শেষ জমানার আলেম

দেশের ‘সিংঘাসনে’ যেই বসুক তাহা আমার তেমন কোন ভাবনা নয়। যদি নাটকীয় কোন পরিবর্তন হয় তাহলে যেই আসবে তার তুলনায় বর্তমান রাজা বাদশাদের মনে হবে অলি আউলিয়ার মতো। কারণ ভারতমাতার গোবৎস হোক বা আমেরিকার পদতলের সুদখোরেরা হোক উভয়েই বর্তমানের চেয়ে আরও নিকৃষ্ট সময় জনগণের উপর চাপাইয়া দিবে। আমার ভাবনা সেই নিকৃষ্ট রাম শ্যামদের সহিত আমাদের দরবারী উলামাদের কিরূপ ব্যবহার হইবে। নিকট অতীতে দরবারী উলামাদের দেখিয়াছি নারী শাসন, সেক্যুলার শাসন মানিয়া লইয়াছেন, মসজিদে অধার্মিকদের তাঁবেদারি করিয়াছেন। তাহাদের সহিত হাসিমুখে বৈঠক করিয়াছেন, তাহাদের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করিয়াছেন। শুধু একটু চাউলটা নুনটা পাওয়ার জন্য দিনরাত তাহাদের পেছনে ধরনা দিয়াছেন। বিনিময়ে তাহাদের কোরআন শিক্ষার সার্টিফিকেট সেক্যুলার লেখাপড়ার সমমানে নামাইয়া আনিয়াছেন। আলীয়ারা অতীতে শাসকদের আনুকূল্য লাভ করিতে গিয়া তাদের শিক্ষাব্যবস্থায় যেভাবে ইসলাম ও সেক্যুলারিজম মিশাইয়া ফেলিয়াছেন বর্তমানে ক্বওমীরাও সে পথ ধরিয়াছেন। তবে ধর্ম নিয়া বড় বড় লেকচার দেওয়া কাহারও কমে নাই, বরং বাড়িয়া গিয়াছে। আল্লাহ না করুন, যদি আকাটা গোবৎসরা বা সুদখোর বুদ্ধিজীবীরা (তথা সুদখোর নির্বোধরা) মঞ্চে পরদা সরাইয়া হাজির হয় তাহা হইলে আমার আশংকা হয় দেশের উলামাবর্গ বা ফরিদ হেফাজত গং তাহাদের সমর্থনই করিবে। ইহাতে যদি পুলিশের চাকরী বা মাস্টারির চাকরির আশ্বাস মিলে তাহা হইলে ইসলামকে অপমান করিয়া তাহাদের জন্য আল্লাহর কাছে খাস দোয়া করিতেও মনে হয় তাহারা পিছপা হইবে না। ভারত বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের আলেমদের প্রতি ইমরান নযর হোসেন যে সতর্কবাণী উচ্চারণ করিয়াছেন তাহাতে তাহারা বিন্দুমাত্রও টলিবে না। সেই কঠিন সময় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই।

Advertisements

সমকামিতার বিরুদ্ধে মুসলমানদের সঠিক প্রতিক্রিয়া

১।। আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানী ইত্যাদি যে-সব দেশ সমকামিতাকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিয়াছে, এই দেশগুলিকে আল্লাহ খুব শীঘ্রই ধ্বংস করিয়া দিবেন । অতীতেও যে-সব জাতির মধ্যে সমকামিতার প্রচলন হইয়াছিল, আল্লাহ তাহাদেরকে ভয়াবহ শাস্তি দিয়া ধ্বংস করিয়াছেন । আমাদেরকে মনে রাখিতে হইবে যে, আল্লাহর আইনে কোন পরিবর্তন হয় না । কাজেই মুসলমানদের উচিত যত দ্রুত সম্ভব এই দেশগুলো ত্যাগ করিয়া অন্যত্র চলিয়া যাওয়া । — শায়খ ইমরান নযর হোসেন

