ইয়াহুদি, খৃষ্টান ও মুসলিমদের মধ্যে শেষ যামানা সচেতনতা এবং সাম্প্রতিক ঘটনা

শেষ যামানা নিয়ে সবচেয়ে বেশি সচেতন হল ইয়াহুদিরা। তারা তাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাষ্ট্রিক, অর্থনৈতিক প্রতিটি পদক্ষেপ শেষ যামানার আলোকে নেয়। তারা তাদের বিকৃত ধর্মীয় গ্রন্থ থেকে যতটুকু বুঝেছে সে অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করে। তাদের ব্যক্তিগত চিন্তায়, রাষ্ট্রীয় বা সামাজিক আলোচনায়, মিডিয়ার খবরে শেষ যামানা সম্পর্কিত অনেক আলোচনা থাকে। মাসিয়াখ (দাজ্জাল) অচিরেই আসবে, অমুক রাবাই অমুক ভবিষ্যৎবাণী করেছে, অমুক আশ্চর্য ঘটনা অমুক ধর্মীয় বিষয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে, সুপারমুন, সাবাত, জুবলি ইত্যাদি নিয়ে তাদের বড় বড় মিডিয়া প্রায় খবর করে।

ইয়াহুদিদের চাইতে কম হলেও শেষ যামানা সচেতনতা খৃষ্টানদের মধ্যে অনেক রয়েছে। সাম্প্রতি এমন অনেক ঘটনায় এটা সহজে বুঝা যায়। হুয়াইট ইভেনজালিস্ট খৃষ্টানরা প্রথমে ট্রাম্পকে ভোট দিতে চায়নি কিন্তু যখন ট্রাম্প ইশতেহারে জেরুজালেমকে রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবে বলে উল্লেখ করেছিল, এটা শুনে ৮১% ইভেঞ্জালিস্টরা তাকে ভোট দেয়- কারন তাদের বিশ্বাস হল জেরুজালেম রাজধানী হলে ইসা (আঃ) এর দ্রুত আগমন হবে। এখন তারা প্রচার করছে ট্রাম্পের এমন ঘোষণা আরমোগেডান ও মানব জাতির ধ্বংসকে কাছিয়ে এনেছে। তাদের প্রধান প্রধান মিডিয়া প্রায় এমন নিউজ করে। বড় কোনো অবাক, সংকটপূর্ণ, রহস্যময় ঘটনাকে তারা এপোক্লিপ্স (দুনিয়ার ধ্বংস) ও আরমোগেডন (মহাযুদ্ধ/মালহামা) শব্দ ব্যবহার করে নিউজ করে। আমেরিকার সাথে কোরিয়া, বা রাশিয়া বা চীনের দ্বন্দ্ব ইত্যাদিকে তারা আরমোগেডন বলে নিউজে করেছিল। আমি কোনো কন্সপাইরেসি থিওরি শেয়ারিং নিউজ মিডিয়ার কথা বলছি না, বরং ওয়াসিংটন পোষ্ট, টাইম নিউজ, ইকোনমিক, ফক্স, বিবিসি, সিএনএন ইত্যাদি নিউজের কথা বলছি। যেমন ক্যালিফোরনিয়ার দাবানলের চিত্র তুলে ধরতে ইকোনোমিক্স ‘এপোক্লিপ্ট সিন’ শব্দ ব্যবহার করেছে। অর্থোডক্স খৃষ্টান ইস্পুটিনিক নিউজ করেছে (Trump’s Jerusalem Move ‘Step Closer to Armageddon’ Say US Evangelical Christians)

তাদের মুভি, ডকুমেন্টারি এমনকি গেমসেও এই সব শব্দ অনেক ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন কাহিনিকে আরমোগেডন বা এপোক্লিপ্স এর সাথে জুড়ে দেয়। জেরুজালেমকে রাজধানী করার পরে, অনেক খৃষ্টান তাদের মত শেয়ার করতে গিয়ে এন্টিক্রাইস্ট ও শেষ যামানার কথা উল্লেখ করেছে। তাদের মিডিয়া সি অব গ্যালিলি’র নিউজ করলে অবশ্যই এন্টিক্রাইস্টের কথাও বলে। একই ভাবে উল্লেখ্যযোগ্য মিডিয়া, জেরুজালেমকে শুধু রাজধানী না বলে ‘ইটারনাল (অনন্ত ও চিরস্থায়ী) রাজধানী’ ব্যবহার করেছে। এখানে ইটারনাল বলতে তাদের চিরস্থায়ী বিশ্বাস ও চিরস্থায়ী জান্নাতের বিশ্বাসকে বুঝানো হচ্ছে।

