নারী স্বাধীনতা

নারী স্বাধীনতা মানে তালাক প্রাপ্তা ও বিধবা নারীর বিয়ে করার স্বাধীনতা।

নারী স্বাধীনতা মানে বালেগা হওয়ার সাথে সাথেই বিয়ে করার স্বাধীনতা।

নারী স্বাধীনতা মানে নারীদের মসজিদে গিয়ে নামায আদায়ের স্বাধীনতা।

নারী স্বাধীনতা মানে মাহরাম পুরুষ নিয়ে চলার স্বাধীনতা।

নারী স্বাধীনতা মানে হিজাব করার স্বাধীনতা।

নারী স্বাধীনতা মানে পুরুষের দ্বিতীয়া স্ত্রী হয়েও সংসারে সবার আপনজন হওয়ার স্বাধীনতা।

নারী স্বাধীনতা মানে জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি, ইনজেকশনকে লাত্থি মারার স্বাধীনতা।

নারী স্বাধীনতা মানে শয়তানী কপার টি ও গর্ভপাতকে নাউযুবিল্লাহ বলার স্বাধীনতা।

নারী স্বাধীনতা মানে চাকরী বা লেখাপড়া করার জন্য পরপুরুষকে মুখ না দেখানোর স্বাধীনতা।

নারী স্বাধীনতা মানে রান্না করার আগে নিজের নামায পড়ার স্বাধীনতা।

মুসলমানের সম্মান

ঘটনাস্থল জেরুজালেমঃ

হযরত আবু উবায়দা বললেন, তোমরা ভুল বুঝছ, আমাদের খলিফা সে নয় যে উটের উপর বসে আছে আমাদের খলিফা তো সে, যে লাগাম হাতে পায়ে সফর করছে।
.
হযরত উবায়দা (রা), হযরত উমার (রা) কে স্বাগতম জানালেন আর উমার (রা) আগে বেড়ে আবু উবাইদা (রা) এর দুই কাঁধে হাত রেখে বললেন- “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ! হে আবু উবাইদা, আমরা এক অপমানিত জাহিল জাতি ছিলাম। আল্লাহ আমাদের ইসলামের কারনে সম্মান দান করেছেন। যখন পর্যন্ত আমরা ইসলামের উপর থাকবো আমাদের সম্মান কায়েম থাকবে আর যখন ইসলাম বাদ দিয়ে অন্য জায়গা থেকে সম্মান খুঁজবো তখনি আমরা অপমানিত হব।

সেক্যুলার ক্লাসে যেতে হলে কেন আজকে হিজাব খুলে ফেলতে বলা হয় বুঝতে পেরেছেন কেউ?

সেক্যুলার ক্লাসে হিজাবী ছাত্রীদের বিড়ম্বনা..

কাদার মধ্যে মোজা পরে হাঁটলে যেমন পায়ে কাদা ভরবেই, হিজাব পরে মনোবিজ্ঞানের ক্লাসে গেলেও মেয়েদের লাঞ্ছিত হতে হবেই।

বোন, আপনাকে মনোবিজ্ঞানের ক্লাসে যেতে কে বলেছে? হিজাব বা বোরখা পরেই যে সব যাওয়ায় যাওয়া যাবে তা কিন্তু নয়। এক্সট্রিম কন্ডিশনে যদি আপনাকে বাহিরে যেতে হয় সেক্ষেত্রে হিজাব বা বোরখা পরে যেতে হবে। মনোবিজ্ঞান পড়াটা কি আপনার জীবনের জন্য এক্সট্রিম কোন প্রয়োজন?

মনোবিজ্ঞান আপনাকে কেন পড়তে হবে? এর মধ্যে কি আছে? আপনার স্বামীর বা সন্তানের মন বুঝার জন্য আপনাকে মনোবিজ্ঞান পড়তে হবে? আসল কথা হচ্ছে আপনার ক্যারিয়ার দরকার। এজন্যই মনোবিজ্ঞান পড়তে কতগুলো ভুতুমের দলের মধ্যে গিয়েছেন। ইসলাম মহিলাদের ঘরের ক্যারিয়ারে বিশ্বাস করে, অফিসের ক্যারিয়ারে নয়। ইসলাম মহিলাদের সমাজকর্মী বানাতে চায় না।

আপনি কি জানেন, মনোবিজ্ঞান জ্বীনে বিশ্বাস করে না? একজন শিরক ও কুফরিতে আক্রান্ত ব্যক্তিও মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সুস্থ স্বাভাবিক থাকতে পারে। অথচ শিরক হচ্ছে অন্তরের সবচেয়ে বড় ব্যাধি।

মনোবিজ্ঞান সম্পর্কে যদি জানতে চান কুরআন পড়েন। সেখানে ‘অন্তরের ব্যধির’ কথা আছে। কুরআন পড়ে দেখেন মানুষের বিচিত্র মনোজগৎ? কুরআন পড়ে জানতে পারবেন মাদইয়ানবাসীদের মনোজগৎ কেমন ছিল, ফেরাউনের মনোজগৎ, সাবাবাসীদের মনোজগৎ কেমন ছিল। কুরআন পড়ে জানতে পারবেন হযরত মূসা য়ালাইহিস সালামের মনোজগৎ কেমন ছিল, মারইয়াম ও হাজেরার (আ) মনোজগৎ কেমন ছিল।

