ইসলামী ব্যাংক- সুদের হালালীকরণ ব্যবস্থা

murabaha

সারা বিশ্বের ইসলামী ব্যাংকগুলো অশুভ অনৈতিক পদ্ধতি উদ্ভাবনের মাধ্যমে রিবাকে পাশ কাটানোর উদ্দেশ্যে কৌশলে বরং রিবাকে বৈধতা প্রদানের প্রচেষ্ঠা চালাচ্ছে। সরল প্রাণ মুসলিম জনগণকে সুদি-ব্যাংকিং এর বিকল্প হিসেবে তারা যা উপস্থাপন করছে তা মূলত রিবারই ছদ্মরূপ ছাড়া আর কিছুই নয়। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায়, তারা মুরাবাহা নামক একটি পরিভাষা কৌশলে ব্যবহার করে এবং ত্রুটিপূর্ণভাবে তাকে সংজ্ঞায়িত করে। কিন্তু বাস্তবিক ক্ষেত্রে জনসাধারণকে প্রচ্ছন্নভাবে ধোঁকা দিয়েই এই ধরনের লেনদেন করা হয় যা নিশ্চিতভাবেই রিবার প্রভাব মুক্ত নয়। এই মুরাবাহা প্রকল্পের আওতায় কোন দ্রব্য নগদ মূল্যে ক্রয় করে এবং বেশি মূল্যে তা বাকিতে বিক্রি করে। এক্ষেত্রে ব্যাংকের যুক্তি হচ্ছে এই যে, যেহেতু এ ধরনের লেনদেনে ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে দ্রব্যের মূল্য সম্পর্কে আগেই সমঝোতা হয়ে থাকে সেহেতু এ ধরেনের লেনদেন হালাল।
.
যদি কোন ব্যাংক বাজার থেকে ১০ লাখ টাকা দিয়ে একটি গাড়ি ক্রয় করে এবং সে বাজারেই নগদ ১৭ লাখ টাকায় বিক্রয় করে তবে এই লেনদেনটি হবে সন্দেহজনক। কারণ যদি বাজারে ১০ লাখ টাকায় গাড়িটি পাওয়া যায় তাহলে কেও ১৭ লাখ টাকা দিয়ে ব্যাংকের কাছ থেকে সেই একই গাড়ি কেন কিনতে যাবে? সেক্ষেত্রে যদি কোন ক্রেতার বাজারদর সম্পর্কে ধারণা না থাকে এবং সে অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে তাকে ঠকিয়ে ৭ লাখ টাকা বেশি আদায় করা হয়, এ ধরনের প্রতারণাও রিবার অন্তর্ভুক্ত। হাদীসে ইরশাদ হয়েছে-

