মুনাফিকদের প্রকৃতি

সুরা মুনাফিকুন পড়লে বুঝবেন মুনাফিকদের প্রকৃতি। মদিনার মুনাফিকরা রাসুলুল্লাহ (সা) কে এসে বলত, আপনি অবশ্যই আল্লাহর রাসুল। কথা কিন্তু সত্য যে, তিনি আল্লাহর রাসুল। কিন্তু মুনাফিকরা মিথ্যাবাদী। কীভাবে? তারা মুখে ভালোই ইসলামের পক্ষে সত্য কথা বলত, কিন্তু তাদের মন ও কাজ বলত অন্য কথা।
আইএস সহ বিভিন্ন জঙ্গী দল বলে, গণতন্ত্র নয়, খিলাফত দিয়েই ইসলাম কায়েম করতে হবে। কথা সত্য। কিন্তু তাদের মন ও কাজ আমেরিকার দালালি করে, সান্তাক্লজের পাঠানো অস্ত্রে তারা বিশ্বময় ফ্যাসাদ সৃষ্টি করে।

তুরস্ক সরকার বলে, ইসলামী শক্তির পুনর্জাগরণের জন্য মুসলিমদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। কথা সত্য। কিন্তু একদিকে ইসলামের কথা বলবেন, অন্যদিকে ন্যাটোর হয়ে কাজ করবেন; একদিকে মুসলিমদের পক্ষে কথা বলবেন, অন্যদিকে ভ্যাটিকান নিয়ন্ত্রিত ক্রুসেডারদের সংগঠন ইউরোপীয় ইউনিওনে ঢোকার জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠবেন, এ তো কথা ও কাজের পুরাই অমিল!

প্রজেক্ট নাম্বার এতো -২

হ্যামফারের ডায়েরি পড়ে আমরা জানি ইংরেজরা কিভাবে ওহাবি মতবাদকে সৃষ্টি করে ইসলামি খেলাফত ধ্বংসের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহকে অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাগে বিভক্ত করে ফেলেছে। ইংরেজ গোয়েন্দারা ইসলাম শিক্ষা করে মুসলমান যুবকদের মধ্যে ঢুকে পড়ে তাদের ব্রেনকে কব্জা করে ওহাবি আন্দোলন তৈরি করে। ঠিক যেমন বর্তমানের আইএসকে যেভাবে তৈরি করা হয়েছে।

এটাতো ছিল মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনা। ইংরেজ বেনিয়ারা ভারতে কি করেছে? তারা ইসলামি শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র মাদ্রাসাকে দখল করে সেখানে ইংরেজ প্রিন্সিপাল সরাসরি বসিয়েছে। আলিয়া মাদ্রাসার প্রথম ২৬ জন প্রিন্সিপালের নাম নীচে দেয়া হলো। যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান একজন খ্রিস্টান, নিখুঁতভাবে বললে বলতে হবে যায়োনিস্ট, সে প্রতিষ্ঠানে কি ইসলামের আর কিছু বাকী থাকে? ১৮৫০ থেকে ১৯২৫ এই মোট ৭৫ বৎসর যদি যায়োনিস্টরা ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থা দখল করে রাখে সেখান থেকে কি মুসলমান বের হবে নাকি ইহুদি? সেখান থেকে লেখাপড়া করে কুরআনের হাফেজ ও আলেম হয়ে তারা স্বাভাবিকভাবেই ইংরেজদের পদলেহনকারী দরবারী আলেম হওয়া ছাড়া আর কি হতে পারে?

এটা কি খুব আশ্চর্যের বিষয় নয় যে ইংরেজদের তবলীগ, পীর ও ক্বওমী মাদ্রাসা নিয়ে কোন প্রজেক্ট ছিল না? আজকে সমাজ থেকে ইসলামকে বিচ্যুত করে মাদ্রাসাবন্দি করে রাখা ও মসজিদভিত্তিক নানা ধরনের দ্বয়িফ হাদিস, স্বপ্ন ও ফাযায়েলের তিলাওয়াত করা কি তাই প্রমাণ করে না যে সেখানে ইংরেজদের হিংস্র দাঁত বসেছে? ৪০ দিনের চিল্লার নতুন ফরমুলা, পীরদের খেলাফত, বাবাপীর, দাদাপীর এসব টার্ম ইসলামে নানা ধরনের নতুন জিনিস ঢুকানো ইত্যাদি বিদয়াত দিয়ে মানুষের মগজ ধোলাই করা কি প্রমাণ করে?