ওসব ভন্ডদের আখড়ায় গিয়ে বোন ঈমানহারা হয়েন না। ওসব জায়গা মুসলমানদের জন্য নয়। আল্লাহ ওখানে কল্যাণ রাখেন নাই। তারা আপনাকে হিজাব বা বোরখা পরার জন্য ক্লাস থেকে বের করে দিয়েছে। মনে রাখবেন পাপ কিন্তু জিল্লতি ডেকে আনে।

স্মার্ট হিজাবী

আমরা যখন বলি মেয়েদের ঘরে পর্দার মধ্যে রাখা হোক। তখন কিছু ইসলামিস্ট বলে অমুক জায়গার কথিত খিলাফাতে নারীরা বড় বড় কাজ আঞ্জাম দিচ্ছেন। আবার তারা বলে নারীরা যদি ডাক্তার না হয় তবে সিজারের সময় আমাদের মা বোনদের সতর দেখে ভিন্ন পুরুষ। যখনই পর্দার কথা বলা হয় তখনই তারা এসব কথা বলে। কিন্তু সিজারের মাধ্যমে তাদের কয়জন মা সালাহুদ্দীন আাইয়ূবী রহ জন্ম দিয়েছেন। লক্ষ লক্ষ সাহাবী রাযি, তাবিঈন, তাবে তাবিঈনদের জন্মের জন্য তাদের সম্মানিতা মাতাদের ঘরের বাইরে বের হতে হয়নি। এর বিপরীতে আজকের স্মার্ট হিজাবী মায়েরা একজনও কি জন্ম দিয়েছেন সেসব মনীষীদের মতো? অথচ অপারেশনের মাধ্যমে সন্তান জন্ম হওয়া এটিও একটি দাজ্জালী জীবনব্যবস্থার ফল। মুসলিম উম্মাহ এখন আর কোনও সালাহুদ্দীন জন্ম দিতে পারছে না। বীর মুজাহিদদের স্থানে জন্ম দিয়েছে একগাদা ‘মুখান্নাস’। মেয়েলি স্বভাবের পুরুষ। যাদের প্রধান কাজ ঘরের মা বোন স্ত্রীদের বড় বড় কাজ আঞ্জাম দেয়ার জন্য বাহিরে পাঠানো।

বিস্তারিত পড়ুন

হিযাব

আমাদের বাসার সামনে একটি পরিত্যক্ত খানাখন্দে আশেপাশের বস্তি এলাকার ছোট ছোট পিচ্চিরা খেলা করে। গতকাল দেখলাম তিনটা মেয়ে পিচ্চি একেকটার বয়স বছর চারেক হবে অত্যন্ত পুরনো কাপড়ের হিজাব পরে খেলছিল। এতো সুন্দর লাগছিল পোলাপানগুলোরে। সাথে ক্যামেরা থাকলে হয়তো ছবি তুলতাম। বাসা থেকে দৌড়ে গিয়ে ক্যামেরা আনার চিন্তা বাদ দিলাম। কি হবে এসব জিনিস তাদের দেখিয়ে যারা এগুলোর মর্যাদা বুঝে না। এসব জিনিসতো আল্লাহপাকের পক্ষ থেকে মু’মিনদের জন্য প্রশান্তি ছাড়া অন্য কিছু নয়।

আমি মুসলিম, মুসলিমের মতো

লিখেছেন: Jubaer Hossain

যে ব্যাপারটা আমার অত্যন্ত দুঃখজনক মনে হয় সেটা হল কাফির বা ইসলামবিদ্বেষীদের সাথে কথা বলার ক্ষেত্রে আমরা কেন যেন ডিফেনসিভ হয়ে যাই। যেখানে স্বয়ং আল্লাহ্‌ তায়ালা আমাদের সর্বশ্রেষ্ঠ জাতি বলে স্বীকৃতি দিচ্ছেন, সেখানে আমরা কেন কুফফার শক্তির সামনে মাথা উঁচু করে চলতে পারি না, আমার বোধগম্য হয় না।

যেমন “I am a Muslim and I am not a terrorist.” বাক্যটা বহুল প্রচারিত। আমি এ কথাটাকে খুবই অপছন্দ করি। কারণ এর মাধ্যমে যেন আমরা কাফিরদের কাছে করজোরে বলছি-“বিশ্বাস কর আমি টেররিস্ট নই”। এরকম রক্ষণাত্মক আমরা কেন থাকব? টেররিসমের প্রশ্ন হলে “মুসলিমরা সন্ত্রাসী নয়” বলে আত্মপক্ষ সমর্থন না করে আমাদের উচিত কুফফারদের ধ্বংসযজ্ঞ ও হত্যার ইতিহাস, রাজনীতি তুলে ধরে বলা-“সন্ত্রাসীর বাপ তো আপনারা, অন্যকে সন্ত্রাসী বলার আপনি কে??” বিস্তারিত পড়ুন