ইয়াজুজ মাজুজ বিষয়ে একজনের প্রশ্নের উত্তর

একটা ইনবক্স আসল, ইয়াজুজ মাজুজ নাকি পশুর থেকে ভয়ংকর। আমি বললাম, ঠিকই তো আছে, পশুর থেকে ভয়ংকর তো বটেই। আপনি বনের কোন বাঘকে দেখেছেন হাজার হাজার লাখ লাখ মানুষ মেরে ফেলতে? একটা বুনো পশুকে যদি শহরে ছেড়ে দেন সে শহরের কয়জনের ক্ষতি করতে পারবে? কিন্তু একজন ইয়াজুজ মাজুজ শহরগুলোতে যুদ্ধ সৃষ্টি করে, লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষদের উপর বোমা ফেলে, খাদ্যে বিষাক্ত পদার্থ মিশ্রিত করে, কলকারখানা ও নিউক্লিয়ার বর্জ্য দিয়ে সারা পৃথিবীর পরিবেশ দূষিত করে, মানুষকে জন্ম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য করে। তাদের তৎপরতায় মানবতা শব্দটিই আজ হুমকির সম্মুখীন। তারপরও কি তারা পশুর চেয়ে ভয়ংকর নয়?

ইয়াজুজ মাজুজ

এই জীবনে ইয়াজুজ মাজুজের সাথে দেখা হয়ে যাবে কল্পনাতেও ভাবি নাই।

ইয়াজুজ মাজুজের প্রাচীর খুলে যাওয়ার সংবাদ

প্রাচীর খুলে যাওয়া বিষয়ক হাদিসের সাথে প্রথম বার যথাযথ শিরোনাম দেখলাম। বইটির নাম- খাসায়েসুল কুবরা : নবী (সা:) জীবনের অত্যাশ্চর্য ঘটনাবলী-আল্লামা জালালুদ্দীন সুয়ূতি রহ, ২য় খণ্ড পৃষ্ঠা নাম্বার ১২৪।

Kaisar Ahmed

Dam of Yajuj Majuj is opened

মন্তব্যসহ  বিস্তারিত পড়ুন

ইয়াজুজ মাজুজ কি মুক্তি পেয়েছে? আপনি বলছেন তারা বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করছে। বন্দী অবস্থায় তারা কিভাবে বিশ্ব শাসন করছে?

THE SEA OF GALILEE, ISRAEL

প্রশ্নঃ হাদীসের মাধ্যমে আমরা জানি যে, #তাবারিয়া_হ্রদ বা #সি_অব_গ্যালিলি শুকানোর আগে #ইয়াজুজ_মাজুজ মুক্তি পাবে না। অথচ আপনি বলছেন তারা বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করছে। বন্দী অবস্থায় তারা কিভাবে বিশ্ব শাসন করছে?

উত্তরঃ প্রশ্ন করা হয়েছে, #যুলকারনাইন প্রাচীর তৈরি করেছিলেন, তিনি লোহার ইট ব্যবহার করেছিলেন, এবং তারপর সেগুলিকে গলিত তামা দিয়ে জুড়ে দিয়েছিলেন। এবং ইয়াজুজ-মাজুজ সেখানে আটকা পড়েছিলো, এবং সেই লৌহ প্রাচীর ভেঙে তারা বেরুতে সক্ষম হয়নি। অথচ ইমরান হোসেন বলছেন যে, ইয়াজুজ-মাজুজ বিশ্ব নিয়ন্ত্রণ করছে। কিন্তু এই প্রাচীর তো এখনও অক্ষত অবস্থায় থাকার কথা এবং তা গ্যালিলি হ্রদ শুকানোর আগে ভেঙে যাওয়ার কথা নয়। তাহলে এর ব্যাখ্যা কি?

