সদর দরজা যখন খোলা চোরের তখন পোয়াবারো

garagedoor

Install Security Cameras; Even Fake ones will Work!

আপনি যখন ৩০ হাজার টাকা দিয়া একটা কম্পিউটার কিনিলেন তখন প্রথমেই মনে হইল ভালো একটা এন্টিভাইরাস কিনিতে হইবে। যাহাতে হ্যাকাররা আপনার কম্পিউটারের ভেতর ঢুকিয়া আপনাকে মিসগাইড করিতে না পারে, আপনাকে ফাকি দিয়া আপনার দলিল দস্তাবেজ লইয়া যাইতে না পরে। সামান্য দুনিয়াবী ক্ষণস্থায়ী যাহা ডিলিট বাটনে টিপ দিলেই মুছিয়া যায় এমন দুই চারি হাজার ডাটা নিরাপদ রাখিবার জন্য আপনি ৭০০ টাকা খরচ করিয়া এন্টিভাইরাস কিনিয়া ফেলেন। আবার কয়েক দিন পর পর ইহাকে আপডেটও করেন।

৩০ লক্ষ টাকা দিয়া একটি বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনিয়া আপনি ইহার নিরাপত্তার জন্য মাসিক ৭০০০ টাকা বেতন দিয়া একজন ভালো ও বিশ্বস্ত দারোয়ান রাখিয়া লইলেন। ইহাতেও আপনি খুশি হইলেন না। তাই টেলিফোনের ডাইরেক্টরীতে থানার ওসির নাম্বার ও ফায়ার ব্রিগেডের নাম্বার লাল কালিতে দাগ দিয়া রাখিলেন, যেন প্রয়োজন হইলে সাথে সাথে খুজিয়া পাইতে বিলম্ব না হয়।

ইহা তো গেল দুনিয়াবী হাকীকত। আল্লাহ্‌ তায়ালা কি করিয়াছেন? আর তিনি কুরআনের মাধ্যমে আমাদের কি রকম নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা জানাইয়াছেন?

হযরত জিবরাঈল আমীন ফেরেশতা যখন কুরআনের আয়াত লইয়া আল্লাহ্‌র রাসূল হযরত মুহাম্মাদ ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে আসিতেন, আল্লাহ্‌ বলিতেছেন, এ সময় শয়তানকে কুরআন শ্রবণের সুযোগ থেকেও দূরে রাখা হইয়াছে। কি হইত শয়তানকে কুরআন শ্রবনের সুযোগ দিলে ? জিবরাঈল আমীন য়ালাইহিস সালামের উপর কি আল্লাহ্‌র আস্থা নাই ! তা নহে। আল্লাহ্‌র আস্থা ঠিকই আছে। কিন্তু তিনি নিরাপত্তা ব্যবস্থার আয়োজন করিয়াছেন। আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেন, কুরআনকে আমি প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়তান থেকে রক্ষা করেছি। তবে শয়তানদের কেউ যদি চুরি করে সংবাদ শুনে পালায় তাহলে জ্বলন্ত উল্কা পিন্ড তার পশ্চাদ্ধাবন করে। দেখুন সূরা শু’আরা ও সূরা হিজর ।

আর আমরা দ্বীনের মেহনতের জন্য বিভিন্ন প্রচেষ্টা খুলিয়া বসিয়াছি। আমরা মাদরাসা বানাইয়াছি, পীরের খানকাহ গড়িয়াছি, তবলীগের মারকাজ প্রতিষ্ঠা করিয়াছি। কিন্তু আমাদের কোন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নাই। কোন ইহুদী বা খ্রিস্টানকে শয়তান যেন প্ররোচনা দিতে পারে না, আমাদের প্রচেষ্টাগুলোকে হ্যাক করতে।

আমরা ইহুদী বিষয়ে মাথা ঘামাইতে চাহি না। আমরা শুধু আমাদের তিলে তিলে গড়ে তোলা মেহনতগুলোর বর্ধিত কলেবর দেখিয়াই প্রশান্তি লাভ করি। কিন্তু তাহার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করি নাই। শত শত বছর ধরে তাহা খোলা ময়দানে খোলা পড়িয়া রহিয়াছে।

যখনই কেহ মহানবী রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লামের কোন শিক্ষাকে কাটছাট করিয়াছে বা নিজের মনমতো আকৃতি দিয়াছে আমরা ভাবিয়াছি ইহা আমাদের ভালোর জন্যই করা হইয়াছে। টুপী পাগড়ী ঘন দাড়ি দেখিয়া বিগলিত হইয়া গিয়াছি।