এমনকি তাদের ধর্মীয় গুরু বা রাস্ট্র শাসককে তাদের অনেকে এন্টি ক্রাইস্ট (দাজ্জাল) বা জিসাস (দ্বিতীয়বার আগত জিসাস) মনে করে। ২০১৩ সালের সার্ভেতে বলা হয়েছিল প্রতি ৪ জনের একজন আমেরিকান (২৫%) জনগন বারাক ওবামাকে এন্টিক্রাইস্ট বা দাজ্জাল মনে করে। পোপ ফ্রান্সিস খ্রিষ্টানদের একটি ইবাদতের পদ্ধতি চেঞ্জ করতে বলেছেন, এটা শুনে অনেকে তাকে এন্টিক্রাইস্ট বলে আখ্যায়িত করেছে। এই সব কথা নিউজে তারা ছেপেছে। রাশিয়া যখন সিরিয়ায় আগমন করে এটাকে অনেক মিডিয়া আরমোগেডন শিরোনামে নিউজ করেছিল। ট্রাম্পকে ভোট দেয়ার পিছনে অনেক খ্রিষ্টানরা প্রথমে বিবলিকাল প্রফেসি দিয়ে জাস্টিফাই করেছে, কেউ বলেছে সে এন্টিক্রাইস্ট, কেউ বা বলেছে সে আসলে এন্টি ক্রাইস্ট আসবে। এই সব বিশ্বাস কতটুকু যৌক্তিক তা জানা জরুরি নয় তবে জরুরি হল তারা শেষ যামানা সচেতন মানুষ।

মুসলিম। অত্যন্ত আফসোসের বিষয় পৃথিবীর বলতে গেলে প্রায় সকল ধর্মের মানুষের চাইতে আমরা এই সব নিয়ে কম ভাবি। আমরা পশ্চিমাদের অর্থাৎ ইয়াহুদি খৃষ্টানদের অন্ধভাবে অনুসরন করি কিন্তু আমরা তাদের মত আমাদের সকল বিষয় তথা ব্যক্তিগত, সামাজিক, রাজনৈতিক ইত্যাদি কুর’আন হাদিসের জ্ঞানের আলোকে দেখি না। আমরা মনে করি এই সব কাজে ধর্মের কোন সম্পর্ক নেই। আমাদের মিডিয়া কখনো মালহামা, ইমাম মাহদি, দাজ্জাল, কালো পতকা বাহিনী, সি অব গ্যালিলি ইত্যাদি শব্দ উচ্চারন করে না। এই সব হল সেকেলে, অজ্ঞদের বিশ্বাস!!!!। এমনকি আমাদের আলেমরাও শেষ যামানার জ্ঞানের সাথে যুগের বিভিন্ন ঘটনাকে মিলিয়ে দেখেন না। একজন আলেম নেই যিনি জেরুজালেম বা ইসরাইলের কোন ঘটনার সাথে শেষ যামানার জ্ঞান মিলিয়ে দেখেন। অথচ কিয়ামত ও শেষ যামানার ফিতনা নিয়ে আমাদের কাছে সব চেয়ে বেশি তথ্য রয়েছে। শত শত আলামত হাজারো হাদিস রয়েছে। কিন্তু আমরা ছোট ছোট বিষয় নিয়ে একে অপরের সাথে লড়াই করতে ব্যস্ত। সামগ্রিক উম্মাহ নিয়ে ভাবার কারোর সময় নেই। ভাবটাও এমন থাকে যে এটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পরে না।

মুসলিমদের কোন খ্যাত অখ্যাত মিডিয়া পাবেন না যারা একবারো কোনো ঘটনাকে শেষ যামানার কোনো শব্দ দিয়ে নিউজ করেছে। কোন জনপ্রিয় আলেমেরও সময় নেই এই সব নিয়ে বলার। তারা সি অব গ্যালিলি নিয়ে কিছুই জানেন না। গোল্ড বেসড টাকা চলে গেল তারা জানতেন না, এখন ফালতু মিথ্যা কাগুজে নোট খতম হয়ে আরো বড় ফালতু বোগাস ক্রিপ্টকারেন্সি আসতেছে তারা কিছুই জানেন না। যেহেতু গোল্ড বেসড টাকা জায়িজ ছিল তাই যতই নতুন মুদ্রা ব্যবস্থা আসুক সবই জায়িজ আমরা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাতে পারি এখন। আমার ২৫ বছর পার হল একবারো কোনো খুতবাতে দাজ্জালের নাম শুনিনি। ওলামাদের অবস্থা এমন হলে সাধারনের অবস্থা সহজেই বুঝা যায়। তারা পশ্চিমাদের ফ্যাশন, স্টাইল, এটিটিউড কোপি করতে ব্যস্ত। বর্তমান উম্মাহর যে অবস্থা দাজ্জাল মশাই এমন অবস্থারই অপেক্ষা করছে নিশ্চয়।