প্রথমতঃ আমি বলতে চাই সেই হাদীসের কথা। রাসূল (সাঃ) তাঁর স্ত্রী যয়নাব (রাঃ) এর বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন। এবং তিনি একটি স্বপ্ন দেখলেন। নিশ্চই স্বপ্নটি ছিলো খুবই ভয়াবহ। তিনি যখন ভয়ার্ত অবস্থায় ঘুম থেকে ঊঠলেন তাঁর মুখমন্ডল রক্তিম ছিলো। তারপর তিনি বললেন “ওয়াইলুল্লিল্ আরাব (দুর্ভাগ্য আরবদের), মিন শাররিন্ কারিব তারাবা (এক মহা অকল্যান তাদের কাছে প্রায় সমাগত)”।
কোন্ মহা অকল্যানের কথা তিনি বলছিলেন যা আরবদের ধ্বংস করে দেবে?
তারপর রাসূল (সাঃ) তাঁর দুটো আঙ্গুল দিয়ে বৃত্ত তৈরি করে দেখালেন। এই হাদীসটি সহী বুখারীতে আটবার উল্লেখ করা হয়েছে। রাসূল (সাঃ) বললেন ‘আজ’, আজ শব্দের অর্থ ২০০০ বছর পর নয়, আজ অর্থাৎ আজ।
তিনি বললেন, “আজ ইয়াজুজ-মাজুজের রাদাবে এতোবড় ছিদ্র তৈরি করা হয়েছে”। রাদাব শব্দটি এখানে সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। যখন যুলকারনাইনকে দেয়াল তৈরির কথা বলা হয়েছিলো তখন ‘সাদ’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। ‘সাদ’ হচ্ছে দেয়াল। আর যুলকারনাইন তখন বলেছিলেন আমি একটি রাদাব তৈরি করবো। রাদাব হচ্ছে ড্যাম (বাধ)। রাসূল (সাঃ) বললেন, আজ ইয়াজুজ-মাজুজের বাধে ছিদ্র তৈরি হয়েছে, এবং একথা থেকে এটাই প্রতিয়মান হয় যে, ইয়াজুজ-মাজুজ তখন মুক্ত হয়ে গেছে, তা না হলে তিনি কেন বললেন, “ওয়াইলুল্লিল আরাব, মিন শাররিন কারিব তারাবা, (দুর্ভাগ্য আরবদের, এক মহা অকল্যান তাদের নিকটবর্তী)”। নিকটবর্তী বলতে দুই হাজার বছর পর বোঝায় না।

সুতরাং এই লৌহ প্রাচীর তখন চূর্ণ বিচূর্ণ হবে, যখন আল্লাহ্ তা ধ্বংস করবেন। কারন যুলকারনাইন বলেছেন,
“এটা আমার পালনকর্তার অনুগ্রহ। যখন আমার পালনকর্তার (শেষ যুগ সম্বন্ধীয়) প্রতিশ্রুত সময় আসবে, তখন তিনি একে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবেন, এবং আমার পালনকর্তার প্রতিশ্রুতি সত্য।”
(কুর’আন, সূরা কাহাফ ১৮:৯৮)

অতএব রাসূল (সাঃ) যে (খুবই ভয়ার্ত অবস্থায় ঘুম থেকে জেগে) বলেছেন, ছিদ্র হয়ে গেছে, তা থেকে আমরা এটাই বুঝতে পারি যে, উনার জীবনকালেই দেয়াল চূর্ণ বিচূর্ণ হয়েছে।

তবে আমাদের এখন খুব অদ্ভুত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। শুধুমাত্র একটি হাদীসের ওপর ভিত্তি করে অধিকাংশ মুসলিমরা বিশ্বাস করেন যে, এই লৌহ প্রাচীর এখনও অক্ষত অবস্থায় আছে। কারন এই হাদীসটি বুঝতে ভুল হয়েছে। এবং এই ভুল বোঝার কারনে (ঐ হাদীসের সাথে সম্পৃক্ত) কোরআন এবং হাদীসের সমস্থ ডাটা সাংঘর্ষিক হয়ে পড়ে।

