আমি ইসলামী গ্রন্থ লিখতে গিয়ে অনুধাবন করেছি যে, পবিত্র কোরান অনুবাদ করা সম্ভব নয়। কীভাবে আল্লাহর শাশ্বত বাণীকে কেউ অনুবাদ করতে পারে? সম্ভবত এর আগেও কিছু আলেম একথা অনুধাবন করেছিলেন। মুহাম্মদ আসাদ তার মধ্যে একজন। পবিত্র কোরান অনুবাদ করা সম্ভব নয়। এতদিন যারা পবিত্র কোরানের অনুবাদ করার চেষ্টা করেছেন, তারা মূলত পবিত্র কোরানের ব্যাখ্যা করেছেন, অনুবাদ নয়। এজন্য এগুলোকেও পবিত্র কোরানের তাফসির বলা যায়।
—- শেখ ইমরান হোসেইন।

Md Arefin Showrav

Advertisements

ডিম একটি পুষ্টিকর খাদ্য

যারা ডিম বিষয়ে নানা সন্দেহে ভোগেন, ডিম খেতে মন চায় আবার ডাক্তারদের জুজুর ভয়ে খেতে চান না, (কোলেস্টেরল ও ফ্যাটি হয়ে যাওয়ার আতংকে ভোগেন তারা ডিম খেতে পারবেন। আতংকের কিছু নেই। বরং ডিম খেলে ক্ষুধা লাগবে না, তাই চিপস চা বিস্কুট এসব খাওয়ার প্রয়োজন নেই। ফলে ওজনও কমবে। দৈনিক দু’ তিনটা তো খাওয়াই যায়, আলহামদুলিল্লাহ।

Courtesy:Dr. Joseph Mercola

আজকাল বহু কর্মজীবী নারীদের সালাম পায় অফিসের বস, অফিসার, পিয়ন চাচা ও বহু আগডুম বাগডুম ব্যক্তি। কিন্তু কয়জন নারীর সালাম তার স্বামী পায় যে কি না সালাম পাওয়ার প্রকৃত হক্বদার? সেদিন এক পুরনো কোন পত্রিকার জীবন যাপন পাতায় দেখলাম ব্যস্ত কর্মজীবী স্বামী স্ত্রীর উদ্দেশ্যে দেয়া টিপস যাতে সপ্তাহে যে অল্প সময় ভাগ্যে জোটে নিজেদের মধ্যে দেখা সাক্ষাতের সে অল্প সময়টাকে কিভাবে কোয়ালিটি টাইমে পরিণত করা যায়। আশ্চর্য। অনেক স্বামী স্ত্রী একসাথে রাতে খাওয়ার সৌভাগ্যটুকুও হয় না। একজন আসে আরেকজন বেরিয়ে যায়। আমি জানি না কিভাবে তারা পারে? আর এতো পরিশ্রম এতো অর্জন এসবের আল্টিমেট রেজাল্ট কি?

