EMERGENCY MESSAGE The Malhama / Armageddon / Nuclear War is near

EMERGENCY MESSAGE
The Malhama/Armageddon/Nuclear War is near. Please prepare yourself. I know studying Akhir Zaman is important. But please prepare yourself. This is would be the first part of the hardest trials, many still to come. To continue, for the next trials, and to preserve the truth, you must survive the Malhama.Nuke-Blast
Gate for war:
– Shutting off diplomatic ties, US done that. No more Russian diplomatic channel in the US, and no more front and back door channel.
– Building up military at enemy border, US done that using Iranian, Crimean and North Korean pretext. Hoarding troops at Russian and Chinese border.
– Shutting off information from other continents, US done that, RT and Sputnik purge, also CNN taking control the opinion of US vassal states worldwide, by establishing local outlet.
– Economic sanctions, US done that.
– Nuclear weapons initiation, US and Russia done that.
– Citizens surveillance, US done that, by controlling social media. FB, Youtube, Google, etc, are complying with US DHS.
– State of Emergency, UK, Europe, US are on it, using the cause of terror attack.
– Thucydides Trap, forcing alliances, US done that with revolution all over the world, despite most is failing.
– The brinkmanship, US done that by creating Kurdistan in northern Iraq and attempt to do the same in northern Syria.
– Causus bellum, pretext to war Russia, is ongoing, the Russian meddling on democracy.
– Nuclear war drills, both Russia and US done that.
Western economic collapse will be outdone by war. We’ll never see the collapse, because they will force war in order for the people to accept collapse/default. The petrodollar is being buried as we speak. Russia and China are hoarding gold to survive collapse.
For now, I will not answer or discuss about the knowledge or Akhir Zaman or such on Islam. Rather to provide you update of evolving events, which I think will unfold in fast manner, one after the other.
Please, understand the clear and presence danger, avoid the beaches, get out of North America and Europe. Head to the mountain. Stock up food, water, warm clothes, and some gold/money.

Writer: Angkoso Nugroho / Novaya Zemlya

Advertisements

যে কোনো একটি সুসংগঠিত দলকে যদি হ্যাক করতে হয়, তবে তার প্রত্যেক সদস্যকে কন্ট্রোল করার দরকার হয় না। শুধু শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজনকে হ্যাক করলেই হয়ে যায়। ঐ শীর্ষ কয়েকজন, যারা সিদ্ধান্ত নেয়, দলের বা সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ করে। এটাকে বলা যায় Infiltration বা অনুপ্রবেশ। এটা কীভাবে করা যায় তা’ জানার দরকার নেই। এটা যারা করে, তারা জানলেই চলবে। আমার আপনার তা’ প্রয়োজন নেই। এটা যখন করা হয়, তখন দলের সাধারণ সদস্যরা জানতেই পারে না। নিঃশব্দে অগোচরে কাজ হয়ে যায়। চলতে থাকে। এ রকম ঘটনা সব সময়ই হয়। নিরন্তর। সাধারণ মানুষ জানতেই পারে না। ইতিহাসে আমার জানা মতে নিঃশব্দে অগোচরে সব চাইতে বড় প্রতিষ্ঠান যেটি হ্যাকড্ বা বেদখল হয়ে গেছে Roman Catholicism বা রোমান ক্যাথলিক খৃষ্টান সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব। এটা Jesuits-রা দখল করে নিয়েছে। মানে, শয়তানের উপাসকরা। ক্যাথলিক জনসাধারণ দীর্ঘ অনেক যুগ পর একটু একটু জানতে পারছে। তবে এখনও অনেকেই জানে না। আমি শুধু একটি উদাহরণ দিলাম। এরকম প্রত্যেক দেশেই হয়। আমাদের বাংলাদেশেও। সেটা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান হতে পারে। রাজনৈতিক দল হতে পারে। কিংবা সামাজিক প্রতিষ্ঠান। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও হয়, তবে এক্ষেত্রে হাতবদল হলে তা’ মানুষ মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পারে। অর্থাৎ সামাজিক, রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে হ্যাকিং হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা নিঃশব্দে অগোচরেই হয়ে যায় এবং প্রতিষ্ঠানের ঘোষিত এজেন্ডার বিপরীত এজেন্ডা বাস্তবায়ন চলে। 
কী বুঝলেন??? 😀