আমরা ভুলিয়া গিয়াছি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে এমন ভাইরাসই আক্রমণ করবে যা উইন্ডোজের সাথে মানানসই। একসময় তা পুরো সিস্টেমকে নিজের কব্জায় পুড়িয়া লয়।

ইহুদীরা ইহুদী নাম দিয়া মুসলমানদের কেন হ্যাক করিতে যাইবে !! তাহারা মুসলমানদের দরদী হইয়া মুসলমানদের সিস্টেমে ঢুকিয়া পড়িবে। ইহা বুঝিতে কি আলেম হইতে হয়? পিএইচডি ডিগ্রী দরকার হয়?

……।

ইমাম মাহদী য়ালাইহি সালাম যখন আসিবেন তাহাকে কেহ চিনিতে পারিবে না। তিনি আল্লাহ্‌র শেখানো নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি গুরুত্ব দিবেন। ৪০ বৎসর কাল তাহাকে কেহ সনাক্ত করিতে পারিবে না। যখন তিনি প্রকাশিত হইবেন তখনও প্রকৃত মুসলমান ছাড়া কোন ইহুদী খ্রিস্টান শয়তানের এজেন্ট তাহার কাছে ঘেঁষিতে পারিবে না।

পুনশ্চঃ

যেইসব আলেমরা ফতোয়া দেয়, হ্যাঁ, আপনি আপাতত ব্যাংকের চাকরী করিতে থাকুন, পাশাপাশি অন্য চাকরী দেখুন। সময় সুযোগ মতো ব্যাংকের চাকরী ছাড়িয়া দিলেই হইবে।

ইহাদের থেকে সাবধান হউন। এই ফতোয়ার অর্থ হইল,

আপনি আপাতত আপনার মায়ের সাথে জেনাহ করতে থাকেন। একসময় ভালো বউ পাইলে কালেমা পড়ে বিবাহ কইরে ফেইলেন।

অথবা আল্লাহ্‌র ও তার রাসূলের সাথে আপনি যে যুদ্ধ ঘোষনা করিয়াছেন ইহা বহাল থাকুক। সময়মতো যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকে ভাগিয়া যাইয়েন।

– আসলে এই সকল আলেমদের মগজের ভেতর ইহুদীদের মগজ এমনভাবে বসিয়া গিয়াছে যে ইহুদীদের সেই আদি ও সনাতন সুদী ব্যবস্থাও তাহাদের সামান্য বিচলিত করিতেছে না।

Advertisements

আল্লাহ্‌র ওলী

লিখেছেনঃ Bashir Mahmud Ellias

চরমোনাইর মাহফিলে আল্লাহপ্রেমের গজল শুনে যাদেরকে নাচানাচি করতে দেখছেন, নিশ্চিত ভাবেই তারা আল্লাহ্‌র ওলী / আল্লাহ্‌র পাগল। আল্লাহর ওলী হওয়ার জন্য বড় মাওলানা বা পীরসাহেব হওয়া কোন শর্ত না, তারা দেওবন্দ বা আল আযহারে না পড়লেও আল্লাহ্‌ নিজের তরফ থেকেই তাদের অন্তরে প্রকৃত জ্ঞান ঢেলে দেন। ইউটিউবে দেখলাম, তাদের নাচানাচি দেখে অনেকে সাংঘাতিক আপত্তিকর ভাষায় তাদেরকে গালাগালি দিচ্ছেন এবং কুফরী-শিরকী ইত্যাদি ফতোয়া দিচ্ছেন। আমার কথা হলো, নিজের মাথা ভর্তি গোবর নিয়ে কখনও আল্লাহ্‌র ওলীদের সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করে নিজের ওপর আল্লাহ্‌র গযব ডেকে আনবেন না। মনে রাখবেন, মাত্র দুইটি পাপকে আল্লাহ্‌ সোবহানাহু তায়ালা তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বলে অভিহিত করেছেন – তার একটা হলো সুদ লেনদেন করা এবং অন্যটা হলো আল্লাহ্‌র ওলীদের বিরুদ্ধে শত্রুতা করা। যারা আল্লাহ্‌র সত্যিকার প্রেমিক তাদের সামনে কেউ আল্লাহ্‌ প্রেমের উদ্দীপনামূলক কথা বললে তাদের প্রেমসাগরে তুফান ওঠে যায়।