২।। যখন কোন দেশ সমকামিতাকে বৈধ ঘোষণা করে, মুমিনরা সাথে সাথে স্যুটকেস গুছিয়ে সেই দেশ থেকে অন্যত্র হিজরত করে আর মুনাফিকরা ইসলাম প্রচারের দোহাই দিয়ে সেই দেশে থেকে অর্থপূজায় লিপ্ত থাকে। যদি সমকামীদের দেশে দাওয়াহর কাজ চালানো যেত, তাহলে নবী লুত (আ)-ই তা করতে পারতেন। সুতরাং যুক্তরাস্ট্র, জার্মানি এসব দেশ ত্যাগ করুন, নয়তো ধ্বংস অনিবার্য। — Md Arefin Showrav

ভুমিধ্বস, বৃষ্টিপাত এবং আযাব

“জনপদের অধিবাসীরা কি এখন এ ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে যে, আমার আযাব তাদের উপর রাতের বেলায় এসে পড়বে অথচ তখন তারা থাকবে ঘুমে অচেতন?

আর এই জনপদের অধিবাসীরা কি নিশ্চিন্ত হয়ে পড়েছে যে, তাদের উপর আমার আযাব দিনের বেলাতে এসে পড়বে অথচ তারা তখন থাকবে খেলা-ধুলায় মত্ত?

তারা কি আল্লাহর পাকড়াওয়ের ব্যাপারে নিশ্চিন্ত হয়ে গেছে? বস্তুতঃ আল্লাহর পাকড়াও থেকে তারাই নিশ্চিন্ত হতে পারে, যাদের ধ্বংস ঘনিয়ে আসে।”

(সূরা আ’রাফঃ ৯৭-৯৯)

বাংলাদেশে ভূমিধ্বসের আযাব আসছে। এখন পর্যন্ত পাহাড় ধ্বসে নিহত ১৮ জন।

হাদীসে আসছে গান বাজনা, গায়িকা নর্তকী ও মদ্যপান বৃদ্ধি পেলে এই আযাব দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে নগর ভাসিয়ে নেওয়ার মতো অতিবৃষ্টির আযাব আসছে। বান্দরবনের সাথে চট্টগ্রাম রাঙামাটির যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। চট্টগ্রাম পানি বন্দী হয়ে পরেছে। পাশাপাশি ঢাকাতেও ব্যাপক জলাবদ্ধতা।

— with MH Focus Mashfiq.

ব্রেকিং নিউজ!! পাহাড় ধ্বসে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি ও বান্দারবনে সেনা সদস্যসহ নিহত ১০৭+!!! (ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহি রা-জিউন) রাঙামাটিতে ৭৫ জন, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া এবং চন্দনাইশে মোট ২৬, বান্দারবনে ৬ জন এবং উদ্ধার অভিযানে গিয়ে একাধিক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন।। তবে সেনা সদস্য নিহত হবার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কিছু জানায়নি আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর। সোর্সঃ http://www.bbc.com/bengali/news-40256881

——————- ——————- Moment of truth!!

রাসূল মুহাম্মদ সাঃ বলেন,”” এই উম্মতের মধ্যে ভূমিধ্বস, চেহারা বিকৃতি ও উপর থেকে নিক্ষেপের শাস্তি আসবে। জনৈক সাহাবী জিজ্ঞেস করলেনঃ “হে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কখন এমন হবে?” রাসূল সাঃ বললেন যখন গায়িকা, বাদ্যযন্ত্র এবং মদ্যপান বৃদ্ধি পাবে”. অন্য রেওয়াতে আসছে যখন অশ্লীলতা ব্যাপক আকার ধারন করবে!! (তিরমিজী)

★ আল্লাহর আযাব কে সতর্কবানী হিসেবে চিহ্নিত করুন ★ ইমানদীপ্ত জীবন গঠন করুন ★ কিয়ামতের লক্ষণ গুলো চিহ্নিত করুন ★

