সোলজারস অব দাজ্জাল

যখন দাজ্জাল বের হবে তখন তৎকালীন প্রথাগত আলেমরা তাকে সমর্থন দিবে। ডূ ইউ বিলিভ? পারহেপস, ইউ ডু নট। ঠিক যেভাবে তারা বর্তমানে গণতন্ত্রকে সমর্থন দিয়েছে, কাগজের মুদ্রাকে সমর্থন দিয়েছে, ইলেকট্রনিক মানিকে সমর্থন দিতে যাচ্ছে। বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহকে যারা নিষিদ্ধ করেছে তাদের সমর্থন দিচ্ছে। আল্লাহ্‌ যা হালাল করেছেন তাকে হারাম করা হচ্ছে, এবং আল্লাহ্‌ যা হারাম করেছেন তাকে হালাল সার্টিফিকেট দেয়া হচ্ছে। যেভাবে ইহুদী রাব্বিরা করত। এ বিষয়ে রাসূল (সা) এর পরিষ্কার সহি হাদীস আছে। যে তোমরা ইহুদী খ্রিস্টানদের অনুসরণ করবে। — ভবিষ্যতবানী বাস্তবায়িত হয়েছে। দাজ্জাল আসলে পুরোটুকু বাস্তবায়ন হবে। সে হবে ইহুদী যুবক। আর পৃথিবীর সব প্রথাগত বিশেষজ্ঞরা তাকে সমর্থন দিবে।

এক বিষয়ের বিশেষজ্ঞ

প্রথাগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ আলেম তাদের বিশেষায়িত জ্ঞানের বাহিরে অন্য কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করা দূরের কথা শ্রবণ করতে রাজি নয়। প্রথাগত চিকিৎসককে যদি আপনি ডায়েবেটিক ডায়েটের বদলে কিটোজেনিক ডায়েটের কথা বলেন, আর প্রথাগত আলেমকে যদি আপনি ইয়াজুজ মাজুজের কথা বলেন তারা এ বিষয়ে আর আলোচনা করতে ইচ্ছুক নয়। তাদের ধারণা এসব ফালতু আলোচনা। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বহুবিধ অজ্ঞতাকে প্রমোট করে। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি এক চোখের অধিকারী হয়। ওয়ান আইড ম্যান। সিম্বল অব দাজ্জাল। ফলে এখন কুরআনে হাফেজ ব্যক্তি শুধু কুরআনে হাফেজ হয়ে থাকে, কুরআনের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে মাথা ঘামায় না। এভাবে জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার মধ্যে ইন্টারকানেকশনগুলোকে কেটে দেয়া হয়।

দাজ্জালের সময় যারা ঈমান টিকিয়ে রাখবে তাদের জন্য রয়েছে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে রিযিক

হযরত আদম (আ) এর সময় থেকে পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত দাজ্জালের চেয়ে বড় ফিৎনা আর কিছু নেই। দাজ্জাল নিজেকে ইহুদিদের মসীহ দাবী করবে। ইহুদিরা তাকে মসীহ হিসেবে মেনে নেবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে হবে ভন্ড মসীহ। সে জেরুজালেম থেকে সমগ্র পৃথিবী শাসন করবে। তার জন্যই জায়োনিস্টরা ইজরায়েল রাস্ট্রের সৃষ্টি করেছে। দাজ্জাল যখন জেরুজালেম থেকে পৃথিবী শাসন করবে, তখন মুমিন মুসলিমদের অবস্থা হবে ভয়াবহ রকমের খারাপ। দুর্বল ঈমানের মুসলিমদের জন্য ঈমান টিকিয়ে রাখা দুরূহ হবে। কারণ ইজরায়েলকে সেজদা না করলে খাদ্য, পানি, বৃষ্টি কিছুই পাওয়া যাবে না। আর ইজরায়েলকে সেজদা করার মানে দাজ্জালের উপর ঈমান আনা।

