প্রাচীরে ঠেকানো কাঠ

“যখন মুনাফিকরা তোমার নিকট আসে তখন তারা বলে, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি, আপনি নিশ্চয় আল্লাহর রসূল।” আল্লাহ জানেন, নিশ্চয় তুমি তাঁর রসূল এবং আল্লাহ সাক্ষ্য দিচ্ছেন, মুনাফিকরা অবশ্যই মিথ্যাবাদী।”

“When the hypocrites come to you, they say, “We testify that you are the Messenger of Allah.” And Allah knows that you are His Messenger, and Allah testifies that the hypocrites are liars.”

।।

What a Royal Statement!!

শত সহস্র উপন্যাসের হাজারো পাতা ছেঁকেও এরকম ‘বোল্ড স্টেটমেন্ট’ পাওয়া যাবে না। ওফ, ভাবের কি লা-জওয়াব উঠানামা। সোবহানআল্লাহ।

সূরা মুনাফিকুনের প্রথম আয়াত পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। যারা হালকা পাতলা আরবী জানেন তারা আরো ভালো বুঝবেন। আরো শুনবেন? ৪র্থ আয়াতের অনুবাদটি শোনেন –

“তুমি যখন তাদেরকে দেখো, তখন তাদের দেহাবয়ব, স্টাইল, ভাবভঙ্গী তোমার কাছে প্রীতিকর মনে হয়। আর যখন তারা কথা বলে, তুমি তাদের কথা মন দিয়ে শোনো। আসলে তারা তো প্রাচীরে ঠেকানো কাঠের মতো। কোন শোরগোল হলেই তারা নিজেদের বিরুদ্ধে মনে করে। তারাই শত্রু, অতএব তাদের সম্পর্কে সতর্ক হোও। ধ্বংস করুন আল্লাহ তাদেরকে। তারা কোথায় চলেছে তা জানো?”

প্রাচীরে ঠেকানো কাঠের উপমাটা দেখেন। কি যুৎসই উপমা। এই কাঠের জীবনের প্রধান চিন্তা তার ঠেকনা দেয়ার প্রাচীরটা যেন ঠিক থাকে। দূরে কোথাও শেয়াল ডাকলেও তার আত্মা ধুক করে উঠে এই বুঝি তার প্রাচীর ভেঙে পড়ে আর সেও ধুপ করে পড়ে যায়।

ফিতনার স্থানে যাওয়া নিষেধ

ক্বওমী মাদ্রাসার ছাত্র, দাড়ি-টুপী শোভিত বইমেলায় গিয়ে ধরা, এরপর মুক্তি। সাড়া পৃথিবীতে আলোড়ন, দ্বীনী ভাইদের পোস্টে ফেসবুক গরম। কুরআন হাদীসের আলোকে এই ঘটনার কি অবস্থান? আর ভিকটিমদের দুনিয়াবী লাভ লোকসান কতখানি? লাভ নেই বলাই বাহুল্য। পুলিশের খাতায় নাম থাকলে ভবিষ্যতে উটকো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তখন কেউ বলে না যে ইসলামের মহান আদর্শ ধারণ করার জন্য মজলুম হতে হয়েছে। হ্যাঁ, যদি ইসলামের স্বার্থ থাকত তাহলে মজলুম হলে সান্তনা থাকে। কিন্তু যদি ইসলামের স্বার্থ বা প্রয়োজন না থাকে, তাহলে শুধু শুধু ওসব সেকুলার ফেতনার স্থানে যাওয়ার কি অর্থ হতে পারে। এর চেয়ে ঘুমিয়ে থাকা ভালো ছিল না? ওখানে না গিয়ে ঘুমিয়ে থাকলে সুন্নতের উপর আমল হতো। হাদীসের উপর অক্ষরে অক্ষরে আমল হতো। এমনকি সূরা কাহাফের যুবকদের সদৃশ হতো। ফলে আল্লাহ তাদের উপর রহমত বিস্তার করতেন। যারা বর্তমান যুগকে ‘শেষ যুগ’ হিসেবে সনাক্ত করতে পেরেছেন এবং তাতে প্রত্যাশিত সাড়া দিয়েছেন তারা কখনো ফেতনার স্থানে উপস্থিত হবেন না। তারা দুনিয়ার মানুষের আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হবেন না। ইমাম মাহদী য়ালাইহিস সালাম যিনি শেষ যুগের একজন মডেল তিনিও নিজেকে কোলাহল থেকে দূরে রাখবেন। যেসব মুসলিম মেয়েরা মনে করেন দুনিয়ার বাজারে চাকরী বা পড়াশোনার দ্বারা তারা তাদের মেধা বা যোগ্যতার সাক্ষ্যর রাখবেন তাদের জন্যও এখানে কিছু মেসেজ আছে যদি তা চৈতন্যে আসে।