এই লৌহ প্রাচীর এখনও যদি অক্ষত অবস্থায় থাকে, তাহলে কোর’আনকে ভালোবাসি বলে আমার তো ইচ্ছে করবে এই লৌহ প্রাচীর দেখে আসতে। কোর’আনে এই লৌহ প্রাচীরের কথা বলা হয়েছে, এবং এই লৌহ প্রাচীর যদি আজও অক্ষত অবস্থায় থাকে, তাহলে তা খুঁজে বের করা না পর্যন্ত আমার মন ব্যাকুল থাকার কথা। যদি এ ব্যাপারে আমার মন ব্যাকুল না থাকে, যদি তা খুঁজে বের করতে আমি কোন চেষ্ঠা না করি, তাহলে বলতে হবে আমার মধ্যে সততার অভাব রয়েছে।

তাছাড়া এখন গুগল আর্থ এর কল্যাণে সমস্থ পৃথিবীর প্রতিটি স্কয়ার ইঞ্চির ছবি রয়েছে, বাসায় বসে কম্পিউটার ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে এই লৌহ প্রাচীর খুঁজে বের করতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয়।

আসল সত্য হচ্ছে, মহানবী (সাঃ) এর সময় থেকে এখন পর্যন্ত একজন মানুষও এই লৌহ প্রাচীরকে কোথাও দেখতে পায়নি। অথচ আপনারা একটি হাদীসের ওপর ভিত্তি করে এই লৌহ প্রাচীরের অস্তিত্ব রয়েছে বলে তর্ক করছেন!

এই হাদীসে কী বলা হয়েছে? হাদীসে বলা হয়েছে, যখন ঈসা (আঃ) ফিরে আসবেন, তিনি দাজ্জালকে মেরে ফেলবেন। তারপর “ফাবা’তাল্লাহু ইয়া’জুজু ওয়া মা’জুজু…”, বা’তা এর অর্থ উত্তলন অথবা প্রেরণ, আর এখানে উত্তলন অর্থ সঠিক হতে পারে না, কারন তাদের আগেই উত্তলন করা হয়েছিলো। তাদের আগেই সৃষ্টি করা হয়েছিলো এবং তারা ফাসাদ সৃষ্টি করছিলো,
“ইন্না ইয়া’জুজা ওয়া মা’জুজা মুফসিদুনা ফিল আর্দ (ইয়াজুজ-মাজুজ এদেশে ফাসাদ সৃষ্টি করে রেখেছে)”
সূরা কাহাফ ১৮:৯৪

তাহলে এখানে উত্তলন অর্থটি সঠিক হতে পারে না। এখন যে অর্থটি বাকী থাকে, তা হলো ‘প্রেরণ’। অতএব ঈসা (আঃ) দাজ্জালকে মেরে ফেলার পর ইয়াজুজ-মাজুজকে প্রেরণ করা হবে। এবং তখন হবে নিওক্লিয়ার বিশ্ব যুদ্ধ যার মাধ্যমে প্রতিটি নগর, মহানগর ধ্বংস হবে। এই হাদীসে ইয়াজুজ-মাজুজকে মুক্ত করে দেয়া হবে বলা হয়নি, প্রেরণ বা পাঠানো হবে বলা হয়েছে। মুক্ত হওয়ার কথা শুধুমাত্র কোর’আনে বলা হয়েছে। “ওয়া হারামুন আ’লা কারিয়াতিন আহলাকনাহা আন্নাহুম লা- ইয়ার্জিয়ুন। হাত্তা ইজা ফুতিহাত ইয়া’জুজ ওয়া মা’জুজ… (এবং একটি শহরকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, তাদের অধিবাসীদের ফিরে না আসা অবধারিত: যে পর্যন্ত না ইয়াজুজ ও মাজুজকে বন্ধনমুক্ত করে দেয়া হবে…)”
সূরা আম্বিয়া ২১:৯৫-৯৬

কিন্তু বর্তমান সময়ের অধিকাংশ মুসলিমরা এটাই ধরে নিয়েছেন যে, বা’তা শব্দের অর্থ হচ্ছে মুক্ত। এ কেমন দূর্বল পান্ডিত্য?