ইসলামিক ইস্কেটোলজি সম্পর্কে সঠিকভাবে জানতে হলে প্রথমে আমার দলই সঠিক এ ধারণা থেকে নিজেকে একটু খালি করতে হবে। অর্থাৎ নিজেকে শিয়া সুন্নি, হানাফি, মাযহাবী, লা মাযহাবী, তবলীগ, পীরের মুরিদ, জামাত, ইখওয়ান, ক্ব্ওমী ইত্যাদি থেকে নিজেকে একটু ঊর্ধ্বে উঠাতে হবে। অর্থাৎ আমার দেখার ক্ষেত্রটাকে কোন কিছু যেন প্রতিবন্ধকতা বা অবস্টাকল সৃষ্টি করতে না পারে। আমার দলই হক্ব, আর বাকী সব কিছু বাতিল এ প্রবণতা থেকে মুক্ত হতে হবে। আল্লাহর কাছে নিজের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য দোয়া করতে হবে। কোরআন ও হাদিসের দোয়াগুলো করা সবচেয়ে ভালো। দাজ্জালের ফেতনা থেকে মুক্ত থাকার দোয়া ও আমলগুলো করতে হবে। নিজের চোখকে হেফাজত করতে হবে। কারণ আমি যদি আমার চোখ দিয়ে খারাপ জিনিস দেখি তাহলে ভালো জিনিস দেখতে পারব না। চোখ অযোগ্য হয়ে পড়বে। আমরা ইসলামিক ইস্কেটোলজির নীতিমালাগুলোর ক্ষেত্রে শায়খ ইমরান নযর হোসেনের নীতিমালা অনুসরণ করি। কারণ সেটা হলো, কোরআন সুন্নাহর ভিত্তিতে। এর প্রথম মূলনীতি হলো যায়োনিস্ট-দের (অর্থাৎ ইহুদী খ্রিস্টানদের সম্মিলিত জোট, কোরআনের মতে যেসব ইহুদী খ্রিস্টান একে অপরের বন্ধু হয়, আলাদাভাবে ইহুদী বা খ্রিস্টান নয়) সাথে যারা যোগ দিবে, তাদের থেকে ফায়দা নিবে তারাও তাদের অন্তর্ভুক্ত। হতে পারে সেটা কোন মুসলিম দেশ বা মুসলিম সশস্ত্র সংগঠন। হতে পারে সেটা কোন খ্রিস্টান দেশ। এছাড়া ইসলামিক ইস্কেটোলজির আরও কিছু মূল পাঠ আছে। যেমন ইয়াজুজ মাজুজ, দাজ্জাল, রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি, রাষ্ট্র, খাদ্য ও চিকিৎসা, ব্যাংকিং, স্বপ্ন, এবং নারী। এগুলোর জন্য শায়খ ইমরান নযর হোসেনের বইগুলো পড়া যেতে পারে। ইসলামিক ইস্কেটোলজির উপর কিছু ওয়েবসাইট আছে সেগুলো সার্চ করা যেতে পারে। আর এমন কিছু যদি আমার বিবেক সায় দেয় যা কোরআন সুন্নাহর অনুসরণ করে কিন্তু আমার এতদিনের ধ্যান ধারণার বিপরীত তাহলে নিজের ধ্যান ধারণা বিশ্বাস বদলে কোরআন সুন্নাহর অনুসরণ করার মানসিকতা থাকতে হবে। ইসলামিক ইস্কেটোলজি একটি অসাধারণ বিষয়। যা বর্তমান সমাজ ব্যবস্থাকে ব্যাখ্যা করে। এমনকি সমাজের খুঁটি নাটি বিষয়গুলোও যা দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়। আল্লাহর অনেক নিদর্শন চোখে পড়ে। ফলে ঈমান সূদৃঢ় হয়। ইসলামিক ইস্কেটলজির মূল বিষয় হচ্ছে কোরআন ও সুন্নাহ দ্বারা আখেরি জামানাকে বোঝা। এগুলো নিয়ে তর্ক বিতর্ক করা নয়।

দুনিয়া কামানোর সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে। লেখাপড়া, বড় ডিগ্রি, ক‍্যরিয়ার, বাড়ি গাড়ির স্বপ্ন দেখার সময় শেষ। শেষ ঘন্টা বেজে গেছে। এখন খাতা টেনে নেয়ার সময়। যাদের হাতে সময় ছিল দুনিয়া কামানোর তারাই কেউ কামাতে পারল না, এখন এ শেষ সময়ে আর কিঈবা কামানো যাবে?

“কাজেই ইয়াজুজ মাজুজ যদি এখনও প্রাচীরের আড়ালে থাকে এবং দাজ্জাল আসার পরে বের হয় তাহলে নিশ্চিতভাবেই তারা ঈমানের দাওয়াত থেকে বঞ্চিত হবে। রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের জানাচ্ছেন, মানবজাতির মধ্যে প্রতি ১০০০ জনে ৯৯৯ জন জাহান্নামী এবং তারা ইয়াজুজ মাজুজ।

আল্লাহ্‌ তায়ালা এতো বিপুল সংখ্যক মানুষকে দ্বীনের দাওয়াত ব্যতিরেকে জাহান্নামে দিয়ে দিবেন এটা কুরআনের বক্তব্যের পরিপন্থী। এটা আল্লাহ্‌ তায়ালার ন্যায়-বিচারক গুণের পরিপন্থী।

আল্লাহ্‌ বলেন, কোন রাসূল না পাঠানো পর্যন্ত আমি কাউকেই শাস্তি দান করি না। (সূরা বনী ইসরাঈল, ১৫)

অতএব, আমরা বলতে পারি ইয়াজুজ মাজুজ বের হয়েছে এবং তাদের কাছে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছেছে। কিন্তু তারা সে দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করে নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার নামে এক নতুন ধর্মের প্রবর্তন করেছে।”

বিস্তারিত পড়ুন এখানেঃ https://hudhudmail.wordpress.com/2017/06/15/yajuj-majuj-38