প্রজেক্ট নাম্বার এতো

jewish_conspiracy

ইহুদীদের অনেক প্রজেক্ট আছে। মুসলমানদের ভেতর। প্রজেক্ট ম্যানেজাররা এক একজন জীবন্ত দরবেশ। কিভাবে বুঝবেন এসব দরবেশ যে ইহুদিদের প্রডাক্ট? সাধারণ মুসলমানদের জন্য তাদের ধরা খুব কঠিন। এরা আপনাকে ঈমানের কথা বলবে, আখিরাতের কথা বলবে। তাহলে কিভাবে চিনবেন তাদের?

(১) যখন দেখবেন তারা ইসলামের একটা বিকৃত রূপকে উপস্থাপন করছে ইসলামের নাম দিয়ে।

প্রথমে কুরআন ও সুন্নাহকে মাত্র একটু বিকৃত করে এবং বলে দ্বীনের স্বার্থে করা হয়েছে। অল্প কয়েকদিন পরেই তারা একটা বিকৃত ইসলাম উপহার দেয়।

(২) যখন দেখবেন ইসলামের নাম দিয়ে তারা তাদের দলের দিকে মানুষকে ডাকছে। তারা বলবে তোমাকে এই এই করতে হবে। এই এই জায়গায় তোমার সময় ও সম্পদ ব্যয় করতে হবে। তারপর একটা মূলো ধরিয়ে দিবে। সেটা চল্লিশ দিন হতে পারে, চল্লিশ বছর হতে পারে।

শিয়া হল ইহুদীদের একটি পুরনো প্রজেক্ট।

যারা সুন্নী তাদের মধ্যে অনেক সাব প্রজেক্ট আছে। যারা বিকৃত ইসলামের দিকে মানুষকে ডাকে। এবং ডাকে নিজেদের দলের দিকে। কৌশলে। অতি কৌশলে।

তাবলীগ জামাত, জামায়াতে ইসলামী, চরমোনাই পীর, আইএস, আল-কায়েদা, আহলে হাদীস, মাদ্রাসা, মডারেট ইসলাম, ওহাবিজম এগুলো সবই সাব প্রজেক্ট। হক্বের অতি কাছাকাছি বা অতি সদৃশ দেখে মানুষ মনে করে আসলেই হক্ব। যদিও কিছু ক্ষেত্রে হক্ব দিয়েই সম্ভবত শুরুটা হয়। ধীরে ধীরে ইহুদীদের অনুপ্রবেশ ও হ্যাকিং শুরু হয়।

সব প্রজেক্টে লাভও আছে, লসও আছে। তাবলীগ জামাত ও মাদ্রাসা প্রজেক্ট দু’টিতে তাদের লাভও বেশী হয়েছে, লসও বেশী হয়েছে।

হাজার হাজার লাখ লাখ মানুষ ইসলামের বেশ ভালো একটা ফ্লেভার পেয়েছে। আবার হাজার হাজার লাখ লাখ মানুষ অপভ্রংশ ইসলামকে আসল ইসলাম মনে করেছে।

সম্ভবত, তবলিগ জামাত প্রজেক্টের প্রয়োজনীয়তা ওদের কাছে ফুরিয়েছে। তাই এই অধ্যায়কে তারা শেষ করতে চাইছে। জাল গুটাচ্ছে। ইসলামের ফ্লেভার দিতেও তারা আগ্রহী নয়।

আগে ভাবতাম কুরআনের এতো বেশী সংখ্যক স্থানে ইহুদীদের শয়তানীর বর্ণনা কেন? কেন বনী ইসরাঈলের এতো আলোচনা ?

আসলে,

ইহুদীদের ষড়যন্ত্র এমন যেন পাহাড়কে টলিয়ে দেয়।

সমালোচনা

এ লেখাটি এখানে শেয়ার করার কারণ হল এই পোস্টটিতে বাংলাদেশের একজন মূলধারার আলেমের (শাইখুল হাদিস আল্লামা আজিজুল হক রহ.) শিয়াদের বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দর্শন আছে যা শায়খ ইমরান নযর হোসেনের দর্শনের অনুরূপ। আল্লাহতায়ালা বিতর্কিত বিষয়গুলোতে আমাদের সঠিক পথ প্রদর্শন করুন।