লিখেছেনঃ Ashraf Mahmud

আগামী দুই তিন বছরের মধ্যে ইমাম মাহদীর আবির্ভাবের সম্ভাবনা আছে

আগামী  দুই  তিন  বছরের  মধ্যে  ইমাম  মাহদীর  আবির্ভাবের  সম্ভাবনা  আছে-

ইমাম  আল  মাহদীর  আগমণী  সংবাদের  একটি  বিস্ময়কর  কিতাব  হইল  কিতাব  আল  ফিতান,  নুয়াইম  বিন  হাম্মাদের ।  তাহাতে  তোবাই  (রহঃ)  বর্ণনা  করেন  যে,  ভবিষ্যতে  বায়তুল্লায় (অর্থাৎ  কাবা  শরীফে)  আশ্রয়  নিবেন  একজন  আশ্রয়  প্রার্থী ।  সে  নিহত  হইবে ।  তারপর  প্রায়  তেত্রিশ  বছর  কাটিয়া  যাইবে ।  তারপর  আরেক  আশ্রয়প্রার্থী  কাবা  শরীফে  আশ্রয়  গ্রহন  করিবে ।  তুমি  যদি  তাহাকে  পাইয়া  যাও  তবে  তাহার  বিরুদ্ধে  যুদ্ধ  করিও  না ।  কেননা  যে  তাহার  বিরুদ্ধে  যুদ্ধ  করিবে,  সে  মাটির  নীচে  তলাইয়া  যাইবে ।  ১৯৭৯  সালের  কথা  আমরা  জানি,  সেই  বছর  এক  তরুণের  নেতৃত্বে  অনেক  লোক  কাবা  শরীফে  আশ্রয়  নিয়াছিল ।  পনের  দিন  ব্যাপী  অনেক  যুদ্ধ  হইয়াছিল,  অনেক  মানুষ  নিহত  হইয়াছিল ।  পরে  তাহারাও  নিহত  হইয়াছিল ।  হযরত  আবদুল্লাহ  ইবনে  আব্বাস (রাঃ)  বলিয়াছেন  যে,  হাদীসে  ব্যবহৃত  “বোরয়াহ”  শব্দের  অর্থ  কম-বেশী  তেত্রিশ  বছর ।   সেই  ১৯৭৯  সালের  পরে  এখন  ২০১৭  সাল ।  এখন  তেত্রিশ  থেকে  চল্লিশ  বছরের  মধ্যে  আর  কেউ  কাবা  শরীফে  আশ্রয়  নেন  নাই ।  কিন্তু  সময়  ঘনাইয়া  আসিয়াছে ।  ১৯৭৯  সাল  থেকে  হিসাব  করিলে  আগামী  দুই  তিন  বছরের  মধ্যে  এই  ঘটনা  ঘটিতে  পারে  বলিয়া  এই  হাদীস  থেকে  বুঝা  যায় ।  কিতাবুল  ফিতানের  ৯৩৫  নাম্বার  হাদীস  এটি,  তোবাই  বর্ণিত ।  এইগুলি  সাহাবায়ে  কেরাম  এবং  তাবেঈনদের  আছার,  হাদীসে  মওকুফ,  হাদীসে  মকতুহ ।  কিন্তু  এইগুলো  গায়েবের  সংবাদ  হিসাবে  কোন  না  কোন  ভাবে  তাহারা  রাসুলুল্লাহ (সাঃ)  এর  নিকট  থেকে  শুনেছেন  বলেই  বর্ণনা  করিয়াছেন ।  ইমাম  মাহদীর  আগমণের  একটি  প্রধান  আলামত  হইল,  তাহার  বিরুদ্ধে  যুদ্ধ  করতে  আসা  একটি  বিশাল  বাহিনী  ৭০  হাজার  সৈন্যবিশিষ্ট  আধুনিক  মারণাস্ত্রে  সজ্জিত  একটি  বিশাল  বাহিনীকে  মক্কা  এবং  মদীনার  মধ্যবর্তী  বাইদাহ  ময়দানে  মাটি  গ্রাস  করিয়া  নিবে ।  আল্লাহ  তাহাদেরকে  মাটির  নীচে  তলাইয়া  দিবেন ।  এই  ঘটনা  যখন  জানাজানি  হইবে  তখন  সিরিয়ার  মুসলমানগণ  ইমাম  মাহদীর  দলে  যোগদান  করিবেন,  ইরাকের  ওলি  আউলিয়াগণ  ইমাম  মাহদীর  হাতে  হাত  দিয়া  আনুগত্যের  শপথ  নিবেন ।  তখন  সারা  দুনিয়ায়  ইমাম  মাহদীর  আবির্ভাবের  কথা  ছড়াইয়া  পড়িবে ।  ইমাম  মাহদী  যখন  আগমণ  করিবেন  তখন  সারা  দুনিয়ায়  যোগ্যতাসম্পন্ন  কোন  নেতা  থাকিবেন  না ।  কোটি  কোটি  মানুষ  যাহার  কথায়  উঠাবসা  করে  এমন  যোগ্যতাসম্পন্ন  কোন  নেতাই  তখন  পৃথিবীতে  থাকিবে  না ।  আল্লাহ  তায়ালা  সমগ্র  মানবজাতির  অন্তরে  ইমাম  মাহদীর  প্রতি  ভালবাসা  ঢালিয়া  দিবেন ।  মানুষ  ইমাম  মাহদীকে  ছাড়া  আর  কিছুই  বুঝিবে  না ।
-অধ্যাপক  মুফতী  কাজী  ইব্রাহিম

ইমাম আল মাহাদীর আগমনের সংকেত! BY Mufti Kazi Ibrahim _ 25-08 – 2017  লেকচারের  অনুলিখনJesus-appears-to-the-disciples

বিজ্ঞানীদের  মতে,  আগামী  চার  থেকে  পাঁচ  বছরের  মধ্যে  সূর্য  পশ্চিম  দিক  থেকে  উদয়  হওয়া  শুরু  হবে ।  আর  পশ্চিম  দিক  থেকে  সূর্য  উঠা  শুরু  হইলে  পৃথিবীর  অনেক  কিছুই  ধ্বংস  হয়ে  যাবে ।  বিমান  যোগাযোগ,  মোবাইল,  ইন্টারনেট  ইত্যাদি  অনেক  কিছু  বন্ধ  হয়ে  যাবে ।  এই  ভয়াবহ  ঘটনা  দেখে  সমস্ত  কাফেররাই  মুসলমান  হয়ে  যাবে ।   কিন্তু  রাসুলুল্লাহ  (সাঃ)  বলেছেন,  সূর্য  পশ্চিম  দিক  থেকে  উঠার  পরে  কেউ  ঈমান  আনলে  সেটা  আল্লাহর  নিকট  গ্রহনযোগ্য  হবে  না ।  তেমনিভাবে  বলা  যায়,  যারা  পূর্বে  ঈমান  এনেছেন  কিন্তু  নামাজ,  রোজা,  হজ্জ,  যাকাত  ইত্যাদি  আমল  করেন  নাই,  তখন  এসব  আমল  শুরু  করলে  তা  আল্লাহর  নিকট  গ্রহনযোগ্য  হবে  না ।  কাজেই  এখনই  আমাদের  তওবাহ  করে  পুরোপুরিভাবে  আল্লাহর  আদেশ-নিষেধ  মেনে  জীবন  যাপন  শুরু  করা  উচিত । -অধ্যাপক  মুফতী  কাজী  ইব্রাহীম

প্রতিটি  আকাশচুম্বী  সুউচ্চ  অট্টালিকা  কিয়ামতের  মহাবিপদসংকেত  ঘোষণা  করিতেছে –