ঘোর অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা

হযরত হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান রাঃ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, ঘোর অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা একের পর এক আসতেই থাকবে। তা তোমাদের কাছে গরুর চেহারার ন্যায় একই রকম মনে হবে। লোকেরা জানবেনা যে কোনটা কি কারণে হচ্ছে।

হযরত মুজাহিদ (রঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করীম (ﷺ) (সাঃ) বলেছেন, অন্ধকার রাত্রির টুকরোর মত ফিতনা দেখা দিবে। সে সময় সকালে একজন মুমিন হলে বিকালে কাফের হয়ে যাবে। বিকালে মুমিন হলে সকালে কাফের হয়ে যাবে। তাদের মধ্যে কেউ পার্থিব সামান্য সামগ্রির বিনিময়ে তার দ্বীন বিক্রি করে বসবে।

হযরত হুজাইফা রাযিঃ এরশাদ করেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ কে বলতে শুনেছি, আমার ওম্মতের মধ্যে এমন তিনশত লোক প্রকাশ পাবে যাদের সাথে তিনশত পতাকা থাকবে, যদ্বারা তাদের পরিচয় শনাক্ত করা যাবে। বংশীয়ভাবে এরা খুবই পরিচিত হবে। তারা আল্লাহ তা’আয়ার সন্তুষ্টি অর্জনের কথা প্রকাশ করলেও যুদ্ধ করবে সুন্নাতের বিপরীত পথভ্রষ্টার উপর।

হযরত উসাইদ ইবনে মুতাশাসি ইবনে মুয়াবিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু মুসা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামত আসার পূর্বে মুসলমানদের মধ্য হতে ফিতনা ও হত্যা সংঘটিত হবে। এমনকি মানুষ তার দাদা,চাচাতো ভাই, পিতা ও আপন ভাইকে হত্যা করবে। আল্লাহর শপথ! আমি আশংকা করছি যে, না জানি আমি এবং তোমরা তাতে জড়িত হয়ে যাই।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল’আস থেকে বর্ণিত; তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ বলেছেন, অচিরেই আমার উম্মতের মধ্যে এমন ফিতনা আসবে যে, তাতে মানুষ তার পিতা ও ভাই থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। এমনকি মানুষ তার বিপদের ব্যাপারে অপমান বোধ করবে, যেমন ব্যভিচারীনি মহিলা তার ব্যভিচারের অপমান বোধ করে।

হযরত উসামা ইবনে যায়েদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা নবী করীম (ﷺ) সাঃ একটি দুর্গের উপর আরোহন করে (লোকদেরকে) বললেন, আমি যা দেখছি তোমরাও কি তা দেখছ? নিশ্চয় আমি দেখছি যে, তোমাদের গৃহের ফাঁকে ফাঁকে বৃষ্টির ন্যায় ফিতনা পতিত হচ্ছে।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাঃ এরশাদ করেছেন, নিশ্চয় ফিৎনা আল্লাহর শহরগুলোতে এমনভাবে ঘুমন্ত অবস্থায় থাকবে তার লাগামকে সাড়ানো হবে। কারো জন্য তাকে জাগ্রত করা জায়েয হবেনা। ধ্বংস ঐসব ব্যক্তির জন্য যারা তার লাগাম ধরে টানাটানি করবে।
আবুয্ জাহিরিয়্যাহ বলেন, হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযিঃ বলেন, নিঃসন্দেহে তোমরা এ জগতে নানান ধরনের বালা-মসিবত এবং ফিৎনা-ফাসাদই দেখতে পাবে। ধীরে ধীরে মানুষের যাবতীয় অবস্থা কঠিনই হতে থাকবে।