আনাস বিন মালিক (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, “একজন মুসতারসালকে (বাজারদর সম্পর্কে সে জানেনা এমন ক্রেতা) ঠকানো রিবার অন্তর্ভুক্ত।“ (বায়হাকী)
.
যদি কোন ক্রেতা বাজার দর সম্পর্কে জানার পরও ১৭ লাখ টাকা দিয়ে সে গাড়িটি ক্রয় করে তাহলে বুঝতে হবে এ ধরনের অস্বাভাবিক লেনদেনের মধ্যে নিশ্চয়ই কোন গলদ কিংবা কোন অন্তর্নিহিত কারণ আছে। নয়তো ক্রেতা মানসিক ভারসাম্যহীন। সেক্ষেত্রে লেনদেনটি অবৈধ হবে।
.
অপরদিকে ব্যাংক যদি গাড়িটি নগদ ১০ লাখ টাকা দিয়ে কিনে ১৭ লাখ টাকায় বাকিতে বিক্রি করে তবে মূল্য বৃদ্ধির যথাযথ কারণ এখানে সময়ের উৎপাদক (ঋণ দানের মাধ্যমে সুদ গ্রহণ) ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। এ ধরনের লেনদেনে সময়ের সাথে সাথে টাকার পরিমাণও বেড়ে যায়। তাই এই অবস্থায় শুধু টাকাই টাকা উৎপাদনে সক্ষম হয়ে যায়। এ ধরনের লেনদেনের সাথে রাসুল (ﷺ) এর হাদিস অনুযায়ী এটি অবশ্যই রিবাভিত্তিক লেনদেন।
.
যে সমস্ত পথহারা মুসলিমরা কৌশলে উপস্থাপিত মুরাবাহাকে হালাল বলে মনে করে তাকে আঁকড়ে ধরে আছেন তাদের আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা কে ভয় পাওয়া উচিত। কারণ তারা মুরাবাহাকে হালাল বলে প্রচার করে সাধারণ মুসলিম জনগণকে প্রতারণা করছেন, এই কাজের তাদের কোন কল্যাণ তো হবেই না বরং পথভ্রষ্টকারী হিসেবে তাদের শাস্তি দ্বিগুণ বাড়িয়ে দেয়া হবে। কেননা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুর’আনে ইরশাদ করেছেন, “হে আমাদের রব! এরাই হলো সেসব লোক যারা আমাদের বিভ্রান্ত করেছিল কাজেই এদের আগুনের আজাব দ্বিগুণ করে দিন; তখন তিনি বলবেন, প্রত্যেকের জন্যই দ্বিগুণ শাস্তি রয়েছে, কিন্তু তোমরা তা জ্ঞাত নও ।” (সূরা আ’রাফ ৭:৩৮)

“Our lord, these had misled us, so give them a double punishment of fire. He will say, “For each is double, but you do not know.” (A’raf 38)
.
.
(এটি হল ইসলামিক ব্যাংকিং সিস্টেম নিয়ে শাইখ ইমরান নযর হোসেন হাফিযাহুল্লাহ’র মত। উপরের লেখাটি বাংলাদেশি একজন আলেমের বই থেকে হুবহু তুলে দিলাম, ইসলামিক ব্যাংকিং নিয়ে উভয় শাইখ একই মত প্রকাশ করেছেন (আল্লাহ তাদেরকে দাজ্জালী সৈন্য থেকে হেফাজত করুক)। বই এবং লেখকের নাম গোপনেই থাক)

লিখেছেনঃ Kaisar Ahmed

ইসলামিক সুদ ও সঞ্চয় !!

যারা ইনকামট্যাক্স দেন তারা তাদের ট্যাক্স আইনসিদ্ধভাবে অনেক কমিয়ে ফেলতে পারেন যদি তাদের ডিপিএস বা ইনস্যুরেন্স বা ফিক্সড ডিপোজিট জাতীয় কিছু থাকে। অর্থাৎ আপনি সুদের লেনদেন করুন রাষ্ট্র আপনাকে সহায়তা করবে। যদি তা না করেন তাহলে আপনাকে গুনতে হবে পুরোমাত্রার ট্যাক্স। অনেকে জানেন যে ডিপিএস হারাম, তাই তারা ইসলামিক ব্যাংকে এরকম ডিপোজিট করেন। ইসলামিক ব্যাংকে করলেই যেন সেটা হালাল হয়ে যায়। অথচ একে তো সুদের লেনদেন, তার ওপর টাকা জমানোর গুনাহ। রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে একদা কয়েকটি স্বর্ণমুদ্রা সঞ্চিত ছিল। তিনি সেটা তাড়াতাড়ি দান করে চিন্তামুক্ত হন। এ কারণে যে তার আশংকা ছিল যে কোন মুহূর্তে তার মৃত্যু হয়ে যেতে পারে, কিন্তু তার কাছে কয়েকটি সঞ্চিত মুদ্রা থেকে যায়। ইসলামী ব্যাংকে টাকা সঞ্চয় করা যদি হালাল হয়, সওয়াবের কাজ হয় তবে হযরত ঈসা মাসীহ য়ালাইহিস সালাম ও হযরত ইমাম মাহদী য়ালাইহিস সালাম সে সওয়াব হাসিল করা থেকে বিরত থাকবেন কেন? উম্মুল মুমিনীন জুয়াইরিয়া বিনতুল হারিস (রা) এর ভাই আমর ইবনুল হারিস (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম তার ইন্তিকালের সময় কোন দীনার দিরহাম, দাস দাসী এবং অন্য সামগ্রী রেখে যাননি। তবে তার বাহন একটি সাদা খচ্চর, তার তরবারি এবং মুসাফিরদের জন্য দানকৃত কিছু ভূমি তিনি রেখে যান। (রিয়াদুস ছালেহীন)। দুনিয়ার প্রতি বিমুখতার এরকম অসংখ্য হাদিস আছে। যা প্রতিটি কুরআনের মানদন্ডে সত্যায়িত। তাহলে কিভাবে তার উম্মতের জন্য বিরাট বিরাট সঞ্চয় জায়েজ হতে পারে?