ইহুদিরা রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লামের কথা চুপিসারে কেন শুনতো? হেদায়েত লাভের উদ্দেশ্যে? না কি ইসলামের মধ্যে কিভাবে ভেজাল ঢুকানো যায় তার ফন্দি ফিকিরের উদ্দেশ্যে। তাদের চুরি করে কথা শুনার উদ্দেশ্য আজ পূর্ণ হয়েছে। ইংরেজরা সব হজম করেছে, কিন্তু এখনো সিরিয়াকে হজম করতে পারেনি। গিলতেও পারেনি। গলায় আটকে আছে। এখান থেকেই শুরু হবে ইংরেজদের গলার ক্যান্সার, ইনশাআল্লাহ্‌।

বিভিন্ন সময়ে নিয়োজিত আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপালবৃন্দঃ
নামঃ – কার্যকালঃ
(১) এ স্প্রেঙ্গার এম,এ – ১৮৫০ ইং
(২) স্যার উইলিয়াম নাসনলীজ এল,এল,ডি – ১৮৭০ ইং
(৩) জে স্যাটক্লিফ এম,এ – ১৮৭০ ইং
(৪) এইচ, এফ, ব্রকম্যান এম, এ – ১৮৭৩ ইং
(৫) এ,ই, গাফ এম, এ – ১৮৭৮ ইং
(৬) এ, এফ, আর হোর্নেল সি,আই,ই,পি,এইচ,ডি – ১৮৮১ ইং
(৭) এইচ প্রথেরো এম, এ – ১৮৯০ ইং
(৮) এ, এফ, হোর্নেল – ১৮৯০ ইং
(৯) এ, জে, রো,এম, এ – ১৮৯২ ইং
(১০) এ, এফ হোর্নেল – ১৮৯২ ইং
(১১) এ, জে, রো – ১৮৯৫ ইং
(১২) এ, এফ, হোর্নেল – ১৮৯৭ ইং
(১৩) এফ, জে, রো – ১৮৯৮ ইং
(১৪) এফ, সি, হল – ১৮৯৯ ইং
(১৫) স্যার অর‌্যাল স্টেইন – ১৮৯৯ ইং
(১৬) এইচ, এ,স্টার্ক – ১৯০০ ইং
(১৭) কর্ণেল রেস্কিং – ১৯০০ ইং
(১৮) এইচ, এ,স্টার্ক – ১৯০১ ইং
(১৯) এড, ওয়ার্ড ভেনিসন – ১৯০৩ ইং
(২০) এইচ, ই, স্টেপেল্টন – ১৯০৩ ইং
(২১) ডেনিসন রাস – ১৯০৪ ইং
(২২) মিঃ চীফম্যান – ১৯০৭ ইং
(২৩) এড,ওয়ার্ড, ডেনিসন – ১৯০৮ ইং
(২৪) এ, এইচ হারলি – ১৯১১ ইং
(২৫) জে, এম বুটামলি – ১৯২৩ ইং
(২৬) এ, এইচ হারলি – ১৯২৫ ইং

।।

সাম্প্রতিক সময়ে ক্বওমী সনদকে মাস্টার্সের সমমান করে সম্মান দেয়াকেও ক্বওমী মাদ্রাসার উপর জুয়িশ বা যায়োনিস্ট কন্সপিরেসি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। আমরা দেখতে পাবো ক্বওমীর উপর ইহুদিদের প্রভাব এবং ওহাবী ও সালাফীদের মতো অপর আর একটি নতুন ফেরকা হিসেবে ক্বওমীদের আবির্ভাব।