ঈমান  আনিবেন  না ?  ঈমান  কিভাবে  আনাইতে  হয়  আল্লাহ  জানেন !  ইহুদীকে  কিভাবে  মুসলমান  বানাইতে  হয়  আল্লাহ  জানেন ।  খ্রিষ্টানকে  কিভাবে  ঈমানদার  বানাতে  হয়  আল্লাহ  ভালোভাবে  জানেন ।  বেৌদ্ধ,  নাস্তিককে  কিভাবে  আস্তিক  বানাইতে  হয়  আল্লাহ  জানেন  কি  জানেন  না ?  ইমাম  মাহদী (আঃ)  আমার  মতো  এই  ছোট্ট  লাঠি  নিয়া  আসিবেন  না ।  সহিহ  হাদিস  আছে,  ‍‍”ইমাম  মাহদী  আসিবেন  না  সূর্যের  সাথে  সম্পর্কিত  মহাজাগতিক  ভয়ঙ্কর  নিদর্শন  ছাড়া” ।  সেটা  নিয়ে  আসিবেন,  সব  ঠান্ডা  হইয়া  যাইবে ।  সেটা  সূর্যের  পশ্চিম  দিক  থেকে  উদিত  হওয়ার  এই  ভয়াবহ  বিজ্ঞান  প্রযুক্তি  ধ্বংসকারী  বিপর্যয়  হইতে  পারে ।  ইমাম  মাহদীর (আঃ)  আত্মপ্রকাশের  এই  আটটি  ঘটনা  একেবারে  কাছাকাছি  হইবে ।  বিশেষ  বিশেষ  স্কলাররা  আশা  করিতেছেন  সেটা  ২০১৯  থেকে  ২০২৪  সালের  মধ্যে  ঘটিতে  পারে ।  নাও  ঘটিতে  পারে,  তবে  জোরালো  সম্ভাবনা   আছে  ঘটিতে  পারে,  জোরালো  সম্ভাবনা,  পরেও  ঘটিতে  পারে ।  কারণ  এটা  এলমে  তাকরির,  কাছাকাছি  সময়ে  পেৌছানোঁর  জ্ঞান,  সুনির্দিষ্ট  সময়ে  পেৌছাঁনোর  জ্ঞান  নয় ।  সুনির্দিষ্ট  সময়ে  পেৌছাঁর  জ্ঞান  আছে  একমাত্র  আল্লাহ  তায়ালার  কাছে ।  এই  পুরো  ঢাকা  নগরী  একটি  কেয়ামতের  আলামত ।  প্রতিটি  রাষ্ট্রের  রাজধানী  শহরগুলো  এক  একটি  কেয়ামতের  আলামত ।  (আরব  জাতি)  যাদের  পায়ে  এক  সময়  জুতা  ছিল  না,  শরীরে  পোষাক  ছিল  না,  ঘরে  খাওয়ার  মতো  খাদ্য  ছিল  না,  ছাগল-ভেড়া  চড়াইত,  তাহাদেরকে  দেখিবে  আকাশচুম্বী  সুউচ্চ  টাওয়ার  নির্মাণের  প্রতিযোগিতায়  মাতিয়া  উঠিবে ।

প্রত্যেকটা  চারতলা,  পাঁচতলা,  দশ,  বিশ,  পঞ্চাশ,  একশ,  দেড়শতলা  বিল্ডিংগুলি  কেয়ামতের  দশ  নাম্বার  মহাবিপদ  সংকেত  ঘোষণা  করিতেছে ।  যে  শুনিবার  সে  শুনে  আর  যে  বধির  সে  শুনিবে  কিভাবে ?  রাসুলুল্লাহ (সাঃ)  বলিয়াছেন,  পৃথিবীর  পূর্ব  দিকে,  পশ্চিম  দিকে  এবং  আরব  অঞ্চলের  বিরাট  এলাকা  মাটির  নিচে  চলিয়া  যাইবে ।  আমাদের  বাংলাদেশ,  ভারত,  ইন্দোনেশিয়া,  মালয়েশিয়া  এমন  বিরাট  এলাকা  মাটির  নীচে  তলাইয়া  যাইবে ।  এই  ধরনের  শাস্তি  সাধারণত  হইয়া  থাকে  যেৌন  অপরাধের  কারণে,  জিনা  ব্যভিচার  বৃদ্ধি  পাইলে ।  দশটি  মহাজাগতিক  দুর্ঘটনা  নিয়া  ইমাম  মাহদীরা  আসিবেন ।  সে  সব  বিপর্যয়ে  পড়িয়া  সমস্ত  শক্তিশালীরা  ধ্বংস  হইয়া  যাইবে ।  বিজ্ঞানীরা  দেখিয়াছেন,  পৃথিবীর  চাইতে  সাতগুণ  বড়  একটি  গ্রহ  পৃথিবীর  দিকে  ছুটিয়া  আসিতেছে ।  আগামী  তিন  চার  পাঁচ  বছরের  মধ্যে  ঘণ্টায়  দুই  তিন  লক্ষ  মাইল  বেগে  ছুটিয়া  আসিয়া  পৃথিবীর  বায়ুমণ্ডলে  ঢুকিয়া  ধাক্কা  দিবে ।  ধাক্কার  চোটে  পৃথিবী  থামিয়া  গিয়া  উল্টা  দিকে  ঘুরিতে  থাকিবে ।  তখন  থেকে  সূর্য  পশ্চিম  দিক  থেকে  উদিত  হইবে । সারা  দুনিয়া  ধোঁয়ায়  অন্ধকার  হইয়া  থাকিবে  চল্লিশ  দিন,  নিঃশ্বাস  নিতে  পারিবেন  না ।  সেইগুলি  পৃথিবীর  সাধারণ  ধোয়াঁ  হইবে  না,  বরং  হইবে  মহাজাগতিক  বিষাক্ত  ধোয়াঁ ।  কোরআন  বলিতেছে,  সেই  বিষাক্ত  ধোয়াঁ  খাইয়া  খাট্টা  নাস্তিকরা  পর্যন্ত  ঈমানদার  হইয়া  যাইবে ।  পবিত্র  কোরআনে  একটি  আস্ত  সুরাই  আছে  ধোঁয়া  নামে  “সুরা  দোখান” । ‍“তাহা  হইবে  ভীষণ  যন্ত্রণাদায়ক  শাস্তি” ।  সেই  ধোঁয়া  খাইয়া  এশিয়া  বলিবে  “আল্লাহ  বাঁচাও” ।  ইউরোপ  বলিবে  “আল্লাহ  বাঁচাও” ।  আমেরিকা  বলিবে  “আল্লাহ  বাঁচাও” ।  অস্ট্রেলিয়া  বলিবে  “আল্লাহ  বাঁচাও” ।  ইমাম  মাহদী (আঃ) কে  মানিবে  না !  ঈশা  (আঃ) কে  মানিবে  না !  কিভাবে  মানাইতে  হয়  আল্লাহ  জানেন ।  আল্লাহ  বলিবেন,  আমাকে  স্মরণ  করিবার  জন্য  তোমাদেরকে  সৃষ্টি  করিয়াছিলাম ।  কেন  আমাকে  ভুলিয়া  গেলে ?  এই  টেলিভিশনের  মায়া  এতো  সহজে  ছুটিবে  না ।  এজন্য  মাইর  খাওয়া  লাগিবে,  কঠিন  মাইর ।  তাই  একে  একে  দশটি  ভয়াবহ  মাইর  আসিতেছে । সুতরাং  এখন  থেকে  প্রতিটি  ঘরে  ঘরে  কেয়ামতের  এই  আলামতগুলি  নিয়া  আলোচনা  হওয়া  উচিত ।  ইমাম  মাহদী (আঃ),  হযরত  ঈশা (আঃ) এর  নেতৃত্বে  পৃথিবীতে  যেই  সোনালী  যুগ  আসিতেছে,  সেই  যুগ  যাহাতে  দেখিতে  পারি,  আল্লাহ  আমাদেরকে  তেৌফিক  দান  করুন,  আমিন ।

