যার কথা মানুষ ভুলে যাবে

রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম যখন দুনিয়াতে এসেছিলেন সে সময় কিন্তু ইহুদি / খ্রিস্টানরা জানত যে একজন নবী আসবেন তার নাম হবে আহমদ। কিন্তু আমরা সীরাত পরে যা বুঝি, ঐ সময় কিন্তু ইহুদী খ্রিস্টান সমাজে এই আলোচনা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু কেউ কেউ ঠিকই এ বিষয়ে খোঁজ খবর রাখতেন। তবে সংখ্যায় খুব কম। আমার মনে হয়, দাজ্জালের ক্ষেত্রেও এমন হবে। মূলধারার সবাই ওর কথা ভুলে যাবে। এখন ভুলে গিয়েছে। অল্প কয়েকজন মনে রাখবে যাদের মনে রাখা না রাখা সমান। কারণ তারা মনে রাখলেও সমাজ ব্যবস্থায় তার প্রভাব পড়বে না। আর আমার মনে হচ্ছে দাজ্জালের নামটিও দাজ্জাল হবে না। তার নাম হবে কোন একটি ইসরায়েলি নাম যেমন, ডেভিড বা জ্যাকব বা জোসেফ বা আব্রাহাম এরকম। তার নাম যদি দাজ্জালই হতো তাহলে সে যুবকটিকে দাজ্জালের হাতে মরে গিয়ে বুঝতে হতো না যে সে’ই দাজ্জাল।

উল্লেখ্য বর্তমান জায়নিষ্টদের কাছে দাজ্জাল “মেসাইয়া” নামে বেশী পরিচিত।

ইহাই সেই জ্ঞান

জ্ঞান হচ্ছে এমন এক জিনিস যা আল্লাহপাক যাহাকে দিয়া থাকেন কেবলমাত্র সেই পাইতে পারে। অনেকে নিজেদের অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ইত্যাদির আধিক্যের দরুন নিজেদেরকে অনেক জ্ঞানী মনে করে। কিন্তু আল্লাহপ্রদত্ত জ্ঞান না হইলে সে মূল তত্ত্বকথার কিছুই আয়ত্ব করিতে পারে না। এজন্য ইসলামের সাধারণ সাধারণ বিধানকে তাদের কাছে অনেক যুক্তিহীন মনে হয়। তারা বুঝিতে পারে না, ইসলাম পুরুষদের কেন ৪ বিয়ের অনুমতি দিয়াছে এবং বাল্যবিবাহকে কেন নিষেধ করা হয় নাই। তাহারা বিলবোর্ডের বিজ্ঞাপন বিশ্বাস করে, যে নিরাপদ যৌনমিলন এইডস হইতে মুক্তির উপায়, কিন্তু কুরআনে বর্ণিত পর্দা করার হুকুম তাহাদের চোখ এড়াইয়া যায়। ইহাই হইল সেই অন্তর্জ্ঞান যা আল্লাহ হযরত খিজির য়ালাইহিস সালামকে দান করিয়াছিলেন। ইহা তিনি যাহাকে ইচ্ছা তাহাকে দান করিয়া থাকেন। তখন সে লোকেদের নিকট দুর্বোধ্য হইয়া যায়।