উল্লেখ্য যে, সকল আলেম এমন নন। যাইহোক হতাশা বা আফসোস নয়। মুমিনদের জন্য সুসংবাদ রয়েছে। আল্লাহ অবশ্যই মহাপরিকল্পক।সুসংবাদ রয়েছে গুরাবাদের জন্য।

লিখেছেনঃ Kaisar Ahmed

Advertisements

জেরুজালেমের উত্থান, রিক্ত মদিনা, সোনার পাহাড় ও দাজ্জাল

Narrated Mu’adh ibn Jabal:

The Prophet (ﷺ) said: The flourishing state of Jerusalem will be when Yathrib is in ruins, the ruined state of Yathrib will be when the great war comes, the outbreak of the great war will be at the conquest of Constantinople and the conquest of Constantinople when the Dajjal (Antichrist) comes forth. He (the Prophet) struck his thigh or his shoulder with his hand and said: This is as true as you are here or as you are sitting (meaning Mu’adh ibn Jabal).

حَدَّثَنَا عَبَّاسٌ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ ثَابِتِ بْنِ ثَوْبَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَكْحُولٍ، عَنْ جُبَيْرِ بْنِ نُفَيْرٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ يُخَامِرَ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ عُمْرَانُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ خَرَابُ يَثْرِبَ وَخَرَابُ يَثْرِبَ خُرُوجُ الْمَلْحَمَةِ وَخُرُوجُ الْمَلْحَمَةِ فَتْحُ قُسْطَنْطِينِيَّةَ وَفَتْحُ الْقُسْطَنْطِينِيَّةِ خُرُوجُ الدَّجَّالِ ‏”‏ ‏.‏ ثُمَّ ضَرَبَ بِيَدِهِ عَلَى فَخِذِ الَّذِي حَدَّثَ – أَوْ مَنْكِبِهِ – ثُمَّ قَالَ إِنَّ هَذَا لَحَقٌّ كَمَا أَنَّكَ هَا هُنَا أَوْ كَمَا أَنَّكَ قَاعِدٌ ‏.‏ يَعْنِي مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ ‏.‏

: Hasan (Al-Albani) حسن (الألباني) حكم :
Reference : Sunan Abi Dawud 4294
In-book reference : Book 39, Hadith 4
English translation : Book 38, Hadith 4281