মূলঃ শায়খ্ ইমরান নযর হোসেন
অনুবাদঃ Deen Choudhury (দ্বীনুজ্জামান চৌধুরী)

ইউরোপীয় ইহুদিরাই হলো ইয়াজুজ মাজুজ

তাবারিয়া হ্রদ বা সি অফ গ্যালিলির হ্রাস পেতে থাকা পানিই স্বাক্ষ্য দিচ্ছে যে, ইউরোপীয় ইহুদিরাই হলো ইয়াজুজ মাজুজ আর সেই পানির লবনাক্ততা বৃদ্ধিই স্বাক্ষ্য দিচ্ছে যে, ইয়াজুজ মাজুজরা হ্রদটিকে নষ্ট করে দিচ্ছে। তাবারিয়া হ্রদের পানি হ্রাস পাওয়া ও শতাব্দীর সবচেয়ে কম লেভেলের পানির রেকর্ড স্বাক্ষ্য দিচ্ছে যে, দাজ্জাল দরজায় কড়া নাড়ছে, সুতরাং মালহামা ও কুন্সতুন্তিনিয়া বিজয় এখন একেবারেই নিকটবর্তী। তারপরও মুসলিম বিশ্ব বিরিয়ানি খাচ্ছে আর কোন ফিরকা কাফের, কোন ফিরকা বিদয়াত, কোন ফিরকা জাহান্নামী তা নিয়ে ঝগড়া করছে!

“আর যারা অবিশ্বাসী, তারা পরষ্পরের সাথে বন্ধুত্ব করে। তোমরাও [মুসলিমরাও] যদি এমন ব্যবস্থা [পরষ্পরের সাথে বন্ধুত্ব] না কর, তবে বিশ্বময় ফেৎনা ও অত্যাচার ছড়িয়ে পড়বে এবং বিরাট অকল্যাণ ও দুর্নীতি বিস্তার লাভ করবে।”(আল কোরান ৮:৭৩)

নোটঃ ইউরোপীয় ইহুদিরাই ইয়াজুজ মাজুজ। আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতা ইয়াজুজ মাজুজদের সভ্যতা ও ন্যাটো তাদের সংগঠন। পৃথিবীর সব দেশের মানুষকে তারা তাদের কারবন কপি বানিয়েছে।

আপনি শেখ ইমরান হোসেনের “ইসলামের আলোকে আধুনিক বিশ্বে ইয়াজুজ মাজুজ” বইটি পড়ুন। তাহলে জানতে পারবেন। সত্যিকার ইহুদী বা বনী ইজরায়েল হলো আরবদের ভাই, তাদের গায়ের রঙ আরবদের মত। কিন্তু ইউরোপীয় ইহুদিরা বনী ইজরায়েল নয়। তারা ইয়াজুজ মাজুজ। তারা ককেশাস পাহাড়ের উত্তরে থাকত। জুলকারনাইনের দেয়াল ভেঙে গেলে তারা বের হয়ে আসে ও ইহুদি ধর্ম গ্রহণ করে ইউরোপে চলে যায়। তারপর তারা ভ্যাটিকানদের সাথে বন্ধুত্ব্ করে ব্রিটিশদের দিয়ে জেরুজালেম দখল করায় ও সেখানে ইহুদিদের নিয়ে গিয়ে ইজরায়েল দেশ তৈরী করে।

Md Arefin Showrav

সেই বৃক্ষটি যার পেছনে কিছু মানুষ ছুটে

অমরত্ব ও চিরকাল শাসন করার ইচ্ছা হলো সেই বৃক্ষ যার নিকটবর্তী হতে আল্লাহপাক আদম (আ) কে নিষেধ করেছিলেন।