-অধ্যাপক  মুফতী  কাজী  ইব্রাহীম

কেয়ামত সম্পর্কে ভয়ংকর তথ্য দিলেন ,কাজী ইব্রাহীম He gave horrific information  লেকচারের  অনুলিখন
সামনে  ভয়াবহ  ভূমিকম্পের  সিরিজের  পর  সিরিজ  আরম্ভ  করা  হবে ।  সারা  পৃথিবীতে  একটা  বিল্ডিংও  পাওয়া  যাবে  না  বসবাসের  জন্য ।  বিল্ডিং  দেখলেই  মানুষ  ভয়ে  পালাবে,  না  জানি  আমার  উপরই  ভেঙ্গে  পড়ে  কিনা ।  আর  যদি  বিল্ডিংয়ে  থাকেন  তবে  সেটাই  হবে  আপনার  গোরস্তান ।  যেমন  নেপালে  যারা  বিল্ডিং  বানিয়েছিলেন,  বিল্ডিংটাই  এখন  তাদের  কবরস্থান  হয়েছে ।  এখন  ঘরবাড়ি  বানাইলে  মাটির  নীচে  বানাবেন ।  মাটির  নীচে  বানাইলে  হয়ত  একটু  বেঁচে  যেতে  পারেন ।  পৃথিবীতে  যে  এটমিক  যুদ্ধের  কথা  এখন  শোনা  যাইতেছে,  তাতে  মাটির  উপর  যা  থাকবে  সব  উড়িয়ে  নিয়ে  যাবে ।  নবীজির (সাঃ)  একটি  হাদিস  আছে,  “কেয়ামতের  আগে  তোমাদের  জন্য  মাটির  উপরের  চাইতে  মাটির  নীচের  অংশ  বেশী  ভালো  হবে” ।  কেয়ামতের  আগে  ঘরবাড়ি  প্লাস্টিক  দিয়ে  বানান  যাতে  ভূমিকম্পে  ভেঙ্গে  পড়লে  আপনার  কোন  ক্ষতি  না  হয় ।  আর  না  হয়  মাটির  নীচে  একতলা  দুইতলা  একটু  মজবুত  করে  বানান  যাতে  গোরস্থান  না  হয় ।  -অধ্যাপক  মুফতী  কাজী  ইব্রাহীম

যাদের  কাছে  দান  খয়রাত  করার  মতো  ধন-সম্পদ  আছে,  তাদের  উচিত  সেগুলো  তাড়াতাড়ি  দান  করে  ফেলা ।  কেননা  (শীঘ্রই) ইমাম  মাহদী  আসিতেছেন ।  তাঁহার  আমলে  পৃথিবীতে  কোনো  গরীব  মানুষ  থাকবে  না ।  তখন  আপনি  ইচ্ছে  করলেও  আপনার  ধন-সম্পদ  দান  করে  সওয়াব  অর্জনের  সুযোগ  পাবেন  না ।  এজন্য  নবীজি (সাঃ) বলেছেন, তখন একটি সিজদাকে সারা দুনিয়ার (সকল ধন  সম্পদ দান  করিয়া  দেওয়ার)  চাইতেও  বেশী  মূল্যবান  মনে  করা  হবে । -অধ্যাপক  মুফতী  কাজী  ইব্রাহীম

আমাকে  আমার  ছোট  ভাই  ইউসুফ  বলেছে,  তার  এক  বন্ধু  যে  মদীনা  ইউনিভার্সিটিতে  তার  সাথে  আরবী  সাহিত্য  নিয়ে  পড়াশোনা  করত ।  সে  হাফেজ্জী  হুজুরের (রহঃ)  খুব  ঘনিষ্ট  লোক  ছিল ।  সে  একবার  স্বপ্নে  দেখলো  যে,  হাফেজ্জী  হুজুর  স্বপ্নে  এসে  তাকে  বলছেন  যে  ২০১৯  সালে  ইমাম  মাহদীর (আঃ)  বয়স  চল্লিশ  হবে (অর্থাৎ  তাঁর  আত্মপ্রকাশের  সময়  হবে) ।  তো  আমার  ছোট  ভাই  আমাকে  এই  স্বপ্নের  ব্যাখ্যা  জিজ্ঞাসা  করলেন ।  আমি  বললাম,  এই  স্বপ্ন  তো  তার  একার  নয়,  পৃথিবীর  দুইশ  কোটি  মুসলমানই  এখন  এই  ধরনের  স্বপ্ন  দেখতেছে ।  আপনারা  হয়ত  এই  জগত  নিয়া  ভাবেন  না,  স্টাডি  করেন  না ।  কিন্তু  আমার  এমন  কোনো  দিন  যায়  না  যেদিন  আমি  এই  জগতে  প্রবেশ  করি  না ।  বিশেষ  করে  সারাবিশ্বের  স্কলারদের  সাথে  আমাদের  জ্ঞান  বিনিময়  হয়  নেটের  মাধ্যমে,  ঈশা  মাসিহ (আঃ)  এবং  ইমাম  মাহদী (আঃ)  সম্পর্কে ।  বিশ্বের  স্কলাররা  বলছেন  ২০২৪  সালের  মধ্যে  এমন  কিছু  ঘটে  যাবে,  দুয়েক  বছর  আগে  পরে  হতে  পারে ।  সুনির্দিষ্ট  তারিখ  একমাত্র  আল্লাহ  বলতে  পারবেন  কিন্তু  এটা  জানবেন  যে  আর  সময়  নাই,  একেবারে  হাতে  কাছে  এসে  পড়েছে ।-অধ্যাপক  মুফতী  কাজী  ইব্রাহীম