দাজ্জালী আর্থিক নিরাপত্তার ছাতা

লিখেছেনঃ Kaisar Ahmed

umbrella-of-dajjal

দাজ্জালী ছাতা – ইনস্যুরেন্স / বীমা / ফিক্সড ডিপোজিট / ইসলামিক ব্যাংক

আল্লাহ মানুষকে সম্পদ দান করেছেন। এটি আল্লাহর অনুগ্রহ। অবশ্যই এই সম্পদে অন্য বঞ্চিত মানুষের দান সদকা যাকাত ইত্যাদি রূপে হক রয়েছে। বান্দা যদি সম্পদশালী হয়ে অহংকার করে এবং অন্যকে বঞ্চিত করে তবে অবশ্যই আল্লাহ সম্পদ ছিনিয়ে নিবেন। বরং সেই সম্পদকে ধ্বংস করে দিয়ে বান্দাকে পরক্ষনে ধনী থেকে গরীব বানিয়ে দিতে পারেন। একজন মুমিন ব্যক্তি নিজসম্পদ থেকে অন্যের হক আদায় করে এবং আল্লাহর কাছে সম্পদের হিফাজত সহ বরকতের দুয়া করে। অর্থাৎ এখানে ব্যক্তির সম্পদের নিরাপত্তা বা রাতারাতি সম্পদের ধ্বংস হওয়া বা ধনী থেকে গরীব হওয়া সব আল্লাহর হাতে -এটাই বান্দার বিশ্বাস। আমরা সবাই কারুনের ঘটনা জানি,তাকে আল্লাহর রাস্তায় দান করে পরকালের সম্বল ও অন্যদের প্রতি অনুগ্রহ করার উপদেশ দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সে বড়াই করে বলল, এই সব সম্পদ তার জ্ঞান বলে লাভ করেছে, তাই অন্য কাওকে সে দিবে না এবং কেউ তার সম্পদ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। তারপরে আল্লাহ তার প্রাসাদ ভূগর্ভে ধসিয়ে দিলেন। এবং আল্লাহ বললেন,

“অতঃপর আমি কারুনকে ও তার প্রাসাদকে ভূগর্ভে বিলীন করে দিলাম। তার পক্ষে আল্লাহ ব্যতীত এমন কোন দল ছিল না, যারা তাকে সাহায্য করতে পারে এবং সে নিজেও আত্মরক্ষা করতে পারল না”। (সূরা কাসাস ৮১)

আল্লাহ তার বান্দাদের মধ্যে থেকে যার জন্য ইচ্ছে রিজিক প্রশস্ত করে দেন এবং যার জন্য ইচ্ছে কমিয়ে দেন। আল্লাহ যদি কারোর সম্পদ কমিয়ে দেন তবে আল্লাহর বিপরীতে সে কোন সাহায্যকারী পাবে না।
.
উটকে রশি দিয়ে বেঁধে রেখে তারপর উটের নিরাপত্তার জন্য আল্লাহর কাছে বিশ্বাস রাখতে হবে। তবুও যদি উট হাড়িয়ে যায় তবে কিছুই করার নেই, এটিকে ভাগ্য মনে করে ধৈর্য ধরতে হবে। এটা হল কুর’আন ও হাদিসের দেখানো বিধান। এতে বার বার আল্লাহ’র প্রতি বান্দার অসহায়ত্ব প্রকাশ পায়।
.
কিন্তু দাজ্জালি ব্যবস্থা আলাদা। দাজ্জাল নিজেকে আল্লাহর বিপরীতে সাহায্যকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। আল্লাহর বিধানের ঠিক উল্টো বিধান হবে দাজ্জালের। সে বলবে তোমার জ্ঞান প্রজ্ঞা থেকে তুমি সম্পদ লাভ করেছ, এটাতে অন্যদের কোন হক নেই। তোমাকে যাকাত, দান ও সদকা কিছুই করতে হবে না এবং এই সম্পদ ধ্বংস হয়ে তুমি কখনই গরীব হবে না এর নিশ্চয়তা আমি দিচ্ছি। ব্যবসায়ের লোকসান ব্যতীত কোণ প্রকার তোমার সম্পদের ক্ষতি হতে দিব না। তোমাকে কেউ রাতারাতি গরিব বানাতে পারবে না এবং কেউই তোমার বাগান ধ্বংস করে দিতে পারবে না। তুমি আল্লাহর সাথে কুফুরি করে আমার উপর ঈমান (বিশ্বাস) রাখতে পারো। তখন দেখবে তুমি কারোর নিকট অসহায় নও। আল্লাহর বিপরীতে আমাকে সাহায্যকারী রূপে গ্রহণ করতে পারো (নাউযুবিল্লাহ)। তুমি উটকে বাঁধবে এবং আমার উপর বিশ্বাস রাখবে তারপরও যদি উট হাড়িয়ে যায় তবে আমি তা ফিরিয়ে দিব। আল্লাহর রাস্তায় বিশাল! অর্থ দানের স্থলে তুমি আমার ব্যবস্থায় যদি কিছু অর্থ দাও তবে এ সিস্টেমই তোমার সম্পদের নিরাপত্তা দিবে, এমনকি যদি সম্পদ ধ্বংস হয়েও যায় তবে উৎকৃষ্ট নাহোক কিন্তু সমপরিমাণ অর্থ তোমাকে দেওয়া হবে। তুমি নিশ্চিন্তে সূরা কাহফ এ উল্লেখিত ব্যক্তির মত করে দাবী করতে পার।