লিখেছেনঃ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

সমালোচনা…
—–
[[ক.]]
আমাদের উস্তাযরা কখনো চাইতেন না আমরা বড়দের সমালোচনায় অভ্যস্ত হয়ে উঠি। যেসব মুরব্বিদের সামনে আমরা দেখার মত দেখতে শিখেছি, দুনিয়াকে দুনিয়া, আখিরাতকে আখিরাত হিসেবে চিনতে শিখেছি তারা কখনো আমাদেরকে শিখাননি যে, “ভিন্নমতপোষণকারী বড়দের গালিগালাজ করলে আল্লাহ খুশি হয়!”
.
[[খ.]]
আচ্ছা একটা উদাহরণ দেয়া যাক, আপনি হয়তো জানেন রাজশাহীর পরিবেশ ঢাকার মত না, আইমিন জামাতে সমালোচনার ব্যাপারে ঢাকা চট্টগ্রাম এর উলামাদের যেমন বলতে দেখা যেত রাজশাহীতে তেমনটা ছিলোনা। (এখনকার হিসেব তো পুরোই আলাদা, আল্লাহ আমার ওই ভাইদের হিফাজত করুক গোমরাহি এবং জুলুম থেকে)
তো রাজশাহীর এই বৈরি পরিবেশেও আমার প্রিয় এক উস্তায মাঝেমাঝে জামাতের ভ্রষ্টতার ব্যাপারে দুচার কথা বলতেন, অন্য ক্লাসের খবর জানিনা। কিন্তু সবচে পুরাতন ব্যাচ হিসেবে আমাদের সামনে অনেক কিছুই বলতেন।
তো শাহবাগীয় সভ্যতার যুগে 😜 একবার শোনা গেলো সাঈদি সাহেবের চেহারা নাকি চাঁদে দেখা গেছে! আমরা এটা নিয়ে অনেক হাসাহাসি করলাম, একজন আরো একধাপ এগিয়ে কম্পিউটার রুমে চলে গেল!
ইলাস্ট্রেটর দিয়ে চাঁদ ও সাঈদি সাহেবের ছবি মার্জ করে ট্রল বানিয়ে ফেললো!! এই সবকিকিছুই ঘটেছিলো সেদিন সকাল ৭টার আগে..
৭টা থেকে আমাদের ক্লাস, প্রথম ঘন্টা “আল ফিকহুল মুয়াসসার” কিতাবের, উপরে বলা সেই উস্তাযের ঘন্টা.. আমাদের এক সহপাঠী অনাবাসিক থাকতো সেও নাকি দেখেছে!! এটা নিয়ে আমরা ক্লাসে হাসিঠাট্টা করছি.. এমন সময় হুজুর আসলেন..
– এত হাসি কিসের??
— হুজুর! সাঈদি সাহেবকে নাকি চাঁদে দেখা গেছে… আমরা সবাই হাসতে হাসতে বললাম
– তাই নাকি? আজ রাতের ঘটনা?
— জ্বি হুজুর! **বায়দা ভাই নাকি দেখেছে!!
– কিরে **বায়দা? কাহিনী কি?
— হুজুর ফজরের সময় আমার বোন জার্মানি থেকে ফোন করেছিল, ওর কথা শুনে আমি বাহিরে এসে দেখলাম… দেখে ওরকমি মনে হলো..
(আমরা হাসছিলাম, আর ভাবছিলাম হুজুরও হয়তো আমাদের সাথে হাসিতে যোগ দিবে..কিন্তু)
হুজুরকে একদম চুপ দেখলাম… বললেন…
.
– একজন আলেমকে যদি আল্লাহ সম্মানিত করতে চান তাহলে তোমার-আমার কি বলার আছে….
.
.
[[গ.]]
আরেকদিনের ঘটনা, তখন আমাদের নাহবেমির ক্লাস চলছে। মুহতামিম সাহেব হুজুর ক্লাস নিচ্ছেন। কথাপ্রসঙ্গে শিয়াদের কথা উঠলো.. তখন হুজুর সংক্ষেপে একটা ঘটনা শোনালেন…
.
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট রাফসানজানী একবার বাংলাদেশে আসবে বলে কথা হচ্ছিলো… তখন কিছু উলামায়ে কিরাম তার ব্যাপারে ফতওয়া লিখে সাক্ষর যোগাড় করছিলেন… সব ঠিকঠাক চলছিলো.. মাঝে বাধ সেধে বসলেন শাইখুল হাদিস আজিজুল হক রহ.
উনি সেই ফতওয়ায় সাইন করবেন না!
আজিব! তাহলে কি উনি শিয়াদের কাফের মনে করেননা? রক্তগরম তরুণ কিছু আলেম গিয়ে হজরতের সামনে হাজির!! হুজুর আপনি ফতওয়ায় সাইন করছেননা কেন?
.
শাইখুল হাদিস সাহেব ব্যাখ্যা করলেন- “দেখো! একটা আক্বিদা কুফরি কি না.. এটা বলা সহজ! তুমি কোরআন হাদিস দেখে সহজে বলতে পারবা এটা কুফরি আক্বিদা এটা ইসলামি আক্বিদা, এই এই আক্বিদা যারা রাখবে তারা কাফির। কিন্তু একজন ব্যাক্তির ওপর যখন তুমি কুফরির ফাতওয়া দিবা (যে প্রেসিডেন্ট রাফসানজানি কাফের) তখন তোমাকে অনেক কিছু খেয়াল রাখতে হবে, সে শিয়া ঠিক আছে মানছি। কিন্তু আমার তো জানা নাই যে, সে ব্যক্তিগতভাবে শিয়া ধর্মের কুফরি আক্বিদাগুলোয় বিশ্বাসী কি না….
সবচে বড় কথা হচ্ছে, রাসুল সা. এর কথা অনুযায়ী তুমি যাকে কাফির বলবা সে আসলেই কাফির না হলে, এই কুফরির ফাতওয়া তোমার ওপরেই ফিরে আসবে! অতএব…..”
শাইখুল হাদিস সাহেবের কথাশুনে এবার সবাই খামোশ!! বিস্তারিত পড়ুন

