দাজ্জাল সম্পর্কিত হাদিসের প্রতিকী ভাষার অর্থ

দাজ্জাল পূর্বদিক থেকে আসবে = জেরুজালেম থেকে মানুষরূপে ও ইহুদিরাজা হিসেবে দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ।

দাজ্জাল ইস্পাহান থেকে আসবে = ইরানের পশ্চিমাপন্থী হওয়া।

দাজ্জাল ইয়েমেন বা সিরিয়ার সাগরে রয়েছে = দাজ্জালের আত্মপ্রকাশের পূর্বে অশান্ত ইয়েমেন, সিরিয়া, লিবিয়া।

দাজ্জালের একদিন এক বছরের সমান = ব্রিটেনের বিশ্ব শাসন

দাজ্জালের একদিন এক মাসের সমান = যুক্তরাস্ট্রের বিশ্ব শাসন

দাজ্জালের একদিন এক সপ্তাহের সমান = ইজরায়েলের বিশ্ব শাসন

বাকি দিন তোমাদের মত = দাজ্জালের মানুষরূপে ইহুদি লোক হিসেবে আত্মপ্রকাশ

দাজ্জাল যে দ্বীপে বন্দী ছিল = গ্রেট ব্রিটেন

একজন ইহুদিকে দাজ্জাল সন্দেহ = দাজ্জাল মুক্ত হয়ে গেছে

দাজ্জালের উড়ন্ত গাধা = আধুনিক বিমান।

দাজ্জালের ডান চোখ অন্ধ = সেক্যুলার আধুনিক সভ্যতা

দাজ্জালের কপালে “কাফের” লেখা = সেক্যুলার সভ্যতাকে কাফেররূপে কেবল মুমিন ব্যক্তিই চিনতে পারবে।

Md Arefin Showrav 

সেক্যুলার দাজ্জাল

ধর্মীয় জ্ঞান অনুযায়ী, মূর্তি ও ভাস্কর্য একই জিনিস। কিন্তু সেক্যুলার জ্ঞান অনুযায়ী, মূর্তি ও ভাস্কর্য এক জিনিস নয়। মানবজাতির শুরু থেকে হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ ধর্মীয় জ্ঞান অনুযায়ী জ্ঞানপ্রাপ্ত হয়ে এসেছে। আমাদের ভারত উপমহাদেশেও অনেক বড় বড় মাপের ধর্মীয় জ্ঞানের অধিকারী মুনি-ঋষি মানুষকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করে এসেছে। কিন্তু আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতা সমগ্র বিশ্বে এক নতুন ধারা নিয়ে হাজির হয়। প্রথমে ইউরোপে ফ্রেঞ্চ রেভ্যুলেশনের মাধ্যমে, তারপর সমগ্র বিশ্বে সেক্যুলারাইজেশনের বিষ ছড়িয়ে পড়ে। ধর্মীয় শিক্ষাকে ইতিহাসের যাদুঘরে পাঠিয়ে শিক্ষাকে সেক্যুলারাইজেশন করা হয়। ধর্মীয় জ্ঞানকে বলা হয় মিথ বা পুরাকথা। সেক্যুলার শিক্ষাকে দেয়া হয় সকল মর্যাদা। কীভাবে এই রহস্যময় আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতা মানবজাতির হাজার হাজার বছরের অভ্যাসকে পাল্টে দিল? কে এর নাটের গুরু?

রাসুলুল্লাহ (সা) আমাদের জানিয়ে গেছেন যে, দাজ্জালের ডান চোখ হবে অন্ধ। দাজ্জালের কপালে কাফ ফা র (ك ف ر) অর্থাৎ কাফের লেখা থাকবে। সকল মুমিন ব্যক্তি সেই লেখা পড়তে পারবে হোক সে শিক্ষিত অথবা অশিক্ষিত।

বর্তমান ঈশ্বরবিমুখ সেক্যুলার আধুনিক সভ্যতার ডান চোখ অন্ধ। কারণ এই সভ্যতার ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক দৃষ্টি নেই। তাইতো এই সভ্যতার দৃষ্টিতে মূর্তি ও ভাস্কর্যের সংজ্ঞা ভিন্ন।

সকল মু’মিন ব্যক্তি হোক সে মুসলিম কিংবা আহলে কিতাব; সে এই আধুনিক সেক্যুলার পশ্চিমা সভ্যতার কপালে কাফের লেখা সহজেই পড়তে পারে হোক সে শিক্ষিত বা অশিক্ষিত। এই সভ্যতা যে দাজ্জাল বা এন্টি-ক্রাইস্টের সৃষ্টি তাতে কোন সন্দেহ নেই।

Md Arefin Showrav 

ইসলামিক রিপাবলিক !!