সুনানে আবু দাউদে রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সালামের একটি হাদিস আছে। যেখানে তিনি বলিয়াছেন, উমরানু বাইতুল মাক্বদিস খারাবু ইয়াথরিব, ওয়া খারাবুল ইয়াথরিব খুরুজুল মালহামাহ, ওয়া খুরুজুল মালহামাহ ফাতহুল ক্বুসতুনতিনিয়া, ওয়া ফাতহুল কুসতুনতিনিয়া খুরুজুদ দাজ্জাল। তিনি বলিতেছেন, যখন জেরুজালেম উদীয়মান হইবে তখন মদীনার বিনাশ হইবে, মদিনার দালানকোঠাগুলিও ধ্বংস হইবে, পরিত্যক্ত হইবে, রিক্ত হইবে। আর যখন মদিনার এরূপ অবস্থা হইবে তখন তোমরা মালহামার জন্য অপেক্ষা করিবে। যাহা হইবে একটি মহাযুদ্ধ। সুতরাং আমরা সেই সময়ের একেবারে নিকটে আসিয়া পড়িয়াছি। মদিনার দালানগুলিকে সৌদিরা ধ্বংস করিতেছে, ইহা মক্কাতেও করা হইতেছে। আজকে পৃথিবীতে মদিনার কোন প্রভাব লক্ষ্য করা যাইতেছে না। মুসলিম বিশ্বের কোন কিছুতে মদিনা কোন ভূমিকা রাখিতেছে না। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। কাজেই মদিনার দালানগুলো আজকে নিঃসঙ্গ অবস্থায় পড়িয়া আছে। সুতরাং মালহামা একেবারে আমাদের নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে। ইহা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে হইয়া যাইতে পারে। ভয়ংকরভাবে বিপথে চালিত তুর্কি সরকার ন্যাটো কর্তৃক পরিবেষ্টিত হইয়া আছে এবং সিরিয়াতে আক্রমণের প্ররোচনা লাভ করিতেছে। যদি তাহারা সিরিয়া আক্রমণ করে তবে তুরস্কে গৃহযুদ্ধ বাঁধিয়া যাইবে। তখন রাশিয়া তুরস্ক আক্রমণ করিতে দ্বিধা করিবে না। যদি রাশিয়া তুরস্ক আক্রমণ করে তবে পূর্ব ইউরোপ তথা বাইজেন্টাইন রাশার সাথে যোগ দিবে। মুসলমানরা তখন ন্যাটোর হাত হইতে কনস্টান্টিনোপলকে মুক্ত করার জন্য রাশিয়াকে সমর্থন দিবে। ইহাই নবীজী ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সালাম বলিয়াছেন। যখনই রাশিয়ার সাথে ন্যাটোর যুদ্ধ লাগিয়া যাইবে উহাকেই বলা হইবে মহাযুদ্ধ বা মালহামা। কাজেই ইহা অতি সন্নিকটে অবস্থান করিতেছে। সুতরাং সৌদি যা করিতেছে তা দ্বারা রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সালামের ভবিষ্যতবাণীই বাস্তবায়িত হইতেছে। তাহারা দালানগুলিকে ধ্বংস করিতেছে। শুধু তাহাই নহে, যখন ইউএস ডলার সম্পূর্ণরূপে ধ্বসিয়া যাইবে, যাহা ইতিমধ্যেই ধ্বসিয়া গিয়াছে কিন্তু কৃত্রিমভাবে বাঁচাইয়া রাখা হইয়াছে, কাজেই ইহার পরিবর্তে অন্য কিছু আসিতে হইবে। ইউএস ডলার ১৯৭৩ সাল হইতে পেট্রডলার হিসাবে কাজ করিতেছে, যাহা আপনারা আমার রিবা কনফারেন্স অব ইসলাম শীর্ষক পূর্বের লেকচারে শুনিয়াছেন, কিভাবে ইউএস ডলার পেট্রডলারে পরিণত হইল। নবীজী ছাল্লালাহু য়ালাইহি ওয়া সালাম ইহার ভবিষ্যতবাণী করিয়াছিলেন। ইহা আমাদেরই অযোগ্যতা যে আমরা তাহা পড়িতে ও বুঝতে ব্যর্থ হইয়াছি। ইহা আখেরি জামানা সম্পর্কিত হাদীস। তিনি বলিয়াছেন, ফোরাত নদী স্বর্ণের পাহাড় উন্মুক্ত করিয়া দিবে। তিনি ইহা দ্বারা কি বুঝাইতে চাহিয়াছেন? বিশাল তেলের সাগর স্বর্ণের পাহাড়রূপে কাজ করিবে। যখন তেলের সাগর ডলারকে সমর্থন দিবে, (যেমন ইতিপূর্বে মুদ্রা স্বর্ণ দ্বারা সমর্থন পাইয়া থাকিত, এখন তেল দ্বারা সমর্থন পাইতেছে) কাজেই তেল স্বর্ণের পরিবর্তে ব্যবহৃত হইতে থাকিবে। যখন কিং ফয়সাল প্রতারিত হইলেন এবং সিদ্ধান্ত নিয়া বসিলেন তেল একমাত্র ইউএস ডলারের বিনিময়ে বিক্রী করা যাইবে। ইহা কি শরীয়ত বিরোধী হয় নাই? ইহা শরীয়ত বিরোধী হইয়াছে, কারণ ইসলাম ফ্রী এবং ফেয়ার ট্রেডের কথা বলিয়া থাকে। আপনি একমাত্র ডলারের বিনিময়ে তেল বিক্রী করিবেন ইহা কি ফ্রী এবং ফেয়ার ট্রেডের কথা হইল? যখন আপনি মুক্তবাজার বা ফ্রী ট্রেডকে ধ্বংস করিবেন তখন ফেয়ার ট্রেডও উপেক্ষিত হইবে। কারণ ইউএস ডলার তো স্বর্ণের স্থলাভিষিক্ত নহে। যখন ১৯৭৩ সালে কিং ফয়সাল এইভাবে পরাস্ত হইলেন, তখন ইউএস ডলার পেট্রডলারে পরিণত হইয়া উড়িতে লাগিল। পরবর্তী ৪০ বৎসরে ইহার মূল্য উঠিতে লাগিল। এখন যায়োনিস্টরা চাহিতেছে ইহাকে নামাইতে। কাজেই ইহার পরিবর্তে তাহাদের অন্য কিছু বাহির করিতে হইবে। আর সেটা হইল ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মানি যা ব্যাংকিং সিস্টেম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে। কিন্তু এই নতুন মুদ্রাকেও পেট্রমানি হইতে হইবে যাহা তেল দ্বারা সমর্থন পাইবে। আর এই মুদ্রাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ইজরায়েলের একটি পথই খোলা আছে, যদি ইজরায়েল সৌদি আরবের সাথে ঠিক অনুরূপ সম্পর্ক রাখিতে পারে, যাহা পূর্বে ইউনাইটেড স্টেটস রাখিয়াছিল, আর ইহাই আমরা আমাদের চোখের সামনে ঘটিতে দেখিতেছি, যাহা সৌদি ইসরায়েল জোট হিসেবে প্রকাশিত হইয়াছে। যাহা নবীজী ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সালাম বলিয়াছেন, নজদ থেকে শয়তানের শিং প্রকাশিত হইবে। সৌদি শাসক ও তাদের ওহাবী মূল নজদ থেকে আসিয়াছে। সৌদি আজ যে ভূমিকা গ্রহণ করিয়াছে, ইহাতে আমার প্রতিক্রিয়া হইল, সৌদির সাথে জোট গঠন করা সারা পৃথিবীর মধ্যে ইসরায়েলের জন্য সবচেয়ে বড় কৌশলগত জোট হিসেবে প্রমাণিত হইবে। আমি আশা করি ইসলামী বিশ্ব সৌদি ইসরায়েল জোটকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করিতে সক্ষম হইবে। 