ভ্রাতৃত্ব

‘বাইতুল্লাহর মুসাফিরে’র পর গত কয়েকটা দিন ‘বাইতুল্লাহর ছায়া’য় একটা সুন্দর স্বপ্নের ভিতর ডুবে ছিলাম। ফেসবুকে আসার কথা মনেও হয়নি। লেখকের সাথে হেঁটে বেড়িয়েছি মাতাফে, উম্মে হানীতে, পান করেছি আবে যামযাম, রামী করেছি জামারায়, আরাফায় আমিও কেঁদেছি, লেখকের সাথে আমিও লাভ করেছি হাফেজ্জী হুযুরের কিছু সোহবত। ঐ যে নাবীজী ছাল্লাল্লাহু য়ালাইহিস সালাম সফরের লোকদের বলেছিলেন, মদীনার কিছু লোক তোমাদের সঙ্গী হবে, তোমরা যে যে উপত্যকা পাড়ি দেবে, তারাও …। অথচ তাদের জিসিম থাকবে মদীনায়।
 
কয়েকদিন পর ফেসবুকে এসে দেখি ঘটে গেছে আরও কিছু ঘটনা। সোমালিয়ায়, জাপানে, কল্যাণপুরে আরো কিছু প্রাণহানি। চীন সাগর কৃষ্ণসাগরে নাকি টানটান উত্তেজনা। আবারও কোথায় যেন বের হয়েছে ফ্লাইং সসার্স। চোখ বুলিয়ে যাই ঘটনাপ্রবাহে।
 
আবারও বিতর্ক বিভিন্ন পোস্টে। শিয়া, সুন্নী, সৌদি রাজা, রাশিয়া, রূম, অর্থোডক্স, তুরস্ক, আমেরিকা ইত্যাকার পরিচিত ভোকাবুলারি। আবারও নিজ নিজ মতের উপর অন্ধবিশ্বাস ও যুক্তির প্রলেপ। বিরুদ্ধ মতকে হেয় করা। যতভাবে পারা যায়।
 
নাহ, ফেসবুক আমার জন্য নয়, আমিতো পারবোনা শিয়াদের কাফের ফতোয়া দিতে যতক্ষণ না পুরো মুসলিম উম্মাহয় এই ইজমা হয় যেমন হয়েছে কাদিয়ানীদের ক্ষেত্রে। আমি জানি আমাদের আকাবীররা ইরাক ইরানের ভ্রাতৃঘাতী যুদ্ধ থামানোর জন্য কেমন দৌড়ঝাঁপ করেছেন। কিন্তু সফল হয়নি আমাদের কোন কোন মাওলানাদের জন্য যারা নিজের অজান্তে ইহুদীদের ঘুঁটিতে পরিণত হয়েছিলেন।
 
আমি পারবোনা সূরা মায়েদার ৫১ আয়াত অনুসারে সৌদি রাজাদের কাফের ফতোয়া দিতে যে যারা ইহুদী খ্রিস্টানদের সাথে বন্ধুত্ব করে …। আমি মনে করতে চাই, আয়াতটি মুসলমানদের পররাষ্ট্র নীতিকে নির্দেশ করে, কিন্তু কোনভাবেই ইহুদী খ্রিস্টানদের সাথে বন্ধুত্বকারীদের ঈমানকে খারিজ করে দেয় না।
 
আচ্ছা, নবীজী তো সমস্ত মুনাফিকদের চিনতেন। কিন্তু একমাত্র হোযায়ফা রাযি ছাড়া আর কারো কাছে প্রকাশ করেন নি কেন? কেন মদিনার মুসলমানরা অন্য ব্যক্তি মুনাফিক কি না তা জানতে আগ্রহী হওয়ার চেয়ে নিজের নাম মুনাফিকের লিস্টে আছে কি না তা জানতে ব্যাকুল ছিলেন !!
 