ইসলামিক রিপাবলিক ইরান!
ইসলামিক আবার রিপাবলিক হয় কীভাবে??? হয় ইসলামিক, নয়তো রিপাবলিক। ইসলামিক রাস্ট্র মানে খিলাফাত আর রিপাবলিক রাস্ট্র মানে পশ্চিমা গণতান্ত্রিক রাস্ট্র ও বোগাস ইলেকশনের গোপন ব্যালট বাক্স। ইসলামী রাজনীতিতে কোন গোপন বাক্স লাগে না, মুসলিম তার পছন্দ জনসম্মুখে প্রকাশ করে।

@ Md Arefin Showrav

Iranian President Hassan Rouhani is winning in Friday’s election, leading by over 7 million votes from his conservative rival, Ebrahim Raisi, Interior Ministry official Ali…
RT.COM

সোলজারস অব দাজ্জাল

যখন দাজ্জাল বের হবে তখন তৎকালীন প্রথাগত আলেমরা তাকে সমর্থন দিবে। ডূ ইউ বিলিভ? পারহেপস, ইউ ডু নট। ঠিক যেভাবে তারা বর্তমানে গণতন্ত্রকে সমর্থন দিয়েছে, কাগজের মুদ্রাকে সমর্থন দিয়েছে, ইলেকট্রনিক মানিকে সমর্থন দিতে যাচ্ছে। বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহকে যারা নিষিদ্ধ করেছে তাদের সমর্থন দিচ্ছে। আল্লাহ্‌ যা হালাল করেছেন তাকে হারাম করা হচ্ছে, এবং আল্লাহ্‌ যা হারাম করেছেন তাকে হালাল সার্টিফিকেট দেয়া হচ্ছে। যেভাবে ইহুদী রাব্বিরা করত। এ বিষয়ে রাসূল (সা) এর পরিষ্কার সহি হাদীস আছে। যে তোমরা ইহুদী খ্রিস্টানদের অনুসরণ করবে। — ভবিষ্যতবানী বাস্তবায়িত হয়েছে। দাজ্জাল আসলে পুরোটুকু বাস্তবায়ন হবে। সে হবে ইহুদী যুবক। আর পৃথিবীর সব প্রথাগত বিশেষজ্ঞরা তাকে সমর্থন দিবে।

এক বিষয়ের বিশেষজ্ঞ

প্রথাগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ আলেম তাদের বিশেষায়িত জ্ঞানের বাহিরে অন্য কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করা দূরের কথা শ্রবণ করতে রাজি নয়। প্রথাগত চিকিৎসককে যদি আপনি ডায়েবেটিক ডায়েটের বদলে কিটোজেনিক ডায়েটের কথা বলেন, আর প্রথাগত আলেমকে যদি আপনি ইয়াজুজ মাজুজের কথা বলেন তারা এ বিষয়ে আর আলোচনা করতে ইচ্ছুক নয়। তাদের ধারণা এসব ফালতু আলোচনা। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বহুবিধ অজ্ঞতাকে প্রমোট করে। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি এক চোখের অধিকারী হয়। ওয়ান আইড ম্যান। সিম্বল অব দাজ্জাল। ফলে এখন কুরআনে হাফেজ ব্যক্তি শুধু কুরআনে হাফেজ হয়ে থাকে, কুরআনের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে মাথা ঘামায় না। এভাবে জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার মধ্যে ইন্টারকানেকশনগুলোকে কেটে দেয়া হয়।

দাজ্জালের সময় যারা ঈমান টিকিয়ে রাখবে তাদের জন্য রয়েছে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে রিযিক

