রমাদ্বান ১৪৩৮ হিজরি

Ramadan 1438

পহেলা রমাদ্বান ১৪৩৮ হি (আনুমানিক ২৭-০৫-১৭ ঈসায়ী) হিসাব করা হয়েছে। 

কাউন্টডাউন করার জন্য এখানে ক্লিক করুন Ramadan Countdown 1438 Hijri

গত কয়েক মাস যাবৎ রাতে যখনই আকাশের চাঁদের দিকে চোখ পড়ত তখনই দেখতাম কখনও চাঁদটা ছোট হচ্ছে, কখনও বড় হচ্ছে। আর ভাবতাম এইভাবে ছোটবড় করতে করতে হয়তো একসময় রমাদ্বানে পৌছে যাব। আলহামদুলিল্লাহ্‌, আর মাত্র দুই মাস পরই রমাদ্বান। সম্ভবত মাত্র ৫৮ দিন। সম্ভবত বলতে হল, কারণ ইসলাম আপনাকে ভবিষ্যতের দিন তারিখের কথা সঠিকভাবে জানার অনুমতি দেয় না। আপনাকে ভবিষ্যতের দিনক্ষণের বিষয়ে আল্লাহ্‌র উপর নির্ভর করতে হবে। এটাই ঈমান। কিন্তু, বদ ইহুদি খ্রিস্টান মুশরিক জোট তথা যায়োনিস্ট এটা মানবে কেন? ভবিষ্যতের দিন তারিখের কাজের পরিকল্পনা তাদের পুর্ব থেকেই থাকে। এজন্য তাদের নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার থাকে যেখানে ১০০ বা ১ হাজার বছরের পরের দিন তারিখও এই মুহূর্তে বসে হিসাব করা সম্ভব। যাহোক, আলহামদুলিল্লাহ্‌, রমাদ্বান দাঁড়িয়ে আছে একটু দূরে। আমাদের সাদরে বরণ করার জন্য। আমাদের গুনাহ মাফের সুযোগ তৈরী করার জন্য। কিন্তু আমরা কি পারব রমাদ্বানের কাছে যেতে? আমাদের পেয়ারা নবী ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম এই দুয়া করতেন – আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফী রযাবা ওয়া শা’বান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদ্বান। “হে আল্লাহ্‌ রযব ও শা’বানে আমাদের বরকত দান করো, এবং আমাদের রমাদ্বান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দাও।”

মার্চ 29, 2017

হাসানা

অমুক ভাই মাশাআল্লাহ্‌ ভালো দ্বীনদার, আবার দুনিয়ার লাইনেও সেরকম প্রতিষ্ঠিত। আহ জামাত গেলে কি মেহমানদারীটাই না করে। এরকম কথা দ্বীনী মহলে শোনা যায়।

চলমান সিস্টেমের কুফরিকে ত্যাগ করে দুনিয়ার লাইনে প্রতিষ্ঠিত হওয়া অসম্ভব। তা যতই তিনি মেহমানদারী ও দ্বীনদারী করুন না কেন। যদি তিনি “ফী দ্দুনিয়া হাসানা”-র ভুল ব্যাখ্যা না করেন।

ইসলামী সমাজের অস্তিত্ব

আজকের মুসলমান ইয়াজুজ মাজুজের সংস্পর্শে থেকে ইসলামী মূল্যবোধ বাঁচিয়ে চলতে চায়। ইয়াজুজ মাজুজ সারা পৃথিবীতে হারাম দিয়ে ভরে ফেলেছে। ফলে মুসলমানরা যখন এই পরিবেশে ইসলাম পালন করতে চায় তখন তৈরী হয় মনস্তাত্ত্বিক সংঘর্ষ। মুসলমানরা বোরকা পড়তে চায়। কিন্তু টেলিভিশন উপস্থাপিকা যখন তাদের প্রশ্নের সম্মুখীন করেন, আজকের যুগে যেখানে নিরাপত্তাকে সর্বপ্রথম অগ্রাধিকার দেয়া হয় তখন আপনি কিভাবে মুখ আড়াল করে চলাচল করতে পারেন। বিশেষ করে ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানে, এবং উন্মুক্ত জনসমাগমে যখন আপনার পরিচয় সনাক্তকরণের প্রয়োজন হয়।