 

লেকচারঃ The Ruins in Madina and the Antichrist by Imran Hosein, You Tube Link:
https://www.youtube.com/watch?v=y_l1xjXCJ38

শায়খ ইমরান নযর হোসেন 

অনুবাদঃ আবু মুনতাহা

 

নবী সুলাইমান (আ) এর সিংহাসনে একজন ছদ্মবেশী

পবিত্র কোরান ধর্মীয় ইতিহাসের একটি অনন্য ঘটনাকে প্রকাশ করেছেন যার কোন তুলনা পাওয়া খুবই মুশকিল। এই ঘটনার বর্ণনা আমাদেরকে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছতে বাধ্য করে যে, সুলাইমান (আ) আল্লাহ সুবহানওয়াতালার তরফ থেকে একটি সত্যস্বপ্ন প্রাপ্ত হয়েছিলেন যেখানে তিনি দেখতে পান যে, একজন আত্মাহীন নফছহীন ছদ্মবেশী একদিন তাঁর সিংহাসনে আরোহণ করবে, এবং তারপর পবিত্র ইজরায়েল রাস্ট্র ফিরিয়ে আনার নামে একটি জাল বা মেকি বা ভুয়া রাস্ট্র বানানোর চেষ্টা করবে; ভবিষ্যতের এই অভূতপূর্ব ঘটনার জ্ঞান প্রাপ্ত হওয়ার পরপরই নবী সুলাইমান (আ) আল্লাহ সুবহানওয়াতালার দরবারে একটি অসামান্য দোয়া করেন।

“আমি সোলায়মানকে পরীক্ষা করলাম এবং রেখে দিলাম তার সিংহাসনের উপর একটি জাসাদ বা আত্মাহীন নফছহীন মানবদেহ। অতঃপর সে রুজু হল। সোলায়মান বললঃ হে আমার পালনকর্তা, আমাকে মাফ করুন এবং আমাকে এমন সাম্রাজ্য দান করুন যা আমার পরে আর কেউ পেতে পারবে না। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা।” [সুরা সা’দঃ ৩৪-৩৫]

সুলাইমান (আ) যখন তাঁর সিংহাসনে জাসাদকে দেখলেন, তিনি তখন ধৈর্যের সাথে আল্লাহর দিকে ফিরলেন এবং দোয়া করলেন যে, আল্লাহ যেন তাঁর গুনাহ মাফ করে দেন এবং তাঁর পরে যেন কেউ পবিত্র ইজরায়েল রাস্ট্রের মালিক হতে না পারে।

যখন উপরোক্ত আয়াতদ্বয় একসাথে গবেষণা করা হবে, তখন বোঝা যাবে যে, যখন আত্মাহীন নফছহীন মানবদেহ বা জাসাদকে সুলাইমান (আ) এর সিংহাসনে স্থাপন করা হলো, তখন তিনি আতঙ্কিত হয়ে আলোচ্য দোয়াটি করলেন এ কারণে যে, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এই জাসাদ তাঁর সিংহাসনকে তথা পবিত্র ইজরায়েল রাস্ট্রকে দখল করার চেষ্টা করবে এবং পবিত্র ইজরায়েল রাস্ট্রের নামে পবিত্র ভূমিতে একটি অপবিত্র রাস্ট্র তৈরী করবে। 

আমাদের মত হলো নবী সুলাইমান (আ) জেরুজালেমে তাঁর সিংহাসনে দাজ্জালকে দেখেছিলেন যে পবিত্র ইজরায়েলের নামে ইজরায়েল রাস্ট্র গঠন করে তা শাসন করার মিশনে নামবে। তাই তিনি আল্লাহর দরবারে দোয়া করেছিলেন যাতে দাজ্জালের এই পরিকল্পনা কখনও বাস্তবায়িত না হয়। সুতরাং, যে জাসাদ সিংহাসনে বসেছিল সেই দাজ্জাল!