উম্মতে  মোহাম্মদীর  এখন  মাগরিবের  টাইম  অর্থাৎ  যাওয়ার  টাইম  বিদায়ের  টাইম ।  এই  বিদায়ের  টাইমে  এখন  অনেক  বিপর্যয়  আসবে ।  বিশ্বের  মানুষকে  এখন  আসমানী  মাইর  দিয়ে  হেদায়েতের  দিকে  টানা  হবে ।  আসমানী  মাইর  না  দিলে  কিয়ামতের  আগের  এই  এতো  চালাক  জাতি  এতো  প্রযুক্তিওয়ালা  জাতি  এতো  মোবাইল  এতো  এন্ড্রয়েড  সেট  এতো  আইপ্যাড  এতো  কমপিউটার  এতো  ল্যাপটপ  এতো  হ্যালিকপ্টার  এতো  বিএমডব্লিউ  এতো  জিপিএস  এতো  ফেসবুক  এতো  ইন্টারনেট  এতো  ক্ষমতা  এতো  বিমান  জেট  ফাইটার  রকেট,  এই  রকম  একটা  জাতিকে  এখন  কি  রকম  মাইর  যে  মারতে  হবে  হেদায়েতের  পথে  আনতে  হলে,  কোনো  মানবিক  মাইরে  এই  জাতি  সুপথে  আসবে  না ।  এজন্য  আকাশের  মাইর  এক্কেবারে  রেডি  টুয়েন্টি  ফোর  আওয়ার্স,  মাইরটা  এখন  ছায়ার  মতো  মেঘের  আছে  এসে  দাড়িয়েঁ  আছে ।  আমাকে  আজকে  একজন  বললেন  একটি  স্বপ্ন ,  তার  যতগুলো  স্বপ্ন  আমি  ব্যাখা  করেছি  একটাও  মিথ্যা  প্রমাণিত  হয়নি ।  সে  বলছে,  আমি  দেখলাম  আকাশের  কোটি  কোটি  তারা  থেকে  কোটি  কোটি  শেলের  (ক্ষেপনাস্ত্র)  মতো  গোলাবর্ষণ  শুরু  হয়েছে ।  বিরাট  বিরাট  শেল  কোটি  কোটি  তারা  থেকে  পড়তেছে  সামনে  পেছনে  ডানে  বামে ।  যেই  শেল  কারো  মাথায়  পড়ে  সে  সাথে  সাথেই  ওখানেই  মারা  যাচ্ছে ।  পালাবার  কোনো  রাস্তা  নাই,  সব  মানুষ  রাস্তায়  দেৌড়াচ্ছে  দেৌড়াচ্ছে  আর  দেৌড়াচ্ছে ।  লাশের  পর  লাশে  চারদিক  ভরে  যাচ্ছে ।  এটা  একজন  ঈমানদার  আল্লাহয়ালা  লোকের  তিন  দিন  আগে  দেখা  স্বপ্ন ।  কেয়ামতের  আগে  মোমিনদের  স্বপ্ন  সহজে  মিথ্যা  প্রমাণিত  হবে  না  বলে  রাসুলাল্লাহ (সাঃ)  ভবিষ্যতবাণী  করে  গেছেন ।  উনি  যখন  স্বপ্নটি  আমাকে  বললেন  আমি  বললাম,  হ্যাঁ  তোমার  স্বপ্ন  আর  আমি  যখন  হাদীসের  জানালা  দিয়ে  তাকাই  এই  সমাজের  দিকে  তখন  সব  মিলে  যায় ।  ইমরান  ইবনে  হোসাইন (রাঃ)  বর্ণিত  হাদীসে  কেয়ামতের  আগে  আকাশ  থেকে  পাথর  বর্ষণের  ভবিষ্যতবাণী  করা  হয়েছে । এটা  কিন্তু  হয়ে  যাবে,  বেশী  দেরী  নাই (০৬-০১-২০১৮)। -অধ্যাপক  মুফতি  কাজী  ইব্রাহীম

কিয়ামতের বৈজ্ঞানিক তথ্য (kazi ibrahim) লেকচারের  শ্রুতিলিখন

বাবারে,  রাজনীতি  পরে  কইরো ।  এখন  ঘরনীতি  করো,  প্রজানীতি  করো ।  এখন  মুসলমানদের  লাফালাফি  করার  সময়  না,  বরং  যে  যেখানে  যেভাবে  পারেন  কোনো  মতে  জীবনটা  বাঁচান ।  এখন  মুসলমানদের  শুধু  বেঁচে  থাকাটাই  কর্তব্য ।  রাজা  হয়ার  আশা  করে  কোনো  লাভ  নাই,  রাজা  তোমরা  হইতে  পারবে  না ।  এই  যুগে  ইমাম  মাহদীর  আগে  ইসলামী  রাষ্ট্রের  খলিফা  আর  কেউ  হইতে  পারবা  না । এই  ক্ষমতা  কারো  হবে  না ।  তাই  বলে  ইসলামের  এই  কথাগুলো  কি  বলতে  হবে  না ?  অবশ্যই  বলবেন,  যে  যেখানে  আছেন  আল্লাহ  যাকে  তেৌফিক  দিয়েছেন  অবশ্যই  বলবেন,  আমি  বলি ।  তবে  এই  যুগ  সম্পর্কে  আল্লাহর  নবীর (সাঃ)  একটা  নির্দেশ  আছে ।  একটা  শহরে  যদি  আগুন  লাগে,  শহরে  চারদিকে  দাউদাউ  করে  আগুন  জ্বলতেছে,  এমনকি  ফায়ার  সার্ভিসের  অফিসে  আগুন  লেগে  গেছে ।  -অধ্যাপক  মুফতি  কাজী  ইব্রাহীম