মূলত ব্যাংকের মতো হারাম প্রতিষ্ঠানে মুসলমান নারী পুরুষ কারোই যাওয়ার কথা না। কিন্তু যখন মানুষ হারাম সিস্টেমে ঢুকে পড়ে তখন ইসলামকে কুরবানী দিয়েই ঢুকতে হয়। উন্মুক্ত জনসমাগমে যেমন পরীক্ষার হলে একজন মুসলমান নারী যখন যায় তখন পরিচয় যাচাইয়ের নিয়মকে সে অস্বীকার করতে পারে না। সিসিটিভি থেকে সে মুখ আড়াল করতে পারে না। সিস্টেম তার জন্য আলদা সনাক্তকরণ পদ্ধতি চালু করতে বাধ্য নয়।

হারামের মধ্যে থেকে কিভাবে আপনি ইসলামের আদেশ নিষেধ পালন করবেন? হয় আপনাকে ফেতনা থেকে বের হতে হবে, নয়তো রাসূল (সা) এর আদর্শকে কুরবানী করতে হবে। এখন আমাকে আবার জিজ্ঞাসা করবেন না, কিভাবে এই সমস্যার সমাধান করবেন। আপনি সমাধান খুঁজুন, রাসূল (সা) এর জীবনে। আপনাকে দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করতে হবে। দুই নৌকায় পা দেয়া ইসলামী শরীয়তেও জায়েজ নেই, বাস্তব জ্ঞানেও ঠিক নয়।

ডায়েটে সুপারফুড রাখুন

কয়েকটি সুপারফুড। সামুদ্রিক মাছ, বাদাম, এভোকাডো, কুমড়ার বীচি (জিরার গুড়া ও নারিকেল তেল দিয়ে ভাজা), স্ট্রবেরী, চিয়া সীড (Basil Seed বা তোকমার মতোই একধরনের বীজ), আদা (গরম পানিতে আদা দিয়ে চায়ের মতো বানিয়ে খেতে হবে), শাকসবজি, দারুচিনি, টক দই। স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এ খাবার গুলো প্রাত্যহিক খাওয়া দরকার। এভয়েড সুগার এন্ড গ্রেন। যতদূর সম্ভব। ভাত রুটি কম খেতে হবে, চিনি বাদ দিন। সুস্থ ব্যক্তি এবং ডায়বেটিস রোগী উভয়েই। অনুশীলনেই অভ্যস্ত।

সোলজারস অব দাজ্জাল

যখন দাজ্জাল বের হবে তখন তৎকালীন প্রথাগত আলেমরা তাকে সমর্থন দিবে। ডূ ইউ বিলিভ? পারহেপস, ইউ ডু নট। ঠিক যেভাবে তারা বর্তমানে গণতন্ত্রকে সমর্থন দিয়েছে, কাগজের মুদ্রাকে সমর্থন দিয়েছে, ইলেকট্রনিক মানিকে সমর্থন দিতে যাচ্ছে। বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহকে যারা নিষিদ্ধ করেছে তাদের সমর্থন দিচ্ছে। আল্লাহ্‌ যা হালাল করেছেন তাকে হারাম করা হচ্ছে, এবং আল্লাহ্‌ যা হারাম করেছেন তাকে হালাল সার্টিফিকেট দেয়া হচ্ছে। যেভাবে ইহুদী রাব্বিরা করত। এ বিষয়ে রাসূল (সা) এর পরিষ্কার সহি হাদীস আছে। যে তোমরা ইহুদী খ্রিস্টানদের অনুসরণ করবে। — ভবিষ্যতবানী বাস্তবায়িত হয়েছে। দাজ্জাল আসলে পুরোটুকু বাস্তবায়ন হবে। সে হবে ইহুদী যুবক। আর পৃথিবীর সব প্রথাগত বিশেষজ্ঞরা তাকে সমর্থন দিবে।