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস রাযিঃ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তোমাদের ওপর ফিৎনা-ফাসাদ, অব্যাহত থাকবে এবং মোয়ামালা ধীরে ধীরে আরো কঠিন আকার ধারন করবে। যখন কোনো রাষ্ট্রপ্রধান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষে দেশ পরিচালনা করে না এবং রাষ্ট্রনায়কগণ আল্লাহ তাআলার এবাদত করেনা তখন তোমরা আল্লাহ তাআলা অসন্তুষ্ট হওয়াকে খুবই ভয় কর। কেননা, আল্লাহ তাআলা অসন্তুষ্ট হওয়া মানুষের অসন্তুষ্ট হওয়া থেকে মারাত্মক।

আবু ইদরীস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি, আবু সালেহ এবং আবু মুসলিম একসাথে ছিলাম। তারা দুইজনের একজন অপরকে বলল, তোমরা কি কোনো বিষয়ের ভয় করছ? তারা বলল, আমরা মানুষের লোভ সম্বন্ধে শংকিত। অতঃপর আমি বললাম, এমন লোভ একমাত্র আখেরী যামানার মানুষের মাঝে প্রকাশ পাবে।
উত্তরে তারা বলল, তুমি ঠিকই বলেছ, কেউ লোভবিহীন কখনো ছিনতাই ডাকাতী করতে পারেনা এবং মানুষ সবচেয়ে বেশি ছিনতাই ইত্যাদির সম্মুখিন হবে একমাত্র ইসলামের ক্ষেত্রে। নিঃসন্দেহে যাবতীয় ফিৎনা ফাসাদ ইসলামের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে এবং উক্ত ফিৎনা আখেরী যামানাতেই ব্যাপক আকার ধারন করবে।

হযরত ওবাইদুল্লাহ ইবনে আবু জাফর রহঃ বলেন, যখন আল্লাহ তাআলা হযরত মুসা আঃ এর কাছে উম্মাতে মুহাম্মাদিয়ার মর্যাদা সম্বন্ধে আলোচনা করলেন তখন হযরত মুসা আঃ উম্মাতে মুহাম্মাদিয়ার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য আবেদন করলেন। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, হে মুসা! উক্ত ওম্মতের মাঝে আখেরী যুগে অনেক ধরনের বালা মসিবত প্রকাশ পাবে। একথা শুনে হযরত মুসা আঃ বললেন, হে আল্লাহ! এধরনের বালা মসিবতকালীন কে ধৈর্য্য ধারন করতে পারবে? জবাবে আল্লাহ তাআলা বললেন, ঐ মুহূর্তে যারা ধৈর্য্য ধারন করে ঈমানের উপর অটল থাকবে তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের বালা মসিবত সহজ হয়ে যাবে।

– আল ফিতান: নুয়াইম বিন হাম্মাদ

ওয়ার্ল্ড কাপ ফুটবল প্রতারণা

> কুরআনে মুসলমানদের প্রতি কঠোর হইতে নিষেধ করা হইয়াছে, কিন্তু ফুটবল ক্রিকেট প্রতিপক্ষ মুসলমানদের প্রতি কঠোর করিয়া দেয় এবং স্বপক্ষীয় কাফেরদের প্রতি কোমল করিয়া দেয়। <

