নারী ইচ্ছা করলে তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে অন্যস্বামী গ্রহণ করতে পারবেন। যার উদাহরণ হাদীসের কিতাবে আছে। কিন্তু আমাদের বাস্তব সমাজে নেই।

নারী-আত্মা

আমি খুব ভালো ভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছি, এবং আমার এই বিষয়ে আর কোন ডাউট নেই যে নারীদের জীবনের প্রথম ও প্রধান চাহিদা হলো যৌনতা ও নিরাপত্তা। না মা হওয়া, না লেখাপড়া করে ভালো চাকরী করে প্রতিষ্ঠিত হওয়া। এগুলো কিছুই নয়। যদি থাকত তাহলে অবশ্যই ইসলাম এ বিষয়গুলোকে খুব ভালোভাবে এড্রেস করত। আমরা যারা ইন্টারনেটে কাজ করি তারা জানি ইন্টারনেট হচ্ছে মেয়েদের ছবি দিয়ে ভর্তি। এতো লক্ষ লক্ষ নারী কারা? এরা তো আমাদের এই সামজেরই। একজন নারী বেপর্দা হয়ে কেন বাইরে যায়? স্কুল কলেজ শপিং মল অফিস সব জায়াগায় বেপর্দা নারী কেন? এর কারণ ঐ নারীগুলো তার সেকসুয়াল লাইফে সেটেলড নয়। তার অতৃপ্ত নারী-আত্মা কামনা করে তাকে মানুষ দেখুক। তার প্রয়োজন ছিল একজন পুরুষ সঙ্গী। কিন্তু তাকে জোরপূর্বক পুরুষ সঙ্গী থেকে বঞ্চিত করে তাকে পাঠানো হয়েছে খাতা কলম দিয়ে স্কুলে। হা হা। পুরুষের চাহিদা কি খাতা কলমে পূর্ণ হবে। কে এই কাজ করলো? – এই দাজ্জালিক সমাজ ও মেয়েটির পরিবার, তার বাবা মা।

যার ফলে আমরা কি দেখি, দুই বেনি করে স্কুলে যাওয়া মেয়েটি খোলা রাস্তায় তার সহপাঠীকে জড়িয়ে ধরে ছবি তুলে যা ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়। একজন নারীর মনে রাখা উচিৎ, যে ছেলে তার ছবি তুলবে এটা সে নেটে দেয়ার জন্যই তুলবে। কম্বলের নীচে শুয়ে তার কথা মনে করে চোখের পানি ফেলার জন্য নয়।

একজন নারীর সেক্সুয়াল চাহিদা শুরু হয় কমবেশি ১৫ বৎসর বয়সে। তাকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষ বানিয়ে বিয়ে দেয়া হচ্ছে ২০, ২৫ এমনকি ২৭ বৎসর বয়সে। এই যে তার অতিরিক্ত এতোগুলো বৎসর অতিক্রান্ত হলো কোন পুরুষ সঙ্গী ছাড়া এর ফিডব্যাক কি? কেন তার যৌন অধিকার নষ্ট করা হলো? আপনি কি নদীতে বাঁধ দিতে চান? তাহলে সে তার অন্য গতিপথ করে নিবেই। হালাল জিনিস না পাওয়া গেলে হারাম খাওয়াও জায়েজ হয়ে যায়। কেন, তার তো জীবন বাঁচাতে হবে। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে হালালকে সরিয়ে রাখা কোন উপায়েই জায়েজ নয়। আজকে মা বাবারা তাদের মেয়েদের হালাল পুরুষ সঙ্গী পাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে সে তো হারামের দিকে ঝুঁকবেই। তার জীবনটাতো আগে বাঁচাতে হবে। ফলে স্বামীর জায়গা দখল করে সহপাঠী, মাস্টার মশায়, ভাড়াটিয়া, কাজিন, অফিসের বস, ইউনিভার্সিটির বড় ভাই।

আর একজন মেয়েকে আপনি বিয়ে দিবেন ৩০ -এ। তার তো ৪০ এ রিপ্রোডাক্টিভ এজ শেষ। কি দিল সে এই সমাজকে? জাতিকে? সার্টিফিকেটের কাগজ? হা হা। ১৭ বৎসরে বিয়ে হওয়া যে মেয়েটা স্বামী, সন্তান ও অর্থ সম্পদে ভরপুর, আর জীবনের স্ট্রাগলিং সমাপ্তির পথে, তখনও তার বাল্য বান্ধবী বন্ধুদের সাথে ফুচকা খায়, আর উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখে, সে তো এখনও লাইফ ব্যাটলের মুখই দেখে নাই। কবে জীবন যুদ্ধে নামবে আর সে যুদ্ধে জয়ী হবে? আগে মাঝে মাঝে পাত্রপক্ষরা দেখতে আসতো, এখন তাও আসে না।

একজন মেয়ে তার যৌনজীবনে সেটেলড, তার সকাল হয় পরিতৃপ্তির সাথে। তাকে সকালে নাস্তা বানানোর কথা বলতে হবে না, সে বিরক্ত মুখে তাকাবে না। সে কখনো বেপর্দায় রাস্তায় বের হবে না। তার তো মানুষকে প্রদর্শন করার দরকার নেই।

মেয়েদের অভিভাবকদের বলা হচ্ছে, “যদি এমন কেউ তোমার কাছে বিয়ের পয়গাম নিয়ে আসে – যার চরিত্র ও তাক্বওয়া সন্তোষজনক, তাহলে তার কাছে তোমার মেয়েকে বিয়ে দাও। যদি এমনটি না করো, তাহলে পৃথিবী মারাত্মকরকম ফেতনা ও বিপর্যয়ে ভরে যাবে। (তিরমিযী) – এর চেয়ে আর পরিষ্কারভাবে রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম কিভাবে বলতে পারতেন?

কুরআন বলে, আর বিয়ে দাও তোমাদের মধ্যে অবিবাহিতদের, যদি তারা দরিদ্র থাকে, আল্লাহ্‌ তাদের ধনী করে দিবেন। আল্লাহ্‌ প্রাচুর্যময়, তোমরা কি করো আল্লাহ্‌ দেখেন। (সূরা আন-নূর, ২৪ঃ৩২)

কুরআন হাদীসের আয়াত অবজ্ঞা করার শাস্তি মা বাবা ও দাজ্জালিক সমাজকে পেতে হবে। They deserve it.

Insatiable Woman

ট্যাগঃ #  নারী # বিবাহ # বিয়ে # পরকীয়া

মন্তব্যগুলো পড়তে বিস্তারিত পড়ুন-এ ক্লিক করুন।

বিস্তারিত পড়ুন