তখন তাদের নিজেদের ওপর কোন নিয়ন্ত্রন থাকে না; লাফালাফি-চিৎকার-দৌড়ঝাফ করতে থাকেন । আর যারা উচ্চস্তরের ওলী, তারা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তখন তারা কেবল চুপ করে বসে থেকে চোখের পানিতে বুক ভাসাতে থাকেন। যারা জাহান্নামের আগুনের ভয়ে অথবা বেহেশতের হুর-পরীদের বিয়ে করে মজা করার লোভে আল্লাহ্‌র ইবাদত করেন, তারা এই প্রেমের জগতের কিছুই বুঝবেন না এবং আল্লাহ্‌র প্রকৃত মর্যাদা বুঝতেও তাদের অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে। যারা বলেন, তারা নাচানাচি করে কিন্তু আগুনে কেন ঝাপ দেয় না, ইলেকট্রিক তার কেন গায়ে জড়ায় না। এর কারণ হল, সম্ভবত তাদের আধ্যাত্মিক স্তর এতো উঁচুতে উঠে নাই। যদি উঠত তাহলে তারা তাও দিতে পারত। রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লামের এক সাহাবী বিসমিল্লাহ বলে বিষ পান করিয়া ফেলেছিলেন। ইহাতে তার কিছুই হয় নাই। সাধারণ জ্ঞানে এরকম করা তো এক প্রকার পাগলামিই। এবং গুনাহের কাজও। কিন্তু ইহাতে না তাহাকে কেহ পাগল বলিবে, না ইহাকে গুনাহের কাজ বলিয়া সাব্যস্ত করিবে আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসুলের প্রেমে উন্মত্ত হয়ে কেউ যদি কোন শরীয়ত বিরোধী কাজও করে ফেলে তাতে কোন গোনাহ হয় না ।

হজরত হাসান ইবনে আলী রাঃ হজ্বের উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে চলছিলেন, সওয়ারী তাঁর সঙ্গেই চলছিল। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে রাসুলুল্লাহর পুত্র, আপনি কি সওয়ারীতে আরোহন করবেন না? তিনি বললেন, না, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মুখে শুনেছি, তিনি বলেন, যার দুই পা আল্লাহর রাস্তায় ধূলিময় হবে, জাহান্নামের আগুন সেগুলো স্পর্শ করবে না। [১] – আজ এটা করলে (সওয়ারীকে খালি রেখে নিজে হেঁটে গেলে) তো অনেকে পাগল বলবে। হাদীসে এসেছে এমনভাবে জিকির করা উচিৎ যেন লোকে পাগল বলে। [২] – ওহাবীজম ইসলামের আত্মা নষ্ট করে শুধু খোলসটা রেখে দিয়েছে।

আপনাদের নিশ্চয় মনে আছে যে, হুদায়বিয়ার সন্ধির সময় রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তাঁর নাম থেকে রাসুলূল্লাহ শব্দটি কেটে দেওয়ার জন্য হযরত আলী (রাঃ)-কে হুকুম করেছিলেন আর হযরত আলী (রাঃ) সেই হুকম অমান্য করেছিলেন। অথচ রাসুলের হুকুম অমান্য করা মস্ত বড় গোনাহ (কুফরী)। তেমনি ভাবে হযরত ওসমান (রাঃ)-কে যখন কাফের সরদাররা হজ্জ করে যেতে আহ্ববান করেছিলেন, তখন তিনি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-কে হুদায়বিয়ার মাঠে রেখে একা একা হজ্জ পালন করতে অস্বীকার করেন। এটা ছিল আল্লাহ্‌র হুকুম অমান্য করার শামিল ; কেননা আল্লাহ্‌ বলেছেন যার কাবা ঘর পর্যন্ত পৌছার সামর্থ আছে সে যেন অবশ্যই হ্জ্জ আদায় করে। যেহেতু আল্লাহ্‌ এবং আল্লাহ্‌র রাসুলের প্রতি ভালবাসার কারণেই তারা এই আদেশ অমান্য করেছিলেন, তাই আল্লাহ্‌ এবং আল্লাহ্‌র রাসুল তাদের কাজে অসন্তুষ্ট হন নাই। কাজেই আমি বলব, আসুন আমরা দুয়েকটা ইসলামী বইয়ের বাংলা অনুবাদ পড়ে ইসলাম সম্পর্কে পন্ডিতের মতো কথা বলার বিপজ্জনক অভ্যাস ত্যাগ করি। আল্লাহ আমাদেরকে হেফাজত করুন । চরমোনাইয়ের আকীদা বা তরিকা নিয়ে বিতর্ক থাকতেই পারে কিন্তু তাই বলে আল্লাহপ্রেমের গজল শুনে যাদের প্রেমসাগরে ঢেউ উথলে উঠে আর তা তাদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা না থাকে তাদের সম্পর্কে উক্তি করার বিষয়ে সাবধান হই। আমিন।