পবিত্র কোরআনে বলা হইয়াছে, “মুহাম্মদ আল্লাহ্‌র রাসুল এবং তাঁর সাথীগণ কাফিরদের প্রতি অতীব কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পর দয়াশীল”। -আল কোরআন (৪৮:২৯) আল্লাহ এভাবে মুসলমানদের চরিত্র বর্ণনা করিয়াছেন । তাহারা নিজেদের প্রতি হইবে অত্যন্ত সহানুভূতিশীল এবং কাফেরদের প্রতি সর্বক্ষণ কঠোর মনোভাব পোষণ করিবে । যায়োনিষ্টরা এখন ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করিয়াছে, বিরামহীন বিরতিহীন যুদ্ধ । ব্রিটেন তাহাদের অংশ, ফ্রান্স তাহাদের অংশ, জার্মানী তাহাদের অংশ, ইটালী তাহাদের অংশ । আপনি কি মনে করেন যাহারা ওয়ার্ল্ড কাপ ফুটবল, ওয়ার্ল্ড কাপ ক্রিকেট, অলিম্পিক ইত্যাদি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করিয়াছে, তাহারা শুধুই খেলাধুলা-বিনোদনের পরিকল্পনা করিয়া এগুলো করিয়াছিল ? এগুলোর পেছনে তাহাদের কোন রাজনৈতিক দুরভিসন্ধি ছিল না ? তাহারা চাহিয়াছিল আমাদের বিরুদ্ধে সারাক্ষন যুদ্ধ করিবে আর আমরা সে-সব ভুলিয়া তাহাদেরকে বন্ধুর মতো জড়াইয়া ধরিব ? তাহাদের সেই পরিকল্পনা সফল হইয়াছে । আজ যখন কোনদিন জার্মানীর খেলা থাকে, তখন মুসলমানদের ঘরে ঘরে যেন উৎসবের জোয়ার আসিয়া যায় ! জার্মানী ! জার্মানী !! কি যে তাণ্ডবনৃত্য শুরু হইয়া যায় ! একটা গাধার সমান বুদ্ধিশুদ্ধিও যদি আমাদের থাকিত তবে আমরা তাহাদের পাতানো ফাঁদে এভাবে ধরা পড়িতাম না ।

মূল – আল্লামা ইমরান নজর হোসেন
অনুবাদ – ডাঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

ফিতনার স্থানে যাওয়া নিষেধ

ক্বওমী মাদ্রাসার ছাত্র, দাড়ি-টুপী শোভিত বইমেলায় গিয়ে ধরা, এরপর মুক্তি। সাড়া পৃথিবীতে আলোড়ন, দ্বীনী ভাইদের পোস্টে ফেসবুক গরম। কুরআন হাদীসের আলোকে এই ঘটনার কি অবস্থান? আর ভিকটিমদের দুনিয়াবী লাভ লোকসান কতখানি? লাভ নেই বলাই বাহুল্য। পুলিশের খাতায় নাম থাকলে ভবিষ্যতে উটকো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তখন কেউ বলে না যে ইসলামের মহান আদর্শ ধারণ করার জন্য মজলুম হতে হয়েছে। হ্যাঁ, যদি ইসলামের স্বার্থ থাকত তাহলে মজলুম হলে সান্তনা থাকে। কিন্তু যদি ইসলামের স্বার্থ বা প্রয়োজন না থাকে, তাহলে শুধু শুধু ওসব সেকুলার ফেতনার স্থানে যাওয়ার কি অর্থ হতে পারে। এর চেয়ে ঘুমিয়ে থাকা ভালো ছিল না? ওখানে না গিয়ে ঘুমিয়ে থাকলে সুন্নতের উপর আমল হতো। হাদীসের উপর অক্ষরে অক্ষরে আমল হতো। এমনকি সূরা কাহাফের যুবকদের সদৃশ হতো। ফলে আল্লাহ তাদের উপর রহমত বিস্তার করতেন। যারা বর্তমান যুগকে ‘শেষ যুগ’ হিসেবে সনাক্ত করতে পেরেছেন এবং তাতে প্রত্যাশিত সাড়া দিয়েছেন তারা কখনো ফেতনার স্থানে উপস্থিত হবেন না। তারা দুনিয়ার মানুষের আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হবেন না। ইমাম মাহদী য়ালাইহিস সালাম যিনি শেষ যুগের একজন মডেল তিনিও নিজেকে কোলাহল থেকে দূরে রাখবেন। যেসব মুসলিম মেয়েরা মনে করেন দুনিয়ার বাজারে চাকরী বা পড়াশোনার দ্বারা তারা তাদের মেধা বা যোগ্যতার সাক্ষ্যর রাখবেন তাদের জন্যও এখানে কিছু মেসেজ আছে যদি তা চৈতন্যে আসে।

16708700_1730434793937065_2613559233260581494_n