Please Read,

প্রজেক্ট নাম্বার এতো -১

সিরিয়া পরিস্থিতির রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

ছবি পরিচিতিঃ যুক্তরাষ্ট্র দেখানো স্বপ্ন যা’ দিয়ে কুর্দিদের বশ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র কুর্দিদের টোপ দেয় যে তাদেরকে একটি স্বাধীন অঞ্চল দিয়ে পৃথক কুর্দিস্থান সৃষ্টি করে দেবে। এই অঞ্চল হলো উত্তর সিরিয়া ও উত্তর ইরাক।

লিখেছেনঃ Md Arefin Showrav

যুক্তরাস্ট্র আন্তর্জাতিক আইনকে এড়িয়ে যেতে আইএস সৃষ্টি করে তার দ্বারা উত্তর দিক দিয়ে সিরিয়ায় অভিযান চালিয়েছিল। তখন আইএস যুক্তরাস্ট্রের আশীর্বাদে একের পর এক অঞ্চল তাদের ভুয়া খিলাফতের অধীনে নিতে থাকে। যেহেতু সিরিয়ান আর্মি তখন দুর্বল ছিল, তাই তারা তাদের আটকাতে ব্যর্থ হয়। সিরিয়া তখন রাশিয়াকে আমন্ত্রণ জানায় এই যুদ্ধে তাদের সহযোগিতা করার জন্য। রাশিয়া যুক্তরাস্ট্রের মত অত্যাচারী ও অন্যের ভূখন্ড দখলকারী রাস্ট্র নয়। তারা বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ইনসাফের পথে থাকা পরাশক্তি। রাশিয়ার নৌ-ঘাঁটি যেহেতু সিরিয়ায় অবস্থিত, তাই সিরিয়াকে স্বাধীন রাখা তাদের নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। সিরিয়া তখন রাশিয়ার সাহায্যে তাদের দেশের অধিকাংশ অঞ্চল আইএস মুক্ত করতে সক্ষম হয়।

যুক্তরাস্ট্র বুঝতে পারে যে, আইএস পরাজিত হয়েছে। আর এর মূল কারণ হলো ভাড়াটে জঙ্গীরা কখনও বৃহৎ সামরিক শক্তির সাথে জয়ী হতে পারে না। রাশিয়া সিরিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনীকে সামরিক উপদেষ্টা, প্রশিক্ষণ, বিশেষ বাহিনী এমনকি নিজেদের অস্ত্রশস্ত্র দিয়েও সাহায্য করে। ফলে সিরিয়ান সামরিক বাহিনী ইজরায়েলের সামরিক বাহিনীর সমান শক্তিশালী বাহিনীতে পরিণত হয়।

যুক্তরাস্ট্রের আইএস কার্ড এখন মৃত। তাই তারা ভাড়াটে জঙ্গী বাহিনীকে একটি চলমান বাহিনী দ্বারা প্রতিস্থাপন করছে। আর এজন্য তাদেরকে সিরিয়ায় আইএসের শেষ পদচিহ্নের অঞ্চলসমূহ দখলে রাখতে হবে। উত্তর সিরিয়ায় কুর্দিদের অঞ্চলসমূহ অর্থাৎ উত্তর পশ্চিম সিরিয়ার আফ্রিন, উত্তর সিরিয়ার আলবাব, মানবিজ ও আলেপ্পো, উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার তাবকা ও রাকা।

যুক্তিগতভাবেই, সিরিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বযুদ্ধ শুরুর জন্য যুক্তরাস্ট্রের প্রথম অপশন হলো তুরস্ক। কিন্তু তুরস্কের মিলিটারি কুর্দিদের অঞ্চল পেরিয়ে সিরিয়ার ভেতরে যেতে পারবে না। তাই যুক্তরাস্ট্র ও ন্যাটো আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে কুর্দিদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে। অপরদিকে, তুরস্ককে আইএস বিরোধী যুদ্ধে অংশগ্রহন করতে সিরিয়ায় পাঠিয়েছে। অর্থাৎ, সবাই মিলে এসো আমরা সিরিয়া যাই, আইএস হঠাই। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হলো, এটা যুক্তরাস্ট্রের হ্যান্ডওভার, বাহিনী বদল করা। জঙ্গী বাহিনীকে সরিয়ে সেই স্থানে যুক্তরাস্ট্র-পন্থী বৈধ বাহিনীদেরকে প্রতিস্থাপিত করা।