হযরত আদম (আ) এর সময় থেকে পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত দাজ্জালের চেয়ে বড় ফিৎনা আর কিছু নেই। দাজ্জাল নিজেকে ইহুদিদের মসীহ দাবী করবে। ইহুদিরা তাকে মসীহ হিসেবে মেনে নেবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে হবে ভন্ড মসীহ। সে জেরুজালেম থেকে সমগ্র পৃথিবী শাসন করবে। তার জন্যই জায়োনিস্টরা ইজরায়েল রাস্ট্রের সৃষ্টি করেছে। দাজ্জাল যখন জেরুজালেম থেকে পৃথিবী শাসন করবে, তখন মুমিন মুসলিমদের অবস্থা হবে ভয়াবহ রকমের খারাপ। দুর্বল ঈমানের মুসলিমদের জন্য ঈমান টিকিয়ে রাখা দুরূহ হবে। কারণ ইজরায়েলকে সেজদা না করলে খাদ্য, পানি, বৃষ্টি কিছুই পাওয়া যাবে না। আর ইজরায়েলকে সেজদা করার মানে দাজ্জালের উপর ঈমান আনা।

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “দাজ্জাল একটি জনসমাজে গিয়ে মানুষকে তার প্রতি ঈমান আনয়নের আহবান জানাবে। এতে তারা ঈমান আনবে। দাজ্জাল তাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করার জন্য আকাশকে আদেশ দিবে। আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করবে, যমিন ফসল উৎপন্ন করবে এবং তাদের পশুপাল ও চতুষ্পদ জন্তুগুলো অধিক মোটা-তাজা হবে এবং পূর্বের তুলনায় বেশী দুধ প্রদান করবে। অতঃপর অন্য একটি জনসমাজে গিয়ে মানুষকে তার প্রতি ঈমান আনয়নের আহবান জানাবে। লোকেরা তার কথা প্রত্যাখ্যান করবে। দাজ্জাল তাদের নিকট থেকে ব্যর্থ হয়ে ফেরত আসবে। এতে তারা চরম অভাবে পড়বে। তাদের ক্ষেত-খামারে চরম ফসলহানি দেখা দিবে। দাজ্জাল পরিত্যক্ত ভূমিকে তার নিচে লুকায়িত গুপ্তধন বের করতে বলবে। গুপ্তধনগুলো বের হয়ে মৌমাছির দলের ন্যায় তার পিছে পিছে চলতে থাকবে।” [সহীহ মুসলিম]

দাজ্জাল পৃথিবীর খনিজ সম্পদ ও আবহাওয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। ইজরায়েল হবে পৃথিবীর সম্পদশালী একমাত্র পরাশক্তি। মুসলিম অঞ্চলসমূহ অনাবৃষ্টির ফলে মরুভূমিতে পরিণত হবে। সেই কঠিন ফিৎনার সময় যারা তাদের ঈমানে অটল থাকবে, তাদের জন্য আল্লাহপাক রিজিকের ব্যবস্থা করবেন, পানির ব্যবস্থা করবেন যেভাবে বনী ইজরায়েলকে শুকনো পাথর ফাটিয়ে ১২ টি প্রস্রবণের ব্যবস্থা করেছিলেন।

“আর মূসা যখন নিজ জাতির জন্য পানি চাইল, তখন আমি বললাম, স্বীয় যষ্ঠির দ্বারা আঘাত কর পাথরের উপরে। অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হয়ে এল বারটি প্রস্রবণ। তাদের সব গোত্রই চিনে নিল নিজ নিজ ঘাট। আল্লাহর দেয়া রিযিক খাও, পান কর আর দুনিয়ার বুকে ফ্যাসাদ করে বেড়িও না।” [সুরা বাকারা: ৬০]

সনদদার

“হাইকোর্টের গ্রীক মুর্তি সরানো হবে না, তবে নামাজের সময় ঢেকে দেয়া হবে”- এটাকেই বলে হালালাইজেশন বা হালালীকরন। 🤣

সার্টিফিকেটধারী আল্লামারা কিছু বলুক। কিন্তু তারা তা বলবে না। তাহলে সার্টিফিকেট দেয়ার মালিক যদি অখুশি হয়। সার্টিফিকেট (দুনিয়ার জান্নাত) যদি কেড়ে নেয়। — মূর্তি পূজোয় দেশ ভরে যায় যাক, কিন্তু আমার দুনিয়ার জান্নাত ঠিক থাকুক।

Dajjal_is_knocking_the_door

# দাজ্জাল