আমি মনে করতে চাই, সুন্নী হোক, শিয়া হোক, কুর্দী হোক বা সৌদি রাজা হোক এরা সকলেই আমার মুসলিম ভাই। ভাইরাতো শুধু নিজেরা নিজেদের উপর জুলুম করে, মাঝখান থেকে লাভবান হয় ইহুদীরা।

ঐক্যের পথ

অনেক দিন পূর্বে কাজের ফাঁকে এক বিরতিতে আমাদের মধ্যে শিয়া সুন্নী নিয়ে কথা উঠল। আমাদের কেউ একজন বলে বসল শিয়ারা কাফের। হ্যাঁ, অনেক আলেম আমাদের এই শিক্ষা দিয়েছে, যে ব্যক্তি তাদের কাফের বলবে না সেও কাফের। অতঃপর আড্ডায় নানাজন নানামত দিতে লাগল। সেখানে আমাদের এক বড় ভাই বসা ছিলেন, তিনি এমনিতে নীরব থাকেন, তাবলীগ জামাতে সময় দেন। এসব আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে চান না মনে হয়। কিন্তু সবাই তাকেই ধরল ফায়সালার জন্য। তিনি একটি সুন্দর কথা বললেন যা আমি মাঝে মাঝে মনে করি। তিনি বললেন, আমাদের ঈমানী কালেমা হল, লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ। আমরা মানুষকে এ কালেমার দাওয়াতই দেই। যে ব্যক্তি এই কালেমায় বিশ্বাস করবে সে মুসলমান, তাকে আমরা কাফের বলতে পারব না। তিনি বললেন, কাজেই কে শিয়া কে সুন্নী আমি চিনি না, আমার জানারও প্রয়োজন নেই। যে ব্যক্তি এই কালেমায় বিশ্বাস করবে সে মুসলমান, অবশ্যই মুসলমান। পৃথিবীর কোন মুফতী তাকে কাফের বলতে পারবে না। এই কালেমার ভিত্তিতে নির্ধারণ হয় কে মুসলমান, কে কাফের। বিভক্তির হাজারো পথ আছে, কিন্তু ঐক্যের পথ একটিই কে এই কালেমায় বিশ্বাস করে।

শিয়ারা কি কাফের ?