e-money

e-money

ইলেকট্রনিক বা ইনভিজিবল মানির সমস্যা কি? আপনারা কি মনে করেন হ্যাকাররা আপনার পাসওয়ার্ড হ্যাক করে আপনার একাউন্ট খালি করে দেবে? হ্যাঁ, এটা একটা সমস্যা, চোরেরা সবসময়ই থাকে, তবে আমাদের কানা চোখের মাসীহটি এরকম চুরিচামারী করে হাত নোংরা করে না। তাকে ফলস মাসীহর অভিনয় করতে হবে যাকে দেখতে মনে হবে মানবতার জন্য দয়াবান। সে এমন এক মুদ্রানীতি চালু করবে যা ডলার দ্বারাও সমর্থিত নয়। বর্তমানে যেমন ডলার সোনা দ্বারা সমর্থিত নয় সেরকম। ইতিমধ্যে বিশ্বযুদ্ধ ও অন্যান্য কিছু দ্বারা ডলারকে ফল করানো হবে। নতুন প্রবর্তিত মুদ্রানীতি চালু করার জন্য বহু নেতৃস্থানীয় ধর্মীয়, রাজনৈতিক ও সেলিব্রেটি ব্যক্তিত্ব মানবতার নতুন মুক্তিদূতকে সহায়তা করবে এবং এ কাজের জন্য সে কোন বাঁধার সম্মুখীন হবে না। সে কম্পিউটারে সংখ্যা টাইপ করে মুদ্রা ক্রিয়েট করতে পারবে। সে যত ইচ্ছা তত ডিজিটের সংখ্যা লিখতে পারবে। আর তার অনুসারীদের ডিস্ট্রিবিউট করতেও পারবে। সেখানে আমার আপনার ব্যাংকে রক্ষিত হাজার বা লাখ টাকা তার ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন টাকার তুলনায় অত্যন্ত ক্ষুদ্র দেখাবে। যা দিয়ে কিছুই কেনা যাবে না। সারা পৃথিবী এক কঠিন ফিতনা (পরীক্ষা) ও দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়বে। মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর মুক্ত ও এবং নায্য (Free and Fair) বাজারনীতি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়ে যাবে। বর্তমানে ডলারকে সোনার স্থলবর্তী করা কারণে ফ্রী এন্ড ফেয়ার ট্রেড লঙ্ঘিত হচ্ছে। তার পূর্ণ বিলুপ্তি হবে যখন এক ব্যক্তির কাছে টাকা বানানোর মেশিনটি চলে যাবে।

