সৌদি রাজপরিবারের ইতিহাস

এখানে ক্লিক করুনঃ https://goo.gl/J2cAgx

(খুব মন দিয়ে পড়ুন, সৌদির সামনের ভবিষ্যৎ জানতে ইতিহাসের ডটগুলো মেলান। এখানে কয়েকটি মূল পয়েন্ট হাইলাইট করা হলো যাতে মনে রাখতে সুবিধা হয়।)

দিরিয়া আমিরাত

(১) মুহাম্মদ বিন সৌদ + মুহাম্মদ বিন ওয়াহাব = ১৭৪৪ সালে মৈত্রী চুক্তি করে “দিরিয়া আমিরাত” গঠন করেন। ইহা প্রথম সৌদি রাজ্য। এই চক্র তুরস্কের উসমানিয়া খিলাফতের বিরুদ্ধে শিরক-বিদাত পালনের অভিযোগে যুদ্ধ শুরু করে। সৌদের ছেলে আব্দুল আজিজের সাথে ওয়াহাবের মেয়ের বিয়ে হয়। এভাবে সৌদ পরিবারের সাথে ওয়াহাবী পরিবারের মিলনের মাধ্যমে ওয়াহাবী মতবাদের প্রতিষ্ঠা শুরু হয়।

(২) আবদুল আজিজ বিন মুহাম্মাদ বিন সৌদ – ১৭৬৫ সালে মুহাম্মদ বিন সৌদ-এর মৃত্যু হলে তার ছেলে আবদুল আজিজ দিরিয়ায় ক্ষমতাসীন হয়। ১৮০৩ সালে একজন শিয়া মুসলিম আজিজকে দিরিয়ায় আসরের নামাজরত অবস্থায় হত্যা করে।

(৩) সৌদ বিন আবদুল আজিজ – ১৮০৩ সালে মক্কা ও ১৮০৪ সালে মদিনা দখল করে নেয়।

(৪) আবদুল্লাহ বিন সৌদ – খলিফা ২য় মাহমুদ-এর নির্দেশে আবদুল্লাহ বিন সৌদ ও তার দুই ছেলেকে ইস্তাম্বুলে প্রকাশ্যে শিরচ্ছেদ করা হয়।

এভাবেই প্রথম সৌদি আমিরাত (১৭৪৪-১৮১৮)-এর পতন হয়

নজদ আমিরাত

(৫) তুর্কি বিন আবদুল্লাহ – ১ম সাম্রাজ্য পতনের পর তুর্কি বিন আবদুল্লাহ মরুভূমিতে পালিয়ে যায় ও বনু তামিম গোত্রে আশ্রয় নেয়। আত্মগোপন থেকে প্রকাশ্যে এসে উসমানিয়া খিলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে ও ১৮২৪ সালে সে দিরিয়া ও রিয়াদ দখল করে নেয় “নজদ আমিরাত” গঠন করে যা দ্বিতীয় সৌদি রাজ্য নামে পরিচিত। ১৮৩৪ সালে এক জ্ঞাতি ভাইয়ের হাতে নিহত হয়।

(৬) ফয়সাল বিন তুর্কি

(৭) আবদুর রহমান বিন ফয়সাল – ১৮৯১ সালে মুলায়দার যুদ্ধে উসমানিয়াদের অনুগত রাশিদী বাহিনীর হাতে দ্বিতীয় সৌদি আমিরাতের পতন ঘটে এবং আবদুর রহমান বিন ফয়সাল মরুভূমিতে পালিয়ে যায়। সেখান থেকে প্রথমে বাহরাইনের রাজপরিবারের কাছে ও পরে ব্রিটিশ দালাল কুয়েতি আল-সাবাহ রাজপরিবারের আশ্রয় পায়।

(৮) আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ – রিয়াদ আমিরাত বা তৃতীয় সৌদি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

১৯৩২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ ব্রিটেনের অনুমতি নিয়ে হিজাজের নাম পরিবর্তন করে নিজ বংশের নাম অনুযায়ী এই বিশাল আরব ভূখণ্ডের নাম রাখে সৌদি আরব।

দ্বীন মানছি শুধু আল্লাহর হুকুম হিসেবে নাকি সন্তুষ্টচিত্তে!

এখানে ক্লিক করুন: দ্বীন মানছি শুধু আল্লাহর হুকুম হিসেবে নাকি সন্তুষ্টচিত্তে! – হযরত মুশফিক স্যার রহিমাহুল্লাহ