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ “দাজ্জাল একটি জনসমাজে গিয়ে মানুষকে তার প্রতি ঈমান আনয়নের আহবান জানাবে। এতে তারা ঈমান আনবে। দাজ্জাল তাদের উপর বৃষ্টি বর্ষণ করার জন্য আকাশকে আদেশ দিবে। আকাশ বৃষ্টি বর্ষণ করবে, যমিন ফসল উৎপন্ন করবে এবং তাদের পশুপাল ও চতুষ্পদ জন্তুগুলো অধিক মোটা-তাজা হবে এবং পূর্বের তুলনায় বেশী দুধ প্রদান করবে। অতঃপর অন্য একটি জনসমাজে গিয়ে মানুষকে তার প্রতি ঈমান আনয়নের আহবান জানাবে। লোকেরা তার কথা প্রত্যাখ্যান করবে। দাজ্জাল তাদের নিকট থেকে ব্যর্থ হয়ে ফেরত আসবে। এতে তারা চরম অভাবে পড়বে। তাদের ক্ষেত-খামারে চরম ফসলহানি দেখা দিবে। দাজ্জাল পরিত্যক্ত ভূমিকে তার নিচে লুকায়িত গুপ্তধন বের করতে বলবে। গুপ্তধনগুলো বের হয়ে মৌমাছির দলের ন্যায় তার পিছে পিছে চলতে থাকবে।” [সহীহ মুসলিম]

দাজ্জাল পৃথিবীর খনিজ সম্পদ ও আবহাওয়ার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে। ইজরায়েল হবে পৃথিবীর সম্পদশালী একমাত্র পরাশক্তি। মুসলিম অঞ্চলসমূহ অনাবৃষ্টির ফলে মরুভূমিতে পরিণত হবে। সেই কঠিন ফিৎনার সময় যারা তাদের ঈমানে অটল থাকবে, তাদের জন্য আল্লাহপাক রিজিকের ব্যবস্থা করবেন, পানির ব্যবস্থা করবেন যেভাবে বনী ইজরায়েলকে শুকনো পাথর ফাটিয়ে ১২ টি প্রস্রবণের ব্যবস্থা করেছিলেন।

“আর মূসা যখন নিজ জাতির জন্য পানি চাইল, তখন আমি বললাম, স্বীয় যষ্ঠির দ্বারা আঘাত কর পাথরের উপরে। অতঃপর তা থেকে প্রবাহিত হয়ে এল বারটি প্রস্রবণ। তাদের সব গোত্রই চিনে নিল নিজ নিজ ঘাট। আল্লাহর দেয়া রিযিক খাও, পান কর আর দুনিয়ার বুকে ফ্যাসাদ করে বেড়িও না।” [সুরা বাকারা: ৬০]