সুতরাং আমরা বুঝতে পারলাম, দাজ্জাল ফেরেশতাও না, জ্বীনও না; সে একজন জাসাদ বা আত্মাহীন নফছহীন মানবদেহ।

যেহেতু দাজ্জাল একজন জাসাদ যাকে আল্লাহ সুবহানওয়াতালা সুলাইমান (আ) এর সিংহাসনে স্থাপন করেছেন, সুতরাং সে এমন একটি সৃষ্টি যাকে তার মানব সদৃশ শরীরের জন্য মানুষ মনে হবে কিন্তু সে তার নফছ ও আত্মাহীনতার কারণে পরিপূর্ণ মানুষ নয়। যেহেতু তার নফছ নেই, তাই তার কোন স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি নেই, ফলে সে তার কৃতকাজের জন্য দায়ী হবে না এবং বিচার দিবসে ফেরেশতাদের অনুরূপ তার কোন হিসাব-নিকাশ নেই।

যেহেতু দাজ্জাল একজন জাসাদ, তার নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা জ্ঞান নেই। সে নিজে তার জন্য কোন চিন্তা করতে পারে না। তার জ্ঞান ও চিন্তাশক্তি কম্পিউটারের মত বাইরে থেকে প্রোগ্রামড করা। সে রবোটের মত এবং আমরা দাজ্জালকে ভালোভাবে বুঝতে পারব এমনকি তার পদচিহ্ন দেখতে পার আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্সের মধ্যে। দাজ্জালের পদচিহ্ন বর্তমানে সবচেয়ে বেশী পরিমাণে দেখা যাচ্ছে অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় যেখানে সত্যিকারের মুদ্রা স্বর্ণ ও রৌপ্যের জায়গা দখল করে নিয়েছে অর্থনৈতিক জাসাদ তথা আর্টিফিশিয়াল মুদ্রা।

লিখেছেনঃ Md Arefin Showrav

Click below to see the Surah: Surah Soa’d, 34 – 35 

দাজ্জালের পরবর্তী টার্গেট

দখলদার ইহুদিদের পরবর্তী টার্গেট হবে মসজিদুল আকসা ভেঙ্গে ফেলা ও দাজ্জালের থার্ড টেম্পল তৈরি করা।

সুলাইমান (আঃ) এর ইবাদাতগৃহ ইহুদিদের কাছে ফার্স্ট টেম্পল নামে পরিচিত। খ্রিস্টপূর্ব ৫৮৯ অব্দে ব্যাবিলনের রাজা জেরুজালেম অবরোধ করেন এবং খ্রিস্টপূর্ব ৫৮৬ অব্দে ফার্স্ট টেম্পল ধ্বংস করে ফেলা হয়। ইহুদিদেরকে ঐ সময় ব্যাবিলনে নির্বাসিত করে দেওয়া হয়েছিল। ব্যাবিলনের পতনের পর খ্রিস্টপূর্ব ৫৩৯ অব্দে পারস্যের রাজা সাইরাস দ্য গ্রেট ইহুদিদের কিংডম অফ জুডাতে ফিরে আসার অনুমতি দেন। হিব্রু বাইবেল অনুযায়ী ৫৩৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সেকেন্ড টেম্পল নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৬৬ খ্রিস্টাব্দে ইহুদিরা রোমান সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করে। অতঃপর ৭০ খ্রিস্টাব্দে রোমান সেনাবাহিনী সেকেন্ড টেম্পল ধ্বংস করে ফেলে।

২০০০ বছর ধরে ইহুদিরা তাদের স্বপ্নের থার্ড টেম্পল বানানোর আশায় বসে আছে। থার্ড টেম্পল তৈরি না করতে পারলে কোন ইহুদিই দাজ্জালকে প্রতিশ্রুত মাসিহ হিসাবে মেনে নেবে না। দাজ্জালকে অবশ্যই ইহুদিদের স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনতে হবে। “মসিহ, বিধাতার জন্য একখানা গৃহ নির্মাণ করবেন” (বাইবেলের পুরাতন নিয়ম, ১ খান্দাননামা ১৭:১১-১৫)। আর ইহুদিদের বিশ্বাস তাদের উপাসনালয়ের অবস্থান টেম্পল মাউন্টে, ঠিক যেখানটায় মসজিদুল আকসা অবস্থিত।