e-money

e-money

ডলার দিয়ে ব্যবসা বাণিজ্য করা সমস্যা ছিল না। যেহেতু ডলার একটি কাগজের নোট সেহেতু তাকে অবশ্যই সোনা দ্বারা সমর্থিত থাকতে হতো। কিন্তু ১৯৪৪ সালের ব্রেটনউড কনফারেন্সে মুদ্রা হিসেবে সোনাকে নিষিদ্ধ করা হয়। এখন আর ডলার সোনা দ্বারা সমর্থিত নয়। কিন্তু বাকী সমস্ত কাগজের মুদ্রা ডলার দ্বারা সমর্থিত হতে হচ্ছে। এভাবে ডলার বিশ্ব অর্থনীতিতে একমাত্র সুপার পাওয়ার হিসেবে রাতারাতি আবির্ভূত হয়েছে। অর্থাৎ ডলারই একমাত্র হালাল মুদ্রা, বাকী সমস্ত মুদ্রাকে হালাল হতে হলে ডলারের কাছে মাথানত করতে হবে।

এখন বিশ্ব অন্য এক মুদ্রা ব্যবস্থার এক্সপেরিয়েন্স পেতে যাচ্ছে। ডলার ছাপাতে তো তাও কাগজ ও কালির দরকার হতো। প্রয়োজনমত মর্জিমাফিক ডলার ছাপিয়ে নেয়া হতো। এখন আর তাও দরকার হবে না। কম্পিউটারে মনমতো সংখ্যা লিখে নিলেই হবে। তখন সম্পদ লাভ করার জন্য পরিশ্রমের প্রয়োজন হবে না, সোনার খনি, তেলের খনির প্রয়োজন হবে না, শুধু দরকার একটি চার্জসহ কম্পিউটার। তবে সেই কম্পিউটারটা আমার আপনার কম্পিউটার নয়, সেটা থাকবে জেরুজালেমের কোঁকড়া চুলের এক যুবকের হাতে। যার এক চোখ হবে কানা ও কপালে লেখা থাবে কাফির।

পেট্রোডলার

PetroDollar

আপনারা কি জানেন, আপনার দেশের সরকার আরবদের পেট্রোল কিনতে হলে সর্বপ্রথম তাকে মার্কিন ডলার কিনতে হবে? মার্কিন ডলার ছাড়া পেট্রোল বিক্রয় হবে না। এটাই পেট্রোডলার।

অর্থাৎ আরব বিশ্ব আপনার দেশের মুদ্রাকে হারাম করে মার্কিন ডলারকে হালাল করে দিয়েছে। অথচ মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) মুক্ত ও এবং নায্য (Free and Fair) বাজার নীতির কথা বলেছেন। শুধুমাত্র আমেরিকান ডলারের বিনিময়ে তেল বিক্রয় করে মুক্তবানিজ্য নীতির লঙ্ঘন করেছিলো আরব বিশ্ব। ১৯৭৩ সালে আমেরিকার তৎকালিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার সৌদি আরবের বাদশা ফায়সালের সাথে চুক্তি করে বসলো, শুধুমাত্র মার্কিন ডলারের বিনিময়ে তেল ক্রয়/বিক্রয় হবে। হ্যাঁ, এটাই মার্কিন ডলার। যা দিয়ে আমেরিকা সারা দুনিয়া থেকে আল্লাহর কর্তৃত্বকে হটিয়ে নিজেরাই দুনিয়ার ভুয়া মালিক সেজে বসে আছে। এই মার্কিন ডলারের সহায়তায় ছোট্ট একটি ভুয়া রাষ্ট্র থেকে ইসরাঈল আজ একটি নিওক্লিয়ার সুপার পাওয়ারে পরিণত হয়েছে।

সুন্নতী মুদ্রায় ফেতরা আদায়

Fitra

একজন মুফতী সাহেবের সাথে কথা বলে জানলাম, “ফেতরা খেজুর দিয়ে দিলে সাড়ে তিন কেজি দিলে হবে। গম / আটা দিয়ে ফিতরা আদায় করলে ১ কেজি সাড়ে ৭০০ গ্রাম দিতে হবে। সতর্কতার জন্য ২ কেজি দেয়া যেতে পারে। অতিরিক্তটুকু নফল সদকা হিসেবে গণ্য হবে।”