হিজরতকারীদের জন্য মান্না সালওয়া

যখন কোন দেশে অত্যাচারী শাসক থাকে যারা মুসলিমদের উপর অত্যাচার করে, তখন মুসলিমদের নিজেদের ঈমান বাঁচাতে সে দেশ থেকে হিজরত করা বাঞ্চনীয়। আধুনিক বিশ্বে পৃথিবীর সর্বত্রই অত্যাচারী শাসকদের শাসন চলছে এবং সর্বত্র ফিৎনা ছড়িয়ে পড়েছে। এই জামানা এমন এক জামানা যখন একজন ব্যক্তিও পাওয়া যাবে না যে ব্যক্তি সুদ খায় না। সর্বত্র সুদের ছড়াছড়ি আর সুদ বহনকারী বাহন হলো কাগুজে মুদ্রা। এই জামানা এমন এক জামানা যখন গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা ভীষণ কঠিন। আর যুবকদের জন্য হিমালয়সম কঠিন। কারণ, বর্তমান বিশ্বে নারীরা পুরুষদের মত পোশাক পড়ে, নারীরা এমন পোশাক পড়ে যা পরিধান করা বা না করা সমান কথা, গান-বাজনা, কনসার্ট, নাচ, সিনেমা ইত্যাদি নানাবিধ কারণে এখন ঈমান টিকিয়ে রাখা মুশকিল। তার মধ্যে আরো রয়েছে রাস্ট্রীয় ফিৎনা। ইসলামের কথা বললে জঙ্গী বা সন্ত্রাসী ভাবা হয়, রাস্ট্রবিরোধী, সংবিধান বিরোধী ভাবা হয়। কেন এমনটা হচ্ছে? কারণ, আমরা বসবাস করছি আখেরী জামানায়। আমরা বসবাস করছি আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতায়, যার mastermind হলো দাজ্জাল এবং এই সভ্যতার বাস্তবায়নকারী হলো খাজার জায়নিষ্ট (ইয়াজুজ মাজুজ)। এই খাজার জায়নিষ্ট তথা কোরান বর্ণিত ইয়াজু’জ মা’জুজরাই হলো দাজ্জালের foot soldiers. এটাই সেই সময় যে সময় সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, “কিয়ামতের পূর্বে এমন এক সময় আসবে যখন মু’মিন ব্যক্তি ঈমান বাঁচাতে ভেড়া নিয়ে পাহাড়ে বা বৃষ্টিপাতের স্থানে পালিয়ে যাবে।”

Narrated Abu Sa`id al-Khudri:

Allah’s Messenger (ﷺ) said, “There will come a time when the best property of a man will be sheep which he will graze on the tops of mountains and the places where rain falls (i.e. pastures) escaping to protect his religion from afflictions.”  Sahih al-Bukhari  Book of Beginning of Creation Hadith

তাই খাঁটি মুমিন ব্যক্তির এখন হিজরত করার সময়। বনী ইজরায়েল যেমন মিশর থেকে হিজরত করেছিল, আমাদেরকেও হিজরত করতে হবে এবং পাহাড়ে কিংবা অজপাড়াগাঁ যেখানে বিদ্যুৎ পৌঁছেনি, সেখানে গিয়ে গ্রামীন জীবনযাপন করতে হবে। কারণ, দাজ্জালের আক্রমণ মূলত শহরের দিকে হয়ে থাকে। আর আমাদের রিজিকের জন্য আল্লাহর মুখাপেক্ষী হতে হবে। দাজ্জাল চাইবে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটিয়ে মু’মিন বান্দাদের কষ্ট দিতে। সে যেখানে চাইবে সেখানে বৃষ্টিপাত হবে আর যেখানে চাইবে না সেখানে বৃষ্টিপাত হবে না। এভাবে সে তার নিজের দিকে অনেক লোককে আকৃষ্ট করবে। যারা শুধুমাত্র বাহ্যিক দৃষ্টি দিয়ে দেখে আর আধ্যাত্মিক দৃষ্টি যাদের অন্ধ, তারা সহজেই দাজ্জালের ফাঁদে পা দেবে ও তার অনুসারী হয়ে যাবে। কিন্তু যারা মুমিন তাদের জন্য এই অনাবৃষ্টি ভীষণ কঠিন পরীক্ষা হবে। তারা যদি এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, তবে “সুবহানআল্লাহ” তাদের খাবার দেবে, “আলহামদুলিল্লাহ” তাদের খাবার দেবে, “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ” তাদের খাবার দেবে। অর্থাৎ আল্লাহ তাদের জন্য খাবার পাঠাবেন আর তারা আনন্দের সাথে বলে উঠবে, সুবহানআল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। ইতিহাস এর স্বাক্ষী। বনী ইজরায়েল যখন অত্যাচারী ফেরাউনের দেশ থেকে হিজরত করে, তখন আল্লাহপাক তাদের জন্য খাবার হিসেবে মান্না ও সালওয়া পাঠান।

