কপিরাইট

জ্ঞানের পথকে বন্ধ করে দেয়ার একটি উপায় হচ্ছে কপিরাইট। এগুলো হচ্ছে পাশ্চাত্যদের আবিষ্কার যাতে মানুষের কাছে জ্ঞান অর্জন কঠিন করে দেয়া যায় আর জ্ঞানের বিনিময়ে কিছু টাকা কামানো যায়। জ্ঞানকেও তারা পণ্য বানিয়ে ফেলেছে। সবচেয়ে আশ্চর্য লাগে এতে নাকি লেখকের প্রতি সম্মান করা হয়। লেখকের ;লেখা প্রচার করতে বাঁধা দেয়া কি লেখকের প্রতি সম্মান করা? অনেকে অর্থের অভাবে লেখকের লেখার প্রতি এক্সেস পেতে পারে না। এটা খুবই দুঃখজনক। রাসূল (সা) এর একটা হাদীসের শিক্ষা অনুযায়ী বলা হয় জ্ঞানের কথা পৌঁছে দিতে। হয়তো পরবর্তীরা পূর্ববর্তীদের চেয়ে মেধায় অগ্রগামী। স্মরণ রাখতে বেশী সক্ষম। কিন্তু কপিরাইট আইন লেখকের জ্ঞান প্রচারের বিষয়টি মূল্যায়ন করে না। শুধু ক্ষুদ্র অর্থ সংশ্লিষ্ট স্বার্থ দেখে। এগুলোই পাশ্চাত্য সমাজের নিকৃষ্ট স্ট্যান্ডার্ড। যা তারা খুব গর্বের সাথে ও শোভনীয়ভাবে প্রচার করে। ইসলাম আমাদের শিক্ষা দেয় জ্ঞানের কথা ফ্রী প্রচার করার জন্য। এজন্য কুরআনের কোন কপিরাইট নাই, হাদীসের কোন কপিরাইট নাই। ইসলামের সত্যিকারের পণ্ডিতরা তাদের লেখার কোন কপিরাইট রাখেন না। ফলে আমরা অনেক কিছু জানতে পারি। তাদের বিনিময় আল্লাহ্‌র কাছে। আর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায়ও দেখি, বিনামূল্যে কাউকে ভালো পরামর্শ দিতে ভালো লাগে (যেমন ফেসবুকে) যা টাকা দিয়ে প্রফেশনালী দিতে ততো ভালো লাগে না।

লিনাক্স ও স্টলম্যান

Born March 16, 1953, American, Harvard University, Massachusetts Institute of Technology, President of Free Software Foundation, Known for Free software movement, Website http://www.stallman.org

লিনাক্স নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে একজন ঋষি টাইপ লোকের সন্ধান পেলাম। তার নাম Richard Matthew Stallman. He is an American software freedom activist and programmer. লিনাক্সের একটা ডিস্ট্রো Ubuntu সম্পর্কে তার এই বয়ানটা শুনলাম। https://www.youtube.com/watch?v=CP8CNp-vksc

তারপর তার পার্সনাল সাইটে গেলাম। https://www.stallman.org/

সেখানে গিয়ে দেখলাম তিনি ফেসবুক ব্যবহার করেন না, গুগল ব্যবহার করেন না। আরো কি কি ব্যবহার করেন না। যেমন মাইক্রসফট, আমাজান ইত্যাদি।

কেন ফেসবুক ব্যবহার করেন না তা সম্পর্কে বিস্তারিত রচনা পড়লাম।

তিনি ফেসবুক ইউজার কথাটি না বলে ফেসবুক ইউজেড কথাটি ব্যবহার করছেন। মানে আমরা ফেসবুক ব্যবহার করি না, ফেসবুক আমাদের ব্যবহার করে।

সেখানে ফেসবুক সম্পর্কে তিনি আরো বক্তব্য তুলে ধরেছেন। যেমন ফেসবুক can automatic face recognition on photos. এমনকি ফেসবুক পরিবারের সদস্যদের চিনে, একই লোকেশনে কারা ফেসবুক চালায় তা জানে, কে মানসিক অসুস্থ, কে কখন ঘুমায় এরকম আরো নানা কিছু। এর ফিরিস্তি পাবেন এখানে https://www.stallman.org/facebook.html