এভাবে দ্রব্য দিয়ে ফেতরা আদায় করলে সুন্নতের উপর আমল হবে। যেখানেই পারা যায় বা সম্ভব হয় যায়োনিস্ট কাগজের মুদ্রা ও ইলেকট্রনিক মুদ্রাকে বর্জন করে সুন্নতী মুদ্রা তথা সোনা রূপা, খেজুর, গম ইত্যাদি দ্রব্যাদি যার ভেতরে আল্লাহ অন্তর্নিহিত মূল্য রেখেছেন সেগুলো দিয়ে লেনদেন করা উচিৎ।

এতে সুন্নতের উপর আমল হবে তাই নয় বরং রাসূল সাল্লাল্লাহু য়ালাইহিস সালামের মৃত সুন্নতকে জীবিত করার সওয়াব ইনশাআল্লাহ পাওয়া যাবে। পাশাপাশি ইহুদী খ্রিস্টান চক্রের অর্থনৈতিক শোষণ বা নিপীড়ণ থেকে মুক্তির একটা পথ মিলবে।

আল্লাহ বোঝার ও আমল করার তৌফিক দিন। আমীন।

সোনার পাহাড়ের ফলস ফ্ল্যাগ

ISIS-oil-Israel

Israel Caught Receiving Stolen Oil From ISIS Militants, Posted on November 28, 2015 by Sean Adl-Tabatabai in Middle East, News, http://yournewswire.com/israel-caught-receiving-stolen-oil-from-isis-militants/

যেসব জিহাদী দলকে দেখবেন তেলের প্রতি আকর্ষণ, তেলের নিয়ন্ত্রণ রাখতে চায়, তারা অবশ্যই ফলস ফ্ল্যাগ। আফগানিস্থানের জিহাদে মুজাহিদদের তেলক্ষেত্র খোঁজ করতে দেখা যায় নাই। ফোরাত নদীর সোনার পাহাড় হচ্ছে এই তেল যা নিয়ে যুদ্ধ হবে। প্রতি ১০০ জনে ৯৯ জন মারা যাবে। ঈমানদাররা এই তেল স্পর্শ করবে না। আর আজকে আরামদায়ক জীবন লাভের জন্য আলেম সমাজ এই তেল জায়েজ ফতোয়া দিচ্ছেন। এই আরামদায়ক জীবন মুসলমানদের জিহাদ থেকে ফিরিয়ে রাখে।

যাদের আল্লাহ একচোখ দেন নাই, বরং দুইটি চোখ দিয়েছেন (বাহ্যিক দৃষ্টি এবং অন্তর্দৃষ্টি) তারা ইনশাআল্লাহ অবশ্যই সোনার পাহাড় এবং ফলস ফ্ল্যাগ সনাক্ত করতে পারবেন।

নবী করীম সাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম বলিয়াছেন যে,

“ফোরাত নদী তাহার সোনার পাহাড় বাহির করিয়া দিবে । লোকেরা তাহার দখল নিয়া ‍যুদ্ধে লিপ্ত হইবে । তাহাতে শতকরা ৯৯ জন নিহত হইবে । প্রত্যেকেই বলিবে হয়ত আমি বাঁচিয়া যাইব (এবং সোনার পাহাড়ের মালিক হইবে) । ঈমানদারগণের কেউ যেন অবশ্যই তাহা স্পর্শ না করে ” ।

শায়খ ইমরান নযর হোসেন বলেন, হাদীসটি বোখারী শরীফে আছে একবার আর এটি মুসলিম শরীফে পেয়েছি চারবার, প্রতিটি বর্ণনাই হযরত আবু হোরায়রার (রাঃ) । সুতরাং মোত্তাফাকুন আলাই, কাজেই কেউ আমাকে বলিতে পারিবেন না যে এটি জঈফ দুর্বল হাদীস ।