16708700_1730434793937065_2613559233260581494_n

‘অবহেলিত’ ‘জ্ঞান’

মেধাবী ও জ্ঞানীর মধ্যে পার্থক্য আছে। সব মেধাবীই জ্ঞানী নয়। মেধা মানুষকে কুশলী করে। কাজের নৈপুণ্য বাড়ায়। মেধাবী মানুষ স্কিলড হয়। জ্ঞান হল সত্য ও মিথ্যা পার্থক্য করার ক্ষমতা। জ্ঞান না থাকলে মেধা মানুষকে বিপথে চালিত করে, ধ্বংস করে। মা বাবা চায় তার সন্তান মেধাবী হোক। জ্ঞানী হোক এটা সচেতনভাবে অনেক মা বাবাই চায় না। মেধাবী সন্তান পেলেই তারা খুশী।

একজন মেধাবী ব্যক্তি ইংরেজী বা আরবী ভালো জানতে পারে। অংক ও বিজ্ঞানে ভালো হতে পারে। এগুলো হল তার স্কিল। জ্ঞান কিন্তু স্কিল নয়। জ্ঞান হল আলো ও অন্ধকারকে পার্থক্য করার ক্ষমতা। জ্ঞান চর্চা করতে করতেও মানুষ একসময় স্কিলড হয়ে যায়।

ইহুদীরা হল স্কিলড। তারা মেধাবী। আর মুসলমানরা হল জ্ঞানী। যদিও বেশীর ভাগ মুসলমান জ্ঞানচর্চা করে না। সে জন্য স্কিলড হতে পারে না।

।।

রেড কাউ দুধ আমরা অনেক দিন যাবতই খাই। কিন্তু রেড কাউয়ের মাজেযাটা সেদিন মাত্র জানলাম। মাজেযা আরবী শব্দ। ইংরেজীতে বলে ‘মিরাকল।’ বাংলায় বিস্ময়কর ব্যাপার, অদ্ভুত কান্ড, কামাল। সারপ্রাইজিং ইভেন্ট ফ্রম ডিভাইন এজেন্সি। এতো বছর যাবত ‘তারা’ সাবলিমিনাল মেসেজ দিচ্ছে কিন্তু তা চৈতন্যে আসতেছিল না। এর কারণ স্কিলনেসের অভাব।

Red Heifer Found in West Virginia

লাল গরুড়ের ছানা

পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় লাল বাছুর পাওয়া গেছে যা ইহুদিদের তৃতীয় মন্দির নির্মাণে ব্যবহৃত হওয়ার উপযুক্ত। ইহুদি ট্রেডিশন অনুযায়ী, তৃতীয় মন্দির নির্মাণের আগে লাল বাছুরের ছাই দ্বারা ইহুদিদের পবিত্র হয়ে নিতে হবে। পশ্চিম ভার্জিনিয়ায় এমন একটি লাল বাছুর পাওয়া গেছে যা তওরাতে বর্ণিত বিবরণগুলোর সাথে মিলে যায়। উল্লেখ্য, পবিত্র কোরানের সুরা বাকারায়ও এই ধরণের বাছুরের কথা উল্লেখ আছে যেখানে হযরত মুসা (আ) বণী ইজরায়েলকে এই জাতীয় বাছুর কুরবানি করতে বলেছিলেন।

A retiree in West Virginia has discovered a red heifer, and by all appearances, the young and unique cow is suitable to clear the path for service in the Third Temple to begin. Bill Shuff, a retired civil engineer from West Virginia, discovered the…
BREAKINGISRAELNEWS.COM|BY STAFF WRITER

চাদটা ছিল লাল

আজকে চাঁদটা বেশী লাল ছিল। সন্ধ্যাবেলায়। আমি নিশ্চিত হওয়ার জন্য রিকশাওয়ালা ভাইকে জিজ্ঞাসা করলাম, ভাই চাঁদটা কি আজকে বেশী লাল না? ভাই রিকশা চালাতে চালাতে চাঁদের দিকে তাকালেন। তারপর বললেন, বেশী গরম চেইতা উঠলে চাঁদ লাল হইয়ে যায়। আস্তে আস্তে গরম চেইতা উঠতেছে তো। আমি নিশ্চিত হলাম, তাহলে লালই হবে। চোখের ভুল নয়।
February 11, 2017 at 12:48am