কম্পিউটার যেমন হ্যাকিং করা যায় ঠিক তেমন রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় সংগঠন এমনকি আস্ত কোন দেশকেও হ্যাকিং করে ফেলা যায়। মানে অন্য কেউ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ইউজাররা ভাবে আমরাই চালাচ্ছি, কিন্তু মূল অপারেটর অন্য কোনখানে। যন্ত্র তখন অপারেটরের কমান্ড অনুযায়ী চলতে থাকে। এটা নতুন নয়, শত শত বছর ধরেই চলছে। ইহুদীরা এসব বেশী করে। পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজরা করেছিল। নবাবের ফৌজের নিয়ন্ত্রণ নবাবের হাতে ছিল না। এভাবে তারা ধর্মীয় সংগঠনকেও মূল ধর্ম থেকে ডাইভার্ট করে ফেলে। বিদ’য়াতই হয়ে যায় ধর্ম। আমাদের আশেপাশের ধর্মীয় সংগঠনগুলোর দিকে তাকালেও চোখে পড়বে।

বিবাহিত জীবনের অব্যক্ত কিছু কথা

একটা মোটা দাগের কৌতুকে পড়েছিলাম ক্রিকেটে থাই গার্ডের ব্যবহার শুরুর প্রায় ১০০ বছর পর হেলমেট ব্যবহার শুরু হয়। 
কৌতুকটা ছিল পুরুষ মানুষদের নিয়ে – তারা কোনটাকে গুরুত্ব দেয় এটা নিয়ে একটা প্রাপ্তবয়ষ্ক ইশারা ছিল।

যে কথাগুলো অনেকদিন ধরে বলব ভাবছি তা সর্বসমক্ষে বলা লজ্জার, কিন্তু কিছু ব্যাপারে রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লজ্জার সীমানায় এসে হলেও মানুষকে কিছু শিক্ষা দিয়েছেন।*

উমার রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু তার মেয়েকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, স্বামীকে ছাড়া তার স্ত্রী কয়দিন থাকতে পারে। উত্তর শুনেছিলেন চার মাস। এরপর তিনি নিয়ম করে দিয়েছিলেন, মুসলিম মুজাহিদদের চার মাসের বেশি জিহাদের ময়দানে রাখা যাবে না।

উমার পুরুষদের জিজ্ঞেস করেননি। আমাকে জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিতাম, একজন পুরুষ তার স্ত্রী ছাড়া চার দিনের বেশি ভালো থাকতে পারে না।

আমি যে একটা বছর অ্যামেরিকায় ছিলাম স্ত্রীকে রেখে, কীভাবে ছিলাম সেটা আল্লাহ ভালো জানেন।

স্ত্রীকে ছাড়া ভালো থাকতে পারে না কেন? কারণ, আল্লাহ পুরুষকে সেভাবে বানিয়েছেন। চাহিদা দিয়ে, কামনা দিয়ে।

আমাদের সমাজের স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের পেটের ক্ষুধা মেটানোর জন্য যতটা ব্যস্ত, মনের ক্ষুধা এবং দৈহিক ক্ষুধা মেটানোর জন্য ততটাই অতৎপর।

অন্তত, আমার কাছে আসা ইনবক্সে ভাইদের অনুযোগে তাই মনে হয়।
মনের ক্ষুধা সংসারের আলাপে মেটে না। ডাল শেষ, তেল লাগবে – এগুলো সম্পর্কের উন্নতি করে না।

মনের ক্ষুধা মেটে যখন কোনো পুরুষ যে ব্যাপারে আগ্রহী সে ব্যাপারে তার সাথে আলাপ করলে। আমি বিজ্ঞান ভালোবাসি। বিজ্ঞানের নতুন একটা আবিষ্কার নিয়ে আমার সাথে আমার স্ত্রী কথা বললে আমার ভালো লাগে।

আমার স্ত্রীর বিজ্ঞান ভালো না লাগলে?

বোনেরা, কিছু একটা খুঁজে বের করুন যেটাতে আপনার আর আপনার স্বামীর কমন আগ্রহ আছে।

আর থাকল দেহের ক্ষুধা।

এই ক্ষুধা সত্য। পেটের ক্ষুধার মতই সত্য। যদিও পেটের ক্ষুধার কথা কেউ বলতে বা শুনতে লজ্জা পায় না, কিন্তু এই ক্ষুধাকে পায়।
পৃথিবীর প্রায় প্রতিটা দেশে বেশ্যালয় আছে। কেন? 
বেশ্যালয়ে বিবাহিত পুরুষরাও যায়। কেন?

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা চারটা পর্যন্ত বিয়ের বিধান দিয়েছেন এর একটা কারণ পুরুষদের দৈহিক ক্ষুধা অনেক বেশি আগ্রাসী।

এবং অধিকাংশ বিবাহিত পুরুষ তার স্ত্রীকে তার চাহিদার কথা বলতে লজ্জা পায়। প্রতিনিয়ত বলা তো আরো মুশকিল।

এই অবদমিত চাহিদার হালাল বহির্প্রকাশ বাধাপ্রাপ্ত হলে পুরুষেরা ছোটে পর্নের দিকে। এখন মোবাইলে বিছানায় শুয়েও সারা দুনিয়ার নোংরামি ঘুরে আসা যায়।

স্ত্রী তার মতো ঘুমে আছেন, স্বামী পাপাচারে মগ্ন।

পরকীয়া, ধর্ষণ – প্রায় সব বিকৃত কামাচারের পেছনে হালাল স্ত্রীসঙ্গ দুর্লভ হওয়াটা একটা বড় কারণ।