থার্ড টেম্পলের নকশা রেডি করে ফেলেছে ইহুদিরা। থার্ড টেম্পলের জন্য বিভিন্ন ঐতিহাসিক জিনিসপত্র তাদের দরকার, বিভিন্ন মূল্যবান পাথর ইত্যাদি। তাদের কিং মেসায়াহকে বরণ করতে ও অভিষিক্ত করতে পবিত্র তেল দরকার যা হিব্রু বাইবেলে বর্ণিত গাছগাছড়া থেকে বানাতে হয়। কাগজের মুদ্রা টেম্পলে ব্যবহার করা হারাম, টেম্পলে ব্যবহার করতে হবে রৌপ্য মুদ্রা। এসব কিছু রেডি করে ফেলেছে ইহুদিরা। তাদের টেম্পল ইন্সটিটিউট জোরেশোরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

লিখেছেনঃ Ashrafuzzaman Tusher

Jubilee Patterns Revealed

 

দাজ্জালের আগমনের একটি পূর্বশর্ত বাস্তবায়ন হয়েছে- জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণা করা হল-

জুবলি ইয়ার-

১৯১৭ – দুই হাজার বছর পরে ইয়াহুদিরা পবিত্রভূমিতে ফিরে আসে। ৫০ বছরের পরের জুবলি ইয়ার
১৯৬৭- দুইহাজার বছরে প্রথমবার জেরুজালেম/ বাইতুল মাকদিস ইসরাইলের দখলে আসে। ৫০ বছরের পরের জুবলি ইয়ার
২০১৭- দুই হাজার বছর পরে জেরুজালেম আবারো ইয়াহুদিদের রাজধানী হয়েছে।

রাবাই জনাথন চ্যান দীর্ঘদিন ধরে দাবী করছিলেন- এই জুবলিতে অবশ্যই ইয়াহুদিদের জন্য একটি সুসংবাদ অপেক্ষা করছে। অবশ্যই মাসিহার আগমন নিকটতর হচ্ছে এটাই হবে সেই সুসংবাদ। ইয়াহুদিদের মতে মাসিহাকে আসতে হলে অবশ্যই জেরুজালেমকে ইয়াহুদিদের রাজধানী হতে হবে। ট্রাম্পকে ক্ষমতায় বসানোর পিছনে অনেক কারন আছে, তার মধ্যে যায়নিস্টরা ট্রাম্পকে দিয়ে জেরুজালেমকে রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়াবে এটিও একটি কারন। ইশতেহারে ট্রাম্প ঘোষণা করেছিল অবশ্যই সে জেরুজালেমকে ইয়াহুদিদের রাজধানী বানাবে।

দাজ্জালের আগমনের একটি ধাপ পূর্ণ হল আজ। ২০১৪তে ‘দাজ্জালের মহাফিতনা ও বর্তমান বিশ্ব’ সিরিজের ৩য় পর্বে আমি এটা লিখেছিলাম। যাইহোক আমরা মুসলিমরা হয়তো এখনো ঐক্য গড়ব না। দেখাযাক ইরান আর টার্কি এখন কি করে। সৌদি কি করবে তা পূর্ব থেকে অনুনেয়। শিশু ইসরাইল এখন যৌবনে উপনিত হয়েছে, দাজ্জালকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত হয়েছে। সি অব গ্যালিলির পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে। আমরা মুসলিমরা ঘুমিয়ে আছি, কায়ামাত? তা তো হাজার বছর দূরে। দাজ্জাল? এই সব খবরের সাথে দাজ্জালের নাম এলো কেন? যাদের মনে এই সব ফালতু প্রশ্ন আসে, যারা সি অব গ্যালিলির সাথে হাদিস মিলিয়ে দেখেন না, যারা কুর’আনে জেরুজালেম নিয়ে কিছুই খুঁজে পান না, তাদের উচিত কম্বল চেপে ঘুমিয়ে থাকা। আর হ্যা জনাথনের কোনো ভবিষ্যতবাণী পূরণ হয় নি বরং এটা প্রি প্ল্যান্ড অয়েতে করা হয়েছে।