এক বিষয়ের বিশেষজ্ঞ

প্রথাগত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞ আলেম তাদের বিশেষায়িত জ্ঞানের বাহিরে অন্য কোন কিছু নিয়ে চিন্তা করা দূরের কথা শ্রবণ করতে রাজি নয়। প্রথাগত চিকিৎসককে যদি আপনি ডায়েবেটিক ডায়েটের বদলে কিটোজেনিক ডায়েটের কথা বলেন, আর প্রথাগত আলেমকে যদি আপনি ইয়াজুজ মাজুজের কথা বলেন তারা এ বিষয়ে আর আলোচনা করতে ইচ্ছুক নয়। তাদের ধারণা এসব ফালতু আলোচনা। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বহুবিধ অজ্ঞতাকে প্রমোট করে। একটা নির্দিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি এক চোখের অধিকারী হয়। ওয়ান আইড ম্যান। সিম্বল অব দাজ্জাল। ফলে এখন কুরআনে হাফেজ ব্যক্তি শুধু কুরআনে হাফেজ হয়ে থাকে, কুরআনের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে মাথা ঘামায় না। এভাবে জ্ঞানের বিভিন্ন শাখার মধ্যে ইন্টারকানেকশনগুলোকে কেটে দেয়া হয়।

আরবী তো বাংলার মতোই

অন্ধ ব্যক্তিকে কখনো এক্সিডেন্টে পড়তে দেখেছেন? তারা কিন্তু ঠিকই রাস্তা পার হয়, স্বাভাবিক সব কাজই করে। এক্সিডেন্ট হয় অসতর্ক ব্যক্তিরা। অন্ধরা নয়। কারণ অন্ধরা তাদের লিমিটেশন জানে। এ জন্য তাদের চোখের অভাব কান, স্পর্শ ও বোধের দ্বারা ওভারকাম করে। তারা থাকে অনেক সতর্ক। অনেক সময় তারা নিজেরাও রাস্তা পার হয়, কখনোবা প্রয়োজনে আরেকজনের সাহায্য নেয়।

একইভাবে যে বোবা সে কিন্তু ঠিকই কমিউনিকেট করে। যে বধির সেও তার অক্ষমতাকে জয় করে। যার হাত কাটা পড়েছে সেও পা দিয়ে লিখে পরীক্ষায় পাশ করে।

আরবী না জানার অক্ষমতাও একইভাবে জয় করা সম্ভব। আপনি বলছেন, আপনি আরবী জানেন না। কিন্তু আমি বলব, আপনি আরবী জানেন তবে স্কিল খুব দুর্বল। যদি আপনি রাস্তা পারাপার হওয়া ঐ অন্ধের মতো সতর্ক হোন তাহলে দেখবেন আপনি আরবীর অনেকগুলো শব্দ জানেন। জুমু’য়ার খুৎবা খুব মন দিয়ে শুনুন। দেখুন সেখানে আল্লাহ্‌ শব্দ বলা হয়, মুহাম্মাদ শব্দ বলা হয়, সালাম শব্দ বলা হয়, হামদ শব্দ বলা হয়। এসব শব্দ তো আপনি জানেন। কুরআনে পাবেন, লা তায়লামুন। এরকম শব্দ মন দিয়ে শুনুন। লা মানে না। তা মানে তোমরা, এলেম মানে জ্ঞান। মানে তোমাদের জ্ঞান নাই। আবার তায়মালুন মানে তোমাদের আমল। বুঝে নিবেন, তোমাদের আমল সম্পর্কে আল্লাহ্‌ ভালো জানেন। এভাবে অন্ধ ব্যক্তি যেমন লাঠি দিয়ে দিয়ে চলে, প্রয়োজনে কারো সাহায্য নেয় সেরকমভাবে লাঠি দিয়ে সতর্কভাবে চলতে হবে, কারো সাহায্য নিতে হবে।