মূলঃ আল্লামা ইমরান নযর হোসেন

অনুবাদঃ বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

প্রথম কথা হইল কাউকে কাফের ঘোষণা করিবার পদ্ধতি কি ? তাহা হইল প্রথমে কোরআন-হাদীসে অসাধারণ যোগ্যতা সম্পন্ন এমন একজন আলেমকে দ্বায়িত্ব দিতে হইবে ফাতওয়া দেওয়ার জন্য যাহার যোগ্যতার ব্যাপারে কাহারো কোন সন্দেহ নাই । তিনি কোরআন-হাদীসের ভিত্তিতে কাফের ফতোয়া দিলে সেই ফতোয়াকে সমগ্র মুসলিম উম্মাহ ঐক্যবদ্ধভাবে গ্রহন করিয়া নিবেন । এই ফাতওয়ার ব্যাপারে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ইজমাহ অর্থাৎ একমত হইতে হইবে । আর তখনই কেবল সেই ব্যক্তি বা দলকে কাফের হিসাবে গণ্য করা যাইবে । যেমনটা হইয়াছে কাদিয়ানীদের ক্ষেত্রে । কিন্তু শিয়াদের ক্ষেত্রে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে এমন কোন ইজমাহ বা ঐক্যমত্য সৃষ্টি হয় নাই । বিগত চৌদ্দশত বছরে পবিত্র মক্কায় অগণিত সুন্নী শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছিলেন কিন্তু কোন সুন্নী শাসকরাই শিয়াদেরকে হজ্জ করিতে নিষেধ করেন নাই । কাজেই আমাদের শিয়া ভাইয়েরা কাফের নয় বরং নিশ্চিতভাবেই মুসলিম । অনেকে বলিয়া থাকেন যে, ইমাম গাজ্জালী শিয়াদেরকে কাফের ফতোয়া দিয়াছেন । উত্তরে আমি বলিব শর্ত একটাই । আর তাহা হইল কত বড় ব্যক্তিত্ব ফাতওয়াহ দিয়াছেন তাহা বিবেচনার বিষয় নয় বরং দেখিতে হইবে যে মুসলিম উম্মাহ ঐক্যবদ্ধভাবে সেই ফতোয়া গ্রহন করিয়া নিয়াছেন কিনা । যাহারা মনে করেন শিয়ারা কাফের তাহাদেরকে বলিব শিয়াদেরকে যদি কাফেরই মনে করেন তাহলে তাহাদের হজ্জ করা বন্ধ করেন না কেন ? কাফেরদের জন্য তো হজ্জ করার অনুমতি নাই । সুতরাং কথায় কথায় শিয়াদেরকে কাফের বলিবার মতো ফালতু কাজ বন্ধ করেন । অন্যথায় আপনি নিজেই কাফের হইয়া যাইবেন । আল্লাহর নবী (সাঃ) ভবিষ্যতবাণী করিয়া গিয়াছেন যে, আখেরী জামানায় তোমরা রুমের সাথে জোট বাধিবে । আর রুম বলিতে মহানবী (সাঃ) লন্ডন বা ওয়াশিংটনের খ্রীষ্টানদের বুঝান নাই । কেননা রাসুলে পাক (সাঃ) যুগে এগুলোর কোন অস্তিত্বই ছিল না । রুম বলিতে নবী করীম (সাঃ) কনন্সট্যান্টিনোপোল ভিত্তিক বাইজান্টাইন অর্থোডক্স খ্রীষ্টানদেরকে বুঝাইয়াছেন যাহাদের বর্তমান নেতা হইল রাশিয়া । বর্তমানে একমাত্র শিয়া ইরানই নবীজির (সাঃ) ভবিষ্যতবাণী অনুযায়ী রাশিয়ার সাথে জোট বাধিয়াছে, কোন সুন্নী মুসলিম দেশ কিন্তু এই কাজে করিতে পারে নাই । সুন্নীরা বর্তমানে যায়োনিষ্টদের এজেন্ট হিসাবে কাজ করিতেছে । গতবছর আমি ইরানে মুক্তচিন্তার গবেষকদের এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশগ্রহন করিয়াছিলাম । সেখানে আমি যেসব কথা বলিয়াছি তাহা যদি সুন্নী দেশ সৌদী আরবেও বলিতাম তবে আমাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার অথবা দেশ হইতে বহিষ্কার করা হইত । কিন্তু ইরানীরা আমাকে গ্রেফতারও করে নাই আর আমাকে কথা বলিতেও বাধা দেয় নাই । বরং তাহারা আমাকে অনেক সম্মানের সাথে গ্রহন করিয়াছে । ইরানের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদেনিজাদের সাথে আমার খোলামেলা দীর্ঘ আলাপ হইয়াছে । তিনি খুবই ভালো মানুষ এবং একজন জ্ঞানী ব্যক্তি । পৃথিবীর সমস্ত টাকা দিয়াও কেউ তাহাকে কিনিতে পারিবে না । আমি সেমিনারে বলিয়াছি যে, দাজ্জালের একমাত্র স্বপ্ন মুসলমানদেরকে শীয়া-সুন্নী দুই দলে ভাগ করিয়া গৃহযুদ্ধ বাধাইয়া দেওয়া । আর তাহা হইলে সে বিনা পরিশ্রমে মুসলমানদেরকে ধ্বংস করিতে পারে । যায়োনিষ্টদের এই স্বপ্নকে ব্যর্থ করিবার জন্য শীয়া-সুন্নী দুই দলকেই কিছু দ্বায়িত্ব পালন করিতে হইবে । প্রথমে সুন্নীদেরকে “শীয়ারা কাফের” এই জাতীয় ফালতু কথা বলার অভ্যাস ছাড়িতে হইবে । দ্বিতীয়তঃ শিয়াদেরকেও কিছু হোমওয়ার্ক করিতে হইবে । আমরা সকলেই বিশ্বাস করি যে, যেই কথা কোরআনে উল্লেখ নাই তাহা কখনও ইসলামের মূলভিত্তি হইতে পারে না । কেননা হাদীস আমাদের ধর্মগ্রন্থ নয় বরং হাদীস হইল আমাদের ধর্মগ্রন্থের ব্যাখ্যা গ্রন্থ । আপনারা কোরআন থেকে প্রমাণ করে দেখান সেখানে কোথায় বলা আছে যে নেতৃত্ব বা খেলাফত একই পরিবারে সীমাবদ্ধ থাকিবে বা নবীজির (সাঃ) পরে আলী (রাঃ) খলিফা হইবেন । যদি প্রমাণ করিতে না পারেন তবে আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) , ওমর ফারুক (রাঃ) , ওসমান গনি (রাঃ) জোরপূর্বক খলিফা হইয়াছেন এই জাতীয় ফালতু কথা বলা ছাড়েন । হ্যাঁ, আমি অনেক শীয়াকে হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রাঃ) -এর নামের সাথে রাদিয়াল্লাহু আনহু বলিতে নিজের কানে শুনিয়াছি ।

ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মুসলমানদের জন্য সতর্কবাণী

Maulana Sheikh Imran Nazar Hosein

Maulana Sheikh Imran Nazar Hosein

মূলঃ

আল্লামা ইমরান নযর হোসেন

অনুবাদঃ 

বশীর মাহমুদ ইলিয়াস

নভেম্বরের মধ্যেই মালহামা/ আরমাগেডন/ ৩য় বিশ্বযুদ্ধ

মহানবীর (সাঃ) ভবিষ্যবাণীকৃত মালহামা (মহাযুদ্ধ) এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে । অথচ আমরা কোরআন না পড়িবার কারণে হালুয়া রুটি খাইতেছি আর নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । কোরআন পড়া কোন জরুরি কাজ নয় । ছেলেকে অক্সফোর্ডে পাঠাইয়াছি কমপিউটার সাইন্স পড়িবার জন্য । সেটা বেশী জরুরি । এই হইল এখন মোহাম্মদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা । মালহামাকে (মহাযুদ্ধ) তাহারা বলে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ । কিন্তু ইহা প্রথম বিশ্বযুদ্ধ বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো হইবে না । ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ, হাজার হাজার এটম বোমা ইহাতে বিস্ফারিত হইবে । ইহার তুলনায় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকে মনে হইবে চিনাবাদামের মতো । সেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ এখন নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছি । খুব সম্ভবতঃ নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই তাহা শুরু হইবে । কারণ ট্রাম্প তাহাদের (যায়োনিষ্টদের) জন্য হুমকি হইয়া দাঁড়াইতে পারে । যখনই পাকিস্তানে কোন শক্ত মেরুদন্ডের শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । যখনই আমেরিকায় কোন যোগ্যতাসম্পন্ন শাসক ক্ষমতাশীন হইয়াছে তাহারা (যায়োনিষ্টরা) তাহাকে হত্যা করিয়াছে । এজন্য তাহারা কেনেডীকে হত্যা করিয়াছে (তাহাদের নির্দেশ মতো চলিতে অস্বীকার করিবার কারণে) । ব্রিটিশ জনগণ এখন আর ব্রিটেনের সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । আমেরিকার জনগণ এখন আর আমেরিকান সরকারকে নিয়ন্ত্রণ করে না । কাজেই ট্রাম্প যদিও মাঝে মাঝে বোকার মতো কথা বলে কিন্তু সে প্রমাণ করিয়াছে যে তাহার স্বাধীনভাবে চিন্তা করিবার শক্তি আছে । সে কাহারো ইশারায় চলে না । ডোনাল্ড ট্রাম্প বলিয়াছেন যে, আমি একজন ব্যবসায়ী । রাশিয়ার সাথে আমরা শত্রুতা করিব আর এই সুযোগে রাশিয়ার সাথে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য একচেটিয়া চীন দখল করিয়া নিবে তাহা হইতে পারে না । কাজেই তাহারা (যায়োনিষ্টরা) যাহা করিবার নভেম্বরের ৪ তারিখের পূর্বেই করিয়া ফেলিবে । কেননা সেদিন আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন । মালহামা নাকের ডগায় আসিয়া পড়িয়াছে অথচ আলেম-ওলামাদের মুখে কিছুই শোনা যায় না । আমরা হালুয়া রুটি খাইয়া নাক ডাকিয়া ঘুমাইতেছি । এই হইল মোহাম্মাদ (সাঃ)-এর উম্মাতের অবস্থা ! তাহারা চিনাবাদাম নিয়া জিহাদ করিতেছে ।