[ব্লগ এডমিন দ্বারা সম্পাদিত ও পরিমার্জিত]


টীকাঃ

[১] 

_ قال الإمام السرخسي في شرح السير الكبير و نظير هذا ما روي عن الحسن بن علي رضي الله عنه أنه كان يمشي في طريق الحج ونجائبه تقاد الي جنبه فقيل له :ألا تركب يا ابن رسول الله ؟ فقال لا اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول من اغبرت قدماه في سبيل الله تعالى لم تمسهما نار جهنم . أخرجه ابن أبي شيبة في مصنفه

ইমাম সারাখসী রহঃ শরহে সিয়ারে কবীরে বর্ণনা করেন, হজরত হাসান ইবনে আলী রাঃ হজ্বের উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে চলছিলেন, সওয়ারী তাঁর সঙ্গেই চলছিল। তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে রাসুলুল্লাহর পুত্র, আপনি কি সওয়ারীতে আরোহন করবেন না? তিনি বললেন, না, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মুখে শুনেছি, তিনি বলেন, যার দুই পা আল্লাহর রাস্তায় ধূলিময় হবে, জাহান্নামের আগুন সেগুলো স্পর্শ করবে না।

হাদীসটি আরও বর্ণনা করেছেন ইমাম ইবনে আবি শায়বা রহঃ তার মুসান্নাফে, কিতাবুল হজ্ব অধ্যায়ে। হাফেজ মিজ্জি রহঃ তাহজীবুল কামালেও তা বর্ণনা করেছেন। হজরত ইবনুল জাওযী রহঃ সাফওয়াতুস সাফওয়াতেও তা বর্ণনা করেছেন।

[২] এমনভাবে জিকির কর যেন লোকে পাগল বলে। কেউ কেউ বলেন যয়ীফ হাদীস। কেউ কেউ সনদসহ উল্লেখ করেন। দুই ধরনের পণ্ডিতদেরই রেফারেন্স দিলাম।

হাদীসে এসেছে-

عن أبي سعيد الخدري عن رسول الله صلى الله عليه و سلم قال : أكثروا ذكر الله عز و جل حتى يقال إنه مجنون(مسند عبد بن حميد، من مسند أبي سعيد الخدري، رقم الحديث-925)

অনুবাদ-হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-তোমরা অধিক পরিমাণ আল্লাহর জিকির কর যেন লোকেরা তোমাদের পাগল বলে। (মুসনাদে আব্দ বিন হুমাইদ, হাদীস নং-৯২৫, সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস নং-৮১৭, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-১১৬৫৩, শুয়াবুল ঈমান, হাদীস নং-৫২৩)

জিকির জোরে করা নিষেধ?

এমনভাবে জিকির কর যেন লোকে পাগল বলে

তাযকিয়া

একজন আলেম তার শায়খের কাছে যাচ্ছেন। ব্যস্ততার কারণে বহুদিন সাক্ষাৎ হয়নি। তাই নিজেকে অপরাধী ভাবছিলেন। আবার এটাও মনের মধ্যে আছে যে অনেক দিন পর যাচ্ছি হুজুর কি মনে করেন। তাই ভাল কিছু ফল হাদিয়া দেয়ার জন্য কিনলেন। অনেকদিন পর শায়খ তাকে দেখে খুশি। কুশলাদী বিনিময় হলো। তিনি হাদিয়া বাড়িয়ে দিলেন। শায়খ বললেন, অনেকদিন পরে এসে তুমি নিজেকে অপরাধী মনে করছ, ঠিক? আসামী কি পারে বিচারককে কিছু দিতে? যদি কিছু দেয়া হয় তা-তো ঘুষ। আর আমি ঘুষ খাই না।

সুবহানআল্লাহ। কিভাবে শায়খ তার মুরীদদের তরবীয়ত দিচ্ছেন!

অনেকে বলেন কার কাছে যাব। যদি এরকম কাউকে পান তবে নির্দ্বিধায় তার কাছে যেতে পারেন। ইনশাআল্লাহ পরিশুদ্ধ হবেন।