স্ত্রী বুঝতে পারেন না স্বামী কেন রেগে থাকেন। তিনি বুঝতে পারেন না, সংসারে অশান্তি। এই দম্পতিকে তাদের শারীরিক সম্পর্কের কথা জিজ্ঞেস করে দেখেন।

আমি পুরুষদের সবর করতে না পেরে পাপে জড়ানোকে জাস্টিফাই করছি না। একজন পুরুষ হিসেবে আসলে পুরুষেরা কী চিন্তা করে, তাদের কী চাহিদা – সেটা বোনদের সামনে তুলে ধরলাম, লজ্জার মাথা খেয়েই।

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে।

রমণী শব্দের উৎস বিশ্লেষণে যাব না, তবে বোনেরা একটু চিন্তা করে দেখবেন। কথাটা সত্য। আমাকে গালমন্দ করতে পারেন – তবে আপনাদের ভালোর জন্যই বলছি।

আর ভাইয়েরা, আল্লাহ আমাদের যে প্রবৃত্তি দিয়েছেন তা নিয়ন্ত্রণ করার নামই তাকওয়া – আল্লাহ সম্পর্কে সচেতন থাকা। যে আল্লাহর নামে আমরা আমাদের স্ত্রীদের ঘরে এনেছি, তাদেরও মানসিক এবং শারীরিক অধিকার আছে। সেটার দিকে নজর রাখা আমাদের কর্তব্য।

আমরা যেন আমাদের সঙ্গী-সঙ্গিনীদের সীমাবদ্ধতাটুকু উপেক্ষা করে তাদেরকে তাদের প্রাপ্যটুকুর চেয়েও বেশি কিছু দেয়ার চেষ্টা করি। তাদের পাপ থেকে বাঁচাই এবং নিজেও বাঁচি। আল্লাহ আমাদের তাওফিক দান করুন।

Shared from Sharif Abu Hayat Opu

মন্তব্যঃ যাই বলুন পুনরায় বহুবিবাহ প্রচলন ছাড়া এ সমস্যা সমাধানের কোন গতি নেই। সুন্নতকে ছেড়ে তাকওয়া হয় না।

সকল ইঞ্জিনিয়ারের সেরা ইঞ্জিনিয়ার

গত সেমিস্টারে আমাদেরকে কমিউনিকেশান ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে হয়েছিলো। এ সাবজেক্টের একটা বড় অংশ ছিল মোবাইল কমিউনিকেশনের উপরে। মোবাইল ফোনকে ‘Cell-phone’ ও বলা হয়।
কেন?
.
কারণ, আমরা যখন কথা বলি তখন সে কথাকে অপর পাশে পৌছানোর জন্য যে ট্রান্সমিটার ব্যবহার করা হয়, সে ট্রান্সমিটার যতোটুকু এরিয়াকে কভার করতে পারে তাকে ‘Cell’ বলা হয়। সেখান থেকেই এসেছে ‘Cellular Phone’ বা ‘Cell Phone’। একটা সেলের শেইপ কেমন হলে ভালো হয় তা নিয়ে বিজ্ঞানীরা বেশ ভালোই গবেষণা করেছেন। বৃত্তকার শেইপ খুব ভালো অপশন। কারণ, কেন্দ্র থেকে পরিধির যে কোন বিন্দুর দূরত্ব যেহেতু সমান, তাই খুব সহজেই একটা ট্রান্সমিটার তার চারপাশের সকল এরিয়াকে একইভাবে কভার করতে পারে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এক সেল দিয়ে তো আর সব জায়গায় কথা বলা যায় না। একটা সেলের ব্যস কতোটুকুই আর হতে পারে?
এক মাইল থেকে শুরু করে বিশ মাইল পর্যন্ত। আমি যদি এখন খুলনা থেকে ঢাকায় কথা বলতে চাই তখন কী করব? দূরত্ব তো তিনশো কিলোর মতো।
.
সেজন্য পুরো মোবাইল কমিউনিকেশান এরিয়াকে বেশ কিছু ছোট ছোট সেলে ভাগ করা হয়। দরকার হলে এক সেল থেকে আরেক সেলে কল ট্রান্সফার করা যায়। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই সেলগুলোর শেইপ যদি বৃত্তাকার হয়, তাহলে কিছু এরিয়া থেকে যায় যা কখনোই কভার করা যাবে না। সেজন্য বৃত্তাকার শেইপের চিন্তা বাদ। তাহলে কী করা যায়?
সমবাহু ত্রিভুজের আকৃতিতে বানাবো সেলগুলোকে? বর্গাকৃতি? নাকি হেক্সাগোনাল বা ষড়ভুজাকৃতি?
.
তিনটাই ভালো অপশন। তবে হালকা জিওমেট্রি আর ট্রাইগনোমেট্রি এপ্লাই করে দেখা গেলো, হেক্সাগোনাল শেইপ হচ্ছে সবচেয়ে উপযোগী। এই শেইপ ব্যবহার করলেই কম খরচে বেশি দূরত্ব কভার করা যায়।
.
অনেকক্ষণ বোরিং কথা বললাম, এবার ইন্টারেস্টিং কিছু বলি।
.
কখনো মৌমাছির চাক দেখেছেন? অনেকগুলো ছোট ছোট ঘরে ভাগ করা থাকে না পুরো চাকটা? খেয়াল করলে দেখবেন, এই ঘরগুলো কিন্তু হেক্সাগোনাল। মৌমাছিরা কিন্তু ট্রাইগনোমেট্রি কিংবা জিওমেট্রি কিছুই জানে না। তারা কোন ইঞ্জিনিয়ারও না। তাহলে কিভাবে তারা জানলো হেক্সাগোনাল শেইপের কথা? কিভাবে তারা বুঝলো এই শেইপে মধুগুলোকে রাখলে কম মোম খরচ করেই অধিক পরিমাণে মধু সংরক্ষণ করা যায়?
.
বিবর্তনবাদীরা বলে, এটা ন্যাচারালি তাদের ‘Instinct’। অর্থাৎ, সত্তাগতভাবেই তারা এটা জানে। হুমায়ুন আহমেদের মতো সাহিত্যিকরা হয়তো লিখবেন- “প্রকৃতি গভীর মমতায় তাদের এটা শিখিয়েছে।”
.
আমরা বলি, এটা তাদের শিখিয়েছেন যিনি সকল ইঞ্জিনিয়ারদের সেরা ইঞ্জিনিয়ার। যার অসম্ভব সুন্দর ইঞ্জিনিয়ারিং পরিব্যপ্ত করে রেখেছে এ মহাবিশ্বকে। আমাকে, আপনাকে, আমাদের সবাইকে।
.
“তোমার রব মৌমাছির অন্তরে ইঙ্গিত দ্বারা নির্দেশ দিয়েছেনঃ তুমি গৃহ নির্মাণ কর পাহাড়, বৃক্ষ এবং মানুষ যে গৃহ নির্মাণ করে তাতে। এর পর প্রত্যেক ফল হতে কিছু কিছু আহার কর, অতঃপর তোমার রবের সহজ পথ অনুসরণ কর। ওর উদর হতে নির্গত হয় বিবিধ বর্ণের পানীয়, যাতে মানুষের জন্য রয়েছে রোগের প্রতিষেধক। অবশ্যই এতে রয়েছে নিদর্শন চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্য।” [সূরা আন-নাহল (মৌমাছি) ১৬:৬৮-৬৯] 
.
“(অন্তরে ইঙ্গিত করা বলতে বোঝানো হচ্ছে) এমন জ্ঞান-বুদ্ধি যা প্রাকৃতিক প্রয়োজন পূরণ করার জন্য প্রত্যেক জীবকে দেয়া হয়েছে।” [তাফসীর আহসানুল বয়ান]
.