কিন্তু তাতেও সমস্যা দেখা দেয়। যুক্তরাস্ট্র ভেবেছিল, বিশ্বযুদ্ধ তারা নিজেরা শুরু না করে তুরস্ককে দিয়ে শুরু করাবে। তুরস্কের রেরেফারেন্ডেমের মাধ্যমে এরদোগান পাবে হিটলার সমান ক্ষমতা। তখন সে ন্যাটোর হয়ে সিরিয়া আক্রমণ করবে। কিন্তু তুরস্ক ও কুর্দিরা রাজনৈতিকভাবেই পরষ্পরের প্রতিপক্ষ। তাই তুরস্কের সিরিয়া অভিযান “ইউফ্রেতিস শিল্ড” , যার মাধ্যমে তুরস্ক রাকা যাওয়ার প্ল্যান করছিল, তাকে কুর্দিরা মানবিজে আটকে দেয়। রাশিয়া ও সিরিয়া এই সুযোগকে গ্রহণ করে আর মানবিজ ও আফ্রিনে গিয়ে কুর্দিদের একটি অংশ ওয়াইপিজির (YPG) সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করে কুর্দি অঞ্চলে তুরস্কের সিরিয়া অভিযানকে থামিয়ে দেয় বা দাবা খেলার ভাষায় চেকমেট করে। এই ঘটনা তুরস্ককে তালাবন্ধ করে দেয় এবং যুক্তরাস্ট্রকে অন্যের কাঁধ থেকে বন্দুক সরিয়ে সরাসরি খেলায় অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করে।

একদিকে সিরিয়ান আর্মি রাকার দিকে অগ্রসর হচ্ছে, অন্যদিকে ইউরোপ ও তুরস্কের মধ্যে ঝামেলা চলছে, এমতাবস্থায় যুক্তরাস্ট্র উত্তর দিক দিয়ে সিরিয়ায় ঢুকে কুর্দিদের আরেকটি অংশ এসডিএফের সাথে মিলিত হয়। মানবিজে যুক্তরাস্ট্র তাদের মেরিন সেনা পাঠায়। আর সিরিয়ান বাহিনীর রাকার দিকে অভিযানকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র রাকা শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরবর্তী শহর তাবকায় বিমানবাহিনী পাঠায়। অন্যদিকে, তারা দক্ষিণ সিরিয়ায় ইজরায়েলি বিমানবাহিনী ও ভাড়াটে জঙ্গীদের দ্বারা আক্রমণ চালিয়ে সিরিয়ান আর্মির মনোযোগ উত্তর সিরিয়া থেকে সরাতে চেষ্টা করে।

যুক্তরাষ্ট্র কুর্দিদের স্বাধীন কুর্দিস্তানের স্বপ্ন দেখায় অর্থাৎ উত্তর সিরিয়া-উত্তর ইরাক দেয়ার লোভ দেখিয়ে তাদের নিজেদের দিকে টানে। ইরাকের মসুল অপারেশন এই লক্ষ্যেই হচ্ছে। বিনিময়ে, কুর্দিরা তাদের অঞ্চল উত্তর- পূর্ব সিরিয়া ও উত্তর-পশ্চিম ইরাক যুক্তরাস্ট্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে দেয়। তুরস্ক কার্ড এখনো খোলা আছে। ইউরোপিয়ানরা যখন সিরিয়ায় পশ্চিমা ক্রুসেডে রাজি হবে, তখন যুক্তরাস্ট্র এই কার্ড ব্যবহার করবে।
রাশিয়া এখন যেটি করতে পারে সেটি হলো, কুর্দিদের অর্ধেক তুরস্ক দিয়ে দেয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে নিজেদের দিকে টেনে নেয়া। 😀

প্রজেক্ট নাম্বার এতো -১

ইহুদীদের অনেক প্রজেক্ট আছে। মুসলমানদের ভেতর। প্রজেক্ট ম্যানেজাররা এক একজন জীবন্ত দরবেশ। কিভাবে বুঝবেন এসব দরবেশ যে ইহুদিদের প্রডাক্ট? সাধারণ মুসলমানদের জন্য তাদের ধরা খুব কঠিন। এরা আপনাকে ঈমানের কথা বলবে, আখিরাতের কথা বলবে। তাহলে কিভাবে চিনবেন তাদের?