“সে বলল, আমি মনে করি না এ বাগান কখনও ধ্বংস হবে। এবং আমি মনে করি না যে,কেয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। যদি কখনও আমার পালনকর্তার কাছে আমাকে পৌঁছে দেয়া হয়,তবে সেখানে এর চাইতে উৎকৃষ্ট পাব।” (সূরা কাহফ- ৩৫)
.
দাজ্জালি ব্যবস্থা শুধু বাড়ি-ঘর না আপনার সন্তান মারা গেলেও আপনাকে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতে দিবে না। এখানে সবকিছুর নিরাপত্তার ব্যবস্থা আছে, জীবন বীমা, অগ্নিবীমা, জাহাজ ডুবির বিমা, যুদ্ধ বীমা, ভূমিকম্প/সুনামি/বন্যা সহ ইত্যাদি প্রকারের বীমা ব্যবস্থা রয়েছে। অর্থাৎ শর্ত সাপেক্ষে আপনার সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পদের নিরাপত্তা পাবেন।
.
ব্যাংকের মত বীমাকেও হালালাইজড (হালালিকরন) করা হচ্ছে। কিছু বীমা তো বাধ্যতামূলক, গাড়ি/বাইক সহ সকল প্রকার পরিবহনের, গার্মেন্টসের এবং ওয়ার্কারের বীমা ইত্যাদি।
.
একজন ধনী নিশ্চিন্তে জাহাজে পণ্য আনতে পারে, নিশ্চিন্তে মারাও যেতে পারে, তার ফ্যাক্টারিতে আগুন লাগলেও নিশ্চিন্তে থাকবে, তার প্রয়োজন নেই ধৈর্য ধরার, তার কোণ ক্ষতিই হবে না কারণ সে দাজ্জালের দলে শামিল হচ্ছে। ইন্সুরেন্স হল দাজ্জাল প্রদত্ত আর্থিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আমাদেরকে প্রতি পদে পদে আল্লাহর উপর ভরসা বাদ দিয়ে দাজ্জালের ছাতার নিচে আশ্রয় গ্রহণ করতে ডাকা হচ্ছে। তাই সাবধান এমন কে আছে যে আল্লাহর বিপরীতে নিরাপত্তা দিবে?

Magic

সারা ওয়ার্ল্ডের চিত্রঃ

Government = Control Media = Control Mind

Controlling Mind = Magic

So:
Government = Magic

Any question?

ফেরাউন সরকারের ম্যাজিসিয়ানদের কথা মনে করিয়ে দেয়।

.

.

.

মূসার লাঠি ও যুগের যাদুকর

কেন মানুষেরা কার্টুন হয়ে যাচ্ছে

Prisma App

Significance of being a despised cartoon or monkey look by distorting the face:

So when they exceeded the limits of what they were prohibited, We said to them: “Be you monkeys, despised and rejected.”