পৃথিবীর যেকোন ভাষা শেখার জন্য প্রথমে আধাঘণ্টা সময় ব্যয় করে প্রো-নাউন গুলো আগে শিখে ফেলবেন। আমি তুমি সে তোমরা তারা তাহারা, ইহা, উহা এসব। দেখুন তো এই শব্দগুলো চেনা লাগছে কি না? হুয়া, হুমা, হুম, হিয়া, হুমা, হুন্না, আনতা, আনতুমা, আনতুম, আনতুন্না, আনা, নাহনু, হাযা, যালিকা। এরপর ইয়েস নো কিন্তু এবং। নায়াম, লা, বাল, ওয়া।

এরপর শিখবেন প্রিপোজিশন। উপরে, নীচে, মধ্যে, সামনে, পেছনে। তাহতিহাল আনহার শব্দটা শুনেছেন না? আনহার মানে নহরগুলি। কুরআনে অনেকবারই শুনেছেন নহরগুলি জান্নাতের নীচ দিয়ে প্রবাহিত হবে। কাজেই নীচে মানে তাহতা। আবার ফী শব্দটাও শুনেছেন। ফী মানে মধ্যে। ফী দ্দুনিয়া মানে দুনিয়ার মধ্যে। আর শিখতে হবে হতে এবং পর্যন্ত। From এবং To. মিন এবং ইলা। মিন শাইত্বান মানে শয়তান হতে (আশ্রয় চাই আল্লাহ্‌র কাছে)। ইলাল আখিরাত মানে আখিরাতের দিকে। বয়ানে ইখওয়ানুল কিরাম শব্দটাও শুনেছেন। আমরা জানি ইখওয়ানুল মুসলিমীন মানে মুসলিম ব্রাদারহুড। অর্থাৎ ইখওয়ানুল মানে ব্রাদার, ভাই। ইখওয়ানুল কিরাম মানে সম্মানিত ভাইগণ। কিরাম পাবেন একরামুল মুসলিমীন শব্দে। মানে মুসলমানদের সম্মান। এসব শব্দ তো সবাই ব্যবহার করে।

প্রিপোজিশন শেখা শেষ হলে ভার্ব। দেখুন সাবজেক্ট ভার্ব এগ্রিমেন্ট সব ভাষাতেই আছে। আমি খাই, তুমি খাও, সে খায়। ইংরেজীতে I eat, You eat, He eats. যখন He হলো তখন eats হয়ে গেল। আরবীতেও তাই। এরকম ত্রিশ চল্লিশটা ভার্ব সবসময়ই ইউজ হয়। আর অল্প কয়েকটা নাউন। আর কয়েকটি Adjective শিখতে হবে। বাগানটি সুন্দর। সে ভালো দৌড়ায়। সুন্দর, ভালো, বড় ছোট, ভাঙ্গা, নতুন, পুরনো, ধনী, দরিদ্র, বেশী, কম, সত্যবাদী, মিথ্যাবাদী এসব। আরবীতে জামিল, জায়্যিদ, কাবির, ছাগির, মাকসুর, জাদীদ, কাদীম, গণি, ফকির, কাসীর, কালীল, সাদিক, কাযিব। আর শিখতে হবে জেন্ডার। সুন্দর পুরুষ হলে জামীল, মেয়ে হলে জামিলা। সত্যবাদী পুরুষ হলে সাদিক, সত্যবাদী মেয়ে হলে সাদিকা, ধনী পুরুষ হলো গনী, গরীব পুরুষ ফকীর। গরীব মহিলা ফকীরা।
ভাষা শিক্ষা শেষ।

– এগুলোর বেশীর ভাগই তো সম্ভবত আপনি শুনেছেন। হয়তো সেরকম সতর্কভাবে বা নিয়ম মেনে শুনেন নি।

এরকম সতর্কভাবে শুনলে দেখবেন কুরআনের ২০ – ৩০ ভাগ অর্থ এমনিতেই বা সামান্য চেষ্টাতেই জেনে যাবেন। হাদীসের ভাষা, খুতবার ভাষা আরবীতে হৃদয়ঙ্গম করতে পারবেন। যত বেশী সতর্ক হবেন, ধীরে ধীরে স্কিল বাড়বে। কারো সাহায্য নিবেন। যেভাবে অন্ধরা কারো সাহায্য নেয়। বই, উস্তাদ, ইন্টারনেট। চারিদিকে রিসোর্স ছড়ানো। যে আরবী ভাষা এতো সহজে বুঝতে পারছেন শুধু শুধু আরবী জুমু’য়ার খুৎবা দেয়া চলবে না এরকম আত্মঘাতী মনমানসিকতা কেন? বি পজেটিভ।