তিন মাসের খাবার পানি সংগ্রহ করিয়া রাখুন

তিন মাসের খাবার পানি সংগ্রহ করিয়া রাখুন রাসুলাল্লাহ (সাঃ) আমাদেরকে জানাইয়াছেন যে, একটি ভয়ঙ্কর মহাযুদ্ধ সংঘটিত হইবে যাহাতে যুদ্ধরত সৈন্যদের শতকরা ৯৯ জন নিহত হইবে । প্রচলিত গতানুগতিক যুদ্ধে কখনও শতকরা ৯৯ জন নিহত হয় নাই, ইতিহাসে এমন কোন যুদ্ধ সংঘটিত হয় নাই । সুতরাং যেই যুদ্ধটি আসিতেছে তাহা এমন যুদ্ধ হইবে যাহার সাথে মানবজাতি কখনও পরিচিত নয় । আমরা বলি ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধ অর্থাৎ ইহাতে ব্যাপক গণবিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহার করা হইবে । একমাত্র এই ধরনের যুদ্ধেই দুই পক্ষের শতকরা ৯৯ ভাগ লোকের মৃত্যুর সম্ভাবনা আছে । যাহারা আমার এই ইন্টারভিউ শুনিতেছেন তাহারা সাবধান থাকিবেন, তাহাদেরকে সচেতন করা আমাদের কর্তব্য । এমন একটি যুদ্ধে সাধারণত খাবার, পানি এবং জ্বালানির সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংস হইয়া যাইবে । বড় বড় শহরগুলোতে যাহারা বসবাস করেন তাহারা যুদ্ধের পরে দেখিতে পাইবেন অরাজকতা, লুটপাট, ডাকাতি, খুনাখুনি । ইহা হইবে পারমাণবিক যুদ্ধে বাঁচিয়া যাওয়া মানুষদের জীবন বাঁচানোর চেষ্টার কারণে । সুতরাং আপনাদেরকে বড় বড় শহরগুলো ত্যাগ করিয়া গ্রাম অঞ্চলে চলিয়া যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকিতে হইবে । দ্বিতীয় কথা হইল আমাদের নিজের এবং স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য পর্যাপ্ত খাবার, পানি এবং জ্বালানি যেমন মোমবাতি সংগ্রহ করিয়া রাখা উচিত । আমার মতে অন্তত তিন মাস জীবন ধারণের মতো মওজুত থাকা উচিত । আমি কয়েক দিন আগে মার্কেটে গিয়া খাবার কেনাকাটা শুরু করিয়াছি বিশেষত কৌটাজাত খাবার । পানির ব্যাপারে আমাদেরকে পার্থক্য নির্ণয় করিতে হইবে, কোনটা পান করিবার জন্য এবং কোনটা রান্নাবান্না আর শৌচক্রিয়ার পানি । পান করিবার পানি সাধারণত প্লাস্টিকের বোতলের পরিবর্তে বরং কাচেঁর বোতলে সংরক্ষন করা উচিত । আমরা জানি না পারমাণবিক যুদ্ধ সংঘটিত হইলে পারমাণবিক রেডিয়েশানে প্লাষ্টিকের বোতলের কি অবস্থা হয় । তবে কাঁচের বোতল রক্ষা পাইবে বলিয়া আমরা আশা করিতে পারি । বড় বড় বোতলে পানি সংরক্ষণের চাইতে ছোট ছোট বোতলে পানি মওজুত করা উচিত । কেননা একটি বড় বোতল ভাঙিয়া গেলে আপনি দশ বিশ লিটার পানি হারাইয়া ফেলিবেন । পানির বোতলগুলি এমন জায়গায় সংরক্ষন করা উচিত যাহাতে বিল্ডিং ভাঙিয়া পড়িলেও বোতলগুলি অক্ষত থাকে । বিস্তারিত পড়ুন

শিয়াদের ধর্মগুরু, ইয়াহুদি ইবনে সাবার বায়োগ্রাফি – ২য় পর্ব

লিখেছেন: কুতায়বা আহসান

১ম পর্ব পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন

ইবনে সাবা মিশরে

দামেশক থেকে তাড়া খেয়ে ইবনে সাবা মিশরে চলে আসে। বিভিন্ন ঘাটের তিতা-মিঠা পানি খেতে খেতে সে অধিকতর পরিণামদর্শী হয়ে উঠেছিল। দুধ-পাত্র থেকে চুরি করে সরখাওয়া বিড়ালের মতো সতর্ক পা ফেলতে অভ্যস্ত হয়ে উঠেছিল।

এমনিতেই মিশরীয় জনগণ এবং মিশরে অবস্থানরত আরবদেরও বিরাট এক অংশ গভর্ণর হযরত আব্দুল্লাহ বিন সা’দ এর উপর অসন্তুষ্ট ছিল। কারণ তাঁর স্বভাবে ছিল কিছুটা খোদমুখতারি ভাব। তাছাড়া রাজনীতিতেও তিনি সাবেক গভর্ণর হযরত আমর ইবনুল আস রাযি. এর মতো ঝানু ছিলেন না। তদুপরি আফ্রিকা আর ত্রিপোলির নিরাপত্তাভাবনা, রোমানদের উপর্যুপরি আক্রমণ প্রতিহত করার পাশাপাশি জেগে উঠা বিদ্রোহদমনের ঝামেলা, তাঁকে প্রায় অবসরহীন করে তুলেছিল।