(سورة الأعراف, Al-A’raaf, Chapter #7, Verse #166)

অত:পর যখন তারা বেপরোয়াভাবে নিষিদ্ধ কাজগুলো করতে থাকল তখন আমি তাদের বললাম, ‘তোমরা ঘৃণিত বানর হয়ে যাও’। (সূরা আল আ’রাফ, আয়াত ১৬৬)

Prophet Muhammad (SallAllahu Alaihi Wa Sallam) said, “From among my followers there will be some people who will consider illegal sexual intercourse, the wearing of silk, the drinking of alcoholic drinks and the use of musical instruments, as lawful. And there will be some people who will stay near the side of a mountain and in the evening their shepherd will come to them with their sheep and ask them for something, but they will say to him, ‘Return to us tomorrow.’ Allah will destroy them during the night and will let the mountain fall on them, and He will transform the rest of them into monkeys and pigs and they will remain so till the Day of Resurrection.” (Chapter ‘Drinks’ of Sahih Bukhari)

হাদীসে কিছু ধনী লোকদের কথা বলা হয়েছে যারা (সম্ভবত ধণাঢ্যতার) চূড়ায় অবস্থান করবে এবং মানুষরা তাদের প্রাপ্য চাইলে তারা বলবে আগামীকাল এসো। কিন্তু আল্লাহ (আগামীকাল আসার পূর্বে) রাতেই তাদের চেহারা বানর ও শূকরের মতো করে দিবেন যা কিয়ামত পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে। এটা ঐ সময়ের কথা যখন সমাজ অবাধ যৌনাচার, রেশমী কাপড়, মদ ও সঙ্গীতে ছেয়ে যাবে।

তিন স্তর বিশিষ্ট ছায়া

Three Shadows

”চলো সেই ছায়ার দিকে যার রয়েছে তিনটি স্তর, — যা ছায়াময় নয় এবং অগ্নিশিখা থেকে রক্ষা করার মতোও নয়।”
[সুরা মুরসালাত ৩০-৩১]।
.
উপরোক্ত আয়াতটি আয়াতে মুতাশাবিহাত। ছায়ার তিনটি স্তর বলতে দাজ্জালের তিন স্তর অর্থাৎ “দাজ্জালের এক দিন এক বছরের সমান”, “দাজ্জালের এক দিন এক মাসের সমান” ও “দাজ্জালের একদিন এক সপ্তাহের সমান” বোঝাচ্ছে।

– শায়খ ইমরান নযর হোসেন।

থ্রী শেডো অফ ডার্কনেস

লিখেছেনঃ Md Arefin Showrav

মহানবী (সা) বলেন, “দাজ্জাল পৃথিবীতে ৪০ দিন অবস্থান করবেন। এর একদিন এক বছরের সমান, একদিন এক মাসের সমান, একদিন এক সপ্তাহের সমান। বাকি দিনগুলি তোমাদের দিনের মতো।” (আল হাদিস)
এখানে, আমরা একটা টাইমফ্রেম পাই। দাজ্জাল যখন আমাদের সামাওয়াত অর্থাৎ আমাদের ডাইমেনশনে আসবে তখন আমরা তাকে দেখতে পাব। আর নবীজি (সা) বলে গেছেন যে, দাজ্জাল হবে একজন কোঁকড়ানো চুলবিশিষ্ট ইহুদি যুবক আর তার অর্থোডক্স ইহুদিদের মত লম্বা চিপ থাকবে। তখন তার দিনগুলি হবে আমাদের দিনের মত। কেন? কারণ তখন সে আমাদের টাইম এন্ড স্পেস বা আমাদের সামাওয়াতে অবস্থান করবে।
কিন্তু আমাদের ডাইমেনশনে আসার আগে দাজ্জাল তিনটি স্টেজ পার করবে। তিনটি শেডো অফ ডার্কনেস।
হাদিসে একে বলা হয়েছে,
(১) একদিন এক বছরের সমান,
(২) একদিন এক মাসের সমান,
(৩) একদিন এক সপ্তাহের সমান।