“আর আমি তোমাদের উপর ছায়া দান করেছি মেঘমালার দ্বারা এবং তোমাদের জন্য খাবার পাঠিয়েছি ’মান্না’ ও সালওয়া’। সেসব পবিত্র বস্তু তোমরা ভক্ষন কর, যা আমি তোমাদেরকে দান করেছি। বস্তুতঃ তারা আমার কোন ক্ষতি করতে পারেনি, বরং নিজেদেরই ক্ষতি সাধন করেছে।” [সুরা বাকারা: ৫৭]

ইসলামী কলিযুগবিদ্যা

সনদদার

“হাইকোর্টের গ্রীক মুর্তি সরানো হবে না, তবে নামাজের সময় ঢেকে দেয়া হবে”- এটাকেই বলে হালালাইজেশন বা হালালীকরন। 🤣

সার্টিফিকেটধারী আল্লামারা কিছু বলুক। কিন্তু তারা তা বলবে না। তাহলে সার্টিফিকেট দেয়ার মালিক যদি অখুশি হয়। সার্টিফিকেট (দুনিয়ার জান্নাত) যদি কেড়ে নেয়। — মূর্তি পূজোয় দেশ ভরে যায় যাক, কিন্তু আমার দুনিয়ার জান্নাত ঠিক থাকুক।

Dajjal_is_knocking_the_door

# দাজ্জাল

দাজ্জাল ও দাজ্জালী যুগ

প্রশ্নঃ আপনারা কি বর্তমান যুগ বা ইউরো-আমেরিকান সভ্যতাকে দাজ্জাল বলেন?
উত্তরঃ না, তবে অনেকের মতোই আমরা বর্তমান যুগকে দাজ্জালী যুগ বলি। যেহেতু এই যুগে দাজ্জালের আগমন হবে তাই এ যুগকে দাজ্জালী যুগ বলা হয়। কারণে এই যুগের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো দাজ্জালের উপস্থিতি। কোন নির্দিষ্ট যুগে কোন বিশেষ প্রভাবশালী ব্যক্তির উপস্থিতি থাকলে সেই ব্যক্তির নাম অনুসারে ঐ যুগের নামকরণ করা যায়। যেমন, ফেরাউনের নাম অনুসারে অনেকে ঐ যুগকে ফেরাউনের যুগ বলে।

প্রশ্নঃ দাজ্জালী যুগের বৈশিষ্ট্য কি?
উত্তরঃ প্রতিটি যুগেরই একটি নির্দিষ্ট বা বিশেষ বৈশিষ্ট্য থাকে। দাজ্জালী যুগের বৈশিষ্ট্য হলো নীরব প্রতারণার যুগ। দাজ্জাল যেমন ‘সাইলেন্ট’ থাকবে, অর্থাৎ সে ঘোষণা দিবে না, আমিই দাজ্জাল, বরং সে বলবে, আমিই তোমাদের রব। আমাকে মানো। (নাউযুবিল্লাহ)। সে তার পরিচয়কে গোপন রাখতে চাইবে। ঠিক তেমন বর্তমান যুগ নিজের বৈশিষ্ট্যকে প্রকাশ করে না। যেমন, বর্তমান কাগজের মুদ্রানীতি (ও অদূর ভবিষ্যতে ইনভিজিবল মানির মুদ্রানীতি) একটি প্রতারণার মুদ্রানীতি। আসল মুদ্রানীতি হলো স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রানীতি। কিন্তু বর্তমান মুদ্রানীতি দাবি করে এটাই শ্রেষ্ঠ মুদ্রানীতি। আর মানুষ তা মেনেও নিয়েছে।

ঠিক একইভাবে গণতান্ত্রিক রাজনীতিও প্রতারণার রাজনীতি। কিন্তু দাবি করা হয়, এটাই শ্রেষ্ঠ রাজনীতি। আবার মানুষ তা মেনেও নিয়েছে।