(১) যখন দেখবেন তারা ইসলামের একটা বিকৃত রূপকে উপস্থাপন করছে ইসলামের নাম দিয়ে।

প্রথমে কুরআন ও সুন্নাহকে মাত্র একটু বিকৃত করে এবং বলে দ্বীনের স্বার্থে করা হয়েছে। অল্প কয়েকদিন পরেই তারা একটা বিকৃত ইসলাম উপহার দেয়।

(২) যখন দেখবেন ইসলামের নাম দিয়ে তারা তাদের দলের দিকে মানুষকে ডাকছে। তারা বলবে তোমাকে এই এই করতে হবে। এই এই জায়গায় তোমার সময় ও সম্পদ ব্যয় করতে হবে। তারপর একটা মূলো ধরিয়ে দিবে। সেটা চল্লিশ দিন হতে পারে, চল্লিশ বছর হতে পারে।

শিয়া হল ইহুদীদের একটি পুরনো প্রজেক্ট।

যারা সুন্নী তাদের মধ্যে অনেক সাব প্রজেক্ট আছে। যারা বিকৃত ইসলামের দিকে মানুষকে ডাকে। এবং ডাকে নিজেদের দলের দিকে। কৌশলে। অতি কৌশলে।

তাবলীগ জামাত, জামায়াতে ইসলামী, চরমোনাই পীর, আইএস, আল-কায়েদা, আহলে হাদীস, মাদ্রাসা, মডারেট ইসলাম, ওহাবিজম এগুলো সবই সাব প্রজেক্ট। হক্বের অতি কাছাকাছি বা অতি সদৃশ দেখে মানুষ মনে করে আসলেই হক্ব। যদিও কিছু ক্ষেত্রে হক্ব দিয়েই সম্ভবত শুরুটা হয়। ধীরে ধীরে ইহুদীদের অনুপ্রবেশ ও হ্যাকিং শুরু হয়।

সব প্রজেক্টে লাভও আছে, লসও আছে। তাবলীগ জামাত ও মাদ্রাসা প্রজেক্ট দু’টিতে তাদের লাভও বেশী হয়েছে, লসও বেশী হয়েছে।

হাজার হাজার লাখ লাখ মানুষ ইসলামের বেশ ভালো একটা ফ্লেভার পেয়েছে। আবার হাজার হাজার লাখ লাখ মানুষ অপভ্রংশ ইসলামকে আসল ইসলাম মনে করেছে।

সম্ভবত, তবলিগ জামাত প্রজেক্টের প্রয়োজনীয়তা ওদের কাছে ফুরিয়েছে। তাই এই অধ্যায়কে তারা শেষ করতে চাইছে। জাল গুটাচ্ছে। ইসলামের ফ্লেভার দিতেও তারা আগ্রহী নয়।

।।

সাম্প্রতিক সময়ে ক্বওমী সনদকে মাস্টার্সের সমমান করে সম্মান দেয়াকেও ক্বওমী মাদ্রাসার উপর জুয়িশ বা যায়োনিস্ট কন্সপিরেসি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। আমরা দেখতে পাবো ক্বওমীর উপর ইহুদিদের প্রভাব এবং ওহাবী ও সালাফীদের মতো অপর আর একটি নতুন ফেরকা হিসেবে ক্বওমীদের আবির্ভাব।

আগে ভাবতাম কুরআনের এতো বেশী সংখ্যক স্থানে ইহুদীদের শয়তানীর বর্ণনা কেন? কেন বনী ইসরাঈলের এতো আলোচনা ?

আসলে,

ইহুদীদের ষড়যন্ত্র এমন যেন পাহাড়কে টলিয়ে দেয়।

Please Read,

প্রজেক্ট নাম্বার এতো -২

Jewidh Conspiracy