” এবং আমি আদমকে হুকুম করলাম যে, তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস করতে থাক এবং ওখানে যা চাও, যেখান থেকে চাও, পরিতৃপ্তিসহ খেতে থাক, কিন্তু এ গাছের নিকটবর্তী হয়ো না। অন্যথায় তোমরা যালিমদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে পড়বে।” (সূরা বাকারা, ২ঃ৩৫)

“অতঃপর শয়তান উভয়কে প্ররোচিত করল, যাতে তাদের অঙ্গ, যা তাদের কাছে গোপন ছিল, তাদের সামনে প্রকাশ করে দেয়। সে বললঃ তোমাদের পালনকর্তা তোমাদেরকে এ বৃক্ষ থেকে নিষেধ করেননি; তবে তা এ কারণে যে, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও-কিংবা হয়ে যাও চিরকাল বসবাসকারী।” (সূরা আল আ’রাফ, ৭ঃ২০)

যারা এই চিরজীবন ও চিরস্থায়ী শাসনের পেছনে ছোটে, তাদের জান্নাতে ঠাই হবে না। আমরা জানি, কারা অমরত্বের পেছনে ছোটে, কারা চিরস্থায়ী শাসন চায়। যারা ফেরাউনের ন্যায় জীবনযাপন করে অর্থাৎ জায়োনিস্ট খাজার সম্প্রদায়।

@ Md Arefin Showrav

# ইহুদী খ্রিস্টান # যায়োনিস্ট # ইয়াজুজ মাজুজ

আল্লাহ্‌ ‘কী’ জানতেন যা ফেরেশতারা জানতো না?

আধুনিক বিশ্বের জনক হলো ইয়াজুজ মাজুজ। তারা বিশ্বের সকল মানুষকে তাদের কার্বন কপিতে পরিণত করেছে। ইয়াজুজ মাজুজের কাজই হলো জমীনে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করা। জমীনের সবকিছু দূষিত করে ফেলা। হোক তা নদী, সমুদ্র, বন জঙ্গল! শিল্প নগরায়নের মাধ্যমে আকাশকে ধোঁয়া দিয়ে তারা বিষাক্ত করে ফেলছে। এমনকি মহাকাশকেও তারা তাদের আবর্জনা দিয়ে দূষিত করে ফেলছে। তারাই হলো ফাসেকিন বা বিপদগামী। তাদের সম্বন্ধে আল্লাহপাক বলেন,

” (বিপথগামী ওরাই) যারা আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার পর তা ভঙ্গ করে এবং আল্লাহ পাক যা অবিচ্ছিন্ন রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন, তা ছিন্ন করে, আর পৃথিবীর বুকে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে। ওরা যথার্থই ক্ষতিগ্রস্ত।” (২ঃ২৭)

এদের সম্পর্কেই ফেরেশতারা আল্লাহপাকের কাছে জানতে চেয়েছিল,
” আপনি কি পৃথিবীতে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যারা ফ্যাসাদ সৃষ্টি করবে এবং রক্তপাত ঘটাবে?”

প্যাক্স ব্রিটানিকা, প্যাক্স আমেরিকানা এবং প্যাক্স জুদাইকা হলো ইয়াজুজ মাজুজদের খিলাফত।

কিন্তু আল্লাহপাক ফেরেশতাদের বলেন, “ইন্নি আয়লামু মা লা তায়লামুন। নিশ্চয়ই আমি যা জানি তোমরা তা জানো না।” সেটা কী? সেটা হলো ইতিহাসের সমাপ্তি হবে মিথ্যের উপর সত্যের চূড়ান্ত বিজয়ের মাধ্যমে। ইসলামী খিলাফত বা বাইবেলের ভাষায় “আল্লাহর সাম্রাজ্য”-এর চূড়ান্ত বিজয়ের মাধ্যমে।

Md Arefin Showrav