সামরিক নীতিও তাই। যে পক্ষ মানুষের জন্য ক্ষতিকর, মানুষ তারই পক্ষ নিচ্ছে। কেউ উগ্রপন্থার দ্বারা মানুষকে কাছে টানছে, তো আবার কেউ সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের কথা বলে মানুষকে কাছে টানছে। সবকিছুতেই নীরব প্রতারণা। সবাই বলছে, আমিই সঠিক, আমাকে মানো। ধর্মীয় দিকেও একই অবস্থা। শত শত দলে বিভক্ত মানুষ, সবার দাবি তারাই সর্বাপেক্ষা সঠিক। অথচ কুরআন সুন্নাহর কষ্টিপাথরে একটু ঘষা দিলেই বের হয় কে যে কতটুকু সঠিক।

দাজ্জালী যুগের রোগব্যাধিগুলোর চরিত্রও একইরকম। যেমন, ডায়াবেটিস। এটি একটি ‘সাইলেন্ট ডিজিজ।’ মানুষ মনে করে সে ভালো আছে, সুস্থ আছে, তার খাওয়ার রুচি ভালো। কিন্তু ইতিমধ্যে হয়তো তার রোগের অর্ধেকের বেশী অবস্থা অতিক্রান্ত হয়েছে। রোগ যখন ধরা পড়ে তখন তার শরীরের অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ক্ষতিগ্রস্থ অবস্থায় আছে। — ক্যান্সারেও একই অবস্থা। ডাক্তাররা রোগীদের বলেন, শুরুর দিকে আসলে হয়তো কাজ হতো। কিন্তু শুরুর দিকে কিভাবে আসবে? রোগের লক্ষণ তো শুরুতে প্রকাশ পায় না। বরং শুরুতে নীরব ঘাতককে পোষা হয়েছে।

দাজ্জালী যুগে খাদ্যদ্রব্যের অবস্থাও তাই। বড় বড় মিডিয়া জিএম ফুড, প্রসেসড ফুড ইত্যাদি যেসব পণ্যগুলোকে সারাদিন পুষ্টিকর খাদ্য বলে প্রচারণা চালায় আসলে তার মধ্যে কতটুকু খাদ্য আর কতটুকু ‘বিষ’ তা সাধারণ মানুষের কল্পনারও বাইরে। শুধুমাত্র যারা এ বিষয়ে চিন্তা গবেষণা করেন তারা কিছুটা অনুধাবন করতে পারেন।

প্রশ্নঃ দাজ্জাল কখন বের হবে?
উত্তরঃ যখন কনস্টান্টিনোপল বিজয় হবে।

প্রশ্নঃ কনস্টান্টিনোপল বিজয় কখন হবে?
উত্তরঃ যখন মালহামা হবে।

হযরতজির বাইয়াত

বলুন তো, কাকে বেশী মানুষ বাইয়াত দিবে? দাজ্জালকে নাকি ইমাম মাহদী য়ালাইহিস সালামকে? হয়তো এসব খবর আপনাকে প্রায়ই দেখতে হবেঃ

“কাতার, কুয়েত, জর্ডান, দুবাই, সৌদিআরব, সুদান, মরক্কো, ওমান, এয়ামান, লেবানন, উগান্ডা, ফিলিস্তিন সহ আরব জাহানের নানা দেশের জিম্মাদার / দায়িত্বশীল গণ সর্ব প্রথম আলাদা আলাদাভাবে অমুক (দামাত বারাকাতুহুম) এর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে, অমুক শায়খুল আরব ওয়াল আজম হযরতজির কাছে বাইয়াতের ইচ্ছে প্রকাশ করেন। পরে এক এক করে ভারত পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইউরোপ, আমেরিকা, রাশিয়া, চীন সহ সকল দেশের জিম্মাদার হযরতগন সারা দুনিয়ার আমির হিসাবে মাওলানা অমুকের কাছে বাইয়াত গ্রহন করেন।”

কাজেই এসব খবরে আল্লাহ্‌র রহমতে ইসলামিক ইস্কেটোলজির ছাত্ররা বিভ্রান্ত হবে না, ইনশাআল্লাহ্‌। আল্লাহ্‌ তায়ালা শেষ যুগের ফেতনা থেকে আমাদের হেফাজত করুন।