আর বাইবেলে একে প্রকাশ করা হয়েছে 666 দ্বারা।
(১) 600
(২) 60
(৩) 6

এই তিনটি সময়ে দাজ্জাল তার মানুষরূপে পৃথিবীতে আগমনের জন্য পৃথিবীকে প্রস্তুত করবে। কীভাবে? অন্য সামাওয়াত থেকে তার আর্মিদের দ্বারা যাদেরকে আমরা বলতে পারি, দাজ্জালস ওয়ারিওরস বা দাজ্জালের যোদ্ধাদল।

দাজ্জাল কোথা থেকে তার কার্যক্রম শুরু করবে সেটা তামিম আদ দারির (রা) হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, দাজ্জাল একটি আইল্যান্ড অর্থাৎ দ্বীপে বন্দী রয়েছে। সেই দ্বীপে আল জাসসাসা বা গোয়েন্দা রয়েছে। অর্থাৎ সেই দ্বীপ গোয়েন্দাগিরির জন্য বিখ্যাত হবে। কোন দ্বীপ সেটা? সেটা হলো ব্রিটেন।
দাজ্জাল তার কার্যক্রম শুরু করে ব্রিটেন হতে। অর্থাৎ ব্রিটেন সমগ্র বিশ্ব শাসন করবে।

এবার আমরা এনালাইসিস করতে পারি, দাজ্জালের শেডো অফ ডার্কনেসের সময়গুলোকে।

(১) দাজ্জালের একদিন এক বছরের সমান = বাইবেলের ৬৬৬ এর ৬০০ = একটি বৃহৎ সময় = প্যাক্স ব্রিটানিকা = দাজ্জাল ব্রিটেনের দ্বারা বিশ্ব শাসন করবে।
(২) দাজ্জালের একদিন এক মাসের সমান = বাইবেলের ৬৬৬ এর ৬০ = প্রথম পর্যায়ের চেয়ে কিছু কম সময় = প্যাক্স আমেরিকানা = দাজ্জাল আমেরিকা দ্বারা বিশ্ব শাসন করবে।
(৩) দাজ্জালের একদিন এক সপ্তাহের সমান = বাইবেলের ৬৬৬ এর ৬ = খুব কম সময় = প্যাক্স জুদাইকা = ইজরায়েল বিশ্ব শাসন করবে।
এই তিনটি পর্যায় কমপ্লিট হওয়ার পর দাজ্জাল মানুষ হিসেবে জেরুজালেম থেকে নিজেকে মসীহ ঘোষণা করবে অর্থাৎ খুরুজ অফ দাজ্জাল সংগঠিত হবে।

আমরা এখন প্যাক্স আমেরিকানা থেকে প্যাক্স জুদাইকার দিকে যাচ্ছি। কিন্তু প্যক্স ব্রিটানিকা থেকে প্যাক্স আমেরিকানায় আসতে দুইটি বিশ্বযুদ্ধ সংগঠিত হয়েছে। প্যাক্স আমেরিকানা থেকে প্যাক্স জুদাইকায় যেতেও বৃহৎ বিশ্বযুদ্ধ সংগঠিত হবে। কেন? ইজরায়েল যদি জেরুজালেম থেকে বিশ্ব শাসন করতে চায়, সেটা অনেক কঠিন। কারণ, পৃথিবী এত বিশাল! আর ইজরায়েল কত ছোট! হয় ইজরায়েলকে তার সীমানা প্রসারিত করে মার্কিন যুক্তরাস্ট্রের মত বিরাট হতে হবে অথবা বিশ্বকে ছোট হয়ে আসতে হবে। নিউক্লিয়ার বিশ্বযুদ্ধ বিশ্বকে ছোট করে ফেলবে যা ইজরায়েলের পক্ষে শাসন করা মেনেজেবল হবে।