আরবী পারেন না বলে যাদের মনে দুঃখ আছে

FM Method এ ইংরেজী শিক্ষার বিভিন্ন সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন অনেকেই। সেখানে দেখানো হয় যে ব্যক্তি ইংরেজী জানে না সে আন্তর্জাতিক বোবা ও কালা। কারণ সে ইংরেজীতে নিজের মনোভাব প্রকাশ করতে পারে না, বুঝেও না। এ বক্তব্যের সাথে সবাই একমত। আজ পর্যন্ত কোনদিন দেখলাম না, সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেউ একজন দাড়িয়ে এর বিরোধিতা করেছেন। কেউ আজ পর্যন্ত ফিরোজ মুকুল স্যারকে বলেন নাই যে, স্যার আমি তো বাংলায় কথা বলতে পারি, আমি তো বাংলা কথা বুঝতে পারি। তাহলে আমি বোবা, কালা হলাম কিভাবে। আসলে কেন বোবা কালা বলা হয়েছে তা কিন্তু মানুষ ঠিকই বুঝে। তাই মানুষ চেষ্টা করে সে যেন FM Method এ ইংরেজী শিখতে পারে।

কিন্তু যখন আরবীর কথা আসে তখন মানুষ নিজেকে বোবা কালা মনে করতে রাজি নয়। সে যে আরবীতে কুরআন বুঝে না, হাদীস বুঝে না, জুমু’য়ার খুৎবা এমনকি নিজের বিয়ের খুতবাও বুঝে না তাতে তার মনে বোবা কালা হওয়ার মতো অনুভূতি সৃষ্টি হয় না। একজন বোবা কালা তথা প্রতিবন্ধি ব্যক্তি সাধারণত সবসময়ই একটা ইনফেরিওর কমপ্লেক্সিটিতে ভোগে। কিন্তু আরবী না জানার দরুন সে ধরনের হীনমন্যতা তৈরী হয় না। ইনফেরিওর কমপ্লেক্সিটি বা হীনমন্যতা খারাপ অর্থে বুঝানো হয়নি। বরং এই হীনমন্যতার কারণেই সে নিজের অবস্থা পরিবর্তনে নিরলস চেষ্টা করে যায়। যেমন ইংরেজী জানে না বলে যখন তার ভেতর হীনমন্যতা তৈরী হয় তখন সে চেষ্টা করে, ইংরেজী শেখার জন্য পরিশ্রম করে। সময় ও অর্থ ব্যয় করে। FM Method এ যায়, S@ifurs এ যায়, S M Zakir Hussain এর বই কিনে। যেন বোবা কালা হওয়ার অপবাদ দূর করা যায়। সে কিন্তু BBC, CNN কে বলে না, তোমরা সবাই বাংলা কথা বলো যাতে আমি বুঝতে পারি। বরং সে নিজেই ইংরেজী শেখার চেষ্টা করে। এগুলো মানুষের সাইকোলজি।

আরবীর না জানার জন্য যদি কারও মনের ভেতর এই হীনমন্যতা তৈরী হয় এটা হবে তার জন্য আশীর্বাদ। তখন সে বাংলায় খুৎবা দেয়ার জন্য হৈ চৈ করবে না, বা কুরআনের বা হাদীসের বঙ্গানুবাদ হাতে নিয়ে হামবড়া দেখাবে না। সে শিখতে সচেষ্ট হবে। তার ইনফেরিওর কমপ্লেক্সিটি আল্লাহ্‌ পছন্দ করবেন। তখন আল্লাহ্‌ তার প্রতি দয়ার্দ্র হবেন। তার জন্য আরবীর পথ সুগম করবেন।

মন্তব্যসহ

বিস্তারিত পড়ুন