ফলে অভ্যন্তরীণ বিষয়াদিতে কড়া নজর রাখার মতো ফুরসতও তাঁর ছিল না। ইবনে সাবা পরিস্থিতিটাকে মোক্ষম সুযোগ জ্ঞানে মানুষের সেন্টিমেন্টকে কাজে লাগিয়ে তার মিশনে ঝাপিয়ে পড়ে। মদীনা থেকে নিরাপদ দূরে থাকার কারণে বসরা আর কুফার মতো আশংকারও তেমন কিছু ছিল না। তাই মিশরকেই হেডকোয়ার্টার বানিয়ে নিয়ে বসরা আর কুফায় রেখে আসা তার সাঙ্গ-পাঙ্গদের সাথে পত্র যোগাযোগ গড়ে তুলে। মিশরে পৌঁছেই ইবনে সাবা ব্যাপকভিত্তিক কাজে হাত দেয়।

মিশরের জীবনটা ঝুঁকিমুক্ত মনে করে সে তার বিভ্রান্তি প্রচারের পাশাপাশি ইসলামের সমান্তরালে আরেক নতুন ধর্মমত (অথচ বাহ্যদৃষ্টিতে পৃথক কোনো ধর্মমত হিসেবে দৃশ্যমান নয়) আবিস্কারের দিকে মনোযোগী হয়।

সে তার প্রবর্তিত ধর্মটির ভিত্তি দু’টি বিষয়ের উপর স্থাপন করে।
একটি হচ্ছে— “মুহাব্বাতে আহলে বায়ত ও মুহাব্বাতে আলী”, আর
অপরটি হচ্ছে— “মাসআলায়ে ইমামত”।

এ বিষয় দুটি প্রতিষ্ঠা করতে যেয়ে তাকে যতো মিথ্যার আশ্রয় নিতে হয়েছিল সবগুলোকেই তার ধর্মমতের এক একটা গুরুত্বপূর্ণ আকীদায় রূপান্তর করে নেয়।

মুহাব্বাতে আহলে বায়তের দাবী থেকে জন্ম দেয় ইমামতবাদের আর মুহাব্বাতে আলীর দাবী থেকে জন্ম দেয় আলী রাযি. এর প্রভু হবার আকিদার।

পাঠক! নুসায়রী শিয়া, যারা হযরত আলী রাযি. কে খোদা বলে বিশ্বাস পোষণ করে থাকে, যাদের একটি দলকে হযরত আলী রাযি. জ্বালিয়ে হত্যা করেছিলেন, তাদেরও ধর্মগুরু ছিল এই ইবনে সাবা।

ইমামতবাদ প্রচার করতে যেয়ে প্রথমেই তাকে খেলাফত ব্যবস্থার সাথে টক্কর খেতে হয়, সুতরাং সে দাবী করে বসে প্রিয় নবীর সা. ইন্তেকালের পর আলী রাযি.ই ছিলেন প্রথম ইমাম তথা খলিফা, কিন্তু সিদ্দীকে আকবার ও ফারুকে আযম সমঝোতার ভিত্তিতে তা ছিনিয়ে নেন। এবং সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান খলিফাও ঐ আসনে। ইনিও জালেম। এরা এবং যারা এদের অনুসরণ করছে তারা সত্য থেকে প্রত্যাবৃত্ত হবার কারণে মুরতাদ হয়ে গেছেন। বর্তমান খলীফাকে হঠানো উম্মাহর উপর ওয়াজিব। (নাউযুবিল্লাহ)

শিয়া আলেমদের দৃষ্টিতে ইবনে সাবা

শিয়াদেরকে যদি ইবনে সাবা সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয় তাহলে তারা বিব্রত হয়ে পড়ে। তেঁতো সত্যটা যেমন গিলতে পারে না তেমনি ফেলতেও পারে না। দেখুন ইবনে সাবা প্রশ্নে শিয়াদের কেমন পাশ কাটানোর প্রয়াস।

“আসমাউর রিজাল” শাস্ত্রে “রিজাল কুশী” গ্রন্থটিই হচ্ছে তাদের কাছে সর্বাধিক মুসতানাদ তথা নির্ভরযোগ্য। ঐ কিতাবের ৭১ পৃষ্ঠায় ইবনে সাবা সম্পর্কে বলা হয়েছে— বিস্তারিত পড়ুন