পড়ুনঃ
The Prophecy of Ten Jubilees

লিখেছেনঃ Kaisar Ahmed

The Prophecy of Ten Jubilees

যুগে যুগে বহু ইয়াহুদি পণ্ডিত তাদের ধর্মগ্রন্থ থেকে মাসিয়াহ’র আগমনের ও দাজ্জালী যুগের সঠিক সময় নির্ণয় করার চেষ্টা করেন। ইয়াহুদিদের মাঝে সবচেয়ে জনশ্রুত ও গ্রহণযোগ্য এমন রাবাইদের মধ্যে অন্যতম হলেন রাবাই জুদাহ বেন সেমুয়্যাল । ১২ শতাব্দীতে এই জার্মান রাবাই বাইবেলের গুননা ও ভবিষৎবাণীর চরণের সাহায্যে দাজ্জালের সময়ের ভবিষৎবাণী করেন। এটি পঞ্চাশ জয়ন্তীর দৈববাণী (The Prophecy of Ten Jubilees) নামে পরিচিত। রাবাই জুদাহ বেন সেমুয়্যাল বলেন-

“তুর্করা (উসমানীয় খিলাফত) জেরুজালেম দখল করবে, জেরুজালেমে তাদের শাসন হবে ৮ জুবলি পর্যন্ত। তারপর জেরুজালেম শাসনহীন বা নো-ম্যান ল্যান্ড হিসেবে থাকবে ১ জুবলি। নবম জুবলির সমাপ্তিতে জেরুজালেম পুনরায় ইয়াহুদিদের দখলে আসবে। এরপরেই (১ যুবলির পরে) মেসিয়ানিক যুগের প্রারম্ভ হবে”। –(March, 2008 in Israel Today on page 18)

জুদাহ বেন সেমুয়্যাল ১২১৭ সালে মারা যান। তার মৃত্যুর পুরো ৩০০ বছরে পরে ১৫১৭ সালে তুর্করা (উসমানি খিলাফত) মামলুক সালতানাতকে পরাজিত করে জেরুজালেম দখল করে। এখান থেকে শুরু হয় সেমুয়্যালের দৈববাণী। ১৯১৭ সালে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয়ে জেরুজালেম উসমানি খিলাফতের বেদখল হয়। জেরুজালেমে উসামানিরা পুরো ৮ জুবলি (৫০*৮=৪০০ বছর) রাজত্ব করেছিল। এর পরের এক জুবলি বা ৫০ বছর (১৯১৭-১৯৬৭) বেদখল ও বিতর্কিত ভূমি হিসেবে আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে ছিল। ১৯৪৮ সালে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হলেও জেরুজালেম ইসরাইলের অংশ ছিল না। ১৯৬৭ সালে আরব-ইসরাইলের ৬ দিনের যুদ্ধ শেষে ইসরাইল জেরুজালেম দখল করে। এটা এমন ভাবে থাকবে এক জুবলি (৫০ বছর) অর্থাৎ ২০১৭ সাল পর্যন্ত। এর পরের জুবলিতে কি হবে সেমুয়্যাল তা স্পষ্ট করেনি তবে তার ছাত্ররা বলে এর পরের জুবলিতেই মাসিহার আগমন হবে। সেমুয়্যালের ৮ শত বছর আগের সকল দৈব্যবাণী অক্ষরে অক্ষরে সত্য হয়েছে ও হচ্ছে এবং হবে বলে ইয়াহুদিরা বিশ্বাস করে। তার ছাত্ররা যখন তাকে জিজ্ঞাস করল, ‘এই অন্তর্দৃষ্টি আপনি কোথায় পেলেন?’ সেমুয়্যালে বলল- “নবী এলিজাহ (ইলিয়াস আলাহিস সালাম) প্রতীয়মান হয়ে (এই সকল বিষয় গুলো) অনাবৃত করছেন”

উল্লেখ্য যে, ইয়াহুদিদের মধ্যে অনেক দল-উপদল রয়েছে। বিশেষ করে শেষ যামানা বিষয়ে এরা ভিন্ন ভিন্ন বিশ্বাসে বিশ্বাসী । কিছু এমন রয়েছে যারা দাজ্জাল আসবে বলে বিশ্বাস করে না, কিছু ইসরাইল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে, তেমনি কিছু ইয়াহদি উপরিল্লিখিত বিষয়কে অস্বীকার করে। রাবাই সেমুয়্যালেরও নিজস্ব আলাদা বিশ্বাস ছিল।
.
(মেসিয়ানিক সিরিজের একটি অনুচ্ছেদ থেকে)

#দাজ্জালের_মহাফিতনা_ও_বর্তমান_বিশ্ব

লিখেছেনঃ Kaisar Ahmed

Samerian knowledge

Many people now a days are heavily dipped in Samerian knowledge. Sameri, narrated in the Quran, a Jewish man, who invented the image of a calf, when Moses (a) had gone to the mountain. So they have become unable now to appreciate Quranic Knowledge. Because Sameri invented a thing which had got some scientific logic. But Quran offer many things that are beyond scientific appreciation.