আমার সুন্নী পরিচয়

আমার দুনিয়ার পরিচয়ে কি আসে যায়? আখিরাতের পরিচয়ই আসল পরিচয়। সুন্নি পরিচয় দিলে দুনিয়ায় কিছু লাভ হতে পারে। দ্বীনী মহলে খাতির হবে। আখিরাতে কি লাভ হবে? হানাফী পরিচয় দিলেই বা আখিরাতে কি লাভ হবে? আখিরাতে জিজ্ঞাসা করা হবে, তোমার দ্বীন কি? বলতে হবে, ইসলাম। দুনিয়ায় সুন্নি পরিচয় দিলাম, হানাফী পরিচয় দিলাম, আর কাজ করলাম কাফেরের তাহলে? আল্লাহ্‌ ইহুদি খ্রিস্টান চক্রের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছেন। আমার দিন চলে তাদের কোলে মাথা রেখে। আল্লাহ্‌ বলেন, তাহলে তুমি তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ্‌ বলেন, ও মু’মিন, তুমি মুসলমান না হয়ে কবরে এসো না। শুধু মু’মিন বা ঈমানদার হলে হবে না, মুসলমান হতে হবে, কবরে যাওয়ার পূর্বে। আমরা শীয়া সুন্নি হানাফি তবলিগী মাযহাবি লা-মাযহাবি অমুক পীরের মুরিদ ইত্যাদি হয়ে কবরে যাই। কয়জন মুসলমান হয়ে কবরে যাই? হানাফী পরিচয় দিলাম আর চাকরি করলাম ব্যাংকে। আল্লাহ্‌ বলেন, যারা এরপরও সুদের টাকা গ্রহণ করবে তারা জাহান্নামে থাকবে, আর কোনদিনও বের হতে পারবে না। চিরজীবন জাহান্নামে থাকবে। অথচ আমরা সুদি ব্যংকে জামাত করে যোহরের সালাত আদায় করি আর সারাদিন সুদের টাকা গ্রহণ করি ও বিতরণ করি। কি হবে সালাতে পেটের উপরে বা বুকের উপরে হাত বাধলে? আমীন জোরে বললে বা আস্তে বললে? আল্লাহ্‌ বলেন, চিরদিন এরা জাহান্নামে থাকবে।

।।

(দেখুন, সূরা মায়েদা ৫১ নং আয়াত, সূরা আল ইমরান, ১০২ নং আয়াত ও সূরা বাক্বারা ২৭৫ নং আয়াত)

হ্যামফারের ডায়েরী

হ্যামফার কাজ করেছে সুন্নী মুসলিমদের উপর। সে ডায়েরী লিখেছে যা কোনভাবে প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় সাড়া দুনিয়া জেনে যায় তাদের অপকর্ম। কাজেই যাদেরকে আমরা সুন্নী মনে করি তা আসলে হ্যামফারী ইসলাম ছাড়া আর কিছুই নয়। একইভাবে শীয়াদের উপরও নিশ্চয়ই অন্য কোন গোয়েন্দা কাজ করেছে। বৃটিশ কমনওয়েলথ মন্ত্রণালয় তো মাত্র একজন গোয়েন্দা এমপ্লয় করে নাই। নিশ্চয়ই শত শত হাজার হাজার গোয়েন্দা ছিল তাদের। সবাই তো আর তাদের গোয়েন্দাগিরির ডায়েরী লিখে নাই। আর লিখলেও সবার ডায়েরী প্রকাশও পায় নাই।

তারাই মুসলিমদের মধ্যে জাতীয়তা বাদ সৃষ্টি করেছে।

শীয়া বলেন আর সুন্নী উভয়টার মধ্যে আছে ইহুদী ও খ্রিস্টানদের আদর্শ। আজকে আপনার আমার জন্ম যদি ইরানে হতো আপনি আমি হতাম এক নম্বর শিয়া। এখন বাংলাদেশে জন্ম হওয়ায় এক নম্বর সুন্নী। আসলে রাসূল সা ও সাহাবা রাযি দের আদর্শ থেকে সবাই দূরে। কাজেই শিয়া বলেন আর সুন্নী বলেন সেগুলো জাতীয়তাবাদ ছাড়া আর কিছুই নয়।

রাসূল ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমরা ইহুদী ও খ্রিস্টানদের অনুসরণ করবে গজে গজে বিঘতে বিঘতে। সেটাই করছে হ্যামফারী সুন্নী ও সাবাঈ শিয়ারা। হ্যামফার ছিল খ্রিস্টান ও ইবনে সাবা ছিল ইহুদী।

a-british-spy-hempher

বাংলায় বইটি প্রকাশ করেছে জ্ঞানকোষ প্রকাশনী (ফোন নাম্বার – 01711271718)। পাওয়া যেতে পারে রকমারিপড়ুয়াতে।

হ্যামফারের ডায়েরী

আলহামদুলিল্লাহ, পুরনো বইয়ের ভিড়ে হ্যামফারের ডায়েরী বইটি পেয়ে গেলাম। তিনি একজন বৃটিশ গোয়েন্দা ছিলেন। কিভাবে ইরাকের বসরায় সাক্ষাৎ হওয়া নজদের মোহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাব এবং দরিয়ার আমীর মোহাম্মদ বিন সৌদ – এই দুই মোহাম্মদকে ট্রেনিং দিয়ে লা-মাযহাবী ও ওয়াহবী মতবাদ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছিল তার শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনী। প্রকৃতপক্ষে লা-মাযহাবী ও ওয়াহাবী শেষ যুগের ইসলামের প্রতিষ্ঠিত ধর্মমত যার প্রধান আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু ছিল ইসলামের পূর্ববর্তী যুগের দুটি মত শিয়া ও সুন্নীদের বিভেদকে আরো উস্কে দেওয়া এবং সুন্নীদের মাযহাবগত পার্থক্যকে বিভেদ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। এভাবে ইসলামের পূর্বতন সব কাজকে বাতিলের খাতায় ফেলে দেওয়া। লা-মাযহাবী ও ওয়াহাবী মতবাদ বুঝতে পারার অর্থ হল ইসলামের শেষ যুগের মতবাদ বুঝতে পারা। তারা প্রথম যুগের ইসলামের প্রতিটি ভিত্তির মূলে আঘাত করেছে এবং অবশ্যই তা বৃটিশ গোয়েন্দাদের নির্দেশনায়।

a-british-spy-hempher

বাংলায় বইটি প্রকাশ করেছে জ্ঞানকোষ প্রকাশনী। পাওয়া যেতে পারে রকমারি ও পড়ুয়াতে।

বাংলায় বইটি প্রকাশ করেছে জ্ঞানকোষ প্রকাশনী (ফোন নাম্বার – 01711271718)। পাওয়া যেতে পারে রকমারিপড়ুয়াতে।