সিজার

নারীদের জন্য নারীদের নারীসুলভ সামান্য সিমপ্যাথি বা দরদ নেই তা গাইনি ডাক্তারদের দেখে বুঝা যায়। নারীরা তাদের কাছে একটা দামী পণ্য ছাড়া কিছুই নয়। আজকে কয়টা সিজার হল এই হিসাবের বাইরে তাদের তেমন কিছু জানা নেই। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ট্রাম্প, সিরিয়া এইসব নিয়ে কোন আগ্রহ নেই। ব্যতিক্রম থাকতে পারে।

মাওলানা আসেম উমর হাফিজাহুল্লাহর একটা বইয়ে আবু হুরাইরা রাযি বর্ণিত একটা হাদিস নিয়ে আসা হয়েছে যেটাতে বলা হয়েছে, সিজার অপারেশন কিয়ামতের একটি নিদর্শন। নারীদের ধরে ধরে পেট ফেড়ে বাচ্চা বের করা হবে।

সেম উমর একটি চমকপ্রদ তথ্য প্রদান করেছেন। বর্তমানের মিনারেল ওয়াটারে এমন সব জিনিস মেশানো হয় যার জন্য বাচ্চা বেশী বড় হয়। মিনারেল ওয়াটার ও ফাস্টফুডের কারণে সিজার আবশ্যক হয়ে পড়ে। আর এই মিনারেলগুলো মেশানোও বাধ্যতামূলক।

হাল আমলে জনপ্রিয় করে তোলা ফাস্টফুডের প্রভাবেও একদিকে প্রজনন ক্ষমতা তো কমে, কিন্তু স্বাস্থ্য মোটা হয়ে যায়। ফাস্টফুড, মিনারেল ওয়াটারের ফলে ডায়াবেটিস হয় যা বড় বাচ্চার জন্ম দেয়, ফলে ইন্সট্রুমেন্টাল ডেলিভারির চান্স বাড়ে। আর এদিকে বিভিন্ন এনজিও হাসপাতালগুলো সিজার করার সব রকম বন্দোবস্ত করে রাখে। এবং সিজার অপারেশনের মাইন্ড সেটিংয়ের জন্য নানা ধরনের চার্ট, ছবি ইত্যাদি ব্যবহার করে।

মূল কথা হচ্ছে দাজ্জালী সভ্যতার অকল্যাণে মানব জাতির ধ্বংস।

এই গল্প বাংলাদেশের নয়, চাঁদের দেশের। কাজেই আশা করি কোন ডাক্তার নারী চাঁদের দেশের বিষয় নিয়ে চন্দ্রাহত হবেন না।

বিদ’য়াতমুক্ত ইসলাম ধর্ম পালন করতে চাই

দুপুর থেকে মাইকে শুরু হয়েছে গজল। বাংলা / হিন্দি সিনেমার সুর নকলের অভিযোগ তো আছেই। থেকে থেকে কুরআন তিলাওয়াত। খালি স্টেজে কিসের জন্য এতো জোরে কুরআন তিলাওয়াত আল্লাহই জানেন। সওয়াবের নিয়তে পড়লে তো আস্তে আস্তে পড়লেই চলত। একটু পর পর ঘোষনা, আর কিছুক্ষণ পর শুরু হবে মাহফিল। আসবেন অমুক আল্লামা। আসলে শুরু হবে সন্ধ্যার পর। টাইম পাস করার জন্যই এগুলো বলা।

এখন বাজছে রাত সাড়ে ১২ টা। মাইকে হাউমাউ কান্নার শব্দ আসছে। আল্লাহ্‌র কাছে কাদলে মাইকে কাদতে হবে কেন? আল্লাহ্‌ই জানেন কতক্ষণ চলবে এই কান্না। প্রতিদিন এই কান্না কাদেন তো তারা, নাকি মাহফিলের দিনই কাদেন? একটু পরই তো শুরু হবে কি’য়ামের সময়। কই কি’য়ামের কথা তো কেউ বলে না।

দেশটা ছেয়ে গেছে বিদ’য়াতে।

।।

কুরআন ও সুন্নাহর কষ্টিপাথরে একটু ঘষা দিলেই কোনটা ইবাদত আর কোনটা বিদ’য়াত দিনের আলো ও রাতের অন্ধকারের মতো পৃথক হয়ে যায়।

February 10, 2017 at 12:41am