Richard Matthew Stallman সম্পর্কে জানতে পারেন এখান থেকে https://en.wikipedia.org/wiki/Richard_Stallman

দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপার

শেয়ার করার জন্য শেয়ার বাটনটাতো ছিল, বা এট লিস্ট আমার নামটাতো কার্টেসীতে দিতে পারতেন। – This is called দাজ্জালী দৃষ্টিভঙ্গী।

আরে ভাই আমার লেখা কপি-পেস্ট করবেন এটা আবার জিজ্ঞেস করতে হয়? আল্লাহ তৌফিক দিয়েছেন বলেইতো লিখতে পারি। — This is রহমানী দৃষ্টিভঙ্গী।
.
.
“আমার উম্মাহর উদাহরণ হলো এমন এক বৃষ্টির মতো যার প্রথম ভালো নাকি শেষ ভালো বলা যায় না।” – রাসূল সাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম।

দ্বৈত নাগরিকত্ব

আপনি যখন কাফের-মোশরেকদের দেশের নাগরিকত্ব গ্রহন করেন, তখন আপনাকে অঙ্গীকার করিতে হয় যে আপনি সেই দেশের সংবিধান মানিয়া চলিবেন । ফলে ধরিয়া নেওয়া হইবে যে, আপনি সেই দেশের সংবিধানে ইসলামবিরোধী যত কুফুরি-শিরকি কথাবার্তা আছে তাহাকে স্বেচ্ছায় মানিয়া নিয়াছেন । কাজেই আপনার জন্য ভয়াবহ শাস্তি অপেক্ষা করিতেছে । পক্ষান্তরে যেই দেশে আপনি জন্মগ্রহন করিয়াছেন তাহার সংবিধানে যে-সব কুফুরি-শিরকি কথাবার্তা আছে, অনিচ্ছা সত্ত্বেও আপনি তাহা মানিয়া চলিতে বাধ্য হইতেছেন । অন্যথায় সরকার আপনাকে জেলে ঢুকাইবে, ফাঁসিতে ঝুলাইবে । ইহা আল্লাহ ক্ষমা করিয়া দিবেন । কেননা সেই দেশে আপনার জন্ম হইয়াছে (এবং জন্মের ওপর আপনার কোন হাত ছিল না) ।

মূল : আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ : বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

ট্রেন্ড


যে যুগে যে ট্রেন্ড প্রবল হয় সে ট্রেন্ডের ফলোয়াররা তাকে ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে। আজকে যারা বিজ্ঞান করছেন তাদের পূর্বপুরুষরা যাদু, ভাস্কর্য ও স্থাপত্য এবং কবিতা ও গীতিকাব্য করেছেন। হক্বের কাছে সবই নিশ্চিহ্ন হয়েছে।


আল মালহামা নাকের ডগায় ঘুরপাক খাচ্ছে আর ‘উনারা’ ব্যস্ত আছেন হযরত হাফেজ্জী হুযুরের নামে রাস্তা পুনর্বহালের দাবিতে। হুযুরের নামে রাস্তা বহাল থাকলেই যেন এ যাত্রায় ইসলাম টিকে গেল। হাফেজ্জী হুযুরের মতো দূরদর্শী আলেমের মাকাম আল্লাহ্‌ জান্নাতে উচু করুন। আর উনাদের কথা নাই বললাম।

তাহাদের চেনা কঠিন

অনেকের দ্বীনদারের সাইনবোর্ড থাকে, কিন্তু লেনদেন পরিষ্কার না। আবার অনেকের দ্বীনদারের সাইনবোর্ড থাকে কিন্তু জবান রক্ষা করে না। উনাদের চেনা খুব কঠিন। কারণ সাইনবোর্ডের বর্ম থাকে। ভুক্তভোগীরাই কেবল তাদের চেনেন, আর চেনেন আল্লাহ্‌।

উম্মাহ

মুসলিম উম্মাহ নামক আন্তর্জাতিক ভূতের কল্যাণ সবাই কামনা করে। তবলীগের ভাইয়েরা কামনা করেন, বাগদাদী কামনা করেন, হাসিনা খালেদা কামনা করেন, জর্জ বুশও নাকি কামনা করতেন। ট্রাম্পের কি অবস্থা? তিনি কামনা করেন নাই?