(সংগৃহীত)
লেখকঃ শিহাব আহমেদ তুহিন

শিশুদের নামকরণ

পরিচিত এক বোনের একমাত্র ছেলে মাত্র চার বছর বয়সে হঠাৎই মারা যায়। বেড়াতে গিয়েছিলেন। সবাই যখন দুপুরের খাবারে ব্যস্ত, ছেলেটি কোন ফাঁকে বাসা থেকে বের হয় যায়। রাস্তার পাশে একটি ছোট পুকুরের মত। সেখানেই হঠাৎ করে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয় তার।

নাবালেগ অবস্থায় সন্তানের মৃত্য বাবা মার জন্য আখিরাতে নাজাতের কারন হতে পারে। আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে সবরের তাউফিক দিন, উত্তম বিনিময় দান করুন।

তবে একটি লক্ষনীয় বিষয় হল, তারা না জেনে তাদের এই ছেলের নাম রেখেছিলেন “তাবীব”। যার অর্থ “ধ্বংসপ্রাপ্ত”। সুরা লাহাবের “তাব্বাত ইদা আবি লাহাব” অায়াতে এই একই অর্থে শব্দটি verb/ ক্রিয়া হিসেবে ব্যবহার হয়েছে।

আরেক ভাইয়ের ছেলের নাম “মুসআব”। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অতি প্রিয় সাহাবীদের একজন। কিন্তু সমস্যা হল, অারবী এই শব্দে একটি “অাইন” অক্ষর রয়েছে, যা আমাদের দেশের অধিকাংশ মানুষ উচ্চারণ করতে পারে না। বরং আইনের স্থলে আলিফ উচারন করে। আর সেক্ষেত্রে “মুসাব” এর অর্থ হয় বিপদগ্রস্থ।

একদম ছোটবেলা থেকেই এই ছেলেটি প্রায় সময়ই অসুস্থ থাকতো। এক পর্যায়ে তার নাম পরিবর্তন করে সুহাইল রাখা হয়। আলহামদুলিল্লাহ এরপর থেকেই সে মোটামুটি সুস্থ।

উত্তরা নয় নাম্বার সেক্টরে একটি এপার্টমেন্ট “হাবিতাত বিল্ডারস” কতৃক নির্মিত। হাবিতাত অর্থ ধ্বংস হয়ে যাওয়া। (আল্লাহ তা’অালা হিফাযত করুক)।

নামের একটি প্রতিক্রিয়া আছে, এটি হাদিস দ্বারা প্রমানিত। পাশাপাশি, দুনিয়াতে ব্যবহৃত নামেই আমাদেরকে আখিরাতে ডাকা হবে। খারাপ নাম থাকলে খারাপ নামে, ভাল থাকলে ভাল।

কুরঅানে ব্যবহৃত হলেই কোন শব্দের অর্থ ভাল হয়ে যায় না। কুরঅানে ফিরআউন, হামান, আবু লাহাবের নামও আছে। এসমস্ত নাম কুরঅানের আয়াত হিসেবে পড়লে প্রতি অক্ষরে দশটি করে সাওয়াব পাওয়া যাবে, কিন্তু কারো নাম হিসেবে যে এ শব্দগুলো ভাল নয়, তা তো সবাই বুঝে।

এজন্য কুরঅান বা হাদিসের বই থেকে কোন শব্দ পছন্দ হলেই নাম রেখে না দেয়া। কোন নির্ভরযোগ্য আলিমের সাথে পরামর্শ করা অবশ্যই জরুরী। গুগল করে বা নামের বই দেখেও নিজে নিজে নাম রেখে দেয়াটা অনেক রিস্কি। অনেক নামের ভাল খারাপ দুটো অর্থই থাকে। গুগল বা নামের বই আপনাকে ভাল অর্থটা বলবে,খারাপটা চেপে যাবে। আমাদের পাশের বাসার আপু তার ছেলের নাম এভাবে গুগলে দেখে রেখেছেন “ইহান”। উর্দুতে যার অর্থ “পূর্ণ চন্দ্র”, কিন্তু অারবীতে এর অর্থ “অপমানিত/লাঞ্ছিত”।

প্রতিটি বাবা মার মনে রাখা দরকার, সন্তান ভুমিষ্ট হওয়ার পর তার একটি সুন্দর নাম রাখা তাদের দায়িত্ব। এটা সন্তানের হক। এই হক আদায়ে অবহেলা হলে আমাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

আল্লাহ তা’অালা আমাদের সতর্ক হওয়ার তাউফিক দিন।

সংগৃহীতঃ Rizwanul Kabir